যুক্তরাষ্ট্রের ডোরাভিল সিটির মেয়র পদে লড়ছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান নাসের

প্রকাশিত:বুধবার, ৩০ অক্টো ২০১৯ ০৩:১০

যুক্তরাষ্ট্রের ডোরাভিল সিটির মেয়র পদে লড়ছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান নাসের

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পুর্বাঞ্চলীয় জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডোরাভিল সিটি কাউন্সিলের মেয়র পদে লড়ছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী এম ডি নাসের। তিন বছর আগে একই সিটি কাউন্সিলের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কাউন্সিলম্যান পদে এই অঞ্চলের মূলধারায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস রচনা করেছিলেন নাসের।

 

আগামী ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার মেট্রো আটলান্টার ওই সিটি কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাথে এক সাক্ষাৎকারে এম ডি নাসের বলেন, “সকলের সহযোগিতায় গত ২০১৫ সালে আমি এই ডোরাভিল শহরের কাউন্সিলম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেবাকাজে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেই মেয়াদ আমি সফলভাবে শেষ করেছি। তাই এদেশের মূলধারার জনগণের সেবা কাজে নিজেকে আরও সক্রিয় করার প্রত্যাশা নিয়ে এবার আমি মেয়র পদে দাঁড়িয়েছি। গতবারের মতো বাংলাদেশি ও অন্যান্য অভিবাসী গোষ্ঠীর ভোটাররা আমাকে ভোট দিলে আমার বিশ্বাস, আমি মেয়র পদেও নির্বাচিত হয়ে জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সক্ষম হবো। এজন্যে আমি এই শহরের বাংলাদেশিসহ সকল ভোটারের সমর্থন কামনা করছি”।

 

এদিকে ডোরাভিলের মেয়র পদে গত আট বছর ধরে দায়িত্ব পালনকারী মহিলা মেয়র ডোনা পিটম্যান এবারও এই পদে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বিদের মধ্যে নাসের ছাড়াও আরও দুইজন হলেন জোসেফ গ্যারমান ও টম হার্ট। এদের মধ্যে জোসেফ ২০১৭ সালে কাউন্সিলম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে স্বপদ থেকে পদত্যাগ করে তিনি এবার মেয়র পদে লড়ছেন। অন্যদিকে টম এক যুগেরও বেশি আগে সিটি কাউন্সিলে ছিলেন, তবে এরপর তিন বার মেয়র পদে নির্বাচনের অংশ নিয়েও জয়ী হতে পারেননি।

 

বিগত আট বছর আগের জনশুমারি অনুযায়ী, ডোরাভিল শহরের জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে দশ হাজার। এর মধ্যে অর্ধেক হিস্পানিক, শতকরা ১৫ ভাগ এশিয়ান, ১১ ভাগ কৃষ্ণাঙ্গ ও বাদবাকি শেতাঙ্গ নাগরিক বাস করেন। তবে এই জনসংখ্যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়ে এশিয়ান ও কৃষ্ণাঙ্গের হার আরও বেড়েছে বলে অনেকেই মনে করেন। আর এই হিসেবকে বিবেচনায় রাখলে এম ডি নাসের অভিবাসীদের অধিকাংশ ভোট নিশ্চিত করতে পারলে জয়ের সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে অনেকের ধারণা করছেন।

 

বাংলাদেশের চট্রগ্রামে বেড়ে ওঠা নোয়াখালীর সন্তান ৩৮ বছর বয়সী নাসের ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং গত বারো বছর ধরে তিনি আইন প্রয়োগকারী সরকারী সংস্থা ডিকাব কাউন্টির শরীফ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যেই তিনি শুরু থেকে বসবাস করছেন। কর্মজীবনের ফাঁকে ফাঁকে মূলধারার জনসেবাসহ বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা কর্মকাণ্ডে সর্বদাই সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন নাসের।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •