রংপুরে শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের সনদ প্রদানের দাবিতে সমাবেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ১২ নভে ২০২০ ০৭:১১

রংপুরে শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের সনদ প্রদানের দাবিতে সমাবেশ

 

জালাল উদ্দিন, রংপুর ॥

করোনাকালে মানবিক বিবেচনায় সময়ক্ষেপণের রিটেন পরীক্ষা মওকুফ করে ভাইবার মাধ্যমে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে সনদ প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন রংপুর বারের শিক্ষানবীশ আইনজীবীরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ রংপুর বারের শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এমসিকিউ উত্তীর্ণ শিক্ষানবীশ আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষানবীশ আইনজীবী রাতুলুজ্জামান রাতুল, হাফিজার রহমান, শাহিনুর রহমান, সাগর তালুকদার, আব্দুল গফুর, রাশেদুল হক রাশেদ, ফেরদৌস ইসলাম, আরিফ হোসেন, শামসুন নাহার কুসুম, তাসমিন লাকি, পারুল আক্তার নন্দিনী দাস,স্বপন রায় প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রতিবছর আইনজীবী তালিকাভুক্তির অন্ততপক্ষে একটি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের নির্দেশনা থাকার পরও নিয়মিত পরীক্ষা হয়নি। প্রায় ৩ বছর পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর আবারো ৮ মাস যাবৎ আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াটি ঝুলে আছে। ফলে সারাদেশে এমসিকিউ উত্তীর্ণ ১২হাজার ৭শ’ ৭৮ জন শিক্ষানবীশ আইনজীবী চরম অনিশ্চয়তায় মানবেতর দিনযাপন করছেন। করোনাকালে সময়ক্ষেপণের রিটেন পরীক্ষা মওকুফের দাবিতে ১শ’৩১ দিন যাবৎ শিক্ষানবীশ আইনজীরা আন্দোলন করে আসছে। নিয়মিত পরীক্ষা হলে কখনোই রিটেন পরীক্ষা মওকুফের দাবি উত্থাপিত হতো না।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, করোনাকালে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অটোপ্রমোশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদান করা হলে শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের একটি যৌক্তিক ও মানবিক দাবি কেন বাস্তবায়িত হবে না। তারা বলেন, আমরা বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষের কাছে বেতন চাই না, ভাতা চাই না শুধু কর্মে প্রবেশের অনুমতি চাই।
এই মানবিক চাওয়াটির বাস্তবায়নে আমাদের আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে। তাই অবিলম্বে সময়ক্ষেপণের রিটেন পরীক্ষা মওকুফ করে ভাইবার মাধ্যমে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে সনদ প্রদানের দাবি জানান।

এই সংবাদটি 1,231 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •