রুমায় আম ও লিচুর  বাম্পার ফলন

প্রকাশিত:শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০ ১২:০৫

রুমায় আম ও লিচুর  বাম্পার ফলন

 

রুমা প্রতিনিধি, বান্দরবান :

রুমায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার ফ্যাক্টরি ও গণপরিবহন গুলো বন্ধ থাকায়  দুই মৌসুমি ফল আম ও লিচুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমের খ্যাত বটতলী পাড়া, বেথেল পাড়া ও মুনলাই পাড়া সহ কয়েকটি পাড়ায় ব্যাপক চাষ হচ্ছে লিচু ও আম। তবে চাষিরা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতির কথা বলছেন। বটতলীতে লিচুতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। নষ্ট হয়েছে কলা, পেঁপে, ভুট্টাসহ অন্যান্য ফল-ফসলও।

 

চাষিরা বলছেন, এ অবস্থায় তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। করোনার কারণে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়েও আছে শঙ্কা।

রুমায় বিভিন্ন গ্রামেগঞ্জে লিচুবাগানগুলোতে রাজধানী ও চট্টগ্রাম শহর থেকে ব্যাবসায়ীরা  করোনা পরিস্থিতিতে পাহাড়ে অঞ্চলে আসতে না পারার চাষীদের  ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রুমায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বটতলী পাড়া,বেথেল পাড়া,ইডেন পাড়া ও বেথেল পাড়ার লিচু চাষিদের।

বটতলী গ্রামের আম চাষি ক্যচিংউ মারমা বলেন, ‘ ঘন ঘন বাতাসে অনেক আম পড়ে গেছে। যেগুলো আছে সেগুলোর বেশির ভাগই বাতাসে কারণে পরে ফেটে যাচ্ছে। এরই মাঝে রুমা উপজেলাসহ সারাবিশ্বে মহামারি করোনা ভাইরাসে আশঙ্কায় গণপরিবহনগুলো যানচলাচল বন্ধ থাকার ব্যাবসায়ীরা আসছে না। তাই চাষীদের ব্যাপক ক্ষতিকারক হয়ে দাড়িঁয়েছে।

লিচু চাষী  লাল থাং জুয়াল বম বলেন, এ বছরে ব্যাপক পরিমানে ক্ষতি হয়েছে। হাটবাজার ছাড়া বিক্রি হচ্ছে না লিচু ফলগুলো। প্রতি বছর চেয়ে এ বছরের বিক্রি করতে না পারা প্রচুর পরিমানে ক্ষতি হচ্ছে।

কৃষি বিভাগে উপ-সহকারী কর্মকর্তা সুতিমল তংচংগ্যা বলেন, রুমায় আম আর লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। রাংগুয়াই জাতের কাচা আম মণ প্রতি ৪০০-৬০০ টাকা করে বিক্রি করতেছে।তবে রাংগুয়াই আমের চাহিদা শুধু চট্টগ্রাম পর্যন্ত সীমাবদ্ধ কারণ এই জাতের আমের মিষ্টিতা অন্যান্য জাতের আমের চায়তে কম।প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পান এই অঞ্চল দিয়ে আঘাত না করায় এতটা ক্ষয়ক্ষতি হয় নি।তবে করোনার কারনে এই পার্বত্যঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা দিয়েছে। দেশি লিচু প্রতি শতে ৮০ থেকে ১২০ টাকায় আর  চায়না-৩ লিচু ২০০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে করোনার কারণে বাইরে থেকে ব্যাপারীরা সরাসরি আসতে না পারায় গত বছরের চেয়ে এ বছরে কৃষকেরা বিভিন্ন কৃষি পণ্যের দাম একটু কম পাচ্ছে।

 

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •