রোয়াংছড়ি অগ্নিকা-ের ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ও ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার, ২৭ জুন ২০২০ ০৯:০৬

রোয়াংছড়ি অগ্নিকা-ের ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ও ত্রাণ বিতরণ

হ্লাছোহ্রী মারমা রোয়াংছড়ি (বান্দরবান) :
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে অগ্নিকা-ের ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৩বা-িল ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। এছাড়া আরো ঢেউটিন ও নগদ অর্থসহ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ,বান্দরবানে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও চেম্বার অব কর্মাস এর পক্ষ থেকেও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। গত শুক্রবার (২৬ জুন ২০২০) বসতঘড়সহ ৭৬টি দোকানপাট আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়েছে। এছাড়া বসতবাড়ি ও দোকানের আংশিক আগুনে পুড়ে গেছে। গতকাল রাতে রোয়াংছড়ি বাজারে আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টায় দিকে এই অগ্নিকা- ঘটনা ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে জমিন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যাসহ ৩জন আহত হয়েছে। আহতের ৩জনের মধ্যে ২জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একজন রোয়াংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাধীন অবস্থা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান রোয়াংছড়ি বাজারে ফার্ম মুরগি ব্যবসায়ী মো: দেলোয়ার দোকান থেকে বৈদ্যুতিক শর্টশার্কিতে মাধ্যমে অগ্নিসূত্রপাট ঘটেছে। অগ্লিকা-ের ঘটনা জানার সাথে সাথে রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স লিডার মংশৈনু মারমা এর নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের সকল সদস্য,রোয়াংছড়ি আর্মি ক্যাম্পে সেনা সদস্য,পুলিশ ও স্থানীয়রা প্রায় এক ঘন্টার আগুন নিবানোর পর নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এ প্রতিবেদন লেখার পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। শনিবার সকালে (২৭ জুন ২০২০) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বৌদ্ধের সর্বোচ্চ গুরু ও রোয়াংছড়ি কেন্দ্রী জীবতবন বিহারে অধ্যক্ষ উ: উইচারিন্দা মহাথেরো, বান্দরবান পৌর মেয়র মো: ইসলাম বীবী,জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানে চহ্লামং মারমা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ক্রইংচিংপ্রু মারমা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মেহেদী হাসান,রোয়াংছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা,পৌর কন্সিলর অজিত কান্তি দাশ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: ময়নুল ইসলাম,রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি বান্দরবান ইউনিটের সিক্রেটারী অমল দাশ প্রমুখ।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •