রৌমারী শত্রুতা ফসলি ক্ষেতে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২০ ১১:০৬

রৌমারী শত্রুতা ফসলি ক্ষেতে

 

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) :
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জমাজমি সংক্রান্ত শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে পাট কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯ জুন (শুক্রবার) রাতের আঁধারে উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের স্লুইজগেট নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) সরেজমিনে গিয়ে এসব চিত্র দেখা গেছে। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আবু সাঈদগং চলতি বোরো মৌসুমে ৭২ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করেন। ওই পাট রাতের আঁধারে প্রায় ২০ শতাংশ জমির পাট কেটে ফেলে। তবে গ্রাম্য শালিসি বৈঠকের রায়কৃত জমির মালিক সাঈদগং প্রতিপক্ষ খঞ্জনমারা গ্রামের নিদু শেখের ছেলে আবু সামা, তার ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক, নুর আলম ও শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে শত্রুতামুলকভাবে পাট কেটে ফেলায় গত ২১ জুন রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

উল্লেখ্য যে, খঞ্জনমারা গ্রামের মৃত কিতাব উদ্দিনের ছেলে মৃত-কলিম উদ্দিন ও সলিম উদ্দিন দুই ভাই। কিতাব উদ্দিনের পালক ছেলে নিদু শেখ। টাঙ্গাইল উপজেলার মৃত-কাশি শেখের ছেলে নিদু শেখ। কিতাব উদ্দিনের দুই ছেলে ও পালক ছেলেকে ১০৫ শতাংস জমি বন্টন করে দেন অনেক আগেই। মৃত্যুর আগে নিদু শেখ তার জমির অংশ সাবুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছেন এবং বাকি অংশ তারই ওয়ারিশগন ভোগদখল করে আসছেন। পরবর্তিতে কলিম উদ্দিন ও সলিম উদ্দিনের ওয়ারিশ সুত্রে আবু সাঈদসহ অন্যান্য ওয়ারিশগণ জানতে পারেন এই জমির মালিক তারাই। উভয়ের ওয়াারিশগণ গ্রামের মাতাম্বরের কাছে বিচার চাইলে গত ২০১৯ সালের শেষের দিকে একটি শালিশি বৈঠক বসেন। বৈঠকে মাতাম্বরগণ ওই জমির উভয় পক্ষের কাগজপত্রাদি দেখে এই জমির মালিক আবু সাঈদগং। ফলে ওই বৈঠকে জুরি বোর্ডে সিদ্ধান্ত মোতাবেক আবু সাঈদগংদের পক্ষে রায় দেন। সেই থেকে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন তারা।

এব্যাপারে আবু সাঈদ বলেন, ওই ৭২ শতাংস জমির মালিক আমরা। শত্রুতা করে আবু সামা ও তার ছেলেরা দলবদ্ধ হয়ে রাতের আঁধারে আমাদের চাষকৃত পাট কেটে ফেলেছে।

অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, উক্ত জমিটা আমাদের। গ্রাম্য মাতাম্বরা তাদের পক্ষে রায় দেওয়ায় আমরা মানি নাই। তাই আমরা কুড়িগ্রাম কোর্টে মামলা দায়ের করেছি। তবে পাট কাটার অভিযোগটি মিথ্যা।

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু মোহাম্মদ দিলওয়ার হাসান ইনাম জানান, পাট কাটার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি 1,231 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •