লকডাউন কী উঠে যাবে? মৃত্যু উপত্যকা নিউইয়র্কসহ আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আশা-হতাশা ঘুরে দাড়ানোর চেস্টা নিউইয়র্কবাসীর

প্রকাশিত: ১:২২ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২০

লকডাউন কী উঠে যাবে? মৃত্যু উপত্যকা নিউইয়র্কসহ আমেরিকায়   করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আশা-হতাশা ঘুরে দাড়ানোর চেস্টা নিউইয়র্কবাসীর

 

এমদাদ চৌধুরী দীপু (১৪এপ্রিল, ২০২০ ইং) নিউইয়র্ক :::::
ছয়লাখ অতিক্রম করেছে আমেরিকায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। মারা গেছেন ২৫হাজার ৯২৪জন,আর সুস্থ হয়েছেন ৩৮হাজার ৬৭৫জন।একদিনের ব্যবধানে আমেরিকায় বেড়েছে মৃত্যু এবং আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে নিউইয়র্কে মারা গেছেন ৭৭৮জন। এখানে প্রতিঘন্টায় মারা যাচ্ছেন ৩২জন। একদিনে আমেরিকায় মৃত্যু ২৩১৪জনের।প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অবনতি আর উন্নতির এই পার্থক্য ধারাবাহিকতার মাঝে ঘুওে দাড়াতে চান নিউইয়র্কবাসী। এই সপ্তাহ এবং আগামী সপ্তাহে মৃত্যু বেশী হলেও আক্রান্তের হার কমে আসবে বলে মনে করেন সংশ্লিস্টরা। তাদেও ধারনা পূরনো রোগী মারা যেতে পাওে তবে নতুন কওে আক্রান্ত কমবে। গতকাল এমন চিত্র দেখা গেছে রাস্তায়। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিস্টান খোলার প্রস্ততি চলছে। রাজ্যে লকডাউন কী উঠে যাবে? লকডাউন উঠে যাবে অথবা উঠে যেতে পাওে এমন গুঞ্জনে পাল্টে গেছে নিউইয়র্ক রাস্তার দৃশ্যপট। প্রচুর গাড়ি রাস্তায় চলাচল করতে দেখা গেছে,রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ।
লকডাউ নিয়ে হোয়াইট হাউস এর সাথে ¯œায়ু যুদ্ব চলছে পূর্ব উপকুলের রাজ্য কেলিফোর্নিয়া এবং পশ্চিম উপকুলের রাজ্য নিউইয়র্ক এর গভর্নরের। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ্এক টুইটে বলেছেন লকডাউন তুলে নেয়ার ঘোষনা দেয়ার একমাত্র ক্ষমতা তার। এদিকে নিউইয়র্ক এবং কেলিফোর্নিয়ার গভর্নর লকডাউন তুলে দেয়ার ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম। করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারায় সিনেটর বার্ণি সেন্ডারস সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

এছাড়া লকডাউনে জরুরী কাজে প্রতিদিন রাস্তায় নামেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ,সোমবার কুইন্স এর কিছু এলাকাঘুরে দেখা গেছে সে চিত্র। তবে মাস্ক, গলাবস, পরে সাবধানতা বজায় রেখে ভয়,আতংককে সাথী কওে চলাফেরা করছে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ।
করোনা ভাইরাসে মৃত্যু কিংবা আক্রান্ত দুই বিবেচনায় শীর্ষদেশ আমেরিকা।
আমেরিকার নিউইয়র্ক সময় রাত ৯টা, মঙ্গলবার এখানে রোগী ২লাখ ৩হাজার ১২৩জন। এর আগে একদিনে ১০ হাজার আক্রান্তের রেকর্ড ছিল। বর্তমানে ৭হাজাওে নেমেছে।
আমেরিকার ৪৬টি রাজ্যেআজো মারা যাওয়ার খবর আছে । এ পর্যন্ত আমেরিকাজুড়ে ৩৮ হাজার ৬৭৫জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এদিকে করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশীদের মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘতর হচ্ছে,বাংলাদেশী একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন নিউইয়র্কে ভারতীয়,কিংবা পাকিস্তানী অভিবাসীদেও চেয়ে বাংলাদেশীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেশী ।
নিউইয়র্কে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১০হাজার ৮৩৪জন।এদিকে নিউইয়র্কের পর উদ্বেগজনক অবস্থা নিউজার্সীতে। আক্রান্ত প্রায় ৬৮হাজারের উপরে,,মারা গেছেন ২৮০৫জন। অবনতি হয়েছে মিশিগানের করোনা পরিস্থিতি,এখানে মৃত্যু ১৭৬৮জনের,নতুন করে মৃত্যু ১১৬জনের,মোট আক্রান্ত রোগী ২৭ হাজারের উপরে।
আক্রান্ত রোগী বিবেচনায় শীর্ষ রাজ্য সমূহঃ
আক্রান্ত রোগী বেশী যেসব রাজ্যে সে তালিকায় রয়েছে ওয়াশিংটন,আক্রান্ত ১০হাজারের উপরে,কেলিফোর্নিয়া,২৫হজারের উপরে।,মেসাজুসেট,২৮ হাজারের উপরে,ইলিনইস,প্রায় ২৩,হাজার ।পেনসেলভেনিয়া,২৫ হাজারের উপরে, ফ্লোরিডা২১ হাজারের উপরে,লুসিয়ানা, প্রায় ২১ হাজার উপরে,জর্জিয়া১৪ হাজারের উপরে,টেক্সাস১৫হাজারের উপরে।কানেকটিকা,১৪ হাজারের উপরে।

উল্লেখযোগ্য নতুন মৃত্যুঃ আলোচিত শীষ রাজ্যগুলো
ওয়াশিংটন,-১০জন, ,কেলিফোর্নিয়া,৪০জন,মেসাজুসেট,১১৩জন,ইলিনইস,৭৪জন ।পেনসেলভেনিয়া,১০৬জন,মিশিগান,১১৬জন,ফ্লোরিডা৭২জন,লুসিয়ানা,১২০জন, ,

আলোচিত রাজ্যে মোট মৃত্যুঃ
ওয়াশিংটন, ৫৪৭জনÍ, কানেকটিকাট, ৬৭১জন, কেলিফোর্নিয়া, ৭৬৭জন, মেসাজুসেট, ৯৫৭জন , ইলিনইস, ৮৬৮জন। পেনসেলভেনিয়া, ৬৯৬জন, মিশিগান, ১৭৬৮জন, ফ্লোরিডা ৫৭১জন, লুসিয়ানা, ১০১৩জন, জর্জিয়া ৬২৪জন , টেক্সাস ৩৪৫জন।
আমেরিকাজুড়ে এখন শোকের ছায়া।লাশ গণকবর দেয়া হচ্ছে। ফিউনারেল,ট্রাক,লাশঘর,অস্থায়ী বিভিন্ন স্থানে পড়ে আছে মানুষের মরদেহ। বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল,আর্তনাদ আহাজারী। হাসপাতালে বাড়তি চাপ। নেই লাশ রাখার জায়গা। করোনা রোগীদের জন্য পযাপ্ত পৃথক ব্যবস্থা না থাকায় রোগী এবং স্বজনদের অভিযোগ বাড়ছে, বাড়ছে হতাশা-ক্ষোভ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •