Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

লিবিয়ায় সংঘর্ষ চলছেই

1 min read

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির শহরতলিতে গতকাল বৃহস্পতিবার আবার মর্টার ও বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অল্পের জন্য হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছে স্থানীয় একটি ক্লিনিক। আন্তর্জাতিক স্বীকৃত লিবীয় সরকারের সঙ্গে পূর্ব বাহিনীর সংঘর্ষের কারণে দুই সপ্তাহ ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সেখানকার লোকজন।

 

আজ শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার নিয়ন্ত্রিত ত্রিপোলির কিছু অংশে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ত্রিপোলির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রকেট হামলায় সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনার এক দিন পর এই বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটল। ঘনবসতিপূর্ণ ওই এলাকা পূর্বাঞ্চল বাহিনী দ্য লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) প্রধান খলিফা হাফতার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহরতলি আল-সুয়ানিতে রয়টার্সের প্রতিবেদকেরা দেখেছেন, স্থানীয় একটি ক্লিনিক অল্পের জন্য বোমাবর্ষণ থেকে রক্ষা পেয়েছে।

 

স্থানীয় লোকজন বোমাবর্ষণের ঘটনায় হাফতার বাহিনীকে দোষারোপ করেছে। তাদের মতে, রাজধানীর দক্ষিণে হাফতার বাহিনীর অবস্থান থেকে বোমাবর্ষণ হচ্ছিল। আল-সুয়ানি থেকে স্থানচ্যুত ইউসেফ সালেম নামের এক ব্যক্তি জানান, ‘আমরা জাতিসংঘ ও নিরাপত্তা পরিষদকে বলছি, বোমার শব্দ শুনুন…আমাদের ওপর রকেট হামলা হচ্ছে। দয়া করে আমাদের জন্য একটি সমাধান খুঁজুন।’

 

এলএনএ দাবি করেছে, তারা আবাসিক এলাকায় বোমা হামলা চালায়নি।

বুধবারের হামলায় সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনায় ত্রিপোলি সরকার হাফতারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

 

অন্যদিকে ইতিমধ্যে পূর্ব বাহিনী লিবিয়া সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সেরাজসহ পশ্চিম বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

 

এসব ঘটনায় দেশটিতে রাজনৈতিক সমাধানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমনকি অস্ত্রবিরতিরও কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। ২০১১ সালে লিবিয়ার বহু বছরের স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করে হত্যার পর থেকেই দেশটিতে ক্ষমতার দখল নিয়ে অরাজকতা ও যুদ্ধাবস্থা চলছে। বিদেশি শক্তিগুলো সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থা বিস্তারে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও তা ঠেকাতে ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তুলতে পারছে না।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুসারে, সরকার ও পূর্ব বাহিনীর হামলায় এ পর্যন্ত ২০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক। আহত হয়েছে ৯১৩ জন।

 

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA