শরীয়তপুর মাঝিরঘাটে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে যাত্রী পারাপার

প্রকাশিত: ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২০

শরীয়তপুর মাঝিরঘাটে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে যাত্রী পারাপার

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥
বিশ্বব্যাপি মরনব্যাদি করোনা ভাইরাস সংক্রমনরোধে সারা দেশে যানবাহন দোকানপাট কলকারখানা সহ সবকিছু বন্ধ । প্রশাসনের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলার সকল দোকানপাট যানবাহন , অফিস-আদালত সবকিছুই বন্ধ থাকলেও জাজিরা উপজেলার মঙ্গল মাঝিরঘাট থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পারাপার করছে অবৈধ কিছু সংখ্যক ট্রলার মালিকরা। প্রশাসন জেনে শুনে ও সেখানে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা । স্থানীয়দের অভিযোগ পুলিশ কে মেনেজ করেই ট্রলার দিয়ে যাত্রি পারাপার করছে। এ কারনে পুলিশ কোন প্রকার বাধা দিচ্ছে ন্ া। যদিও সকল ধরনের নৌযান সহ গনপরিবহন ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল বন্ধ করেছে প্রশাসন। অবৈধভাবে ঘোর অন্ধকারে ট্রলার দিয়ে যাত্রি পারাপারের সময় ২৪ মার্চ মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই একটি ট্রলার পদ্মানদীর নতুন চ্যানেলে আসার পর অপর একটি ট্রলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। এতে আব্দুস সালাম মোল্লা (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিখোজ হয়ে যায়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী মারাতœক আহত হয়। ২দিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সব যাত্রিরা ট্রলার পারাপারের পর মোটর সাইকেল বা অটোরিক্সা যোগে বাড়ি ফিরছে। গত ২/৩ দিন যাবত রাস্তায় ছোট ছোট অনেক যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। এরা কোন বাধা মানছেনা।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এরা যাত্রি পরিবহন করছে।
মাঝিরঘাট এলাকার মোশারফ হোসেন বলেন, কিছু সংখ্যক ট্রলার মালিক বন্ধের মধ্যে ও যাত্রি পারাপার করছে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশাসন কে মেনেজ করেই এরা পারাপার করছে।তাই তারা কোন ব্যবস্থা নেয়না।
মাওয়া শিমুলিয়া ঘাট থেকে ট্রলারে আসা যাত্রি আদিল হোসেন সেক বলেন, কোন নৌযান না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে পার হয়ে বাড়ি ফিরছি।
জাজিরা থানার ওসি মোঃ আজহারুল ইসলাম স্বীকার করে বলেন, কিছু সংখ্যক ট্রলার মালিক ফাঁকে ফাঁকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে যাত্রি পারাপার করে। আমি তাদের কে নিষেধ করেছি। এরপরে ও যদি পারাপার করে তবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •