শেখ হাসিনার সাথে যারা বেঈমানী করে তারা মানুষ হতে পারে না

মাহফুজ শাকিল: শেখ হাসিনার সাথে যারা বেঈমানী করে তারা মানুষ হতে পারে না। মুখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলবেন আর শেখ হাসিনাকে মানবেন না। শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন যারা, তাদের স্বপ্ন কোনদিনও বাস্তবায়িত হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর কুলাউড়ায় নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করে সেইসব ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। ৫ ডিসেম্বর বুধবার কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত কর্মী সভায় বক্তারা এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রেনু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোক্তাদির তোফায়েলের যৌথ পরিচালনায় বর্ধিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মহাজোটের প্রার্থী এম এম শাহীন। তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে আমি যখন খাদের কিনারে চলে গিয়েছিলাম, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার হাতে নৌকা প্রতিক তুলে আমাকে যে গুরুদায়িত্ব প্রদান করেছেন ইনশাল্লাহ সকলের সহযোগিতায় ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিবো । এক ভোট দুই এমপি হওয়ার যে প্রলোভন দেখিয়ে অতীতে জনগণকে ধোকা দেয়া হয়েছে, সেই ধোকায় যেন সাধারণ জনগণ আবারও নিপতিত না হয়। সে দিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু, জয় শেখ হাসিনা বলে তার বক্তব্য শেষ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মোঃ মিসবাউর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শফিউল আলম নাদেল, বরমচাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আহবাব চৌধুরী, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আ স ম কামরুল ইসলাম, ডাঃ রুকন উদ্দিন আহমদ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুস শহিদ প্রমুখ। এছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম আহবায়ক সিপার উদ্দিন আহমদ, কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়হাম রুমেল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান জনি প্রমুখ। সভায় বক্তারা আরও বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কোন নেতাকর্মী যাতে অন্য কোন প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে সেজন্য কুলাউড়ায়ও একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হোক। দলের সাথে যারা বেঈমানী করবে তাদের তালিকা তৈরি করে চিরতরে দল থেকে তাদের মুছে ফেলতে হবে।