শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্য চা কন্যা ভাস্কর্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ০৪ আগ ২০১৬ ১১:০৮

555
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা: চায়ের রাজধানী খ্যাত দেশের বিখ্যাত পর্যটন নগরী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্য চা কন্যা ভাস্কর্য। সুনীল আকাশ আর প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য্যে ভরপুর সবুজের সমারোহে শোভিত চা শিল্পাঞ্চলের বিশাল গৌরব ও সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে শ্রীমঙ্গলে নির্মিত চা-কন্যা ভাষ্কর্য পর্যটকদের আকর্ষন করেছে দারুনভাবে। নারী চা শ্রমিককে প্রতীক হিসেবে তুলে আনা হয়েছে এ ভাষ্কর্যে।

ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের আঁকাবাঁকা পথের দু’পাশে ঘন সবুজ চা বাগান আর পাহাড়ের সমারোহের পাশ জুড়ে মনোমুগ্ধকর পরিবেশের এক কোণে নীরবে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রয়েছে এ ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্যটি। প্রতিদিন শত শত দেশি-বিদেশি পর্যটকরা শ্রীমঙ্গলে আসার পথে একপলক দৃষ্টি ফেরান এই ভাষ্কর্যের দিকে।
জানাযায়, চা-শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক বছরের প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে নির্মান করা হয়েছে এই ভাষ্কর্যটিকে। চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলের প্রবেশদ্বারে স্থাপিত এক নারী চা শ্রমিকের চা-পাতা উত্তোলনের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সম্বলিত ‘চায়ের দেশে স্বাগতম’ শিরোনামের এ ভাষ্কর্যটি দেশি-বিদেশি প্রকৃতিপ্রেমীসহ সবার দৃষ্টি কাড়ে এ অঞ্চলে আগতদের মাঝে। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং সাতগাঁও চা বাগানের অর্থায়নে প্রায় দশ লাখ টাকা ব্যয়ে পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলের সাতগাঁও চা বাগানে মহা-সড়কের পাশে নির্মাণ করা হয় এ দৃষ্টিনন্দন ভাষ্কর্যটি।
দেশের চট্টগ্রাাম শিল্পকলা একাডেমির সিনিয়র আর্ট শিক্ষক সঞ্জিত রায় এই ভাষ্কর্যটির নকশা প্রস্তুত করেন। নিজ হাতে এক নারী চা-কন্যা ও চা গাছের আদলে তৈরি করা এ ভাষ্কযটি নির্মাণ করতে তাঁর সময় লাগে ১ মাস ২০ দিন। এ ভাষ্কর্যটি নির্মাণ করতে ইট-সিমেন্ট ও বালু ব্যবহার করা হয়েছে। ইট-সিমেন্টের ঢালাই কেটে কেটে সযতেœ তৈরি করা হয়েছে এটিকে। মাটি থেকে এর উচ্চতা করা হয়েছে ২৪ ফিট এবং নিচের বেইজমেন্টের দৈঘ্য ও প্রস্ত ৮ ফিট করে। ইতিমধ্যে এ ভাষ্কর্যটি এই অঞ্চলে আসা পর্যটকদের আনন্দের ও সৌন্দর্যের আলাদা একটা অভিজ্ঞতার জন্ম দিচ্ছে।

এই সংবাদটি 1,282 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •