Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

সংস্কৃতিকর্মীরা সব সময় স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

1 min read

হাতে গোনা গুটিকয়েক বাদে সংস্কৃতিকর্মীরা সব সময় স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি। তাঁরা কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে দাঁড়াননি। মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে সংস্কৃতিচর্চার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মোদ্যোগ গ্রহণের ফলে বিগত ১০ বছরে সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

আজ সোমবার সন্ধ্যায় আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুলের প্রশিক্ষণ কোর্সের ২৯তম ব্যাচের সমাপনী প্রযোজনা ও সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

 

রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুল বিভিন্ন মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যম দেশে নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রী, নাট্যনির্দেশক ও মঞ্চ–সংশ্লিষ্ট কর্মী তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। তাই থিয়েটার স্কুলসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না। এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে; যদিও এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে জায়গা ও আর্থিক সংকট বড় সমস্যা। প্রতিমন্ত্রী এ সময় থিয়েটার স্কুলগুলোকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলে ঘোষণা দেন।

 

আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুলের অধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নাট্যনির্দেশক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইস্রাফিল শাহীন। দুই পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ছয় মাস মেয়াদি বেসিক প্রশিক্ষণ কোর্সের ২৯তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন অতিথিরা। দ্বিতীয় পর্বে ২৯তম ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হয় ইস্রাফিল শাহীন নির্দেশিত, হ্যারল্ড পিন্টার রচিত ও অধ্যাপক আবদুস সেলিম অনূদিত নাটক ‘দ্য বার্থডে পার্টি’।

 

১৯৯০ সালের ২৪ আগস্ট প্রয়াত অধ্যাপক কবীর চৌধুরীকে অধ্যক্ষ ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে উপাধ্যক্ষ করে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০০৮ সালে আবদুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুল।

 

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA