সই নাই, বিল বকেয়া তবু মনোনয়ন গ্রহণ খুলনায়

হলফনামায় স্বাক্ষর নাই, বিদ্যুৎ বিল বাকি তারপরও প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করলেন খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন।

আজ রোববার বেলা তিনটায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে খুলনা ৪ আসনে মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু হয়। এ সময় বিশ দলীয় জোটভুক্ত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এস এম সাখাওয়াত হোসেনের মনোনয়নপত্রের হলফনামায় স্বাক্ষর নাই বলে ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল হোসেন পরে সাখাওয়াত হেসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘আপনি হলফনামায় আমার অফিসে এসে স্বাক্ষর করে যাবেন।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ দ্বিমত পোষন করলে আপিল করতে পারেন।’ একইভাবে খুলনা-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাদিউজ্জামান হলফনামায় স্বাক্ষর না করলেও তাঁর মনোনয়ন রিটার্নিং কর্মকর্তা গ্রহণ করেন এবং সই করার সুযোগ দেন।

খুলনা- ৬  আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গাজী নূর মোহাম্মদের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার প্রমাণ পল্লী বিদ্যুৎ প্রদান করলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা নূরের মনোনয়ন গ্রহণ করেন।

খুলনার ৬টি আসনে যে চার জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় তাঁরা হলেন, খুলনা-২ আসনে জাতীয় পার্টির এরশাদুজ্জামান ডলার। তাঁর সমর্থক ওই আসনের ভোটার না হওয়ায় তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হয়।

খুলনা- ৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শফিকুল আলম মনার মনোনয়নপত্র  বাতিল হয় ব্যাংক ঋনগ্রহনকারী জামিনদার হওয়ায় । এই সময় শফিকুল আলম মনা সেই জামিনদারের টাকা পরিশোধ করা হয়েছে প্রমাণ দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগেই এই টাকা দেওয়ার বিধান আছে ।

খুলনা -৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুব্রত কুমার বাইন এবং মো. আব্দুল কাদেরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় এক শতাংশ ভোটার তালিকায় দেওয়া  স্বাক্ষর নির্বাচন কমিশনের বিধিমত না দেওয়া এবং ভোটার তালিকায় মিল না থাকার কারণে ।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল হোসেন সম্মেলন কক্ষে জানান বেশিরভাগ মনোনয়নপত্রে ছোটখাটো ভুল থাকলেও তিনি প্রার্থীদের ডেকে নিয়ে তা  সংশোধন করার সুযোগ  দিয়েছেন।