সসিি ক্যামরোর আওতায় আসনেি বনোপোল স্থলবন্দর, ক্ষতগ্রিস্ত আমদানকিারকরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ০৫ নভে ২০২০ ০৫:১১

সসিি ক্যামরোর আওতায় আসনেি বনোপোল স্থলবন্দর, ক্ষতগ্রিস্ত আমদানকিারকরা

বনোপোল (যশোর) :
বাণজ্যিকি র্কাযক্রম র্পযবক্ষেণরে জন্য র্দীঘ চার যুগওে সসিি ক্যামরোর আওতায় আসনেি দশেরে র্সববৃহৎ স্থলবন্দর বনোপোল। র্কতৃপক্ষরে উদাসীনতার কারণইে বসানো হচ্ছে না সসিি ক্যামরো, অভযিোগ করছেনে এই বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা। এতে চুরসিহ অপরাধমূলক র্কমকাণ্ড বাড়ছে এবং অব্যবস্থাপনা নয়িন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, ফলে ক্ষতরি শকিার হচ্ছনে আমদান-িরফতানকিারকরা। বনোপোলরে আমদানকিারকরা জানান, ইতোর্পূবে বন্দরে রহস্যজনক অগ্নকিাণ্ডে তাদরে আমদানি করা কোটি কোটি টাকার পণ্য পুড়ে যায়। সসিি ক্যামরোর ব্যবস্থা থাকলে এসব ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে ব্যবসায়ীদরে ক্ষতি কময়িে আনা সম্ভব হতো। বভিন্নি বঠৈকে ব্যবসায়ীরা সসিি ক্যামরো স্থাপনরে জোর দাবি জানালওে কোনও পদক্ষপে নওেয়া হয়ন।ি এ বষিয়ে বন্দর র্কতৃপক্ষ বলছ,ে বষিয়টি র্ঊধ্বতন র্কমর্কতাদরে জানানো হয়ছে।ে
বন্দর এলাকা ঘুরে দখো যায়, আমদানি পণ্যে প্রবশেদ্বারসহ দুই কলিোমটিার বন্দর এলাকাজুড়ে কোথাও সসিি ক্যামরো নইে। দরকার ছাড়া বন্দররে মধ্যে সাধারণরে প্রবশে নষিধে থাকলওে অবাধে ঢুকছনে বহরিাগতরা। বন্দর অভ্যন্তররে সড়ক ও পণ্যাগাররে (শডে) বহোল দশা। ২০১৭ সালরে ১৬ নভম্বের দায়ত্বি পালনরে সময় চোর সন্ডিকিটেরে হামলায় ফরিোজ নামে একজন আনসার সদস্য খুন হন। আর চোরাই পণ্য কনো-বচোর জন্য বন্দররে সামনইে নাম-েবনোমে শতাধকি দোকান গড়ে উঠছে।ে এমন অব্যবস্থাপনার কারণইে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না।
সংশ্লষ্টি সূত্রে জানা গছে,ে ১৯৭২ সালে যশোররে বনোপোল বন্দররে আনুষ্ঠানকি যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭৮ সালে বাংলাদশে ওয়্যার হাউজংি করপোরশেনরে মাধ্যমে বনোপোল বন্দররে র্কাযক্রম চালু হয়। ভৌগোলকি কারণে দ্রুতই এটি দশেরে বৃহত্তম স্থলবন্দরে পরণিত হয়। প্রথম অবস্থায় মোংলা সমুদ্রবন্দররে অধীনে স্থলবন্দরটরি র্কাযক্রম চলতো। ২০০২ সালরে ফব্রেুয়ারি থকেে এটি বাংলাদশে স্থলবন্দর র্কতৃপক্ষরে অধীনে পরচিালতি হচ্ছ।ে র্কাযক্রম শুরু হওয়ার পর থকেইে এখানে চোররে দৌরাত্ম্য আছ।ে চোর চক্ররে সদস্যরা প্রভাবশালী, ক্যাডার, সন্ত্রাসী ও লাঠয়িাল বাহনিীর সদস্য।
বনোপোল সঅ্যািন্ডএফ এজন্টেস অ্যাসয়িশেনরে সভাপতি মফজিুর রহমান স্বজন বলনে, ‘প্রতটিি বঠৈকে উন্নয়নরে ব্যাপারে বন্দর র্কতৃপক্ষকে জানানো হলওে এখানে কোনও নজরদারি নইে। অব্যবস্থাপনার মধ্য দয়িে চলছে বাণজ্যিকি র্কাযক্রম। বনোপোল বন্দর সংশ্লষ্টি সব ব্যবসায়ীর র্দীঘদনিরে দাবি সসিি ক্যামরো স্থাপনরে। ব্যবসায়ীদরে সে দাবি মুখে পূরণ করার কথা বলা হলওে তা বাস্তবে রূপ নচ্ছিে না।’ সংশ্লষ্টি র্কতৃপক্ষ এখানে সুনজর দলিে রাজস্ব আদায় অনকে বাড়তো বলওে জানান তনি।ি
প্রাপ্ত তথ্যমত,ে বৃহত্তম স্থলবন্দরটতিে চুরি ঠকোতে কয়কে বছর আগে শডেে বশে কয়কেটি সসিি ক্যামরো লাগানো হয়ছেলি। কছিুদনি যতেে না যতেইে এসব ক্যামরো নষ্ট করে ফলো হয়। বন্দররে কছিু র্কমর্কতা-র্কমচারী পণ্য চুররি সঙ্গে জড়তি থাকার কারণইে সসিি ক্যামরোগুলো নষ্ট করে ফলো হয় বলে অভযিোগ ওঠ।ে এদকিে বনোপোল বন্দর থকেে ভারতরে র্পূবাঞ্চলরে বৃহত্তম নগর কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৮৪ কলিোমটিার। কলকাতা থকেে রওনা হয়ে চার ঘণ্টায় একটি ট্রাক আমদানি পণ্যরে চালান কাগজপত্ররে আনুষ্ঠানকিতা শষে করে বনোপোল বন্দরে পৗেঁছতে পার।ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় ব্যবসায়ীরা এ পথে বাণজ্যিে বশেি আগ্রহ দখোন।
ভারত-বাংলাদশে ল্যান্ডর্পোট ইমর্পোট-এক্সর্পোট কমটিরি চয়োরম্যান মতয়িার রহমান বলনে, ‘নরিাপত্তার জন্য সসিি ক্যামরো গুরুত্বর্পূণ হলওে তা লাগাতে বন্দর র্কতৃপক্ষরে গড়মিসি কনে বুঝি না। এটা সরকারকে দখেতে হব।ে’
এ বষিয়ে জানতে চাইলে বনোপোল স্থলবন্দররে উপপরচিালক মামুন কবীর তরফদার বলনে, ‘বন্দরে সসিি ক্যামরো লাগানোর পরকিল্পনা রয়ছে।ে বষিয়টি র্ঊধ্বতন র্কমর্কতাদরে একাধকিবার জানানো হয়ছে।ে’
উল্লখ্যে, গত এক যুগে বনোপোল বন্দরে বড় ধরনরে সাতটি অগ্নকিাণ্ডরে ঘটনা ঘটছে।ে এতে ব্যবসায়ীদরে প্রায় দড়ে হাজার কোটি টাকার পণ্য পুড়ে গছে।ে এছাড়া সম্প্রতি বন্দর পণ্যগার থকেে ১০টি ককটলে উদ্ধার করা হয়ছেে এবং বস্ফিোরণরে ঘটনাও ঘটছে।ে তবে বন্দরে সসিি ক্যামরো না থাকায় অগ্নকিাণ্ডরে কোনও রহস্য বা র্দুবৃত্তদরে শনাক্ত করা যায়ন।ি

এই সংবাদটি 1,228 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ