Mon. Feb 17th, 2020

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

সিরাজদিখানে আলু পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা

1 min read

 

সালাহউদ্দিন সালমান, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ):
আলুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সিরাজদিখানের হাজারো কৃষক।সিরাজদিখান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানাযায় এবার উপজেলায় আলু আবাদের লমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজার ২ শ’ হেক্টর জমিতে। শীতে এবার আলুর বা¤পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। সরেজমিনে দেখা গেছে,খেতে কাজ করছেন চাষিরা।কেউ সেচ দিচ্ছেন, কেউ টপ ড্রেসিং (আলু গাছের সারিতে মাটি তুলে দেয়া ও সরিয়ে দেয়ার কাজ) করছেন। আবার কেউ দিচ্ছেন রাসায়নিক সার।কেউ বা ছত্রাক,রোগ-বালাই ও ঘন কুয়াশার হাত থেকে ফসল বাঁচাতে কীটনাশক ¯েপ্র করছেন।

আলুর নাম মুখে আসলেই বিক্রমপুরের আলুর নাম মুখে আসে সব জেলার আগে।বিক্রম পুরের আলুর ঐতিহ্য রাক্ষার্থে এবং সিরাজদিখানে ভালো আলু ও আয়ের আশায় উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের বেশির ভাগ কৃষকই এখন আলু পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আলু উপাদকারী মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার এলাকাগুলোর বিস্তীর্ণ জমিজুড়ে আলুচাষিরা এখন মহাব্যস্ত আলু পরিচর্যায়।সিরাজদিখান উপজেলার প্রায় অর্ধলক্ষাধিক চাষি আলু চাষের সঙ্গে জড়িত।গত কয়েক বছরে আলু চাষে লোকসানে অনেক চাষিকে সর্বস্বান্ত করে দিলেও তারা আবারো নবউদ্যমে নতুন মৌসুমের শুরুতে নতুন স্বপ্ন নিয়ে আলু চাষ করছেন।

জেলার সার্বিক অর্থনীতিতে অনেকটাই সিরাজদিখানে আলুর ওপর নির্ভরশীল হওয়ার কারণে উপজেলার একটানা কয়েক বছর একাধিকবার আলুর বা¤পার ফলনের পরেও লাভের মুখ দেখেননি কৃষকরা। মধ্যস্বত্বভোগী মজুদদার ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও গত কয়েক বছর ঘটেছে এর ব্যতিক্রম।বাজারে আলুর ব্যাপক দরপতনে মূলধন হারিয়েছেন মধ্যস্বত্বভোগীসহ এ অঞ্চলের অনেক কৃষক। তার পরেও অন্য কোনো ফসল উৎপাদন করতে না পারায় আলুচাষই করে যাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামের আলু চাষি মোঃ নূর ইসলাম বলেন,আলু গাছ এখন পর্যন্ত ভাল আছে তবে কুয়াশা বেশী কুয়াশা পড়লে আলু গাছে জটলা বাদবে।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সুবোধ চন্দ্র রায় বলনে,আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এ বছর আলুর গাছ ভাল হয়েছে এবং রয়েছে।এবার আলু রোপন করা হয়েছেব ৯ হাজার ২ শ’ হেক্টর জমিতে।

 

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.