Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

সিলেটে জালালাবাদ লেখক ফোরাম এর সাহিত্য পদক প্রদান ও পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা।

1 min read

রশীদ আহমদ: সিলেটে ইসলামী ঘরণার লেখকদের ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম “জালালাবাদ লেখক ফোরাম” এর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত শনিবার (৩রা আগষ্ট) বাদ আছর সিলেটের বন্দরবাজারস্থ মধুবন সুপার মার্কেটে ফোরামের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সাবেক ও বর্তমান কমিটির দায়িত্বশীলগণ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের সুস্থতা এবং এ রোগে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সাথে এই রোগ থেকে রেহাই পেতে মহান আল্লাহ তা’য়ালার কাছে বিশেষ প্রার্থনার পাশাপাশী পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গণসচেতনতায় এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়। অপর এক প্রস্তাবে ছেলে ধরার আতংক না ছড়িয়ে কাউকে সন্ধেহ হলে তাদের আইন শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর হাতে সোর্পদ করার ও আহবান জানানো হয়। পয়লা আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হয়ে আসছে। এসপ্তাহ উপলক্ষে প্রতিটি শিশুকে মায়ের দুধ ও ঘরের তৈরি খাবার খাওয়ানো কার্যক্রমকে টেকসই করতে সকলকে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

 

বৈঠকে  জালালাবাদ লেখক ফোরাম এর ২০১৯-২০২১ সেশনের জন্য ৪১ সদস্য বিশিষ্ট

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি চূড়ান্ত করা হয়। কমিটির দায়িত্বশীলরা হলেন: সভাপতি মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম,সহসভাপতি যথাক্রমে মাওলানা শাহ আশরাফ আলী মিয়াজানী,মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব, রশীদ জামীল, মাওলানা জুনাইদ কিয়ামপুরী, মুসা আল হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক  মাওলানা মনজুরে মাওলা, সহসাধারণ সম্পাদক মাওলানা আহমদ কবির খলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক যথাক্রমে এহতেশামুল হক কাসেমী, এম শাহীনূর রহমান (শাহীন মোল্লা), মাওলানা আব্দুল হামিদ সাকিব, মাওলানা ইমদাদুল হক নোমানী, অর্থসম্পাদক আহমদ শামসুদ্দীন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মুফতি মুফিজুর রহমান,শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মাহবুব শিরাজী, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক শামসীর হারুনুর রশীদ, আর্ন্তজাতিক সম্পাদক রশীদ আহমদ (যুক্তরাষ্ট্র), সহআর্ন্তজাতিক সৈয়দ নাঈম আহমদ (যুক্তরাজ্য),পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুফতি জিয়াউর রাহমান, প্রচার সম্পাদক শাহিদ হাতিমী,সহপ্রচার সম্পাদক আব্দুল কাদির মাসুম,তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইনাম বিন সিদ্দীক,সমাজ সেবা সম্পাদক তুফায়েল আহমদ,ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক কায়সান মাহমুদ আকবরী। সদস্যবৃন্দ: আবু সালেহ, ডা: মুহাম্মদ ফয়জুল হক, মাওলানা মোহাম্মদ এহসান উদ্দিন, মুফতি মোস্তফা সোহাইল হেলালী, ইকবাল হাসান জাহিদ, মাওলানা ওলিউর রহমান, আবু সাঈদ রাউফী, মাজহারুল ইসলাম জয়নাল, হাফেজ মাওলানা আব্দুল বাছীর সর্দার, এহসান বিন মুজাহির।

উল্লেখ্য যে,গত ২৬ জুলাই সিলেটের দরগাহ গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত লেখক সম্মেলন ও কাউন্সিলে ফোরামের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার গল্পকার সেলিম আউয়াল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন-জাতি যখনই ক্রান্তিকাল অতিক্রম করে, অধঃপতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়, তখনই লেখক-গবেষকরা জাতির চেতনায় শান দেন। মস্তিস্ককে জাগ্রত করে তোলেন। সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করেন দেশ-সমাজ ও মানবিকতাকে। সহজ কথা,পচনশীল সমাজ, লয়মান জাতি সত্ত্বার উন্নয়নে লেখক-গবেষকরা দীপ্ত মশাল হয়ে ঘুরে দাঁড়াতে অনড় হিমালয়ের মতো সাহস যোগান।

সিলেটের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদস্থ শহিদ সুলেমান হলে আয়োজিত দিনব্যাপি,লেখক সম্মেলন ও কাউন্সিলে  অরাজনৈতিক পেশাজীবী লেখক-গবেষকদের সংগঠন জালালাবাদ লেখক ফোরামের আহ্বায়ক মাওলানা শাহ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক ইসলামিক ব্যক্তিত্ব, লেখক-গবেষক, দার্শনিক মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী।

ফোরামের সদস্য সচিব মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী, আহমদ শামসুদ্দীন ও শাহিদ হাতিমীর যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবুল কাসেম, সিলেটের প্রবীণ সাংবাদিক ও গবেষক আব্দুল হামিদ মানিক, কবি কালাম আজাদ, ডুয়েটের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. ইঞ্জি. মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান,কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সহ-সভাপতি গল্পকার সেলিম আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, জালালাবাদ ম্যাটস এর চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আহমেদ, আল আরাফা ইসলামি ব্যাংক মতিঝিল শাখার অডিট বিভাগীয় প্রধান সাইফুল হক। সংর্বধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি মুসা আল হাফিজ। অনুষ্ঠানে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবি মুসা আল হাফিজকে ’’জালালাবাদ সাহিত্য পদক-২০১৯ ’’ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA