সিলেটে ১-০ গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ

সিলেটে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে লাওসের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ১৪ মিনিটের সময় সিলেটের ঘরের ছেলে বিপলু আহমদের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

ম্যাচসেরা বিপলু দ্বিতীয়ার্ধের ১৪ মিনিটের সময় জয়সূচক গোলটি করেন। এই জয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ওঠার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ফিলিপাইনের সঙ্গে ড্র করলেই শেষ চার নিশ্চিত হবে জামাল ভূইয়াদের।

সিলেটের দর্শকভর্তি স্টেডিয়ামে শুরু থেকে থেকে বাংলাদেশ প্রাধান্য বিস্তার করে খেললেও প্রথমার্ধে কোনো গোল আদায় করতে পারেনি। আক্রমণভাগের দুই খেলোয়াড় নাবীব নেওয়াজ জীবন ও মাহবুবুর রহমান সুফিল এ সময়ে একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের ১৪ মিনিটে ঘরের মাঠে প্রত্যাশিত গোলটি করেন বিপলু আহমদ। জীবনের বাঁকানো শট গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলে ফিরতি বলে শট নেন সুফিল। এবারও লাওসের গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলে গোলপোস্টের সামনে থাকা বিপলুর শটে বল চলে যায় লাওসের জালে।

গোল হজমের পর লাওস বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও কোনো গোলের দেখা না পাওয়ায় পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। লাওসের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে প্রথম জয় পেল বাংলাদেশ। আগের ২টি ম্যাচের ফলাফর ছিল একটি করে হার ও ড্র।

বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারত ১১ মিনিটেই। ডিফেন্ডার ওয়ালি ফয়সালের লম্বা পাস ধরে বাম দিক দিয়ে ঢুকে শট নিয়েছিলেন জীবন। বল ক্রসবারে বাতাস দিয়ে বাইরে গেলে রক্ষা পায় লাওস। ২৩ মিনিটে জীবনের ক্রসে ফাঁকায় দাঁড়িয়েও বলে মাথা লাগাতে ব্যর্থ হন রবিউল হাসান।

২৫ মিনিটে বক্সে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল বাইরে মারেন মাহবুবুর রহমান সুফিল। ৩৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে লাওসের বউনকংয়ের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে লুফে নেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা। ৪৭ মিনিটে সুফিল ফের মিস করেন। বক্সের সামনে থেকে তিনি বল মারেন বাইরে।

৪৯ মিনিটে লাওস ম্যাচে প্রথম গোল করার সুযোগ পেয়েছিল। ডান দিক দিয়ে দ্রুতগতিতে ঢুকে নাথফাসুক শট নিলে ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য ছিল। ম্যাচ শুরুর আগে টুর্নামেন্টের সাদামাটা উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন।

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অতীতে কোনো টুর্নামেন্টের এমন সাদামাটা উদ্বোধন হয়নি। জমকালো উদ্বোধনের অপেক্ষায় আগে মাঠে আসা দর্শকরা হতাশ হন বাফুফের এমন আয়োজনে।

২০১৫ সালের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল জমকালো ও মনোমুগ্ধকর। এছাড়াও স্থানীয় লীগ ও মেয়র কাপ ফুটবল ও ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও ছিল দর্শকদের মনে রাখার মতো।