সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে ডেমোক্রেটি ও রিপাবলিকান দলের নেতা ও কর্মীদের কাছে খোলা চিঠিঃ———

প্রকাশিত:রবিবার, ১৪ জুন ২০২০ ০২:০৬

সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে ডেমোক্রেটি ও রিপাবলিকান দলের নেতা ও কর্মীদের কাছে খোলা চিঠিঃ———

রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ হল সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করা ৷ রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক দলের নেতা ও কর্মীদের নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব হল গরীব লোকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে দারিদ্রদূর করতে হবে ৷আমি রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক দলের কিছু ভাল কাজ তুলে ধরব ৷ প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন দাস প্রথা বাতিল করেন ৷১৯৮৬ সালে প্রেসিডেন্ট রিগান আমরিকায় অবস্হানরত কাগজপত্রহীন লোকদের সাধারন ক্ষমা অর্থাৎ আ্যামেনেষ্টি দিয়ে ছিলেন ৷আমি নিজেও সে সুযোগ গ্রহনকারীদের একজন ৷ ডেমোক্রেটি পার্টি আমেরিকার সাধারন মানুষের শিক্ষা, স্বাস্হ্য,বাসস্হান ও কর্মসংস্হানের বিষয়ে অনেক ভাল কাজ করেছে ৷ বর্তমানে রিপাবলিকান পার্টির মন্দ দিক হল প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম ব্যবসায়ী ও ধনীদের বিশেষ সুবিধা যেমন বড় ব্যবসায়ীদের টাক্স ৩৫% থেকে ২১% নিয়ে আসেন , ইমিগ্রান্ট ও আমেরিকার গরীব লোকদের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা কর্তন করে এবং ইমিগ্রান্টদের কিভাবে নিজ নিজ দেশে পাঠানো যায় সে বিষয়ে তৎপর ৷ অন্যদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতাগণ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ও সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য যে কাজগুলি করেছেন তাহা হল (১)জনগণে টাক্সের পয়সায় ফ্রি এবরর্শন(Abortion)(২)গে-লেসবিয়ান মেরেজ বৈধকরন(৩)আর্মিতে ঘে-লেসবিয়ান প্রবেশাধিকার ৷ আমেরিকার ৫০টি স্টেটে ২৬ জন রিপাবলিকান গভর্ণর ও ২৪ জন ডেমোক্রেটিক গভর্ণর আছেন ৷ তাই বাংলাদেশী আমেরিকানগণ যে যে স্টেটে বাস করেন সে স্টেটের অবস্হা অনুযায়ী রিপাবলিকান/ডেমোক্রেটিক দলের সদস্য হয়ে সুবিধা বঞ্চিত মানুষে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে ৷ সুবিধা বঞ্চিত লোকদের তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী সিটি,স্টেট ও ফেডারেল গভর্ণমেন্টের জব ও ব্যবসায়ের কন্টাক্ঠ পেতে সহায়তা করলে দারিদ্র দূর হবে ৷ অন্যদিকে কংগ্রেসম্যানদের সহায়তায় কমিউনিটি কলেজে ব্যবসায়ের ট্রেনিং দিয়ে সুদমুক্ত ফেডারেল ঋণ ও গ্রান্ট দিয়ে সাহায্য করলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দারিদ্র দূর হবে, অন্যদিকে তারা টাক্স দিয়ে সরকারে আয় বৃদ্ধি করবে ৷আমি আমেরিকায় আসি ১৯৮২ সালে, ১৯৮৯ সাল থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছি,২০০২ সাল থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচিত মেম্বার আমার এলাকার ৷ পার্টির নিকট থেকে কোন সুযোগ সুবিধা পাইনি শুধু শ্রম দিয়ে ও পলিটিকেল পার্টির ফান্ডরাইজিংয়ে সাধ্যমত ফান্ড দিয়ে সহযোগিতা করেছি ,আমার যোগ্যতাও ছিল না ৷পার্টি থেকে কোন সুযোগ সুবিধা পেতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতা,ব্যবসায়ের সুযোগ নিতে হলে নিজের পয়সা থাকিতে হয় ৷আমার কোনটি ছিল না ৷ সব সময় অড জব করে বর্তমানে শারীরিক কারনে আর্লি রিটায়ারমেন্টে আছি ৷১৯৯২ সালে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের কমভেনশন কমিটিতে ছিলাম, ১৯৯৩ সালের ২০ শে জানুয়ারী তাহার শপথ অনুষ্ঠানে যোগদান করি ৷২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ফান্ডরাইজিং অনুষ্টান হিলটন হোটেল ৫শত ডলার দিয়ে যোগদান করি ৷ ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আমাকে অনারারী কিচেন কেবিনেট মেম্বার করেন ৷২০১৯ সালে আমার এলাকার কংগ্রসম্যান এড্রিয়ানো ইসপাইলাত নর্থ ব্রঙ্কস ডেমোক্রেটিক ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশী আমেরিকান সহ সব জাতি-ধর্মের লোক যাতে মূলধারার রাজনীতিতে যোগদানের সুযোগ পায় ৷আমি কমিউনিটি লিডারদের অনেককে বলার পরেও কেহ এগিয়ে আসেননি , আমি এই ক্লাবের মেম্বারশীপ কমিটির চেয়ারম্যান ৷কেহ উৎসাহী হলে ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো ৷ সন্মানিত পলিটিকেল একটিভিষ্টদের প্রতি অনুরোধ থাকিবে পার্টির জন্য কাজ করলে যোগ্যতা অনুযায়ী নিজের অধিকার আদায় করা দরকার অন্যদিকে কমিউনিটি সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কম্পিউটার সেন্টার স্হাপন করে যুবক/যুবতীদের উচ্চ বেতনে চাকুরী ব্যবস্হা ও ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা আদায়ে নিজকে নিয়োজিত রাখা ৷ আল্লাহ আমাদের সহায় হউন ৷

বিঃদ্রঃ-ফটো, আমার এলাকার কংগ্রেসন্যাল ডিষ্ট্রিক ১৩ এর কংগ্রেসম্যান এড্রিয়ানো ইসপাইলাত ও হাসান আলী ৷

হাসান আলী, প্রেসিডেন্ট অর্গানাইজেশন অব বাংলাদেশী আমেরিকান্স ৷

এই সংবাদটি 1,233 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •