|
সর্বশেষ
সিঙ্গাপুরে ভাষা শহিদ স্মরণে কবিতা প্রতিযোগিতা         মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ফ্রান্সে ভাষার মেলা         অমিতাভের সঙ্গে টুইটার কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ         গ্রেস মুগাবের পিএইচডি নিয়ে দুর্নীতি, উপাচার্য গ্রেপ্তার         মালয়েশিয়া বিএনপির উদ্যোগে গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু         কানাডায় বাংলাদেশি তরুণীর কৃতিত্ব         আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে আগের অবস্থান থেকে সরে আসছেন ট্রাম্প         জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে ইন্টার্ন নারী চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ         খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না : ফখরুল         উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে জিএসপি সুবিধা পাবো : বাণিজ্যমন্ত্রী         জীবনে জীবন মেলাবার গল্প         ভাষার প্রতি ভালোবাসা         নেককার বান্দাদের জন্য জান্নাতের নেয়ামতের ঘোষণা         যে কারণে পেয়ারা খাবেন         মাতৃভাষা দিবসের নাটকে ঈশানা ও নিলয়        
প্রকাশিত হয়েছে : 10:57:09,অপরাহ্ন 11 February 2018 |

স্বাধীনতা কাপ বদলে দেবে অনেকের ভাগ্য

আরিফ, জুয়েল, আরাফাত-এরা কারা? তিন সপ্তাহ আগে নামগুলো শুনলেই এমন প্রশ্ন জাগতো অনেকের মনে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ঘুরে ফিরে এ নামগুলো ফুটবল অঙ্গনের অনেকের মুখে মুখে।

 

স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে আরিফ, জুয়েলরা নিজেদের চিনিয়েছেন অন্যভাবে-পারফরম্যান্স দিয়ে নিজেদের মেলে ধরেছেন মৌসুমের শেষ টুর্নামেন্টে। অনেক অখ্যাত ফুটবলার এখন উদীয়মান তারকার তালিকায়।

 

স্বাধীনতা কাপে ছিলেন না বিদেশি খেলোয়াড়। স্থানীয়দের পারফরম্যান্স পরখ করতেই এমন সিদ্ধান্ত ছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের। উদ্দেশ্য কতটা ফলপ্রসু হয়েছে, তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও মৌসুমে এ ধরণের অন্তত একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনকে গুরুত্ব দিয়েছেন অনেকে। তাদের যুক্তি-বেশ কয়েকজন তরুণ ফুটবলার এ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে উঠে এসেছেন। কারো কারো মতে এ ধরণের টুর্নামেন্ট জাতীয় ও জাতীয় বয়সভিত্তিক দল তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

টুর্নামেন্টের আগে বাফুফে থেকে বলা হয়েছিল স্থানীয় খেলোয়াড়দের বেশি খেলার সুযোগ তৈরি করে দিতেই স্বাধীনতা কাপ বিদেশিমুক্ত। কথাগুলো বলেছিলেন দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটির সিনিয়র সহ সভাপতি আবদুল সালাম মুর্শেদী। টুর্নামেন্ট শেষে তার দাবি ‘উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।’

 

কিভাবে সফল তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন প্রফেশনাল লিগ কমিটির এ চেয়ারম্যান, ‘দুটো বিষয় আমি সামনে আনবো। মনে মনে ভাবতাম বিদেশিদের কারণে আমাদের অনেকে খেলার সুযোগ পায় না। তাদের খেলার সুযোগ হয়েছে। খেলতে পেরে অনেকেই নিজেকে প্রমাণ করেছে। আরামবাগের ৩৭ নম্বর জার্সিধারী আরিফের কথাই বলবো। সে অনেক ভালো খেলেছে। পরিশ্রম করলে সে জাতীয় দলেও জায়গা পাবে বলে মনে করি। দ্বিতীয়ত ট্রেডিশেন ভেঙ্গে নতুন একটা দল চ্যাম্পিয়ন হলো। আরামবাগ এখন আরো ভালো দল গড়তে উৎসাহী হবে।’

 

ফাইনালে গ্যালারিতে গোলমালের বিষয়টিকেও ফুটবলের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাফুফের সিনিয়র সহ সভাপতি। তিনি বলেন, ‘এমন দৃশ্য দেখতাম যখন আমরা খেলেছি তখন। ফাইনাল চলাকালীন গ্যালারির মারপিট দেখে আমার স্মৃতিতে ফিরে এসেছে ফুটবলের উত্তাল দিনের কথা। ফুটবল ম্যাচে গ্যালারি গরম থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক।’

 

 

 

আবাহনীর সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কোচ সাইফুল বারী টিটুও মনে করেন বছরে এমন একটা টুর্নামেন্ট হওয়া উচিত। বিদেশি না থাকায় অনেক স্থানীয় খেলার সুযোগ পেয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে চট্টগ্রাম আবাহনীর দায়িত্ব পালন করা এ কোচও মুখে এনেছেন আরামবাগের আরিফের নাম, ‘সে তো আমারই খেলোয়াড় ছিল। কিন্তু চট্টগ্রাম আবাহনীতে তাকে খেলানোর সুযোগ পেতাম না। লিগের দ্বিতীয় পর্বে আরামবাগে যোগ দিয়েও কিন্তু তার বেশি খেলার সুযোগ মেলেনি বিদেশির কারণে। কিন্তু স্বাধীনতা কাপে খেলতে পেরে আরিফ প্রমাণ করেছে নিজেকে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*