হতাশা ভুলে সামনে তাকাতে চান তামিম

স্পিনিং ট্র্যাক নিয়ে অনেক কথা। কারও কারও মতে, স্পিন বান্ধব পিচে খেলার কারণেই এ ভরাডুবি ঘটেছে। একটা বড় অংশ মনে করেন, ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়ার সাথে টার্নিং উইকেটে সাফল্য ধরা দিলেও স্লো, লো ও টার্নিং উইকেটে খেলে হাত পাকানো লঙ্কানদের ওই পিচে হারানো কঠিন ছিল।

 

কিন্তু মাথায় আনা হচ্ছে না, ইংল্যান্ডেও মঈন আলীর মত স্পিনার ছিলেন। আর লেগস্পিনার আদিল রশিদও ছিলেন। আর অজি লাইন আপের নাথান লায়ন তো রীতিমত বিশ্বমানের অফস্পিনার।

 

আর উপমহাদেশিয় কন্ডিশনে সমস্যা হলেও ইংলিশ ও অস্ট্রেলিয়ান স্কোয়াডে ছিলেন অ্যালিস্টার কুক, জো রুট, বেন স্টোকস, ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মত বিশ্বমানের উইলোবাজ। কিন্তু তার মধ্যেও ব্যাট হাতে তামিম ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে।

 

 

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেরে বাংলায় ১০৪ আর ৪১ এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭১ ও ৭৮ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন তামিম। সাকিব, মুমিনুল, মুশফিক ও ইমরুলরাও সহায়ক ভূমিকায় ছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মিরাজ ৬ +৬ = ১২ উইকেট আর অস্ট্রেলিয়ার সাথে সাকিব ৮৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলার সাথে ৫ + ৫ = ১০ উইকেট শিকার করে দলের জয়ে রাখেন অগ্রণী ভূমিকা।

 

কিন্তু এবার কেউ জ্বলে উঠতে পারেননি। সাকিব আঙ্গুল ফেটে যাওয়ায় খেলতেই পারেননি। শেরে বাংলায় তামিম , ইমরুল, মুমিনুল, মাহমুদউল্লাহ, লিটন, সাব্বির; কারো ব্যাট কথা বলেনি। আর দুই বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল, রাজ্জাক সাধ্যমত চেষ্টা করলেও ইংল্যান্ডের সাথে মিরাজ যেমন আনপ্লেয়েবল হয়ে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন, অজিদের বিপক্ষে সাকিব যেমন বল ও ব্যাট হাতে জয়ের নায়ক হয়েছিলেন, এবার লঙ্কানদের সাথে ঢাকা টেস্টে অমন ভূমিকা নিতে পারেননি কেউ।

 

দুই ইনিংসে একটি ফিফটিও নেই কারো। কোনো বোলার এক ইনিংসে ৫ উইকেটের পতনও ঘটাতে পারেননি। কাজেই পরিসংখ্যান ও ম্যাচের চালচিত্র জানান দিচ্ছে , ক্রিকেটারদের বাজে পারফরম্যান্সও ভুগিয়েছে সদ্য সমাপ্ত সিরিজে। হারের অন্যতম কারণও খারাপ পারফরম্যান্স।

Leave a Reply

Your email address will not be published.