Month: August 2018

আজান হলেই কাবা ঘরের নিরাপত্তাকর্মীদের ভিন্নরূপ

আজান হলেই কাবা ঘরের নিরাপত্তাকর্মীদের ভিন্নরূপ

আজান হলেই পবিত্র কাবা ঘরে নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মীরা ভিন্নরূপে আবির্ভূত হয়। এ সময়ে দায়িত্ব পালনে তারা একাধারে কঠোর হয়ে ওঠেন। প্রয়োজনে মানবিকও বটে। কাবা প্রাঙ্গণে প্রবেশের প্রতিটি পয়েন্টে তারা ব্যারিকেড বসিয়ে ভেতরে মুসল্লিদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।   তারা কোনোভাবেই ‘অপ্রীতিকর’ বিষয়ে ছাড় দেন না। বয়োবৃদ্ধ ও পঙ্গুদের সঙ্গে খুবই ভালো ব্যবহার করে থাকে। ব্যাপক মানবিকতার পরিচয় দিয়ে থাকে এসব নিরাপত্তাকর্মীরা।   নামাজ শেষে লাখো মুসল্লিদের ভিড় এড়িয়ে বয়স্কদের মসজিদ থেকে বের হতে তারা সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে থাকে। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে থাকে।   গত এক সপ্তাহে এ প্রতিবেদক সরেজমিনে নিরাপত্তাকর্মীদের উন্নত আচরণ ও মানবিকতা লক্ষ্য করেছে।   আগামী ২০ আগস্ট মুসলমানদের সর্ববৃহৎ এ জমায়েতকে সামনে রেখে মক্কা শহর এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখো লা
দেখুন বিখ্যাত ১০ জাদুর আসল রহস্য!

দেখুন বিখ্যাত ১০ জাদুর আসল রহস্য!

ছোটবেলা থেকেই হাটে-বাজারে জাদু দেখে অভ্যস্ত আমরা। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় টেলিভিশনের পর্দায়ও দেখা যায় জাদু। আমাদের প্রত্যেকেরই জাদুর প্রতি আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। বিশ্বাস করি বা না করি, জাদু দেখে আমরা মজা পাই। শেখার আগ্রহও কম মানুষের নয়। কিন্তু সবাই শিখতে পারি না।   জাদু দেখার সময় আমাদের চোখের পলক পড়ে না। চোখের পলকে যদি কোনো কিছু অগোচরে চলে যায়। জাদুতে আমরা দেখতে পাই কোনো নারী শূন্যে ভাসছে। আবার কখনো দেখা যায়, কারো শরীর কেটে দু’ভাগ করা হয়েছে। কেউবা মুহূর্তেই উধাও হয়ে যাচ্ছেন চোখের সামনে থেকে।   > আরও পড়ুন- ২ হাজার বছর আগেও ছিল সাইকেল! সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে- কীভাবে সম্ভব? কেমন করে চোখে ধাঁধা লাগিয়ে করা হয় এমন। তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও উত্তর খোঁজা খুব কঠিন। আসলে জাদুকররা নাকি মানুষের চোখে একটি ‘ইলিউশন’ তৈরি করে। আর তার মধ্য দিয়েই মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় দৃশ্যমান জি
আপনি মানসিক রোগী কিনা বুঝবেন কিভাবে?

আপনি মানসিক রোগী কিনা বুঝবেন কিভাবে?

ওসিডি কেন হয়: অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডারের প্রকৃত কারণ এখনও অজানা। তবে কিছু কিছু বিষয়কে এই রোগের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ভাবা হয়। যেমন জীনগত কারণ, বায়োলজিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল কারণ, মানসিক চাপ, শিশু নির্যাতন ইত্যাদি। সুতরাং আপনার শিশুকে অতিশাসন বা বেশি চাপ প্রয়োগের আগে আরেকবার ভাবুন, তাকে অসহ্য মানসিক যন্ত্রণাদায়ক রোগ অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না তো?   > আরও পড়ুন- নিয়মিত ব্লগিং করেন ১০৫ বছরের বৃদ্ধা! রোগের লক্ষণ • কাল্পনিক চিন্তা এবং এই চিন্তা-ভাবনাগুলো রোগীর মনে বারবার দেখা যায়। অনেক চিন্তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক হলেও রোগী ইচ্ছে করলেই সেই চিন্তা ত্যাগ করতে পারেন না। • যে কোন জিনিস বারবার চেক করা, যেমন বাসা থেকে কোথাও ঘুরতে বেরিয়ে বারবার ফিরে গিয়ে চেক করা- দরজায় তালা লাগানো হয়েছে কিনা। বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস। • অদ্ভুত সব সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে রো
খাবারে কালোজিরা ব্যবহার করলে যেসব উপকার পাবেন

খাবারে কালোজিরা ব্যবহার করলে যেসব উপকার পাবেন

রান্নার শেষে ফোড়নে বলুন আর মচমচে ধরনের খাবার তৈরিতে বলুন, কালোজিরার ব্যবহার চোখে পড়বেই। হালকু তিতকুটে ধরনের এই মশলাটি শুধু যে খাবারের স্বাদ-গন্ধ বাড়ায় তাই নয়, শরীরের অসংখ্য উপকারেও আসে। অনেক অসুখ থেকে দূরে রাখে কালোজিরা।   আরও পড়ুন: প্রতিদিন পেয়ারা খাবেন যে কারণে কালোজিরায় রয়েছে ফসফরাস, ফসফেট ও আয়রন। এইসব খনিজ শরীর অনেকটাই রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় কালো জিরে রাখুন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কালোজিরার ফসফরাস রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। শরীরের যেকোনো জীবাণুর সঙ্গে লড়ে যেতে কালো জিরের ভূমিকা অসামান্য।   শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেক চিকিৎসকই রোগীর পথ্যে কালোজিরা রাখতে বলেন। কালোজিরার আয়রন ও ফসফেট শরীরে অক্সিজেনের ভারসাম্য রাখে।   অনেকেরই ঠান্ডা লেগে মাথা ধরে। ঘরোয়া উপায়ে তা কাটাতে হলে একটা পুঁটুলিতে কালোজিরা বেঁ
১৫ আগস্ট কেন ভারতের স্বাধীনতা দিবস?

১৫ আগস্ট কেন ভারতের স্বাধীনতা দিবস?

দুইশ’ বছরের ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতীয় উপমহাদেশের মুক্তি মিলে ১৯৪৭ সালে। ওই বছর ব্রিটেনের কাছে থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ভারত ভাগের মাধ্যমে ভারত এবং পাকিস্তান নামে দুটি দেশের জন্ম হয়। তখন থেকে ১৫ আগস্টকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।   উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এবার ৭২তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে ভারত। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ ও প্রাণদানের ইতিহাস রয়েছে। সেই ইতিহাসকে জানতে বসলেই যে প্রশ্ন সবার আগে উঠে আসে, তা হলো ভারতের স্বাধীনতা দিবস কেন ১৫ আগস্ট পালন করা হয়? কেন এই দিনটিকে বেছে নেয়া হলো?   ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ১৯৪৭ সালের ৩০ জুন ক্ষমতা হস্তান্তরের আদেশ দেয় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। কিন্তু সেই ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আগস্ট মাস পর্যন্ত লেগে যায়।   তৎকালীন ভারতীয় রাজনীতিবিদ সি রাজাগোপালাচারি বলেন, যদিও ১৯৪৮
শক্তিই হোক পিতা হারানোর শোক

শক্তিই হোক পিতা হারানোর শোক

দাঁড়াও। শিউরে ওঠো। পিতা হারানোর গল্প শোনো। ডুকরে কাঁদো। বেদনার অশ্রু ধারায় প্রবাহিত করো শক্তির ধারা। যতদিন রবে পদ্মা-যমুনা, ততদিনই রবে পিতা হারানোর বেদনা। শোকের পাষাণে দাঁড়িয়ে গাও পিতার জয়গান।   ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫। সেই রক্তের ধারা ছুটলো, তা আজও প্রবাহমান। পিতার জন্য যে হৃদয় ভালোবাসার সাজানো বাগান, সেই পিতা হারানোর রক্তক্ষরণ থামে কীসে?   বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ গড়ছেন তারই তনয়া শেখ হাসিনা। স্বাধীনতার সাড়ে চার দশকের বাংলাদেশ, জাতি এগিয়েছে বহুদূর। এগিয়েছে বিশ্ব সভ্যতাও। কিন্তু বাঙালির পূব আকাশের যে সূর্য উদিত হওয়ার প্রাকলগ্নেই অস্ত গেল, তা আজও অমানিশার ঘোরে আটকা। পিতাকে হারিয়ে জাতি আজও হাতড়িয়ে বেড়ায় সঙ্কটের প্রতিক্ষণে।   বাঙালির ইতিহাসে বিদ্রোহের আগুন জ্বলেছে হাজার বছর ধরে। হাজার বছরের বিদ্রোহের আগুনের সন্নিবেশ ঘটিয়ে জন্মেছিলেন টুঙ্গিপাড়ার সেই ছেলেটি। যার জন্মদিবসে
সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে কুলাউড়ায় প্রতিকী অনশন

সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে কুলাউড়ায় প্রতিকী অনশন

  বিশেষ প্রতিনিধি দেশব্যাপি সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা।   (১৩ আগস্ট) সোমবার সকাল ১০টা থেকে  দুপুর ১২টা পর্যন্ত বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কুলাউড়া উপজেলা ইউনিটের উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ মিনারে ২ঘন্টাব্যাপী এ প্রতিকী অনশন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব কুলাউড়ার সিনিয়ির সহ-সভাপতি ময়নুল হক পবন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কুলাউড়া উপজেলা ইউনিটের সাবেক সভাপতি প্রভাষক মানজুরুল হক, সভাপতি মোক্তাদির হোসেন, সাপ্তাহিক অর্থকালের সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আখই, সাংবাদিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন কবির, সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জসীম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ আফাজুর রহমান চৌধুরী ফাহাদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্প
টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়

টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়

ঠান্ডা লাগা থেকে হতে পারে টনসিলের সমস্যা। টনসিল বাড়লে ঢোক গিলতে গেলেও কষ্ট হয়। মুখ-গলা, নাক, কান দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে জীবাণু প্রবেশে বাধা দেয় এই টনসিল। তাই টনসিল আক্রান্ত হলে জীবাণুর প্রকোপ বাড়ে, বাড়ে অন্যান্য অসুখের ভয়ও। টনসিলের সংক্রমণ দু’-এক দিনে কাটেও না। চলুন জেনে নেই টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়-   আরও পড়ুন: পিরিয়ড অনিয়মিত হলে যা খাবেন লেবু শরীরের টক্সিন দূর করতে খুব উপকারী। তাই টনসিলে সংক্রমণ হলে বা গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম পানিতে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু ও সামান্য লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। লবণ অ্যান্টি সেপটিক। তাই শরীরের অভ্যন্তরের সংক্রমণে লবণ খুব কার্যকর। এই মিশ্রণটি সেবন করুন। টনসিলের সমস্যা কমবে সহজে।   হলুদ টিস্যুকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। তাই গলার ব্যথা কমাতে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে এক কাপ দুধে সামান্য হলুদ মেশান। তার পর
বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

২০১৫ সালে ইরানের উত্তর-পূর্বের শহর মাশাদে প্রথম এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সময়টা ছিল শীতকাল। সেখানে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র পৌঁছে দিতে অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তি এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এমন উদ্যোগের নামকরণ করা হয়েছিল ‘মহানুভবতার দেয়াল’। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমে সে খবর প্রচারিত হয়েছিল। সংবাদ প্রকাশের পর জনমনে ব্যাপক সাড়া পড়েছিল এমন উদ্যোগের জন্য। সেই ঘটনার পর ২০১৫ সালের নভেম্বর মাস থেকেই বাংলাদেশের মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল এসসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে এমন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। পাশাপাশি খুলনাতেও এমন উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। > আরও পড়ুন- গণিতে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণ জয় দেশের অন্যান্য উদ্যোগের খবর ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে না পড়লেও সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘
ছোটকাল থেকেই জুভেন্টাসে খেলার স্বপ্ন দেখতেন রোনালদো!

ছোটকাল থেকেই জুভেন্টাসে খেলার স্বপ্ন দেখতেন রোনালদো!

জীবনের শুরুটা ছিল নিজের দেশ পর্তুগালের ক্লাব স্পোর্টিং সিপিতে। সেখানে থাকতেই স্বপ্নের দরজা খুলে যায় পর্তুগিজ এই ফুটবলারের। চোখে পড়েন ম্যানইউ কোচ আলেক্স ফার্গুসনের। সেখান থেকে ২০০৩ সালে চলে আসেন ম্যানইউতে। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে খেলেন ৬ মৌসুম। ২০০৯ সালে তখনকার সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার হিসেবে নাম লেখান রিয়াল মাদ্রিদে।   স্প্যানিশ জায়ান্টদের হয়ে খেললেন ৯ মৌসুম। গোলের পর গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষকে। রিয়ালের হয়ে ৪৩৮ ম্যাচ খেলে করেন ৪৫০ গোল। রীতিমত রেকর্ড। সর্বশেষ টানা তিন বছর ক্লাবকে উপহার দিয়েছেন তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।       তবুও রিয়াল মাদ্রিদের মায়া ছাড়লেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বার্নাব্যুর সঙ্গে যে নাড়ির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সে সম্পর্ক ভাঙতে দ্বীধা করলেন না। নাম লেখালেন ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাসে। তুরিনে গিয়ে এখনও জুভেন্টাসের জার্স