Day: August 12, 2018

টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়

টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়

ঠান্ডা লাগা থেকে হতে পারে টনসিলের সমস্যা। টনসিল বাড়লে ঢোক গিলতে গেলেও কষ্ট হয়। মুখ-গলা, নাক, কান দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে জীবাণু প্রবেশে বাধা দেয় এই টনসিল। তাই টনসিল আক্রান্ত হলে জীবাণুর প্রকোপ বাড়ে, বাড়ে অন্যান্য অসুখের ভয়ও। টনসিলের সংক্রমণ দু’-এক দিনে কাটেও না। চলুন জেনে নেই টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়-   আরও পড়ুন: পিরিয়ড অনিয়মিত হলে যা খাবেন লেবু শরীরের টক্সিন দূর করতে খুব উপকারী। তাই টনসিলে সংক্রমণ হলে বা গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম পানিতে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু ও সামান্য লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। লবণ অ্যান্টি সেপটিক। তাই শরীরের অভ্যন্তরের সংক্রমণে লবণ খুব কার্যকর। এই মিশ্রণটি সেবন করুন। টনসিলের সমস্যা কমবে সহজে।   হলুদ টিস্যুকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। তাই গলার ব্যথা কমাতে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে এক কাপ দুধে সামান্য হলুদ মেশান। তার পর
বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

২০১৫ সালে ইরানের উত্তর-পূর্বের শহর মাশাদে প্রথম এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সময়টা ছিল শীতকাল। সেখানে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র পৌঁছে দিতে অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তি এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এমন উদ্যোগের নামকরণ করা হয়েছিল ‘মহানুভবতার দেয়াল’। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমে সে খবর প্রচারিত হয়েছিল। সংবাদ প্রকাশের পর জনমনে ব্যাপক সাড়া পড়েছিল এমন উদ্যোগের জন্য। সেই ঘটনার পর ২০১৫ সালের নভেম্বর মাস থেকেই বাংলাদেশের মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল এসসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে এমন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। পাশাপাশি খুলনাতেও এমন উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। > আরও পড়ুন- গণিতে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণ জয় দেশের অন্যান্য উদ্যোগের খবর ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে না পড়লেও সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘
ছোটকাল থেকেই জুভেন্টাসে খেলার স্বপ্ন দেখতেন রোনালদো!

ছোটকাল থেকেই জুভেন্টাসে খেলার স্বপ্ন দেখতেন রোনালদো!

জীবনের শুরুটা ছিল নিজের দেশ পর্তুগালের ক্লাব স্পোর্টিং সিপিতে। সেখানে থাকতেই স্বপ্নের দরজা খুলে যায় পর্তুগিজ এই ফুটবলারের। চোখে পড়েন ম্যানইউ কোচ আলেক্স ফার্গুসনের। সেখান থেকে ২০০৩ সালে চলে আসেন ম্যানইউতে। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে খেলেন ৬ মৌসুম। ২০০৯ সালে তখনকার সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার হিসেবে নাম লেখান রিয়াল মাদ্রিদে।   স্প্যানিশ জায়ান্টদের হয়ে খেললেন ৯ মৌসুম। গোলের পর গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষকে। রিয়ালের হয়ে ৪৩৮ ম্যাচ খেলে করেন ৪৫০ গোল। রীতিমত রেকর্ড। সর্বশেষ টানা তিন বছর ক্লাবকে উপহার দিয়েছেন তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।       তবুও রিয়াল মাদ্রিদের মায়া ছাড়লেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বার্নাব্যুর সঙ্গে যে নাড়ির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সে সম্পর্ক ভাঙতে দ্বীধা করলেন না। নাম লেখালেন ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাসে। তুরিনে গিয়ে এখনও জুভেন্টাসের জার্স