Month: December 2018

সাহিত্য তরুণদের কবিতায় মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ

সাহিত্য তরুণদের কবিতায় মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ

ফকির ইলিয়াস :: যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি, সেসব কবিরা তাদের কবিতায় কীভাবে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করেন? কেমন তাদের চেতনায় একাত্তর? এমন একটি প্রশ্নের মুখোমুখি প্রায়ই হই। ৪৭ বছর বয়সী মহান মুক্তিসংগ্রাম, যারা দেখেছেন- তাদের কবিতায় আমরা মুক্তির শাণিত ঝলক লক্ষ করেছি একাত্তর পরবর্তী সময়ে। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে কবিতা লিখে তারা স্পর্শ করেছেন আমাদের বিজয়ের, আমাদের স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক। এর পরবর্তী কবিরা কি সেই একই ধারা অনুসরণ করে এগিয়েছেন- না কী তারা তৈরি করেছেন নিজস্ব ধারা। এ বিষয়ে আমি এই নিবন্ধে কিছু আলোকপাত করতে চাই। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি দিকনির্দেশনা ছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সাতই মার্চের ভাষণে সেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। আমরা সেই ভাষণটিকে একটি প্রতীক ধরেই এগিয়েছিলাম। আমি মনে করি এই ভূমি,এই ভাষা সেই চেতনা ধারণ করেই এগিয়েছে। এই প্রজন্মের একজন কবি কোন চোখ দিয়ে দেখছেন স্
প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যের ধারক মৃৎশিল্প

প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যের ধারক মৃৎশিল্প

মৃৎশিল্প মানুষের উদ্ভাবিত প্রারম্ভিক শিল্পকলার একটি। তাই ভারতবর্ষে ইতিহাসে মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। নিয়োলিথিক যুগের স্থুল মৃৎপাত্রাদির নিদর্শন পশ্চিবঙ্গের উঁচুভূমি ও সাঁওতাল পরগনায় পাওয়া গেছে। মহেঞ্জদারো, তক্ষশীলা ও হরপ্পা সভ্যতার ঐতিহাসিক নিদর্শন বিভিন্ন রকমের মৃৎপাত্র ও অলঙ্কারের ঐতিহ্য তো আছেই। বলতে গেলে আবহমান কাল থেকেই নদীবহুল বাংলার পলিমাটি শুধু প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার নানা কাজে যে লেগেছে তা নয়, বাংলা শিল্পকলার অন্যতম উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পাথর এদেশে দুর্লভ বলে তার ব্যবহার ছিল সীমাবদ্ধ। বাঁশ, কাঠ, নলখাগড়া প্রভৃতি ছিল ঘড়-বাড়ি তৈরির প্রধান উপাদান। এছাড়া পোড়ামাটি ও ইট মন্দির হিবার প্রভৃতি নির্মাণে বহুলভাবে ব্যবহৃত হত। পুতুল ও খেলনা হাড়ি-পাতিল, সানকি-কলস, সৌখিন দ্রব্য ইত্যাদি উৎপাদনে মৃত্তিকার ব্যবহার হতো। যে দেশে বৃষ্টিপাত প্রচুর, বন্যা ও নদী ভাঙ্গন প্রায় প্রতি বছরই অনিবার
মানুষের মন সুন্দর হবে কখন

মানুষের মন সুন্দর হবে কখন

এডভোকেট শেফা বেগম ফাতেমা ::: জীবনটা যে কি তা মানুষ গভীরভাবে চিন্তা করলে তার হিসেব হয়তো পাওয়া যাবে না। তবে উপলব্ধি করা যায় মর্মে মর্মে আমরা মানুষ সৃষ্টির সেরা। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের আচার আচরণ ব্যবহার দেখে মনে হয়, এই পৃথিবীটা কি? কেন? তাদের কি কোন মনুষ্যত্ববোধ নেই। কিছু কিছু মানুষ আছে নিজের প্রভাবটা খাটাতে চায় বেশি। কিছু কিছু মানুষের জন্ম হয় নিজের প্রশংসাটা নিজে গেয়ে বেড়াবার জন্য। এতে কোন সার্থকতা আছে বলে আমার মনে হয় না। আর কিছু মানুষ আছে হিংসুটে স্বভাবের, যা নিজে পারে না, তা অন্যকে করার সুযোগটুকু দেয় না। বিভিন্ন কলা কৌশল, ভাব ভঙ্গিতে আপনাকে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করবে। এটাই তাদের স্বভাব। কেউ কাউকে আঘাত করবে। তাই তাকেও প্রতিঘাত করতে হবে তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু মানুষের স্বভাব থাকে মানুষকে আঘাত করার জন্য। আর সেই প্রতিবাদ করার ক্ষমতা হয়তো আপনারও আছে। তাই বলে এই নয় যে অন্যায়কে অন্যায় দিয়ে
উন্নয়ন ভাবনা : প্রেক্ষিত দিরাই

উন্নয়ন ভাবনা : প্রেক্ষিত দিরাই

মোঃ মিজানুর রহমান ::: কুশিয়ারা, মরা সুরমা, কালনী, পিয়াইন, ডাহুক হেরাচাপটি প্রভৃতি নদী বেষ্টিত ১৬টি ছোট বড় হাওর সমৃদ্ধ দিরাই উপজেলা ১৯৪২ সনে থানা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং উপজেলায় উন্নীত হয় ১৯৮২ সনে। ২৩২ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ জেলার এই উপজেলার আয়তন ৪২০.৯০ বর্গকিলোমিটার, যার জনসংখ্যা ২,৪৩,৬৯০। সুনামগঞ্জ জেলার এ উপজেলা ধান ও মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ ছিল। এক সময় কৃষকের গোলাভরা ধান ছিল, পুকুর-খাল-বিল-নদে ছিল অফুরন্ত প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ। মানুষের মনে ছিল সুখ আর আনন্দ। যার প্রকাশ ঘটতো সংস্কৃতি, বিনোদন আর নানাবিধ খেলাধুলার আয়োজনের মাধ্যমে। এই উপজেলায় মুসলমান জনসংখ্যা ৬৮% এবং হিন্দু ৩১%। কিন্তু স্মরণাতীত কাল থেকে মানুষ হিসেবে পারষ্পরিক শ্রদ্ধা ভালোবাসায় এ দু’সম্প্রদায়ের বিকাশ ঘটেছে, বাউল স¤্রাট আব্দুল করিমের গানে তার সুষ্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় এবং আজও যা অবিকৃত অবস্থায় প্রবহমান। সাম্প্রদায়িক সম
জাফলংয়ে একদিন

জাফলংয়ে একদিন

কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল ::: ঘটনাটি ঘটেছিল ঈদুল আযহার পরের শুক্রবার। ফজরের নামাজ পড়ে প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে যাই। সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠি। সেদিনও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ৯টার সময় ঘুম ভাঙলে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে বসি। এমন সময় মুঠোফোন বেজে ওঠে। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে কল্যাণপুরের আজাদ ভাই বললেন, রুবেল ভাই আপনি কোথায়? বললাম, এই তো বাসায় নাস্তা করতে বসেছি। আচ্ছা নাস্তা শেষ করে নিপবনের মেইনরোডে চলে আসুন। আপনাকে সাথে নিয়ে জাফলংয়ে বনভোজনে যাবো। এটা কী করে সম্ভব? কোনো প্রস্তুতি নেই। হঠাৎ করে এভাবে কি যাওয়া যায়? তিনি বললেন, ভাই আপনার তো কিছুই লাগবে না। আপনি শুধু কাপড় পরে আসুন। যাক, সবকিছুর পর আমারও তো খুবই শখ ছিল জাফলংয়ে বেড়াতে যাওয়ার। তাই নাস্তা শেষ করে চলে এলাম নিপবন সড়কের মুখে। আমি আসার আগেই গাড়ি চলে এসেছে। আজাদ ভাই গাড়ি থেকে নেমে আমাকে স্বাগত জানালেন। বললেন, ভাই গাড়িতে উঠুন।

কৃষি বিষয়ক লেখার সমৃদ্ধ সংকলন

সাইদুর রহমান সাঈদ ::: আমাদের দেশ উর্বর পলিমাটির সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ। আমরা কৃষি সভ্যতার গর্বিত সন্তান। কৃষিই আমাদের প্রধান পেশা। কৃষি এমন এক শিল্প, পৃথিবীর কোনো জাতিকেই যে শিল্পকে অবহেলা করে উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের দেশে এখনও শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ কৃষিজীবী। কৃষি সবচেয়ে সম্মানজনক পেশা। যদিও এক শ্রেণির কথিত শিক্ষিত, যারা কৃষকের সন্তান তারা নিজেদের পরিচয় গোপন করতে গৌরববোধ করে। তারপরও কৃষিকে অস্বীকার বা অবহেলা করা অন্তত বাঙালি জাতির পক্ষে সম্ভব নয়। বরং আমরা দেখছি বর্তমান কৃষিশিল্পকে আরো সম্প্রসারিত করার জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এটা নিঃসন্দেহে আমাদের জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমাদের দেশের কৃষকেরা দিনরাত হাড় ভাঙা পরিশ্রম করলেও এক সময় তারা অবহেলিত ছিলো। নারী মুক্তির অগ্রদূত বেগম রোকেয়া কৃষকের শারীরিক পরিশ্রমকে
অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিল করুন: মির্জা ফখরুল

অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিল করুন: মির্জা ফখরুল

একাদশ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে অভিযোগ করে ঘোষিত ফলাফল বাতিল ও অবিলম্বে পূন:নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘‘ পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একেবারে বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে আমাদের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে যে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে নজিরবিহীনভাবে একটা যুদ্ধাবস্থা তৈরি করে ত্রাস-ভীত সৃষ্টি করে এই নির্বাচনটি করা হয়েছে।”‘‘ আমরা এই নির্বাচন যেটা নজিরবিহীন সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এবং ভোট ডাকাতি বলা যেতে পারে, এই ভোট ডাকাতির ফলে আমরা এই নির্বাচনের ফলাফলকে পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছি। আমরা মনে করি, এই কলঙ্কজনক নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় অনুষ্ঠিত করতে হবে এবং এটা অনতিবিলম্বে করতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে।” প্রধান নির্
সেনাবাহিনীর ওপর মানুষের এত আস্থা কেন?

সেনাবাহিনীর ওপর মানুষের এত আস্থা কেন?

ওমর ফারুক জাবেদ: দেশের ক্রান্তিলগ্নে, দুর্যোগ-দুর্ভিক্ষে সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের এত আস্থা এত বিশ্বাস কেন? কোনও কারণ ছাড়া নিশ্চয়ই রাতারাতি অহেতুক এ বিশ্বাস তৈরি হয়নি! দেশ ও দেশের বাইরে নানা অর্জনের মাধ্যমে এ বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে নিয়েছে দেশপ্রেমিক এই সশস্ত্র বাহিনীটি। গত এক দশকে দেশে-বিদেশে তারা ব্যাপক সুনাম কুঁড়িয়েছে। যখন আইন-আদালত, প্রশাসন, কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো কেউ কারোও প্রতি পুরোপুরি বিশ্বাস রাখতে পারছে না, যখন ‘পলিটিক্যাল ব্লেম গেম’ নিয়ে মত্ত রাজনৈতিক শিবিরগুলো, তখনই বারবার সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ এসেছে। তাদের ওপর ভরসা রাখতে হয়েছে। সংকটকালে বহুবার এমন আস্থার যথাযথ প্রতিদানও দিয়েছে সেনারা। এবারও বিশেষত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রসঙ্গটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে। সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অতন্ত প্রহরী। সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ আসলে নান
যুক্তরাজ্যে এমবিই খেতাব পেলেন দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত

যুক্তরাজ্যে এমবিই খেতাব পেলেন দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত

প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখার জন্য শিক্ষা ও দাতব্য শাখায় কর্মরত দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছেন। যুক্তরাজ্যের ‘অ্যানুয়াল নিউ ইয়ার্স অনার্স লিস্টে’ নাম এসেছে আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী ও মোনোজাহা পলি ইসলামের। শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) প্রকাশিত ২০১৯ সালের তালিকায় তাদের দুজনকেই ‘মেম্বার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার’ (এমবিই) খেতাব প্রদানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষা বিস্তারে অবদান রাখার জন্য ‘আজাদ চৌধুরী অ্যাকাডেমি অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের’ প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদকে ‘মেম্বার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার’ (এমবিই) খেতাব প্রদান করা হয়েছে। তিনি সিলেটভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। স্বাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে সেখানকার অনেক গ্রামে শিক্ষার বিস্তারে অবদান রেখেছেন আজাদ। ২০১৯ সালের তালিকায় এমবিই খেতাব পাওয়া আরেকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মোনোজাহা পল
টাইগারদের বহু অর্জন ও কিছু অপ্রাপ্তির বছর

টাইগারদের বহু অর্জন ও কিছু অপ্রাপ্তির বছর

বিদায়ী ২০১৮ সালে টাইগারদের অর্জনের খাতা বেশ সমৃদ্ধ। কিন্তু কিছু না পাওয়ার বেদনাও সইতে হয়েছে। দু’বার কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপার স্বাদ পাওয়ার একদম কাছে গিয়েও ভাগ্য সহায় হয়নি সাকিব-তামিমদের। তবে একাধিক দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জেতার আনন্দ সেই না পাওয়ার বেদনা অনেকটাই লাঘব করেছে। সবমিলিয়ে ২০১৮ সালটা কেমন কাটলো টাইগারদের চলুন একনজরে দেখে আসা যাক। ওয়ানডে ক্রিকেটে এবার অন্যতম সফল দল বাংলাদেশ। ২০ ম্যাচের ১৩টিতেই জয় নিয়ে ভারত ও ইংল্যান্ডের পর বছরের সবচেয়ে সফল ওয়ানডে দল হওয়ার গৌরব যেমন ধরা দিয়েছে এবার, তেমনি জয়ের হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের দ্বিতীয় সেরা বছর এটি। এর আগে ২০০৯ সালে ১৪টি ওয়ানডে ম্যাচে জয় পেয়েছিল টাইগাররা। ২০১৮ সালে গত নয় বছরের মধ্যে বিদেশের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়ের (উইন্ডিজের বিপক্ষে) স্বাদ পেয়েছেন মাশরাফিরা। এছাড়া এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠা তো আছেই। এবারের এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা, পাক