অর্থনীতি

রিজার্ভ চুরি: শীর্ষ আট কর্মকর্তা দায়ী

রিজার্ভ চুরি: শীর্ষ আট কর্মকর্তা দায়ী

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির আট কর্মকর্তার গাফিলতি, দায়িত্বে অবহেলা ও অসতর্কতাকে দায়ী করেছে সরকারি তদন্ত কমিটি। তাদের মধ্যে চারজন কর্মকর্তা রিজার্ভ চুরিতে সহায়তা করেছেন। তাদের দু’জন রিজার্ভ থেকে অর্থ স্থানান্তরের ভুয়া বার্তা পাঠানোর সঙ্গে জড়িত। আর অপর দুই কর্মকর্তার পাসওয়ার্ড ছিল অরক্ষিত। এই চার কর্মকর্তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। আর চুরির ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে না জানিয়ে প্রায় এক মাস পর তা সরকারকে অবহিত করেন তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এতে তিনি গর্হিত অপরাধ ও অসদাচরণ করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। যদিও এ কমিটির দেয়া সুপারিশ এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। কারণ দায়ী কর্মকর্তারা চাকরিতে বহাল তবিয়তে আছেন। শুধু নামমাত্র তাদের ডেস্ক পরিবর্তন করা হয়। তবে এ ঘটনায় দায়েরকৃ
ব্রেক্সিট ইস্যুতে ফের গণভোট চায় বেশিরভাগ ব্রিটিশ

ব্রেক্সিট ইস্যুতে ফের গণভোট চায় বেশিরভাগ ব্রিটিশ

যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ (ব্রেক্সিট) ইস্যুতে ফের গণভোট চায় বেশিরভাগ ব্রিটিশ নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে নতুন এক জনমত জরিপে। এটি পরিচালনা করেছে ব্রেক্সিট বিরোধী সংগঠন 'বেস্ট ফর ব্রিটেন' এবং ডাটা কনসালটেন্সি গ্রুপ ফোকালডাটা। জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের সব অঞ্চলের মানুষই এ ইস্যুতে দ্বিতীয় আরেকটি গণভোট চায়। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। জরিপে দেখা গেছে, এ মুহূর্তে ব্রেক্সিট ইস্যুতে দ্বিতীয় দফায় গণভোট হলে আগের দফার ফল উল্টে যাবে। এতে যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে থাকার পক্ষে রায় দেবেন ৫৬ শতাংশ ভোটার। বিপরীতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের পক্ষে ভোট দেবেন ৪৪ শতাংশ ভোটার। অর্থাৎ, এখন ভোটাভুটি হলে ১২ শতাংশের ব্যবধানে এগিয়ে থাকবেন ব্রেক্সিটবিরোধীরা। এদিকে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিটের ইস্যুতে নতুন তারিখের প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
ইস্পাহানি চক্ষু হাসপাতালকে ৫ বছরের আয়কর সুবিধা

ইস্পাহানি চক্ষু হাসপাতালকে ৫ বছরের আয়কর সুবিধা

ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালকে শর্ত সাপেক্ষে আগামী ৫ বছরের জন‌্য আয়কর হতে অব‌্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। জনকল‌্যাণ ও সেবামূলক কার্যক্রমকে অধিক উৎসাহিত করতে এ সুবিধা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ‌্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। গত ১ নভেম্বর অভ‌্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া এনডিসি সই করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ‌্য জানা গেছে। আর ওই আদেশ ২০১৮ সালের ৩০ মে হতে কার্যকর ধরা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, আয়কর অধ‌্যাদেশের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার শর্ত সাপেক্ষে ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জনকল‌্যাণ ও সেবামূলক কার্যক্রম হতে উদ্ভূত আয়কে আয়কর হতে ৫ বছরের জন‌্য অব‌্যাহতি প্রদান করা হলো। শর্তগুলো হলো-এই প্রজ্ঞাপনের মাধ‌্যমে কর অব‌্যাহতিপ্রাপ্ত আয় ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শিক্ষা, জনকল‌্যাণ ও স্বাস্থ‌্যসেবা কর্মকাণ্ডে ব‌্যবহার করতে হব
নির্বাচনে প্রার্থী হতে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক

নির্বাচনে প্রার্থী হতে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকার পাশাপাশি আয়কর বিবরণী জমা বা রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক। আয়কর অধ্যাদেশেই এই শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনো পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের কোনো পদে বা সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে হলে রিটার্ন দিতে হবে। এনবিআর চাইলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাঁরা প্রার্থী হন, তাঁরা রিটার্ন জমা দিয়েছেন কি না, তা খোঁজখবর নিতে পারে। এর বাইরে আয়কর অধ্যাদেশে ১০ ধরনের পেশাজীবীর রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই ১০ ধরনের পেশাজীবীর করযোগ্য আয় না থাকলেও রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক। এবার জেনে নিই, এই পেশাজীবীর তালিকায় কারা আছেন। যাঁদের বাধ্যতামূলক রিটার্ন জমা দিতে হবে, তাঁরা হলেন চিকিৎসক, দন্তচিকিৎসক, আইনজীবী, হিসাববিদ, ব্যয় ও ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিশেষ হিসাববিদ, প্রকৌশলী, স্থপতি, জরিপকারী, আয়কর পেশাজীবী এবং সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্

ঋণখেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ১০৯ গুণ

বিচার না হওয়া, সীমাহীন দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার কারণে প্রতি বছর বাড়ছে ঋণখেলাপির সংখ্যা ও পরিমাণ। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৩০ হাজার ৬৫৮ জন। আর ১৯৯৭ সালে দেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা ছিল মোট দুই হাজার ১১৭ জন। অর্থাৎ ২০ বছরের ব্যবধানে দেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ১০৯ গুণ। সম্প্রতি সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঋণখেলাপির তথ্য প্রকাশ করেছে। এ সময় তিনি বলেন, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৩০ হাজার ৬৫৮ জন; তাদের কাছে অনাদায়ী অর্থের পরিমাণ এক লাখ ৩১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। আর ১৯৯৭ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী শাহ এমএস কিবরিয়া সংসদে ঋণখেলাপির তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। তাদের দেখা যায়, সেই সময়ের দেশে মোট দুই হাজার ১১৭ জন ঋণখেলাপি ছিল। আর সে সময় খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২১ হাজার কোটি টাকা। এটি বিস্ময়কর বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন
সুবিধাভোগী একজনই

সুবিধাভোগী একজনই

৫,৫০০ কোটি টাকার ঋণ বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে, ঋণের সুবিধাভোগী ইউনুছ বাদল একাই। এ্যাননটেক্সের বেনামি ঋণ গত ৮ আগস্ট জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৫৩৪ তম সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় যদিও ব্যাংকটির আইন উপদেষ্টা, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের কার্যালয় (আরজেএসসি) এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্মত নয় জনতা ব্যাংকের আলোচিত এ্যাননটেক্স গ্রুপের সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণের সুবিধাভোগী একজনই। আর তিনি হলেন এ্যাননটেক্স গ্রুপের কর্ণধার ইউনুছ বাদল। গত ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এক চিঠিতে এ তথ্য তুলে ধরেছেন জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুছ ছালাম আজাদ। এত দিন নামে–বেনামে ইউনুছ বাদলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২২ প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া জনতা ব্যাংকের ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ঋণের সুবিধাভোগী নিয়ে এক ধোঁয়াশা ছিল। জানা গেছে, জনতা ব্যাংক যে ২২টি প্রতি

রাজশাহী ওয়াসার ভূ-উপরিস্থিত পানি শোধনাগার নির্মাণসহ ১৭ প্রকল্প অনুমোদন

রাজশাহী ওয়াসার ভূ-উপরিস্থিত পানি শোধনাগার নির্মাণসহ ১৭ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ২০০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে ১১ হাজার ১৯৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে আসবে ২ হাজার ৮১১ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে আসবে ১৯৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা খরচ করা হবে। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, চলতি সপ্তাহেই মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) একনেকের বৈঠকে আরও ২০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ মুস্তফা কামাল। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব জিয়াউল ইসলাম, সা
তিন প্রকল্পে ৪২০০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

তিন প্রকল্পে ৪২০০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

বাংলাদেশের উন্নয়নে তিন প্রকল্পে ৫১ কোটি ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সামুদ্রিক মৎস্য, যোগাযোগ ও বন উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় সহায়তা সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সংস্থার সদর দফতর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে শনিবার বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের এ অর্থায়ন বাংলাদেশের পল্লী অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে। এর ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। তা ছাড়া মিয়ানমার থেকে সংঘাতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি তাদের আশ্রয় নেয়া এলাকার স্থানীয় লোকজনের উন্নয়নেও বিশ্বব্যাংকের এ অর্থায়ন কাজে লাগবে। বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়
ইলিশে বাজার ভরা, দামও কম

ইলিশে বাজার ভরা, দামও কম

রাজধানীর বাজারগুলো এখন ইলিশে ভরা। শুধু বাজার নয়, অলিগলি, পাড়া-মহল্লায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা ‘ইলিশ’ ‘ইলিশ’ হাঁক দিয়ে দিনভর ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এখন ক্রেতারা যে দরে ইলিশ কিনতে পারছেন, তা এই মৌসুমে সবচেয়ে কম। ইলিশের চাপে বাজারে অন্যান্য মাছের দামও কিছুটা কমেছে। অবশ্য এ সুসময় বেশি দিন থাকছে না, আগামী ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন বাজারে ইলিশ পাওয়া যাবে না। ‘মা’ ইলিশের ডিম ছাড়া নির্বিঘ্ন করতে মৎস্য অধিদপ্তর এ সময় এ মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। শেষ সময়ে মোটামুটি সস্তায় ইলিশ কিনে রাখতে বাজারে ভিড় করছেন ক্রেতারা। বিক্রিও বেশ বেড়েছে। সব মিলিয়ে জমজমাট ইলিশের কেনাবেচা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজার ও মিরপুরের আগারগাঁও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি বা তার কিছু বেশি-কম ওজনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। দর কেজিপ্রতি ৮৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা। ব
খাতায় হিসাব রাখার দিন শেষ

খাতায় হিসাব রাখার দিন শেষ

সফটওয়্যারের বৈশিষ্ট্য * সফটওয়্যার থেকে একবারই মূসক চালান নেওয়া যাবে * বেচাকেনার কোনো তথ্য এন্ট্রি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব হিসাবে আপডেট হবে * ভ্যাট কর্মকর্তারা যখন-তখন সফটওয়্যারে ঢুকতে পারবেন খাতা-কলমে বেচাকেনার হিসাব রাখার দিন শেষ। এখন থেকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ক্রেতাকে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট চালান দিতে হবে। আবার কত টাকার পণ্য বিক্রি করলেন, সেই হিসাবও রাখতে হবে বিক্রেতাকে। বছরে পাঁচ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেচাকেনার সব হিসাব রাখতে হবে। এমনকি মূসক বা ভ্যাট চালানও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দিতে হবে। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার ব্যবসায়ীদের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সম্প্রতি এনবিআর এ–সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে। এতে আগামী ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে সফ