ইতিহাস-ঐতিহ্য

এবার ফ্রিডম অব ডাবলিন অ্যাওয়ার্ড হারাচ্ছেন সু চি

এবার ফ্রিডম অব ডাবলিন অ্যাওয়ার্ড হারাচ্ছেন সু চি

এবার ফ্রিডম অব ডাবলিন অ্যাওয়ার্ড হারাচ্ছেন মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চি। শান্তিতে নোবেল জয়ী এই নেত্রীকে দেয়া সম্মাননা প্রত্যাহার করে নিতে ইতোমধ্যেই ভোট দিয়েছেন ডাবলিনের কাউন্সিলররা। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের ঘটনায় সু চির নীরব অবস্থান এবং সেনাবাহিনীর প্রতি তার সমর্থনকে কেন্দ্র করেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।   রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম আরটিইর এক খবরে জানানো হয়েছে, সু চির সিটি অব ডাবলিন অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাহারের পক্ষে ভোটে ৫৯ জনই নিজেদের সমর্থন জানিয়েছেন, অপরদিকে এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন দু’জন।   রোহিঙ্গা মুসলিমরা বহু বছর ধরেই মিয়ানমারে বাস করছেন। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দেশটিতে রোহিঙ্গাদের অবৈধ বাঙালী অভিবাসাী বলে অভিহিত করে। রোহিঙ্গাদের বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত সংখ্যালঘু সম্

বিশ্বের উষ্ণতম বছর হতে যাচ্ছে ২০১৬

২০১৬ সাল ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ বছরের প্রথম ৯ মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। এর আগে ২০১৫ সালকেই উষ্ণতম বছর বলে ধারণা করা হতো।   মরক্কোতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলন উপলক্ষে সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে।   জাতিসংঘের আবহাওয়াবিষয়ক সংস্থা (ডব্লিউএমও) বলছে, প্রাক-শিল্প সময়ের তুলনায় ২০১৬ সালের তাপমাত্রা ১ দশমিক ২ সেলসিয়াস বেশি ছিল। বছরের বাকি সময়টাতেও উষ্ণতা এরকমই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই উষ্ণতার পেছনে এল নিনোর কিছুটা প্রভাব থাকলেও বিশ্বব্যাপী কার্বন গ্যাসের নিঃসরণকেই বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।   বৈশ্বিক কার্বন প্রকল্পবিষয়ক সংস্থার (জিসিপি) গ্লোবাল কার্বন বাজেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে জীবাশ্ম জ্বালানি এবং শিল্প খাতে দাহ্য পদার্থ থেকে কার্বন ডাই-অক্স
কালের সাক্ষি কুড়িগ্রামের সোনাহাট প্রাচীন কালী মন্দির

কালের সাক্ষি কুড়িগ্রামের সোনাহাট প্রাচীন কালী মন্দির

হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ঃ ১৮/০৯/১৬ কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট কালীমন্দিরের রয়েছে প্রাচীন ঐতিহ্য। এর নির্মাণ ইতিহাস এখনো সবার অজানা। তবে জনশ্রুতি রয়েছে আজ থেকে প্রায় দুশো বছর পূর্বে শ্রী ভিকিম চান্দ এই কালী মন্দিরটি নির্মাণ করেন। তখন এই এলাকাটি ছিল ২৪ পরগনাধীন গয়বাড়ী এলাকা। শ্রী ভিকিম চান্দ ছিলেন একজন জোতদার ও বণিক। তিনি স্বপ্নদ্রষ্ট হয়ে মা কালীর নির্দেশনায় মন্দিরটি নির্মান করেন। বানুরকুটি মৌজায় নির্মিত কালী মন্দিরটি’র জন্য তিনি ১ একর ৪২ শতক জমি দেবোত্তর হিসেবে দান করেন। বর্তমানে এটি সোনাহাট বিজিবি ক্যাম্প ও ভারতের বিএসএফ ক্যাম্পের মধ্যবর্তী আন্তর্জাতিক পিলার ১০০৮ এর মধ্যে রয়েছে। তবে আশংকার বিষয় হল মন্দিরের জায়গা বেদখল হয়ে গেছে! এখন মাত্র ৮ শতাংশ জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। বাকী জমি বিভিন্ন জন জোরপূর্বক ভোগদখল করছে। ইতিহাসের সাক্ষি এই কালী মন্দিরটির অবস্থা এখন ভ
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে নৌকাবাইচ

আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে নৌকাবাইচ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্টিত হবে। এ উপলক্ষ্যে আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ড.মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, বিগত সময়ের চেয়ে এবার আরো কলেবরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের তিতাস নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হবে। এবার নৌকা বাইচে বাহারী রঙ্গের অন্তত ১৫টি নৌকা অংশ গ্রহন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতাকে সফল করার লক্ষ্যে তিনি সকল মহলের সহযোগীতা কামনা করেন। সংবাদ সমম্মেলনে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র নায়ার কবীর,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার,জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু। সাংবাদি
শচীন দেব বর্মণের বাড়ির মূল অবয়ব ফিরিয়ে আনতে সংস্কার চলছে: অক্টোবরে জন্মবার্ষিকী

শচীন দেব বর্মণের বাড়ির মূল অবয়ব ফিরিয়ে আনতে সংস্কার চলছে: অক্টোবরে জন্মবার্ষিকী

ইয়াসমীন রীমা,২২ আগস্ট,কুমিল্লা উপমহাদেশের অন্যতম সংগীত গুরু সুরসম্রাট শচীন দেব বর্মনের (এসডি বর্মন) কুমিল্লা বাড়িতে মূল অবয়বে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মুল বভনের সংস্কার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে এর সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজসহ বাড়িটির সংস্কার কাজের প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে শচীন দেবের জন্মবার্ষিকীর আগেই এর কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন। তবে বাড়িটির চার পাশের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে। এর প্রবেশ পথের ডান পাসে রয়েছে একটি সরকারি হাস-মুরগীর খামার। যার ফলে বিনষ্ট হচ্ছে নান্দনিকতার। এটি অন্যস্থানে সরিয়ে নিতে স্থানীয়সহ সুশীল সমাজ দাবী জানিয়েছেন। জানা যায়, ১৯২৫ সালে কিংবদন্তী শিল্পী শচীন-কর্তা ভারতে চলে যান। এরপর থেকে কুমিল্লা মাহানগরীর উত্তর চর্থা (নবাবাবাড়ি) এলাকায় এ বাড়িটি অযতেœ আর অবহেলায় পড়ে থাকে। খসে খসে পড়ে বাড়িটির মুল ভবনের ইট-সুরকী। দ
কুমিল্লা শালবন বিহারে নব আবিস্কার

কুমিল্লা শালবন বিহারে নব আবিস্কার

ইয়াসমীন রীমা,কুমিল প্রতিনিধি: কুমিল¬া জেলা শহর, এক সময়ের ত্রিপুরা যার আছে ময়নামতি নামে এক সুবর্ণ ইতিহাস । শহর কুমিল¬া থেকে ১০ কিঃ মিঃ দুরে পশ্চিমে এগারো মাইল দীর্ঘ শৈলমালার পাদদেশেই মাটির তলে লুকোছাপা ছিল বৌদ্ধ জীবন সাধনার লুপ্ত সংস্কৃতি। ময়নামতি-লালমাই এলাকাটি প্রতœসম্পদর এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। যার উত্তরে ময়নামতি ও দক্ষিণে লালমাই। ‘লালমাই অর্থাৎ লালমাটির এই টিলাময় এলাকাটির সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য বৌদ্ধ মন্দির ও বিহারে ধ্বংসাবশেষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বৃটিশ সৈন্য বাহিনীর চতুর্দশ ডিভিশনের অগ্রগামী শিবির নির্মাণ করার সময় সামরিক ঠিকাদারা এ সন্ধান লাভ করেন। কিন্তু তখন যুদ্ধের অস্থিরতায় এর স্বরূপ উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে প্রাপ্ত নিদর্শনের উপর গবেষনা করে পরিলক্ষিত হয় যে, ১২২০ খ্রীষ্টাব্দে পট্রিকেরা শহরে বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের পরিকল্পনা অনুযায়ী জমি রেকর্ড করা হয়ে
সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে

সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে

সিলেট প্রতিনিধি: বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ)-এর সিলেট জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. রুকন উদ্দিন আহমদ বলেছেন, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে, তাকে নিয়ে অধ্যয়ন করতে হবে। বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের মহান নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীরা ষড়যন্ত্রের মাধমে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধূলিস্যাত করেছিল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি দিয়ে আমরা কিছুটা হলেও কলঙ্ক মোচন করেছি। কিন্তু সেই প্রেতাত্মারা এখনও বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। মনে-প্রাণে বাঙ্গালী হয়ে, দেশকে ভালবেসে এদেরকে রুখতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাৎ বর্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্য সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক
অর্থমন্ত্রীর ২৮তম বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

অর্থমন্ত্রীর ২৮তম বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

সিলেট প্রতিনিধি: হিস্ট্রি অব বাংলাদেশ : এ সাবকন্টিনেন্টাল সিভিলাইজেশন’- নামে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের লেখা নতুন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। শনিবার রাজধানীর এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর আমিরুল ইসলাম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আমি কোনো ঐতিহাসিক নই। ইতিহাস পছন্দ করি। তারই অংশ হিসেবে এ বইটি লিখেছি। বইটিতে পাঠকের জন্য সহজ ও সাবলিল ভাষায় সব বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’ এ সময় তিনি বইটি নিয়ে যারা আলোচনা সমালোচনা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। যেসব বিষয়ের সমালোচনা হয়েছে- এসব বিষয় মাথায় রেখে পরবর্তী সংস্করণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘বইটি ইতিহাস রচনার অন্যতম অংশ। বইটি আমাদের অতীত ইতিহাস জানান দেওয়ার পাশাপাশি আনন্দের খোরাক হবে। ইতিহাসকে সুচারু
জামালপুরের গান্ধী আশ্রম ও মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘর

জামালপুরের গান্ধী আশ্রম ও মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘর

শফিক জামান,জামালপুর প্রতিনিধি: বৃটিশ শাসিত ভারতে গান্ধির স্বদেশী মন্ত্রে দিক্ষিত হয়েছিল ভারত বর্ষের মানুষ। স্বদেশী চেতনায় ভারতবর্ষজুড়ে বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছিল গান্ধি আশ্রম। এই আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেসময় নাসির উদ্দিন সরকার নামে এক গান্ধিভক্ত স্বদেশী জামালপুরের নিভূত গ্রামে গড়ে তুলেছিলেন গান্ধি আশ্রম। সময়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই গান্ধি আশ্রমটি স্থানীয় উদ্যোগে ফের পূনর্জাগরিত হয়েছে। শুধু পূনর্জাগরণ নয় ভারতবর্ষের বৃটিশপূর্ব, বৃটিশ পরবর্তি পাকিস্তান পর্ব, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ ইতিহাসের অবিবিচ্ছিন্ন ধারাকে তুলে ধরতে এই প্রত্যন্ত গ্রামে গড়ে উঠা গান্ধি আশ্রম ও মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘর কাজ করে যাচ্ছে। যাদুঘরটি নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরছে ইতিহাসের আলো। পরাধীনতার গ্লানী মোচনের লক্ষ্যে গান্ধির স্বদেশী চেতনাকে ধারণ করে জামালপুর মহকুমা কংগ্রেসের তৎকালীন সম্পাদক নাসির উদ্দিন সরকার ১৯৩৪ সালে জামা

কুমিল্লায় কবি নজরুল প্রেম-পরিণয় কাব্যচর্চা ও গ্রেফতারী

ইয়াসমীন রীমা,০৯আগষ্ট,কুমিল্লা কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় যথেষ্টবার ভ্রমনের মধ্যে কুমিল্লার ভ্রমনটি ছিলো অত্যন্ত জরুরি। কুমিল্লা না এলে হয়তো নজরুলের জীবনধারা প্রবাহিত হতো অন্যখাতে। নজরুল জীবনের বেচিত্র্য ও বহুমুখী ধারার উম্মেষ পর্ব কুমিল্লা। কুমিল্লা থেকেই নজরুলের নতুনধারা তৈরি হয়,অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রটি প্রসারিত হয়। দৃষ্টিভঙ্গির বিস্তার ঘটে ব্যাপক,উপলদ্ধির নবতর ধারায় ঋদ্ধ হন কুমিল্লাতে। কুমিল্লা ও কুমিল্লার দৌলতপুর নজরুল জীবনে অপরিহার্য অংশ। নজরুলকে প্রভাবিত করেছে কুমিল্লা কুমিল্লার মানুষ ,ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য,প্রকৃতি পরিবেশ সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অবস্থা এবং চলমান ঘটনা প্রবাহ কবির মানস গঠনে বিশেষ সহায়ক হয়েছিল। নজরুল যখন কুমিল্লায় আসেন কবি হিসাবে তাঁর ব্যাপক খ্যাতি না থাকলেও জনপ্রিয় ছিলেন। তবে এভাবে যদি বিশ্লেষন করা যায় কুমিল্লা কবি নজরুলের সাহিত্য জীবনের উত্থ