এশিয়া

‘তিন দিনে সিদ্ধান্ত বাতিল করুন, না হলে আমি এখনও জীবিত’

‘তিন দিনে সিদ্ধান্ত বাতিল করুন, না হলে আমি এখনও জীবিত’

  রাজধানীর বুকে অরবিন্দ কেজরীবালের মঞ্চ থেকে তীব্র হুঙ্কার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দেশে নোট সঙ্কট নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণের সুর সপ্তমে চড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, ‘‘তিন দিন সময় দিলাম, তার মধ্যে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন। না হলে, আমরা এখনও বেঁচে আছি।’’ ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট কেন্দ্রীয় সরকার আচমকা বাতিল ঘোষণা করার পর থেকে বিরোধী দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। সাধারণ মানুষের হয়রানির চিত্র তুলে ধরে মোদী সরকারের সমালোচনায় সরব কংগ্রেস সহ অধিকাংশ বিরোধী দলই। পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি না নিয়ে নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, প্রশ্ন বিরোধীদের।  কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক ধাপ এগিয়ে বার বার দাবি করছেন, নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরীবালের সমাবেশ মঞ্চে হাজির হয়ে আ
শেষ পর্যন্ত ভাঙন ঠেকানো যাবে তো মুলায়ম সিংহ যাদবের দলে?

শেষ পর্যন্ত ভাঙন ঠেকানো যাবে তো মুলায়ম সিংহ যাদবের দলে?

যুদ্ধে বিরতি! নাকি এটাই সংঘাতের আনুষ্ঠানিক পরিণতি? শেষ  কথা বলার সময় আসেনি। তবে এটা ঘটনা, আজ অন্তত ভাঙল না সমাজবাদী পার্টি। কিন্তু স্পষ্ট হয়ে গেল যাদব কুলে কার ঘা কতটা দগদগে! কতটা গভীর দলের অন্দরের চিড়! যা ধামাচাপা দিতে গভীর রাত পর্যন্ত দলের মাথারা দফায় দফায় বৈঠক চালালেও গোটা পর্বে মোদ্দা যে প্রশ্নটি উঠে এল তা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত ভাঙন ঠেকানো যাবে তো মুলায়ম সিংহ যাদবের দলে? যাদব পরিবারে, দলে ও সরকারে বাপ-ছেলে, কাকা-ভাইপোর লড়াই তীব্র আকার নিয়েছিল আগেই। আজ তার নগ্ন চেহারাটা দেখল গোটা দেশ। ‘নেতাজি’ মুলায়মের উপস্থিতিতেই ভাইপো কেড়ে নিচ্ছেন কাকার মাইক! কাকা প্রকাশ্যেই মিথ্যাবাদী বলে গাল পাড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী ভাইপোকে। বাবার মন্তব্যে গর্জে উঠছেন ছেলে। আবার কিছু ক্ষণ পরেই বাবার কথা বলতে গিয়ে অবরুদ্ধ হচ্ছে পুত্রের কণ্ঠ। চলছে গাল, পাল্টা-গাল, মঞ্চেই ধাক্কাধাক্কি, স্লোগান পাল্টা-স্লোগান, কখ
‘ও একটা নপুংসক’, কলকাতায় এসে মন্তব্য অমর সিংহের

‘ও একটা নপুংসক’, কলকাতায় এসে মন্তব্য অমর সিংহের

চলতি যাদব-যুদ্ধের অন্যতম চরিত্র তিনি। তাঁকে ঘিরেই সোমবার উত্তাল হয়েছে লখনউয়ে সমাজবাদী পার্টির সম্মেলন। মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুলায়ম সিংহ তাঁকে ছোট ভাই আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘‘ওকে তাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না! ও আমাকে বাঁচিয়েছে। নইলে জেল খাটতে হতো!’’ যা শুনে বাবার হাত থেকে মাইক প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে পাল্টা তোপ দেগেছেন অখিলেশ যাদব, ‘‘ও দালাল! ও নেতাজিকে (মুলায়ম সিংহ) শাজাহান আর আমাকে আওরঙ্গজেব সাজিয়ে খবরের কাগজে গল্প খাইয়েছে! ওর শেষ দেখে ছাড়ব!’’ যাঁর জন্য বাপ-ছেলের এই ঝগড়া, সেই অমর সিংহ তখন হাজার কিলোমিটার দূরে। নিজের পুরনো শহর কলকাতায় চৌরঙ্গির মিষ্টির দোকানে বসে তারিয়ে তারিয়ে কচুরি-আলুর তরকারি খাচ্ছেন। সাত বছর আগে দুটো কিডনিই বাদ গিয়েছে। সিঙ্গাপুরের এক হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপনের পর দেশে ফিরে কার্যত বিছানায় শুয়ে কাটাতে হয়েছিল পরের ছ’মাস। নিজেই বললেন, ‘‘এমনকী অন্ত্রেরও তো অনেকটা নেই!’

ভারত-বাংলাদেশ কয়লা আমদানি-রফতানী বিষয়ে সিদ্ধান্ত ছাড়া বৈঠক শেষ

হাবিব সরোয়ার আজাদ,/ মিলাদুর রহমান তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) থেকে কয়লা আমদানি- রফতানী জঠিলতা নিরসনে ভারত-বাংলাদেশ উভয় দেশের ৫ জন করে প্রতিনিধির অংশ গ্রহনে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বড়ছড়া শুল্ক ষ্টেশনের মেইন পিলার ১১৯৯ এর নো-ম্যান্স ল্যান্ডে বৃহস্পতিবার বিকেলে দেড়ঘন্টা ব্যাপী বৈঠকে তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ ও শিংল’র কয়লা রপ্তানীকারকদের ৫ জন করে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সুত্রে জানা যায়, ভারতের মেঘালয়ের পরিবেশবাদী সংগঠন ডিমাহাসা ও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের আবেদনের ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল ন্যাশনাল গ্রীণ ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) আদালত মেঘালয় সরকারকে অবৈধ কয়লা খনন ও পরিবহন বন্ধের নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশে ২০১৪ সালের ১৩ মে থেকে মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত জেলাগুলোতে কয়লা উক্তোলন ও পরিবহনে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এরপর থেকেই সিলেটের তামালবিল, সুতারকান্দির শেওলা, ভোলাগঞ্জ, সুনাম
গ্রামের বাড়িতে কোমর বেঁধে পুজোর কাজে নেমে পড়েছেন বাংলা ছবির কমেডিয়ান বিশ্বনাথ বসু

গ্রামের বাড়িতে কোমর বেঁধে পুজোর কাজে নেমে পড়েছেন বাংলা ছবির কমেডিয়ান বিশ্বনাথ বসু

পুজোর কটা দিন বিশ্বনাথ বসুর ঠিকানা বাদুড়িয়ার বসু পরিবার। অভিনয় থেকে ছুটি। আড়বালিয়ায় গ্রামের বাড়িতে কোমর বেঁধে পুজোর কাজে নেমে পড়েছেন বাংলা ছবির কমেডিয়ান।   রুপোলি পর্দার ধড়াচূড়া ছেড়ে তিনি পুরোদমে পুরোহিত। কারণ, বাদুড়িয়ার আড়বালিয়ার বসু পরিবারের পুজোয় পৌরোহিত্য করেন নিজেই। যত ব্যস্ততাই থাক না কেন, পুজোর এই কটা দিন গ্রামের বাড়িতে যাওয়াটা মাস্ট। তিনি বাংলা ছবির চরিত্রাভিনেতা বিশ্বনাথ বসু। ধুতি-কাপড় পরে নেমে পড়েছেন পুজোর তদারকিতে। গ্রামের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে গান, গল্পগুজব করেই কাটিয়ে দেন আড়বালিয়ার পল্টু। গানের গলাটাও তাঁর খাসা।
উত্সবের উচ্ছ্বাস মধ্য গগনে, মহানগরে জনপ্লাবন

উত্সবের উচ্ছ্বাস মধ্য গগনে, মহানগরে জনপ্লাবন

মহোত্সবের আলোয় মুখরিত দিক দিগন্ত। মহাষ্টমীর রাত্রি নেমেছে মহাপ্লাবনের ঢেউ মেখে। মহানগরে এখন জনপ্লাবন। বৃষ্টি আর মেঘ মাঝে মধ্যেই এসে ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাকে থোড়াই কেয়ার। মহাষ্টমীর সকালটা শুরু হয়েছিল ঝলমলে আকাশে। সঙ্গে অঞ্জলির মন্ত্রোচ্চারণে ভক্তিগম্ভীর পরিবেশ। ষষ্ঠী সপ্তমীর মেঘের বিরক্তি কাটল বলে সবার দিল খুশ। কিন্তু বেলা বাড়তেই আকাশ বুঝিয়ে দিল, অত সহজে খুশি হতে দেওয়ার পাত্র এ বার তিনি নন। মেঘ এল। সঙ্গে কোথাও কোথাও বৃষ্টিও। তবে জনতা তৈরি হয়েই বেরিয়ে পড়েছে। ব্যাগে ব্যাগে, হাতে হাতে ছাতা। বৃষ্টি থামলে প্লাস্টিকের প্যাকেটে ছাতা ঢুকিয়ে আবার ব্যাগবন্দি। এ ভাবেই চলেছে ঠাকুর দেখা। আপনি যেমন ঘুরছেন মণ্ডপে মণ্ডপে, তেমনি ঘুরছেন আমাদের চিত্রসাংবাদিকরাও। যে ঠাকুর দেখা হল না আপনার, বা যিনি বাইরে বেরিয়ে কোনও ঠাকুরই দেখে উঠতে পারলেন না, বা যিনি কলকাতা থেকে অনেক দূরে এ শহরের পুজোর

ট্রানজিটের দ্বিতীয় চালানে এলপি গ্যাস গেল ত্রিপুরায়

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে সাতটায় ট্রানজিটের দ্বিতীয় চালানে ১০টি ট্যাংকার এলপি গ্যাস মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর চেকপোষ্ট দিয়ে ত্রিপুরার কৈলাসহর প্রবেশ করলো। শনিবার বেলা একটায় যাত্রা করে সিলেটের তামাবিল চেকপোষ্ট থেকে দীর্ঘ ১৪০ কি:মি: সড়ক অতিক্রম করে রাত সাড়ে সাতটায় মৌলভীবাজারের চাতলাপুর চেকপোষ্টে ট্রানজিটে আসা ভারতীয় ১০ ট্যাংকার এলপি গ্যাস পৌছে। ইমিগ্রেশন ও শুল্ক বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত সাড়ে আটটায় ভারতীয় গ্যাসের ট্যাংকারগুলো একে একে ত্রিপুরার মনু চেকপোষ্ট দিয়ে কৈলাসহর প্রবেশ করে। শনিবার বেলা ১২টায় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি চেকপোষ্ট দিয়ে বাংলাদেশের তামাবিল চেকপোষ্টে ট্রানজিটের ১০টি এলপি গ্যাসের ট্যাংকার বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এক ঘন্টার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারী বৃষ্টির মাঝে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় এলপি গ্যাসের ১০টি ট্যাঙ্কার ধীরে গতিত
বিজিবি-বিএসএফ’র কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক

বিজিবি-বিএসএফ’র কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক

বিভাগীয় প্রতিনিধি, রাজশাহী: রাজশাহীর ১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের সাথে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ৪ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ’র ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশের বকচর পোষ্টের সীমান্ত পিলার ৩৪/১-এস এর ২০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে আটরশিয়া বিএসএফ ক্যাম্পে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ১৮ সদস্যের বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল শাহ্জাহান সিরাজ এবং বিএসএফ’র ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ৪ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ এর কমান্ড্যান্ট শ্রী আর ডি ডোগরা। ১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহ্জাহান সিরাজ জানান, বৈঠকে সীমান্ত সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এরমধ্য সীমান্তে গুলি বর্ষণ না করা, হত্যা-নির্যাতন বন্ধ করা, চোরাচালান ও মাদকদ্
চাতলাপুর চেকপোষ্ট দিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশ করল ১ম চালান : গ্রহণ করলেন ভারতীয় মন্ত্রী তপন চক্রবর্তী

চাতলাপুর চেকপোষ্ট দিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশ করল ১ম চালান : গ্রহণ করলেন ভারতীয় মন্ত্রী তপন চক্রবর্তী

নুরুল ইসলাম ও প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, চাতলাপুর চেকপোষ্ট থেকে ফিরে: বাংলাদেশের সিলেট- মৌলভীবাজার-শমশেরনগর ট্রানজিট সড়ক ব্যবহার করে চাতলাপুর চেকপোষ্ট দিয়ে কঠোর পুলিশী নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশ করল ভারতীয় জ্বালানি তেলের ট্যাংকার। ভারতের মেঘালয় থেকে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে আসা জ্বালানি তেলবাহী ১০টি লরির প্রথম চালান গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টায় চাতলাপুর ও ত্রিপুরার মনু চেকপোষ্টে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করলেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী। এ সময়ে ত্রিপুরার উনকোটি জেলার সরকারী উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ছাড়া ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। রাত ১১টায় জ্বালানী তেলের লরি চাতলাপুর চেকপোষ্টে গিয়ে পৌছার পর ইমিগ্রেশন ও শুল্ক বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে চেক পয়েন্টে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয় জ্বালানী তেলের ১০ জন চালক, সহকারী চালক ও সফরসঙ্গী ভারতের ওয়েল কর্পোরেশনের কর্মকর্ত
চাতলাপুর-মনু চেকপোষ্টে ভারতীয় জ্বালানীবাহী তেলের লরি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করলেন ভারতীয় মন্ত্রী তপন চক্রবর্তী

চাতলাপুর-মনু চেকপোষ্টে ভারতীয় জ্বালানীবাহী তেলের লরি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করলেন ভারতীয় মন্ত্রী তপন চক্রবর্তী

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, চাতলাপুর চেকপোষ্ট থেকে ফিরে: বাংলাদেশের সিলেট- মৌলভীবাজার-শমশেরনগর ট্রানজিট সড়ক ব্যবহার করে চাতলাপুর চেকপোষ্ট দিয়ে কঠোর পুলিশী নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশ করল ভারতীয় জ্বালানি তেলের ট্যাংকার। বাংলাদেশে আসা ভারতীয় জ্বালানী তেলের ১০টি লরি শনিবার রাত সোয়া ১১টায় মৌলভীবাজারের চাতলাপুর ও ত্রিপুরার মনু চেকপোষ্টে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করলেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী। এ সময় ত্রিপুরার উনকোটি জেলার সরকারী উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ছাড়া ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। রাত ১১টায় জ্বালানী তেলের লরি চাতলাপুর চেকপোষ্টে গিয়ে পৌছার পর ইমিগ্রেশন ও শুলক বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে চেক পয়েন্টে ফুল দিয়ে বরণ করে বরণ করে নেয়া হয় জ্বালানী তেলের ১০ জন চালক, সহকারী চালক ও সফরসঙ্গী ভারতের ওয়েল কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের। রাত সাড়ে ১০টায় কমলগঞ্জ উপজেল