এশিয়া

কেরালার মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছে উগ্রপন্থী আরএসএস

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্য কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে হত্যার হুমকি দিয়েছে উগ্রপন্থী হিন্দুত্ববাদী দল আরএসএস। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর শহীদ পার্কে আয়োজিত এক সভায় আরএসএস নেতা কুন্দন চন্দ্রাবত বলেছেন, বিজয়নকে হত্যা বা তাঁর শিরশ্ছেদ করতে পারলে এক কোটি রুপি পুরস্কার দেওয়া হবে। কেরালায় এখন বাম দল ক্ষমতায়। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী সিপিএম নেতা পিনারাই বিজয়ন। গত বছরের ২৫মে তিনি ক্ষমতায় আসেন। কুন্দন চন্দ্রাবত কেরালার মুখ্যমন্ত্রীকে ‘খুনি’ হিসেবে চিহ্নিত করে বলেছেন, তাঁর আমলে ৩০০ আরএসএস কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। এ কথা বলেই কুন্দন থেমে যাননি। হুমকির সুরে বলেছেন, ‘কমিউনিস্টরা সাবধান’। তবে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন বলেছেন, তিনি তাঁর স্বাভাবিক কাজকর্ম করে যাবেন। আরএসএস দেশকে বিভাজনের চেষ্টা করছে। ওরা মুসোলিনীর সাংগঠনিক পরিকাঠামো অনুসরণ করছে। হিটলারের ভাবাদর্শে চলছে। সিপিএমের কে
বেনাপোলে একুশে স্মরণে দুই বাংলার মিলনমেলা

বেনাপোলে একুশে স্মরণে দুই বাংলার মিলনমেলা

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দুই বাংলার হাজার হাজার ভাষাপ্রেমী মানুষের মিলনমেলা বসেছিল বেনাপোল চেকপোস্ট নোমান্সল্যান্ড এলাকায়। আজ মঙ্গলবার সকালে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া উপেক্ষা করে দলে দলে মানুষ যোগ দেয় মহান একুশের এই মিলনমেলায়। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি’- এই কালজয়ী স্মারকসংগীতের অনুরণন নিয়ে বায়ান্নর ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে এপারের বাঙালিদের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হন পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা। সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডে অস্থায়ী শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দুই বাংলার মানুষ। তাদের মধ্যে ছিলেন রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্মকর্তারা। এপারের বেনাপোল এবং ওপারের বনগাঁও পৌরসভার যৌথভাবে আয়োজিত মিলনমেলায় এই প্রথম দুই দেশের ভাষাপ্রেমীরা পরস্পরের জন্য রক্তদান করেন। অর্থাৎ বাংলাদে

ভারতে বায়ুদূষণে প্রতি দুই মিনিটে একজনের মৃত্যু

বায়ু দূষণে হাঁসফাঁস করা ভারতে প্রতি দুই মিনিটে একজনের মৃত্যু হচ্ছে, বলে সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানা যায়। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা জার্নাল ‘ল্যান্সেট’এই সম্প্রতি এই সমীক্ষা প্রকাশ করেছে। ওই সমীক্ষায় জানা যায়, ভারতে বায়ুদূষণের কারণে গত বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তবে এই জরিপটি চালানো হয়েছিল ২০১০ সালে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এরপর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। তবে এই দূষণের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের। প্রতিবেদন সূত্রে আরও জানা যায়, উত্তর ভারতে ওই বায়ুদূষণের জন্যই ধোঁয়াশার পরিমাণ আগের চেয়ে বহু গুণ বেড়েছে। যে চারটি কারণে ভারতে অল্প বয়সে মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে, বায়ুদূষণ তার অন্যতম বলে ওই সমীক্ষায় জানানো হয়েছে। সম্প্রতি, ভারতের ৪৮ জন শীর্ষ বিজ্ঞানীর করা সমীক্ষায় জানা যায়, দেশটির রাজধানী দিল্লি ও বিহারের পটনাই বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর। এদিকে অক্টোবরে দীপাবলী উৎসবের সময় দিল্লির বায়

‘আরবের মহিলাদের মতো ভারতীয় মহিলাদেরও নিজের দেহ ঢেকে রাখা উচিৎ’

ভারতে মেয়েদের উপর দিনের পর দিন যৌন নিপীড়ন বেড়ে যাওয়ার ঘটনায় চিন্তিত জগদগুরু মাতা মহাদেবী মন্ত্যব্য করেন যে, মেয়েদের উত্তেজক পোশাক পরা উচিৎ নয় এবং তাদের বেশী রাত পর্যন্ত বাইরে থাকাও সমীচীন নয়। তিনি বলেন যে, “আরব দেশের মহিলাদের মতো আমাদের দেশের মেয়েদের ক্ষেত্রেও আরবের পোশাক প্রযোজ্য হওয়া উচিত।” মহাদেবী মহিলাদের উপর যৌন নিপীড়ন দিনের পর দিন বেড়ে যাওয়ায় চিন্তা প্রকাশ করে বলেন, মেয়েরা অনেক রাত পর্যন্ত বাইরে ঘোরাঘুরি করার কারণেই এধরনের ঘটনা বেশী ঘটছে। এই ঘটনার জন্য বিশেষ করে তাদের উত্তেজক পোশাককেই দায়ী করেন তিনি। মাতা মহাদেবী ভারতীয় মেয়েদের পশ্চিমা পোশাক ত্যাগ করে, নিজ সংস্কৃতি এবং সভ্যতা অনুযায়ী পোশাক পরার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, সমাজে এই ধরণের কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার পিছনে মেয়েরাও কিছুটা হলে দায়ী। ব্যাঙ্গালোরে নতুন বছরের প্রাক্কালে ঘটিত নারী হেনস্থার ব্যাপারে আলোচনায় তিনি বলেন, “নতুন বছর
কাশ্মিরে তুষারধসে সেনাসহ ৫ জনের মৃত্যু

কাশ্মিরে তুষারধসে সেনাসহ ৫ জনের মৃত্যু

কাশ্মিরে তুষারধসে এক সেনা কর্মকর্তাসহ পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুষারধসের কারণে উপত্যকা জুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর ও হিমাচল প্রদেশের বেশ কিছু এলাকায় বুধবার বিকাল ৫টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য সতর্কতা জারি করা হয়। বুধবার সকালে গান্ডেরবাল জেলার সোনমার্গে তুষারধসের ঘটনা ঘটে। সে সময় সেনা ক্যাম্পে আটকে পড়েন এক সেনা কর্মকর্তাসহ কয়েকজন জওয়ান। পরে উদ্ধারকর্মীরা বরফের নিচ থেকে ৮ জওয়ানকে উদ্ধার করেন। সেনা কর্মকর্তা মেজর অমিতের মৃতদেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো পর্যন্ত এক জওয়ান নিখোঁজ রয়েছেন। বান্দিপোরা জেলার গুরেজ সেক্টরেও তুষারধসের ঘটনা ঘটেছে। তুষারধসের ঘটনায় সেখানে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।
২০১৯ সালে মংলা বন্দরের সাথে ভারতের রেল যোগাযোগ স্থাপন: ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

২০১৯ সালে মংলা বন্দরের সাথে ভারতের রেল যোগাযোগ স্থাপন: ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

শেখ হেদায়েতুল্লাহ, খুলনা খুলনা মংলা নতুন রেল লাইন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। বৃহস্পতিবার দুপুরে মংলা বন্দরের শিল্প এলাকার দিগরাজে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, ভারত সরকার মংলা বন্দরকে অধিক গুরুত্ব দিয়েই এ রেল লাইন নির্মাণ করছে। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রচেষ্টায় খুব তাড়াতাড়ি এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এতে মংলা বন্দরের সাথে ভারতের রেল যোগাযোগ স্থাপন হবে। মংলা বন্দর থেকে খুলনার ফুলতলা পর্যন্ত এ রেল লাইনে ৮টি ষ্টেশন নির্মাণ করা হবে। ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে ভারতের ইরকন ইন্টারন্যাশনাল লি: ২০১৯ সালের মধ্যে রেল লাইন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করবে। ১শ ১৪ কোটি ৯লাখ ৮৯ হাজার টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের উদ্বোধনকালে বাংলাদেশ ও ভারতের রেলওয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারাসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে
জম্মুতে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত ৩

জম্মুতে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত ৩

ভারতের জম্মু ও কাশ্মির রাজ্যে জেনারেল রিজার্ভ ইঞ্জিনিয়ার ফোর্সের (জিআরইএফ) তিন মজুর ‘সন্ত্রাসী’ হামলায় নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোররাতে জম্মুর আখনুর সেক্টরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। ‘সন্ত্রাসীরা’ রাত প্রায় ২টার দিকে’ জিআরইএফের শিবিরটিতে হামলা চালায়। জম্মুর এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করার জন্য শিবিরটিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। মোট কতজন ‘সন্ত্রাসী’ শিবিরটিতে হামলা চালিয়েছে তা জানা যায়নি। তাদের ধরতে শিবির ও শিবিরের আশপাশে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। হামলা চালাতে ‘সন্ত্রাসীরা’ সীমান্ত পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন বছরে জম্মুতে এটিই প্রথম সন্ত্রাসী হামলা। জম্মুজুড়ে কঠোর সতর্কাবস্থার মধ্যেই হামলাটি চালানো হল।

মোদীকে হটিয়ে জাতীয় সরকার গড়ার ডাক মমতার

ডেস্ক রিপোর্ট : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সরিয়ে জাতীয় সরকার গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার কলকাতা টাউন হলে এক প্রশাসনিক বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘দেশ চালানোর নামে কেবল সন্ত্রাস এবং হল্লাবাজি চলছে। আমরা প্রেসিডেন্টের কাছে দেশকে বাঁচানোর আবেদন করছি। রাজ্য সরকারকে না জানিয়ে গায়ের জোরে রাজ্যে সিআরপিএফ নামিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট শাসন জারি হোক। রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে আমাদের ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে জাতীয় সরকার গঠন করা উচিত।’bমমতা বলেন, ‘মোদির পক্ষে দেশ চালানো সম্ভব নয়। দেশের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। দেশ, জাতি, রাজ্যকে বাঁচাতে প্রেসিডেন্টের কাছে আবেদন জানাব।’ তিনি ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের পরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর তীব্র

কেন্দ্রীয় বাহিনী: কেশরীকে নালিশ তৃণমূলের

রাজ্যকে না জানিয়ে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় পাঠানো হয়েছে, সে ব্যাপারে তৃণমূলের পরিষদীয় দল রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। অন্যদিকে রাজ্য স্বরাষ্ট্রসচিব মলয় দে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রসচিবকে এ বিষয়ে চিঠি লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা ওয়াই ক্যাটাগরিতে পড়েন না। কেন মঙ্গলবার একাধিক নিরাপত্তারক্ষী রাখা হয়েছিল বিজেপি দপ্তরে?‌ অন্যদিকে, রাজ্যপালের কাছে পরিষদীয় দল জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। বুধবার তৃণমূলের ১৫ জন বিধায়ক রাজভবনে যান। তাঁরা বেশ কিছুক্ষণ রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলেন। রাজ্যপালকে তাঁরা জানিয়েছেন, যেহেতু বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নোট বাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, তাই ষড়যন্ত্র করে দলের সাংসদ সুদীপ ব্যানার্জিকে অনৈতিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পার্থ বলেন, রাজ্যপাল তাঁদের জানিয়েছেন, সিআরপি নামানো হয়েছে, সেটা তিনি

সিপিএম ছেড়ে দুশোরও বেশি সক্রিয় কর্মী যোগ বিজেপিতে

বাম শিবিরে ভাঙন অব্যাহত৷ বৃহস্পতিবার সিপিএম ছেড়ে একসঙ্গে দুশোরও বেশি সক্রিয় কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে৷ তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির প্রথম সারির রাজ্য নেতারা৷ রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির ক্রমশ শক্তি বেড়েই চলেছে৷ নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যেও শক্তি বাড়ে বিজেপির৷ লোকসভা ভোটে দেশজুড়ে যে মোদী হাওয়া উঠেছিল তার দৌলতে রাজ্য বিধানসভায় শূন্য থেকে তিনটি আসন প্রাপ্তি হয় গেরুয়া শিবিরের৷ এরপর থেকেই সিপিএম ছেড়ে শয়ে শয়ে কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগ দিতে শুরু করেছে৷ এমন কি শাসকদল তৃণমূল ছেড়েও বহু কর্মী সমর্থক নাম লিখিয়েছে গরুয়া শিবিরে৷ সাবেক ছিটমহল বাসীদের প্রিয় নেতা ও নাগরিক অধিকার রক্ষা সমন্বয় কমিটির প্রধান আহ্বায়ক দীপ্তিমান সেনগুপ্ত তিনিও যোগ দেন বিজেপিতে৷তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ গেরুয়া শিবিরে নাম