ক্ষেত-খামার

বরিশালে ভাসমান পাটের হাট ॥ অপার সম্ভাবনা

বরিশালে ভাসমান পাটের হাট ॥ অপার সম্ভাবনা

ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে প্রায় ৫০ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে জেলার তিনটি উপজেলার সীমান্তবর্তী গৌরনদীর সরিকল হাটের পাশ্ববর্তী খালে সোনালি আঁশের ভাসমান পাটের হাট। পাটের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও অধিক মুনাফাপ্রাপ্তি এবং নদী বেস্টিত হওয়ায় নদীপথে মালামাল বহনে সহজ হওয়ার কারণে তিন উপজেলাবাসী ও দূরের ব্যবসায়ীদের কাছে এ হাটটির ব্যাপক গুরুত্ব বেড়েছে। বাবুগঞ্জ, মুলাদী ও গৌরনদী উপজেলার সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী সরিকল হাটটি সপ্তাহে দুইদিন (মঙ্গল ও শুক্রবার) বসে। বিশেষ করে এ অঞ্চলে ব্যাপক পাট উৎপাদন হওয়ায় কৃষক পর্যায়ে পাটের সরবরাহ অনেক বেশী। স্থানীয় পাইকারী বিক্রেতারা জানান, সপ্তাহের প্রতি হাটে এখানে অর্ধকোটি টাকার পাট ক্রয়-বিক্রয় হয়। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পাট বিক্রেতারা জানান, খালের পারে হাট বসায় এবং খুব সহজে নৌযানে যোগাযোগ করতে পারায় বিক্রেতা নৌকা ও ট্রলারযোগে এবং দুরদুরান্ত থেকে পাইকারী পাট ব্যবসায়ীরা ট্রলার নিয়
গারো পাহাড়ে মাল্টা ও লেবু চাষ

গারো পাহাড়ে মাল্টা ও লেবু চাষ

ভারত সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি সুনিষ্কাশিত, উর্বর, মধ্যম থেকে দোঁ-আশ এবং এখানকার আবহাওয়া শুষ্ক ও উষ্ণ হওয়ায় এখানে সাইট্রাস (লেবু) জাতীয় ফল চাষের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। আর এ জাতীয় ফল বিশেষ করে লেবু ও মাল্টা চাষ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় ও একইসঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। গত তিন বছর আগে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাইট্রাস ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় লেবু ও মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন উদ্যোক্তা আব্দুল বাতেন। তিনি হলদীয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। পেশায় সরকারি গাড়ি চালক। আরো নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হলে এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে লেবু ও মাল্টা চাষে বিপ্লব ঘটবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চল অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার নতুন দ্বার উন্মোচন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ
বাঘার পদ্মায় ফের ইলিশ ধরা শরু ঃ জেলেদের মধ্যে কর্মতৎপরতা

বাঘার পদ্মায় ফের ইলিশ ধরা শরু ঃ জেলেদের মধ্যে কর্মতৎপরতা

রাজশাহীর বাঘার পদ্মায় গতকাল সোমবার থেকে ইলিশ ধরা ২২ দিন নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। তারপর থেকে জেলেরা জাল নৌকা নিয়ে ইলিশ ধরতে ফের পদ্মা নদীতে শরু করেছে। ফলে জেলেদের মধ্যে প্রান চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ৬ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে শরু করে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বাঘার পদ্মা নদীতে ২৬ কিলোমিটার ২২ দিন মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা ছিল। ফলে এ সময় মাছ ধরা সংরক্ষণ, ক্রয়, বিক্রয় পরিবহন, বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ছিল। ফলে দীর্ঘদিন বাছ ধরা থেকে জেলেরা বিরত ছিলেন। চকরাজাপুর গ্রামের জেলে ওলিউর রহমান বলেন, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর বর্তমানে পদ্মা নদীতে ছোট বড় দিয়ে অর্ধশতাধিক জেলে মাছ শিকার করছেন। বর্তমানে তিনি পদ্মা নদীর মধ্যে প্লেনপাড়া এলাকায় মাছ শিকার করছেন। তিনি সকাল থেকে ১০ কেজি ইলিশ ধরেছেন। এছাড়া সবাই মিলে প্রায় সাড়ে চার থেকে পাঁচ মন ইলিশ ধরেছেন। বাঘা উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট এক হাজার ৩০৭ জন জেলে রয়েছে। এরমধ্য
তালতলীতে আমন ব্রী ৪৯ বীজ বিক্রির নামে প্রতারনা

তালতলীতে আমন ব্রী ৪৯ বীজ বিক্রির নামে প্রতারনা

বরগুনার তালতলীতে আমন ব্রী ৪৯ বীজ বিক্রয়ে শাহাদাত মাতুব্বর নামে এক খুচরা বীজ বিক্রেতার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বীজ ক্রেতা কৃষকরা। এ সকল বীজক্রেতা কৃষকরা আগামী আমন মৌসুমে তাদের জমিতে ফসল না পাওয়ার আশংকায় এখন হতাশ হয়ে পড়েছেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সওদাগরপাড়া গ্রামের আনোয়ার মাতুব্বরের ছেলে শাহাদাত মাতুব্বর একজন খুচরা বীজ ব্যবসায়ী। চলতি আমন চাষের মৌসুমে শাহাদাত মাতুব্বরের নিকট থেকে স্থানীয় কৃষকরা ব্রি ৪৯ ধান চড়া মূল্যে ক্রয় করেন। অগ্রহায়ন মাসে এ বীজের ফসল আসার কথা। শাহাদাত মাতুব্বর তাদেরকে সঠিক বীজ না দিয়ে অন্য জাতের নি¤œ মানের বীজ সরবরাহ করেন যা বীজতলা তৈরী থেকে শুরু করে ৯০ দিনে ফসল আসে। অথচ আমন মৌসুমে এ বীজ বপনের উপযোগী নয়। এ বীজ বপন করার মাত্র ২০/২৫ দিনের মধ্যে ভাদ্র মাসের প্রথম দিকে ধান বের হতে থাকে। এ অবস্থা দেখে কৃষকরা এখন হতাশ হয়ে পড়েছে
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

নানা রঙের ফুল আমরা দেখতে পাই। লাল, নীল, হলুদ, বেগুনি, সাদা- কত রঙের ফুল আছে। এর মধ্যে নীল ফুল মানেই অপরাজিতা। আরও চমকপ্রদ নাম রয়েছে ফুলটির। এর বৈশিষ্ট্যও অনেক। আসুন জেনে নেই অপরাজিতার চাষ সম্পর্কে-   পরিচয়: অপরাজিতা ফুলটি Popilionaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এর ইংরেজি নাম ‘বাটারফ্লাই পি’। গাঢ় নীল বলে একে ‘নীলকণ্ঠ’ নামেও ডাকা হয়। এই ফুল এসেছে মালাক্কা দ্বীপ থেকে। টারনেটি বা মালাক্কা থেকে এসেছে বলে অপরাজিতার বৈজ্ঞানিক নাম ক্লিটোরিয়া টারনেটিকা। ক্লিটোরিয়া অর্থ যোনীপুষ্প। ফুলের ভেতরের আকৃতির জন্যই এ নাম। কেরালায় একে বলে ‘শঙ্খপুষ্পী’।   যত রং: নীল ছাড়াও সাদা এবং হালকা বেগুনি রঙের ফুল হয়ে থাকে। ফুলের ভেতরের দিকটা সাদা বা ঈষৎ হলুদ রঙের হয়ে থাকে। বৈশিষ্ট্য: লতানো এবং সবুজ পাতা বিশিষ্ট গাছে এ ফুল হয়ে থাকে। তবে ফুলে কোনো গন্ধ নেই। তবু রঙের বাহারে ফুলটি অনন্য। হালকা সবুজ র
জেনে নিন কাঠ গোলাপের কাটিং পদ্ধতি

জেনে নিন কাঠ গোলাপের কাটিং পদ্ধতি

‘কাঠ গোলাপ’ নামের ফুলটির সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। গোলাপের মত নয়, আবার কাঠের সঙ্গেও সে ধরনের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ফুলটির নাম ‘কাঠ গোলাপ’ দেওয়া হয়েছে। সে যা-ই হোক, আমরা বরং জেনে নেব কাঠ গোলাপের কাটিং পদ্ধতি। ax কাটিং: কাটিং করার জন্য নেওয়া ডাল কমপক্ষে ১২ ইঞ্চি লম্বা হওয়া উচিত। নির্বাচিত ডালটি ধারালো কিছু দিয়ে কেটে নিতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, কাঁটা অংশে যেন ময়লা না থাকে। তাতে কাটিং পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এরপর ডালের পাতাগুলো গোড়ার কাছ থেকে কেটে দিন। টেনে একদম গোড়া থেকে ছিঁড়ে ফেলবেন না। ডালটিকে ছায়াযুক্ত স্থানে ৭-৮ দিন রেখে দিন। এ কয়দিনে ডালের কাটা অংশ শুকিয়ে কালো বা খয়েরি হয়ে যাবে এবং কেটে দেওয়া পাতার বোঁটার থেকে যাওয়া অংশও ঝরে যাবে।   > আরও পড়ুন- বর্ষায় ফোটে সোনাপাতি ফুল রোপণ: এবার ডালটি রোপণের জন্য উপযুক্ত। রোপণের জন্য মাটি প্রস্তুত কর
চাহিদার কথা চিন্তা করে জারবেরা চাষ

চাহিদার কথা চিন্তা করে জারবেরা চাষ

জারবেরা ফুলটি বহুবর্ষজীবী। বিদেশি ফুল হলেও বাংলাদেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রথম সারির ১০টি ফুলের মধ্যে জারবেরা অন্যতম। এছাড়া ফুলটি বেশিদিন ফুলদানিতে সতেজ থাকে। তাই জেনে নিন জারবেরা চাষের নিয়ম-কানুন।   পরিচিতি জারবেরা অ্যাসটারেসি পরিবারভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ফুল। জার্মান পরিবেশবিদ ট্রগোট জারবারের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়। এটি আন্তর্জাতিক ফুল বাজারে কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে উল্লেখযোগ্য।           আকৃতি এটি দেখতে সূর্যমুখী ফুলের মতো। এর পাতা অনেকটা পালং শাকের পাতার মতো। বিশ্বে ৩০ ধরনের জারবেরা ফুল পাওয়া যায়। এরমধ্যে রয়েছে- লাল, হলুদ, কমলা, সাদা, গোলাপি, বেগুনি রঙের আকর্ষণীয় ফুল।   পুঁজি জারবেরা চাষ করতে হলে প্রাথমিকভাবেই ১৫-২০ লাখ টাকা পর্যন্ত পুঁজি দরকার হয়।          
রাজধানীতে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ শুরু

রাজধানীতে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ শুরু

সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি, হাতি, ব্যান্ড ও বাউল দলের সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মাধ্যমে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ৬ দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ-২০১৮। র‌্যালিটি শনিবার সকাল ৯টায় প্রাণিসম্পদ অধিদফতর থেকে শুরু হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ প্রদক্ষিণ করে অধিদফতর প্রাঙ্গণে শেষ হয়।   র‌্যালি শেষে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. আইনুল হক জানান, ‘সুস্থ ও মেধাবী জাতি গড়তে প্রোটিনের প্রয়োজন, আর এ প্রোটিনের প্রধান উৎস হলো প্রাণিসম্পদ। প্রাণিসম্পদ সেক্টরের উন্নয়ন তুলে ধরা, উন্নত জাতের পশু প্রদর্শন এবং জনগণকে প্রাণিজ আমিষের গুরুত্ব সম্পর্কে জানানোই হলো প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহের মূল লক্ষ্য।   তিনি জানান, ২০২১ সালের মধ্যে মাংস ও ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর’।      
শীতে ধনেপাতা চাষ করুন টবে

শীতে ধনেপাতা চাষ করুন টবে

শীতকালীন সালাদের জন্য ধনেপাতা অন্যতম। খাবার সুস্বাদু করতে ধনেপাতার জুড়ি নেই। তাই যারা শহরে থাকেন তারা টবে করে বাসার ছাদে অথবা বারান্দায় ধনেপাতা চাষ করতে পারেন।   গুণাবলি ধনেপাতায় ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ক্যারোটিন পাওয়া যায়। টবে ধনেপাতার চাষ করার সুবিধা হচ্ছে- প্রায় বারো মাসই চাষ করা যায়।   সময় তবে আশ্বিন থেকে পৌষ অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চাষ করা যায়।           মাটি সব রকমের মাটিতে চাষ করা যায়। তবে বেলে দোঁ-আশ থেকে এঁটেল দোঁ-আশ মাটি ধনেপাতা চাষের জন্য উপযোগী। ধনেপাতা আবাদের জন্য পানি নিষ্কাশনের সুবিধা থাকতে হবে।   বীজ বপণ বীজ ২৪ ঘণ্টা ন্যাকড়ায় জড়িয়ে ভিজিয়ে রাখলে তাড়াতাড়ি গজাবে। ধনেপাতার জন্য চওড়া মুখ বিশিষ্ট টব নির্বাচন করতে হবে। ৩-৪ সেন্টিমিটার গভীরে বীজ বুনে আবার মাটি দিয়ে ঢেকে স
শীতে ধনেপাতা চাষ করুন টবে

শীতে ধনেপাতা চাষ করুন টবে

শীতকালীন সালাদের জন্য ধনেপাতা অন্যতম। খাবার সুস্বাদু করতে ধনেপাতার জুড়ি নেই। তাই যারা শহরে থাকেন তারা টবে করে বাসার ছাদে অথবা বারান্দায় ধনেপাতা চাষ করতে পারেন।   গুণাবলি ধনেপাতায় ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ক্যারোটিন পাওয়া যায়। টবে ধনেপাতার চাষ করার সুবিধা হচ্ছে- প্রায় বারো মাসই চাষ করা যায়।   সময় তবে আশ্বিন থেকে পৌষ অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চাষ করা যায়।   মাটি সব রকমের মাটিতে চাষ করা যায়। তবে বেলে দোঁ-আশ থেকে এঁটেল দোঁ-আশ মাটি ধনেপাতা চাষের জন্য উপযোগী। ধনেপাতা আবাদের জন্য পানি নিষ্কাশনের সুবিধা থাকতে হবে।   বীজ বপণ বীজ ২৪ ঘণ্টা ন্যাকড়ায় জড়িয়ে ভিজিয়ে রাখলে তাড়াতাড়ি গজাবে। ধনেপাতার জন্য চওড়া মুখ বিশিষ্ট টব নির্বাচন করতে হবে। ৩-৪ সেন্টিমিটার গভীরে বীজ বুনে আবার মাটি দিয়ে ঢেকে সেচ দিতে হবে। মাটি ভেজা থাকলে পানি দেওয়া