ঘুরে বেড়ানো

বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির বাংলাদেশে

বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির বাংলাদেশে

ডেস্ক রিপোর্ট :: বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির এখন কক্সবাজারের কুতুপালং। এর আগে ১ নম্বর অবস্থানে ছিলো কেনিয়ার দাবাব শরণার্থী শিবির। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রেপটিম’র এক র‌্যাংকিংয়ে এ কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে বর্তমানে ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৮ জন শরণার্থী অবস্থান করছে। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মুসলিম জনগোষ্ঠি। রাখাইনে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন তারা। ২০১৭ সালের আগস্টে সেনা বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ শুরু করলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।’ তালিকায় ২য় অবস্থানে রাখা হয়েছে উগান্ডার বিডি বিডি শরণার্থী শিবিরকে। এ শিবিরে অবস্থান করছে দক্ষিণ সুদানের গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা ২ লাখ ৮৫ হাজার শরণার্থী। ২০১৩ সাল থেকে শুরু হওয়া ওই গৃহযুদ্ধ এখনও চলছে। ৩ নম্বরে রয়েছে কেনিয়ার দাবাব শরণার্থী শিবির। ২ ল
এই সময়ে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ‘কাশ্মির’

এই সময়ে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ‘কাশ্মির’

স্টাফ রিপোটার ::  ‘নীলাদ্রি’-নীল রঙে রূপায়িত এক জায়গার নাম। এ যেন নীলের রাজ্যে হারিয়ে যাওয়া। দেখে মনে হয়, স্বর্গীয় সৌন্দর্যে ভরা জায়গাটা যেন বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো ‌’কাশ্মীর’! মার্চ-এপ্রিল জায়গাটি সাজে অন্যরকম সাজে। অনেকের মতে, এটিই নীলাদ্রি ভ্রমণের সেরা সময়। অনেকেই সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরতে যান। কিন্তু এর আশেপাশেই বেশ কয়েকটি সুন্দর ও নয়নাভিরাম জায়গা আছে, যা যে কারো মনকে মুহূর্তেই দোলা দিয়ে যেতে পারে! এমনই একটি জায়গা টেকেরঘাট চুনাপাথরের পরিত্যাক্ত খনির লাইমস্টোন লেক। পর্যটকরা একে নীলাদ্রি লেক বলেই জানে। এর নামটা যেমন সুন্দর রূপটাও তেমনি মোহনীয়। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের এই লেকটি গত ৩ বছরে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। লেকটি পড়েছে বাংলাদেশে আর লেক পাড়ের পাহাড় পড়েছে ভারতে। লেকের আশপাশে অসংখ্য ছোট ছোট টিলা। আরেকটু এপাশে এলেই বিস্তৃত টাঙ্গুয়ার হাওড়। ঘাসে ঢাকা সবুজ টিলা, লেকের টলটলে পানি, ওপ
সিকিম-অরুনাচল-লাদাখ ভ্রমণ করতে পারবেন বাংলাদেশিরা

সিকিম-অরুনাচল-লাদাখ ভ্রমণ করতে পারবেন বাংলাদেশিরা

ডেস্ক রিপোর্ট :: বাংলাদেশের নাগরিকদের উপর থেকে উঠে গেলো ভারতের সিকিম, অরুনাচল ও লাদাখ প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা। বাংলাদেশের সচিত্র পরিচয়পত্র এবং নাগরিকত্বের সঠিক প্রমানপত্র জমা করলেই রংপো সীমান্ত দিয়ে এবার থেকে সিকিম প্রবেশের অনুমতি পাবেন বাংলাদেশি পর্যটকেরা। একইভাবে তারা ভারতের অরুনাচল প্রদেশ এবং জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখ প্রবেশেরও অনুমতি পাবেন। স্বভাবতই ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে উচ্ছসিত বাংলাদেশি পর্যটকেরা। পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব জানান, আমরা পশ্চিমবঙ্গের তরফে এর আগে একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছিলাম, যাতে বাংলাদেশি পর্যটকেরা সিকিম ভ্রমণে ছাড় পান। এবার সেই ছাড় মেলায় আমরা অত্যন্ত খুশি। এর ফলে দুই বাংলার মধ্যে মেলবন্ধন আরও দৃঢ় হবে। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, সিকিমের ব্যাবসায়ী সংগঠনের সম্পাদক সম্রাট স্যান্যালও। তিনি জানান, এই অনুমতি মেলার ফলে রংপো দিয়ে বাংলাদেশি পর্যটকেরা সিকিমে আস
ভ্রমণ একটি জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার উৎস: শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী

ভ্রমণ একটি জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার উৎস: শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী

ডেস্ক রিপোর্ট :: মানবজীবন একটি অনন্ত ভ্রমণের অংশবিশেষ। মানুষ অনন্ত সফরের যাত্রী। এই ভ্রমণের সূচনা হলো আমলে আরওয়াহ বা রুহের জগৎ থেকে। এর দ্বিতীয় ধাপ হলো আলমে দুনিয়া তথা দুনিয়ার জীবন। তৃতীয় সোপান হলো আলমে বারজাখ বা অন্তর্বর্তীকালীন জীবন, যা মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত বিস্তৃত। এরপর আখিরাত বা পরকালের অনন্ত জীবন। ভ্রমণের আরবি হলো সফর, ছায়ের, রেহলাত ইত্যাদি। ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম হজ অর্থও ভ্রমণ এবং ওমরাহ অর্থও ভ্রমণ। ভ্রমণ একটি আনন্দময় ইবাদত এবং জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার উৎস। সফর বা ভ্রমণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো পূর্ববর্তীদের কীর্তি ও পরিণতি সম্বন্ধে জানা ও শিক্ষা গ্রহণ করা। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না এবং তাদের পূর্ববর্তীদের কী পরিণাম হয়েছিল তা কি দেখে না? যারা মুত্তাকি তাদের জন্য পরলোকই শ্রেয়; তোমরা কি বোঝো না?’ (সুরা-১২ ইউসু
দেশের ‘সবচেয়ে সুন্দর’ পাহাড়ি নদী

দেশের ‘সবচেয়ে সুন্দর’ পাহাড়ি নদী

ডেস্ক রিপোর্ট :: বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ সাঙ্গু নদী। নদীটি পার্বত্য চট্টগ্রামে উত্তরদিকে বৃত্তাকারে বান্দরবান পর্যন্ত প্রবাহিত হয়েছে। পূর্বদিক দিয়ে বান্দরবানে প্রবেশ করে নদীটি জেলার পশ্চিম দিক দিয়ে বের হয়েছে। প্রায় ২৭০ কিলোমিটার প্রবাহিত হবার পর বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢালে বয়ে চলা সাঙ্গু দেখতে দারুণ দৃষ্টিনন্দন। উৎসমুখ হতে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত এই নদীর দৈর্ঘ্য ১৭০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে কয়টি নদীর উৎপত্তি তার মধ্যে সাঙ্গু নদী অন্যতম। মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বান্দরবান জেলার মদক এলাকার পাহাড়ে এ নদীর জন্ম। সাঙ্গু নদীর অপার রূপ দেখে মুগ্ধ হবেন না এমন মানুষ পাওয়া ভার। অপূর্ব এই নদীর দুইদিকে পাহাড়ের সারি। বর্ষায় পাহাড় বেয়ে নামে ছোট বড় অসংখ্য ছড়া। ছল ছল শব্দে ছড়ার চঞ্চল জল এসে মেশে নদীতে। পাহাড়ের ওপরে ভেসে বেড়ায় মেঘ। মনে হয়, ওই চূড়ায় উঠলেই বুঝি ছোঁয়া যা
স্বপ্নের মত প্রাচীন নগরী!

স্বপ্নের মত প্রাচীন নগরী!

বিনোদন ডেস্ক:: বর্তমানের বেশিরভাগ শহরের গোড়াপত্তন হয়েছে নিকট অতীত সময়ে। কিন্তু কিছু নগরী যা গড়ে উঠেছিল প্রাচীন সময়ে,আজও স্বীয় মহিমায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মানুষের কাছে বিস্ময় হয়ে। আজকের প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু এমনই পাঁচনগরী- ১. প্যারিস প্যারিস নগরী পত্তনের পূর্বে সে স্থানে ছিল সেল্টিক উপজাতি ‘পারিসি’-দের প্রতিষ্ঠিত শহর। রোমানরা গল অঞ্চল অতিক্রমকরে পারিসিদের অধিষ্ঠিত শহরে আগমন করে এবং নৃশংসভাবে তাদের হত্যা করে। এভাবে বর্তমান প্যারিস নগরের ভূখণ্ডরোমানদের অধীনে আসে। স্ট্রাবো তার গ্রন্থ ‘জিওগ্রাফি’-তে লিখেছেন, “পারিসি জাতি সিন নদীর অববাহিকায় একটি দ্বীপ-শহরে বসবাস করত, যার নাম ছিল লুকোটোসিয়া (বা লুটেসিয়া)।” এমিএনাস মারসেলিনাস বলেন, “মার্ন ও সিন নদী দু’টিলিয়ন্স অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পারিসি উপজাতি অধ্যূষিত দ্বীপরাজ্য লুটেসিইয়া পার হয়ে একত্রে মিলিত হয় এবং সাগরেপতিত হয়।” রোমানদের আক্রমণে
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগাছ বাংলাদেশে

এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগাছ বাংলাদেশে

ডেস্ক রিপোর্ট :: কাজকর্মের চাপে যখন পিষ্ট হয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই ঢাকার বাইরে কোনো দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন। একঘেয়েমি দূর হওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস-ঐতিহ্যের সান্নিধ্য পাবেন খুব কাছ থেকে। ঢাকার বাইরে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার জায়গার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা। এখানে রয়েছে এশিয়া মহাদেশের প্রাচীন বৃহত্তম বটগাছ। বটগাছের অবস্থান ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে রয়েছে এশিয়া মহাদেশের প্রাচীন বৃহত্তম বটগাছ। জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা শহর থেকে পূর্বে আট কিলোমিটার দূরে ৮ নম্বর মালিঘাট ইউনিয়নের বেথুলী মৌজায় এই বটগাছের অবস্থান। স্থানীয়রা জানান, ১৯৮২ সালের পূর্ব পর্যন্ত এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বটগাছ বলে পরিচিতি ছিল কলকাতার বোটানিক্যাল গার্ডেনের একটি গাছ। পরে বিবিসির এক তথ্যানুষ্ঠান প্রতিবেদনে প্রচার হয়। কালীগঞ্জ উপজেলার বেথুলী মৌজার সুইতলা মল্লিকপুরের বটগাছই এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগা
সৌন্দর্যে ভরা মালয়েশিয়ার পেনাং দ্বীপ

সৌন্দর্যে ভরা মালয়েশিয়ার পেনাং দ্বীপ

ডেস্ক রিপোর্ট :: প্রকৃতি যেন দু’হাত ভরে সম্পদ দিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায়। চকচকে ও ঐতিহ্যের শহর কুয়ালালামপুর। লঙ্কাভি মানে সমুদ্রতট। গেনতিং হাইল্যান্ড বলতে পাহাড়। আর এসব এক সঙ্গে পাওয়া যাবে পেনাংয়ে। মূলত এই কথা বলে দেশের উত্তর-পশ্চিমের ওই দ্বীপরাজ্য আকর্ষক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে মালয়েশিয়া। পাহাড়-পর্বত আর দ্বীপের সমাহার এই মালয়েশিয়ায় পেনাং একটি অসাধারণ দ্বীপ। এটি একটি প্রদেশও। এই দ্বীপ প্রদেশের রাজধানীর নাম জর্জ টাউন। মূল ভূখন্ড থেকে দ্বীপে যাতায়াতের জন্য মোট দুইটি সেতু রয়েছে। ইতিহাস আর নান্দনিকতার মিশেল পেনাংকে আরো মোহনীয় করেছে। এক সঙ্গে এমন রসায়ন সহজে মেলে না। পেনাং-কে সে’দেশের ভোজন-রাজধানীও বলা হয়। এত বৈচিত্র্যময় খাদ্যের সম্ভার সেখানে। আবার চিনা নববর্ষ-সহ বেশ কিছু জমকালো, রঙিন উৎসবও হয় সেখানে। পেনাং শুধু বিনোদন-ভ্রমণের জন্য নয়, বাণিজ্যিক অধিবেশনেরও কেন্দ্র। ব
কক্সবাজারের সবচেয়ে বিলাসবহুল হোটেল

কক্সবাজারের সবচেয়ে বিলাসবহুল হোটেল

অনলাইন ডেস্ক::কক্সবাজারের সবচেয়ে বিলাসবহুল হোটেল কোনটি? কারো মুখে এই প্রশ্ন শুনলে চোখ বুজে উত্তর দিতে পারেন ‘রয়েল টিউলিপ সী পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা’। ইনানী বিচে গড়ে তোলা এই হোটেলটি পাঁচ তারা মানের। এক পাশে সমুদ্র আর অন্য পাশে আকাশচুম্বী পাহাড় নিয়ে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে সর্বদা প্রস্তুত স্পেনীয় স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত লাক্সারিয়াস এই রিসোর্টটি। প্রায় ৫০ বিঘা জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই রিসোর্টে রয়েছে ৪৯৩টি কক্ষ। প্রতিটি কক্ষের আভিজাত্য এবং স্বকীয়তা বিশেষভাবে চোখে পড়ে, যা হোটেলে আগত অতিথিদের কাছে রাজকীয় অনুভূতি এনে দেয়। হিল ভিউ এবং সি ভিউ এই দুই রকম ভিউয়ের মিশ্রণ রয়েছে সুপেরিয়র কক্ষে। প্রিমিয়াম সি ভিউ স্যুইটে মিলবে কিচেন, ডাইনিং ও লিভিং এরিয়া। প্যানারমিক সি ভিউ স্টুডিও স্যুইটে মিলবে কিচেন, ডাইনিং, লিভিং এরিয়া ও ব্যালকনি। এছাড়া সৈকতমুখী ব্যালকনি, আলাদা লিভিং স্পেস, তিনটি ওয়াশরুম, একটি মাস্
জাফলংয়ে একদিন

জাফলংয়ে একদিন

কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল ::: ঘটনাটি ঘটেছিল ঈদুল আযহার পরের শুক্রবার। ফজরের নামাজ পড়ে প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে যাই। সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠি। সেদিনও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ৯টার সময় ঘুম ভাঙলে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে বসি। এমন সময় মুঠোফোন বেজে ওঠে। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে কল্যাণপুরের আজাদ ভাই বললেন, রুবেল ভাই আপনি কোথায়? বললাম, এই তো বাসায় নাস্তা করতে বসেছি। আচ্ছা নাস্তা শেষ করে নিপবনের মেইনরোডে চলে আসুন। আপনাকে সাথে নিয়ে জাফলংয়ে বনভোজনে যাবো। এটা কী করে সম্ভব? কোনো প্রস্তুতি নেই। হঠাৎ করে এভাবে কি যাওয়া যায়? তিনি বললেন, ভাই আপনার তো কিছুই লাগবে না। আপনি শুধু কাপড় পরে আসুন। যাক, সবকিছুর পর আমারও তো খুবই শখ ছিল জাফলংয়ে বেড়াতে যাওয়ার। তাই নাস্তা শেষ করে চলে এলাম নিপবন সড়কের মুখে। আমি আসার আগেই গাড়ি চলে এসেছে। আজাদ ভাই গাড়ি থেকে নেমে আমাকে স্বাগত জানালেন। বললেন, ভাই গাড়িতে উঠুন।