ঘুরে বেড়ানো

কোথায় ঘুরবেন বাংলা নববর্ষে

কোথায় ঘুরবেন বাংলা নববর্ষে

আসছে বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গেছে প্রস্তুতি। সেই প্রস্তুতির একটি অনুষঙ্গ- কোথায় ঘুরতে যাবেন। একটু আগেভাগেই নিয়ে নিন সিদ্ধান্ত। যারা ঢাকায় বসবাস করছেন; তাদের তো ঘরের কাছেই। আসতে পারেন দূর-দূরান্ত থেকেও। আসুন জেনে নেই সেই স্থানগুলো সম্পর্কে-   রমনা পার্ক নববর্ষে ঘুরতে প্রথমেই বেছে নিতে পারেন নগরীর রমনা পার্ক। পার্কের বটমূলে বসে পহেলা বৈশাখের প্রধান উৎসব। এখানে দিনব্যাপী চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পাশাপাশি আশপাশের কোনো দোকানে বসে খেতে পারেন পান্তা-ইলিশ।   টিএসসি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্র টিএসসিতেও ঘুরতে যেতে পারেন। যে কোনো জাতীয় উৎসবে স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ। রমনা পার্ক থেকে খুব বেশি দূরে নয়। এখানে এলে পেয়ে যাবেন গ্রামীণ মেলার পরিবেশ। তবে পহেলা বৈশাখের দিন প্রচুর ভিড় থাকে এখানে।   বাংলা একাডেমি যেতে পারেন বাংলা একাড
নতুন করে পাবো বলে

নতুন করে পাবো বলে

২০১৬ সালের ঈদুল ফিতর। খুব ভোরে সিলেটের কদমতলী নেমেই ফিরতি টিকিট কাটার উদ্দেশ্যে রেলস্টেশন। বাসে এসে, ফেরাটা অন্তত ট্রেনে হোক। তবে ঈদের দিন হওয়ায় স্টেশন বন্ধ। অগত্যা আবার কদমতলী গিয়ে বাসের টিকিট। রিকশাযোগে কিনব্রিজ পার হওয়ার সময় রবিরশ্মি স্বাগত জানালো। সারা দিনই রুদ্র ছিল রবি, মাঝে মাঝে মেঘের ব্যর্থ চেষ্টা। যা হোক, সিলেট শহরে পৌঁছতেই দেখি, কাঁচাপাকা নাতিদীর্ঘ কেশ ও শ্মশ্রুমণ্ডিত আশরাফ ভাই তার পাগলা ঘোড়ায় (মোটরবাইক) করে আমাদের এগিয়ে নিতে আসছেন। আমাদের আশরাফ ভাই। ঈদের দিন হলেও শুধু আমাদের জন্য তার বাড়ির বাইরে আসা। এক-দুই কথা বলে বন্দর বাজারে নাস্তা খেতে খেতে আলাপ।   কথা ছিল ৩ দিনের নামে বান্দরবান যাবো। বন্ধু জেমসের ক্যালাক্যালিতে ২ দিনের নামে সিলেট। টিকিট কাটার পর অনিবার্য কারণে তা ১ দিনে ঠেকল। তা-ও সই। এবার সফরে শুধু আমি আর জেমস।          
রাঙ্গামাটিতে বিশেষ পর্যটন অঞ্চল

রাঙ্গামাটিতে বিশেষ পর্যটন অঞ্চল

রাঙ্গামাটিতে ‘এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন’ বা ‘বিশেষ পর্যটন অঞ্চল’ গঠন করছে সরকার। প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে। এ লক্ষে ১২শ’ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ। এর মাস্টার প্লানসহ ডিপিপি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। বর্তমানে প্রকল্পটি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায়। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানিয়েছে।   সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের প্রথম দিকে রাঙ্গামাটিতে বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গঠনের উদ্যোগ নেয় সরকার। সরকারের নির্দেশনায় এর মাস্টার প্লান তৈরি করে তা বাস্তবায়নে ১২শ’ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ। ২০১৭ সালের ২৯ মে সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রকল্পের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়।   রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেল
নতুন করে পাবো বলে

নতুন করে পাবো বলে

২০১৬ সালের ঈদুল ফিতর। খুব ভোরে সিলেটের কদমতলী নেমেই ফিরতি টিকিট কাটার উদ্দেশ্যে রেলস্টেশন। বাসে এসে, ফেরাটা অন্তত ট্রেনে হোক। তবে ঈদের দিন হওয়ায় স্টেশন বন্ধ। অগত্যা আবার কদমতলী গিয়ে বাসের টিকিট। রিকশাযোগে কিনব্রিজ পার হওয়ার সময় রবিরশ্মি স্বাগত জানালো। সারা দিনই রুদ্র ছিল রবি, মাঝে মাঝে মেঘের ব্যর্থ চেষ্টা। যা হোক, সিলেট শহরে পৌঁছতেই দেখি, কাঁচাপাকা নাতিদীর্ঘ কেশ ও শ্মশ্রুমণ্ডিত আশরাফ ভাই তার পাগলা ঘোড়ায় (মোটরবাইক) করে আমাদের এগিয়ে নিতে আসছেন। আমাদের আশরাফ ভাই। ঈদের দিন হলেও শুধু আমাদের জন্য তার বাড়ির বাইরে আসা। এক-দুই কথা বলে বন্দর বাজারে নাস্তা খেতে খেতে আলাপ।   কথা ছিল ৩ দিনের নামে বান্দরবান যাবো। বন্ধু জেমসের ক্যালাক্যালিতে ২ দিনের নামে সিলেট। টিকিট কাটার পর অনিবার্য কারণে তা ১ দিনে ঠেকল। তা-ও সই। এবার সফরে শুধু আমি আর জেমস।          
নতুন করে পাবো বলে

নতুন করে পাবো বলে

২০১৬ সালের ঈদুল ফিতর। খুব ভোরে সিলেটের কদমতলী নেমেই ফিরতি টিকিট কাটার উদ্দেশ্যে রেলস্টেশন। বাসে এসে, ফেরাটা অন্তত ট্রেনে হোক। তবে ঈদের দিন হওয়ায় স্টেশন বন্ধ। অগত্যা আবার কদমতলী গিয়ে বাসের টিকিট। রিকশাযোগে কিনব্রিজ পার হওয়ার সময় রবিরশ্মি স্বাগত জানালো। সারা দিনই রুদ্র ছিল রবি, মাঝে মাঝে মেঘের ব্যর্থ চেষ্টা। যা হোক, সিলেট শহরে পৌঁছতেই দেখি, কাঁচাপাকা নাতিদীর্ঘ কেশ ও শ্মশ্রুমণ্ডিত আশরাফ ভাই তার পাগলা ঘোড়ায় (মোটরবাইক) করে আমাদের এগিয়ে নিতে আসছেন। আমাদের আশরাফ ভাই। ঈদের দিন হলেও শুধু আমাদের জন্য তার বাড়ির বাইরে আসা। এক-দুই কথা বলে বন্দর বাজারে নাস্তা খেতে খেতে আলাপ।   কথা ছিল ৩ দিনের নামে বান্দরবান যাবো। বন্ধু জেমসের ক্যালাক্যালিতে ২ দিনের নামে সিলেট। টিকিট কাটার পর অনিবার্য কারণে তা ১ দিনে ঠেকল। তা-ও সই। এবার সফরে শুধু আমি আর জেমস।          
জীবনে জীবন মেলাবার গল্প

জীবনে জীবন মেলাবার গল্প

আমি ছুটছি। খুব তাড়া আমার। ছুটতে ছুটতেই সবার আগে থাকা সানভীকে আমার ব্যাকপ্যাকটা ধরিয়ে দিয়ে এবার আমি সবার আগে। বগালেকে সেনাক্যাম্পের ঠিক আগের ঢালে দু’জনকে জিজ্ঞেস করতেই আঙুল উঁচিয়ে দেখিয়ে দিলো সেনাক্যাম্প, নয়তো লজে কাজটা সারতে হবে। শুনতে শুধু বাকি ছিল, আবার ছুট। ক্যাম্প বরাবর পৌঁছানোর পর পথিমধ্যে এক সেনাসদস্য গতি রোধ করল, দৌড়ানোর কারণ জানতে চাইলে কোনরকমে ইশারায় বুঝিয়ে আবার দৌঁড়। এক্কেবারে পয়লা লজেই কাজটা সারলাম। কাজ সেরে বাড়তি বিলম্ব না করে ক্যাম্পে গেলাম নিবন্ধন করতে, সেখানেই বাকিদের সাথে পুনর্মিলিত হলাম।   রুমা বাজারে প্রায় গলা পর্যন্ত মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে, আগামী কয়েকদিনের রসদ কিনে, গাইড তৌহিদের ঠিক করা জিপে চড়ে বসেছিলাম। রসদ কেনার কারণ, তৌহিদ গাইড প্লাস রাঁধুনি। বগালেকের আগে কমলা বাজার পর্যন্ত ব্যাপক চড়াই-উৎরাই পেরোনোর সময় ঝাঁকুনি-দুলুনি, নাচন-কোদন আর সুড়সুড়িতে পেটের খাবার স্বয়ং
পর্যটকদের মায়া ছড়াচ্ছে ‘মায়াবিনী’

পর্যটকদের মায়া ছড়াচ্ছে ‘মায়াবিনী’

পাহাড়ের উঁচু-নিচু ভাঁজে ভাঁজে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে লেক। স্বর্গময় লেকের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলছে হাঁস। স্বচ্ছ জলে খেলা করছে মাছ। প্রশ্বস্ত লেকের স্বচ্ছ পানিতে নৌকায় বসে প্রকৃতি উপভোগ করছে নানা বয়সী লোকজন। এমনই পরিবেশে খাগড়াছড়িতে আসা পর্যটকদের মায়া ছড়াচ্ছে ‘মায়াবিনী লেক’।   খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে ২০ মিনিটের পথ পেরিয়ে দেখা মিলবে বিনোদন কেন্দ্র ‘মায়াবিনী লেক’র। প্রবেশ পথেই দৃষ্টিনন্দন অভিবাদন গেইট বলে দিচ্ছে পর্যটনের সম্ভাবনার কথা। পাহাড়ের উঁচু-নিচু ৪০ একর জমির ওপর ১৫ একর লেকে দ্বীপ বেষ্টিত মায়াবিনী লেক খাগড়াছড়িতে পর্যটনের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত করবে।   খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লতিবান ইউনিয়নের কংচাইরী পাড়ার বিনোদন কেন্দ্র ‘মায়াবিনী লেক’ ঘিরে আগ্রহ বেড়েছে পর্যটকদের এমনটাই জানিয়েছে অংহ্লাপ্রু মারমা। তিনি বলেন, ‘একতা মৎস্য সমবায় সমিতির স্বপ্নের নাম ‘মায়া
অতিথি পাখিতে মুখরিত আত্রাই নদ

অতিথি পাখিতে মুখরিত আত্রাই নদ

হাজারো পাখির কল কাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদ। পাখির কিচির মিচির শব্দে ঘুম ভাঙে নদীর দু’পাড়ের মানুষের। আর অতিথি পাখিদের ‘নিরাপদ আবাস’ গড়তে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পাখির অবাধ বিচরণ দেখে ২০১০ সালে পাখিপ্রেমী কাজী নাজমুল, আইনুল ইসলাম, মোকলেসুর রহমান, একরামুল হোসেনসহ কয়েকজন যুবক মিলে অভয়াশ্রম গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সাত বছর যাবৎ আত্রাই নদীতে অতিথি পাখির আগমণ ঘটছে। নিরাপদ মনে করে পাখিরা এ নদীতে আশ্রয় নিয়েছে। শীতের শুরুতে পাখিদের আগমন শুরু হয়। এ সময় নদীতে পানির পরিমাণও কম থাকে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে আবার পাখিগুলো চলে যায়। এ নদীতে বছরে প্রায় ৭-৮ মাস পাখিগুলো থাকে।           আত্রাই নদীতে পাখিদের আবাস হলেও রাত হলেই তারা পাশের বিল মোহাম্মদপুর, রামচন্দ্রপুর, মধুবন
জীবনে জীবন মেলাবার গল্প

জীবনে জীবন মেলাবার গল্প

আমি ছুটছি। খুব তাড়া আমার। ছুটতে ছুটতেই সবার আগে থাকা সানভীকে আমার ব্যাকপ্যাকটা ধরিয়ে দিয়ে এবার আমি সবার আগে। বগালেকে সেনাক্যাম্পের ঠিক আগের ঢালে দু’জনকে জিজ্ঞেস করতেই আঙুল উঁচিয়ে দেখিয়ে দিলো সেনাক্যাম্প, নয়তো লজে কাজটা সারতে হবে। শুনতে শুধু বাকি ছিল, আবার ছুট। ক্যাম্প বরাবর পৌঁছানোর পর পথিমধ্যে এক সেনাসদস্য গতি রোধ করল, দৌড়ানোর কারণ জানতে চাইলে কোনরকমে ইশারায় বুঝিয়ে আবার দৌঁড়। এক্কেবারে পয়লা লজেই কাজটা সারলাম। কাজ সেরে বাড়তি বিলম্ব না করে ক্যাম্পে গেলাম নিবন্ধন করতে, সেখানেই বাকিদের সাথে পুনর্মিলিত হলাম।   রুমা বাজারে প্রায় গলা পর্যন্ত মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে, আগামী কয়েকদিনের রসদ কিনে, গাইড তৌহিদের ঠিক করা জিপে চড়ে বসেছিলাম। রসদ কেনার কারণ, তৌহিদ গাইড প্লাস রাঁধুনি। বগালেকের আগে কমলা বাজার পর্যন্ত ব্যাপক চড়াই-উৎরাই পেরোনোর সময় ঝাঁকুনি-দুলুনি, নাচন-কোদন আর সুড়সুড়িতে পেটের খাবার স্বয়ং
জল-অরণ্যের কাব্য

জল-অরণ্যের কাব্য

রাতারগুল গ্রামের স্লুইসগেইট ঘাটে পৌঁছে নিকটবর্তী দূরে সবুজের রেখা দৃশ্যমান। রাতারগুল জলাবন। রেখার ভেতরেই একপাশে খুব অহংকারী মাথা উঁচু দণ্ডায়মান ওয়াচটাওয়ার, তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়েই চলেছে।   ইঞ্জিন নৌকায় উঠলাম। আমি, হাবীব, সাচ্চু ভাই, দিশা, রেদোয়ান ভাই। সঙ্গে শিহাব ভাই, গিয়াস ভাই আর মাঝি রহিম। গিয়াস ভাই স্থানীয় কৃষক রাজনীতির নেতৃত্ব দেন। গেল আষাঢ়ের শেষ দিন। সকালের বৃষ্টি থেমেছে অনেক আগে। ঝকঝকে রোদ্দুর, ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ আর বিরতি দেয়া বাতাস। ধূসর ধোঁয়া ছেড়ে জলযান শিয়ালীছড়া খাল হয়ে এগিয়ে চলে। রাতারগুলের পাশ দিয়েই যেতে থাকি আমরা। আমার আর গিয়াস ভাইয়ের কথোপকথনে বেশ কয়েকবার প্রসঙ্গ এলেও দলের সদস্যরা বুঝতে পেরেছিল-পারেনি এমন অবস্থা যে, আমরা রাতারগুল জলাবনের পাশ দিয়েই চলছি। তারা ভেবেছিল এটা রাতারগুলেরই অংশ তবে সামনে নিশ্চয়ই এর আরও বৃহৎ কলেবর। দিশা পরে বলেছিল, সে টের পেলেও নীরব থেকেছিল।