জানা অজানা

বিশ্বজুড়ে বিয়ের যত আজব রীতি

বিশ্বজুড়ে বিয়ের যত আজব রীতি

পারিবারিক জীবন শুরু হয় বিয়ের মাধ্যমেই। আর এই বিয়ে নিয়ে প্রত্যেকে সমাজেই আছে নানা রকম ভিন্ন ভিন্ন প্রথা।একজনের কাছে যা মনে হতে পারে আজব, অন্যের কাছে হয়তো সেটাই সবচেয়ে জরুরি। বিয়ে নিয়ে সেই আজব রীতিগুলো হচ্ছে: ১. বিয়ের কনের পরনে সাদা শাড়ি? আমরা ভাবতে পারিনা ঠিকই, কিন্তু ইংরেজদের বিয়ের গাউন হয় সাদা রঙেরই। তাদের কাছে সাদা কুমারিত্বের প্রতীক। ২. কোরিয়ায় বিয়ের রাতে নতুন বরের পুরুষত্ব জাগিয়ে তুলতে তার বন্ধুদের কাজ হলো- বরের পা বেঁধে, মাছের লেজ ও পাখনা দিয়ে পায়ের পাতায় আঘাত করা। ৩. কঙ্গোতে বিয়ের আসরে উপস্থিত থাকেন একজন কৌতুক অভিনেতা। তিনি নিমন্ত্রিতদের হাসাবেন, তারা হাসবেনও। কিন্তু বর-কনের হাসা মানা! ৪. সুইডেনে যখনই নববধূ বা বর বাথরুমে যাবার জন্যে তাদের টেবিল থেকে উঠে যায়, বসে থাকা তার সঙ্গীকে বিপরীত লিঙ্গের মেহমানরা এসে চুম্বন করার সুযোগ পায়। মানে নতুন বর
বানর যখন রেস্তোরাঁর ওয়েটার!

বানর যখন রেস্তোরাঁর ওয়েটার!

জাপানের এক নাম করা রেস্তোরাঁর নাম কায়াবুকি টাভার্ন। বাইরে থেকে দেখতে আর পাঁচটা রেস্তোরাঁর মতো হলেও আসল মজাটা ভেতরে। সেখানে ওয়েটার আছে কিন্তু কোনও পুরুষ বা মহিলা নয়, আছে তিনটি বানর। এই তিন বানরই অতিথিদের অর্ডার সার্ভ করে। ফুকু চ্যান নাম ধরে ডাকলেই হাজির হয় একজন। আপনার পছন্দের অর্ডার করা ডিস বা বিয়ার নিয়ে হাজির হবে তারা। কোনও পারিশ্রমিক ছাড়াই তারা কাজ করে। তিন বেলা কলা দিলেই তারা সন্তুষ্ট। মূলত এই বানর ওয়েটারের জন্য এই রেস্তোরাঁয় ভিড় করে বিভিন্ন দেশ বিদেশের পর্যটকেরা। যাদের এই রেস্তোরাঁ সম্বন্ধে কোনও আইডিয়া নেই বা যারা প্রথমবার যান, তারা রেস্তোরাঁয় বানর দেখে একটু অবাক হয়ে যান। প্রথমটায় হকচকিয়ে যান অনেকেই। ব্যাপারটা কী? রেস্তোরাঁর প্রধান আকর্ষণ এই ওয়েটার ফুকু চ্যান। মাত্র তিন বছর বয়সে এই রেস্তোরাঁর মালিক ইয়াক চ্যান তাকে নিয়ে আসেন। তিনি লক্ষ্য করেন, তিনি যা করছেন বানরটিও তাকে নকল করে সেট
জন্মদিন পালন করায় জরিমানা

জন্মদিন পালন করায় জরিমানা

ধুমধাম করে নিজের জন্মদিন পালন করতে কে না চায়? জন্মদিনের উৎসবে চারদিক লাল-নীল বাতিতে সাজানো থাকবে, বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়স্বজন আনন্দ করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে নিজের জন্মদিন পালন করতে গিয়ে যদি আপনাকে জরিমানার সম্মুখীন হতে হয় সেটা অস্বাভাবিকই বটে। তাজিকিস্তানের সংগীতশিল্পী ফিরুসা খাফিজোভার বেলায় এমনটাই ঘটেছে। নিজের কাছের কিছু বন্ধু-বান্ধব নিয়ে বেশ ঘটা করে জন্মদিন পালন করতে গিয়েছিলেন এই শিল্পী। নেচে গেয়ে তার বন্ধুরা জন্মদিনের পার্টি উদযাপন করে। এরপর সেই সব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে। আসল বিপত্তিটা বাধে এখানেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই ছবি দেখে ফিরুসাকে জরিমানা করা হয়। কারণ তাজিক আইনে বেশি অর্থ খরচ করে বিয়ে, জন্মদিন কিংবা মৃত্যুবার্ষিকীর মতো অনুষ্ঠান করা নিষিদ্ধ। দেশের মানুষ এই সব অনুষ্ঠান করতে গিয়ে যেন ঋণী না হয় সেজন্য সরকার এক দশক আগে এমন আইন প্রণয়ন করে। আপাতত আদালত
তেল ছাড়াই চলবে মোটর সাইকেল!

তেল ছাড়াই চলবে মোটর সাইকেল!

হু হু করে বেড়েই যাচ্ছে জ্বালানী তেলের দাম। মোটর সাইকেলে ঘুরে বেড়াতে কিংবা গন্তব্যে যেতে পারছেন না? এমন চিন্তা দূর করতে তেল ছাড়া চলবে এমন মোটর সাইকেল নিয়ে এলেন পশ্চিমবঙ্গের শুভময় বিশ্বাস। ত্রিশ বছর বয়সী শুভময় বিশ্বাস পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। শিক্ষকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নিলেও মনের কোণে ইচ্ছা ছিল নিজে কিছু একটা করতে হবে। সেই সুপ্ত বাসনারই বাস্তবিক প্রকাশ ঘটিয়েছেন শুভময়। প্রায় বিশ দিন প্রতি রাতে দু’তিন ঘন্টা সময় ব্যয় করেছেন এ মোটর সাইকেল উদ্ভাবন করতে। তার বানানো এই মোটরবাইকটি চলবে পেট্রোল-ডিজেল ছাড়াই। নেই অন্য কোনও জ্বালানি খরচ। আর এ মোটর সাইকেলটি ঘণ্টায় অন্তত ৬০ কিলোমিটার বেগে চলবে। সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে চলবে শুভময় বিশ্বাসের এ মোটর সাইকেল। শুভময় তার মোটর সাইকেল সম্পর্কে এক ভারতীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখন পেট্রোল, ডিজেলের যা দাম তাতে কতজন মানুষের পক্ষে মোটর সাইকেল চালানো সম্ভব?
১১০ বছর পর দেখা মিলল ব্ল্যাক প্যান্থারের

১১০ বছর পর দেখা মিলল ব্ল্যাক প্যান্থারের

গল্প আর উপন্যাসেই দেখা মিলত। বাস্তবে গত ১০০ বছরেও তার খোঁজ পায়নি কেউ। সর্বশেষ দেখা যায় ১৯০৯ সালে আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়াতে। কেনিয়ার এক প্রাণী বিশেষজ্ঞ দাবি করছেন, তিনি নাকি সম্প্রতি দেশটির এক জঙ্গলে বিরল ব্ল্যাক প্যান্থারের দেখা পেয়েছেন। কেনিয়ার সান ডিয়েগো শহরের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ নিক পিলফোল্ড দাবি করছেন, তিনি কেনিয়ার একটি জঙ্গলে বিরল ব্ল্যাক প্যান্থারের দেখা পেয়েছেন। তিনি জানান, দীর্ঘ কয়েক মাসের চেষ্টার পর ব্ল্যাক প্যান্থারটিকে ক্যামেরাবন্দি করেছে তার দল। কেনিয়ার ওই প্রাণী বিশেষজ্ঞ বলছেন, দেশটির লাইকিপিয়া কাউন্টিতে একটি কালো প্যান্থার দেখতে পাওয়ার খবর পান তিনি। তাই শুনে গত বছর জঙ্গলের বিভিন্ন জায়গায় ক্যামেরা বসিয়ে রাখেন। সেসব ক্যামেরাতেই ধরা পড়েছে তার রাজকীয় উপস্থিতি। তবে কেনিয়ার একটি দৈনিক দাবি করেছে, ২০১৩ সালে ওই এলাকাতেই ব্ল্যাক প্যান্থারের ছবি তুলেছিলেন তাদের এক চিত্রগ্রাহক।
৪২ দিন কথা বলেন না যেসব গ্রামের মানুষ

৪২ দিন কথা বলেন না যেসব গ্রামের মানুষ

ভারতের এমন কিছু গ্রাম আছে যেসব গ্রামের বাসিন্দারা ৪২ দিন তেমন কথা বলেন না। পালন করেন নীরবতা। দেশটির হিমাচল প্রদেশের মানালির কুলু জেলার গোশাল গ্রামের বাসিন্দারা জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ পর্যন্ত কোনও কথা বলেন না। এছাড়াও বুরুয়া, শানাগ ও কুলাং গ্রামেও এই প্রথা রয়েছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, হিমাচল প্রদেশের মাঝাচ, পালচান, কোঠি, রুয়ার গ্রামের বাসিন্দারাও বিশ্বাস করেন এই ৪২ দিন নীরবতা পালনের বিষয়টি। এছাড়া কিছু গ্রামের বাসিন্দারা চুপ থাকার পাশাপাশি বন্ধ করে দেন তাদের কৃষিকাজও। চুপ থাকার কারণ হিসেবে গ্রামবাসী জানান, মাঘ মাসে মকর সংক্রান্তির সময় থেকে এই রীতি চালু হয়। তাদের বিশ্বাস এসময় দেবতারা স্বর্গ ভ্রমণ করেন। পৃথিবী থেকে কোন শব্দে যেন দেবতাদের ভমণে বিরক্তির কারণ না হয় এজন্য তারা চুপ থাকেন। গ্রামবাসী আরো জানায়, স্বর্গে দেবতারা এসময় গভীর ধ
মাইকেল জ্যাকসন ভক্তের কাণ্ড

মাইকেল জ্যাকসন ভক্তের কাণ্ড

লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার বাসিন্দা লিও ব্যাঙ্কো। পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের ভক্ত তিনি। শুধু ভক্ত তা নয়, প্রথম দেখায় যে কেউ তাকে মাইকেল জ্যাকসন ভেবে ভুল করবেন। কারণ তার পোশাক, আচরণ থেকে শুরু করে দৈহিক অবয়ব অবিকল মাইকেল জ্যাকসনের মতো।   তবে জন্ম থেকেই লিও কিন্তু জ্যাকসনের মতো দেখতে ছিলেন না। অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে তিনি নিজের চেহারা পাল্টে নিয়েছেন তার শৈশবের হিরো জ্যাকসনের চেহারায়। বারক্রোফট টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্যাকসনের এই পাগলাটে ভক্ত শুনিয়েছেন সেই কাহিনি।   ব্যাঙ্কোর কথায়- খুব ছোটবেলা থেকেই মাইকেল জ্যাকসনের ভক্ত তিনি। জ্যাকসনের গান শোনা ছিল তার নিত্যদিনের কাজ। জ্যাকসনের অকাল প্রয়াণে ভীষণ কষ্ট পান বালক লিও। পপ সম্রাটের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ করতে তিনি পণ করেন,  নিজের চেহারা যেকোনো মূল্যে মাইকেল জ্যাকসনের মতো রূপ দেবেন। যেই ভাবা সেই কাজ। পনেরো বছর বয়সে নিজেক
দূষণগ্রস্ত জীবন, দূষণেই কি মরণ?

দূষণগ্রস্ত জীবন, দূষণেই কি মরণ?

ড. এম এ মাননান : দূষণ কত প্রকার ও কি কি তা জানতে হলে, বুঝতে হলে এবং তার চিরায়ত রূপ দেখতে হলে, বাস করতে হবে বাংলাদেশে। তবে সবখানে নয়, থাকতে হবে ঢাকা বা চট্টগ্রাম নগরীতে অথবা নিদেনপক্ষে ঘন জনবসতিপূর্ণ অন্য কোনো শহরে— যেখানে রয়েছে বাস-ট্রাকের মাথা গরম করা হাইড্রলিক হর্নের শব্দ, রিকশার খটাং খটাং আওয়াজ, তিন চাকাওয়ালা গাড়ির কর্ণবিদীর্ণকারী শব্দসহ ভুস্ভুস্ করে ছেড়ে দেওয়া কার্বনভরা বিষাক্ত ধোঁয়া, ধূলায় ধূসরিত ধোঁয়াশা আকাশ, ‘হূদয়হরণ-করা’ নর্দমার গন্ধ, রাস্তার পাশে দিনের পর দিন জমে থাকা আবর্জনার স্তূপের উত্কট রূপ, কল-কারখানা থেকে নির্গত যেখানে-খুশি-সেখানে-চলমান বর্জ্যের তরল প্রবাহ ইত্যাদি ইত্যাদি। দূষণ বিষয়টা শুধু জটিলই নয়, এটি বহুরূপী। এটি থাকে শব্দে, বায়ুতে, পানিতে, মাটিতে আর আলোতে। দূষণ জন্ম নেয় আবাসিক বাড়ি-ঘর, কল-কারখানার বর্জ্য-আবর্জনায়, প্লাস্টিকে, জীবাশ্ম জ্বালানিতে (তেল, গ্যাস, কয়লা), কল-
`বেগুনি চা` নিয়ে হইচই, দাম ২৪ হাজার টাকা

`বেগুনি চা` নিয়ে হইচই, দাম ২৪ হাজার টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট ::  সকালে বারান্দায় বসে কিংবা বিকেলে নাস্তার টেবিলে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা হাতে নিয়ে অনেকটা সময় কাটিয়ে দেয়া যায়। দিন শেষে এক কাপ চা ক্লান্তি দূর করে দেয় নিমিষেই। এ কারণেই চায়ের জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যপী। জানা যায়, বিশ্বে ১ হাজার ৫০০ রকমের চা রয়েছে। অতি জনপ্রিয় এ পানীয় দেশে দেশে নানা রঙে শোভিত হচ্ছে পেয়ালায়। তবে দুধ চা আর লাল চায়ের পর সবুজ চা নাগরিক সমাজে আলোচিত। এছাড়াও বাংলাদেশে এক কাপেই সাত রঙের চা অনেক জনপ্রিয়। তবে এবার সব কিছুকে ছাপিয়ে আলোচনায় বেগুনি চা। এই চা নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই হচ্ছে। তবে স্বাদে নয়, দামে! এর দাম এতোটাই বেশি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এই বেগুনি চায়ের ১ কেজি তৈরি হয় ১ হাজার চা পাতা দিয়ে। বাজারে এই চায়ের মূল্য রাখা হয় ২৪ হাজার টাকা। কৌতূহলী হলে একবার অন্তত টেস্ট করে দেখা যেতে পারে এই চা।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগাছ বাংলাদেশে

এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগাছ বাংলাদেশে

ডেস্ক রিপোর্ট :: কাজকর্মের চাপে যখন পিষ্ট হয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই ঢাকার বাইরে কোনো দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন। একঘেয়েমি দূর হওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস-ঐতিহ্যের সান্নিধ্য পাবেন খুব কাছ থেকে। ঢাকার বাইরে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার জায়গার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা। এখানে রয়েছে এশিয়া মহাদেশের প্রাচীন বৃহত্তম বটগাছ। বটগাছের অবস্থান ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে রয়েছে এশিয়া মহাদেশের প্রাচীন বৃহত্তম বটগাছ। জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা শহর থেকে পূর্বে আট কিলোমিটার দূরে ৮ নম্বর মালিঘাট ইউনিয়নের বেথুলী মৌজায় এই বটগাছের অবস্থান। স্থানীয়রা জানান, ১৯৮২ সালের পূর্ব পর্যন্ত এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বটগাছ বলে পরিচিতি ছিল কলকাতার বোটানিক্যাল গার্ডেনের একটি গাছ। পরে বিবিসির এক তথ্যানুষ্ঠান প্রতিবেদনে প্রচার হয়। কালীগঞ্জ উপজেলার বেথুলী মৌজার সুইতলা মল্লিকপুরের বটগাছই এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগা