জীবিকা ও উপার্জন

ক্যারিয়ারে সিদ্ধান্তহীনতা

ক্যারিয়ারে সিদ্ধান্তহীনতা

ক্যারিয়ারের শুরু নিয়ে অনেকেই অনেক ভেবে থাকেন। আবার অনেকে কিছুই ভাবেন না। কর্মজীবনে প্রবেশের আগে সবচেয়ে বড় যে সমস্যায় পড়তে হয়, তা হলো সিদ্ধান্তহীনতা। কোন পথে ক্যারিয়ার শুরু করবেন বা কোন পথটি আপনার মনের মতো ইত্যাদি বুঝে উঠতেই বড় একটা সময় ব্যয় হয়ে যায়। অথচ যে সময় নষ্ট হয় তা আর ফিরবে না। এখানে সময় নষ্ট না করে আপনি কিভাবে সঠিক পথটি বেছে নেবেন, তার জন্য কিছু পরামর্শ দেয়া হলো। বিষয়গুলো মেনে চললে কর্মজীবনে আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবেন না। সমন্বয় :ক্যারিয়ারে চাকরি নিয়ে হতাশায় থাকেন অনেকেই। মনের মতো চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার সাথে আপনার শিক্ষাজীবনের সার্টিফিকেটগুলোর মিল রয়েছে কি না দেখুন। শিক্ষা থেকে শুরু করে অভিজ্ঞতার তালিকা করে দেখুন, সেখানে আর কিসের অভাব রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা :বর্তমান যুগে ভালো চাকরির জন্য ন্যূনতম ব্যাচেলর ডিগ্রির প্রয়োজন হয়। তার সাথে পছন্দের কাজের ক্ষেত্রে যদি এক বা দ
সিলেটে হাঁস পালনে স্বাবলম্বী হয়েছেন আলেছা

সিলেটে হাঁস পালনে স্বাবলম্বী হয়েছেন আলেছা

  জুবেল আহমদ সেকেল,সিলেট থেকে অভাব আর অনটনের সাথে যুদ্ধ করতে করতে যখন পরাজয়ের পথে ঠিক তখনই জীবন সংগ্রামে জয়ী হবার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাবার আখাংকা। দৃঢ় মনোবল এবং অদম্য চেষ্টার ফলে শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়িয়েছন তিনি। ২ ছেলে ৩ মেয়ে নিয়ে হত দরিদ্র স্বামী যখন সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন ঠিক সেই সময় হাঁস পালন করে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয়ে স্ববলম্বী হয়েছেন সিলেটের ওসমানীনগরের সাদীপুর ইউপির রহমতপুর গ্রামের কৃষক রাহিদ মিয়ার স্ত্রী আলেছা বেগম(৪৫)। আলেছা বেগমের জীবন যুদ্ধে জয়ী হবার সহযাত্রী হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলো এনজিও সংস্থা মুসলিম এইড ইউকে। এনজিও সংস্থা মুসলিম এইড ইউকে’র স্থানীয় অফিস থেকে কয়েক কিস্তিতে ৪০ হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে শুরু করেন হাঁসের খামার। ভাগ্য বিপর্যয়ে চরম হতাশা অভাব অনটন আর দূর্ভোগের পরেও কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতা নিয়ে পালন করতে থাকেন হাঁস। ধীরে ধীরে আসতে থাকে হাঁসের খামার থ
কুড়িগ্রামে লেপ-তোষকে অভাব দূর রফিকুল-মাজেদা দম্পতি’র

কুড়িগ্রামে লেপ-তোষকে অভাব দূর রফিকুল-মাজেদা দম্পতি’র

হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ১২/১১/১৬ কুড়িগ্রামে পোড় খাওয়া দম্পতি রফিকুল মাজেদা। দিনমজুরী করে চলছিল টানাটানির সংসার। এরমধ্যে ঘর আলো করে আসে নতুন অতিথি। ফলে ব্যয় কমাতে এনজিও থেকে ১৫ হাজার টাকা লোন নিয়ে মুরগীর খামার গড়ে তোলেন। ওই কথায় আছে না, গরীবের ভাল মহাজনও চায় না। সেই দশা হল দুজনের। হঠাৎ করে কনকনে ঠান্ডায় মুরগীগুলো মরতে শুরু করে। কোনভাবেই বাঁচাতে না পেরে চোখে অন্ধকার দেখেন স্বামী-স্ত্রী। ব্যবসায় লস খেয়ে আবার ফিরে যেতে হয় দিনমজুরীর কাজে। এরমধ্যে পরিবারে আরো দু’সন্তান যোগ হয়। ফলে খরচ বাড়তে থাকে। সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর ইচ্ছা থাকলেও কোন অবলম্বন ছিল না আঁকড়ে ধরার। এরমধ্যে দুজনে বুদ্ধি করে শুরু করে লেপ-তোষক বানানোর কাজ। আবারো লোন করা হয় ১৫ হাজার টাকা। দুজনে খাটতে থাকে গাধার মতো। ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে থাকে সংসারে। ছেলেদের স্কুলে ভর্তি করে দেয়া হয়। এলাকার মানুষ পরিশ্রমি এই পরি
মুন্সীগঞ্জে চাউলের দাবিতে জেলেদের মানব বন্ধন

মুন্সীগঞ্জে চাউলের দাবিতে জেলেদের মানব বন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ মুন্সীগঞ্জে চাউলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলেরা। শুক্রবার বেলা ১১টায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চল বাংলাবাজার ইউনিয়নের মেঘনার শাখা নদীর পাড়ে এ মানববন্ধন করে। মানব বন্ধনে অংশ নেয়া জেলেরা জানায়, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে গত ১২ অক্টোবর থেকে আগামী ২রা নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ ধরা নিযিদ্ধ করেছে সরকার। আর এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর থেকেই নদী বেষ্টিত জেলেদের প্রত্যেককে ২০ কেজি করে চাউল বরাদ্দ দেয়া হয়। তবে মুন্সীগঞ্জ জেলা মৎস্য অফিসের নিবন্ধন করা ৯ হাজার ৮১৩ জন জেলে ২০ কেজি চাউলের বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এদিকে, নদীতে মাছ ধরতে না পেরে ও বরাদ্দকৃত চাল না পাওয়ায় মানবেতর দিনযাপন করছে স্থানীয় জেলেরা। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. অলিয়ুর রহমান জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এবার ১৪ জেলায় বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ সহ কয়েকটি জেলায় ইলিশ ধরা বন্ধ মৌসুমে ২০ কেজি করে ভিজি
লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ

লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় লক্ষ্মীপুরে মেঘনায় ১০০ কিলোমিটার এলাকায় আজ ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২দিন ইলিশসহ সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ। এই ২২ দিন রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনাল এলাকা পর্যন্ত মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এসময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষন, আহরন, পরিবহন, বাজারজাত করন ও মজুদকরন নিষিদ্ধ রয়েছে। জেলেদেরকে সচেতন করার জন্য নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোষ্টারিংসহ সকল ধরনের প্রচারনা অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। এ আইন অমান্য করলে জেল অথবা জরিমানা এবং উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে। অফিস সুত্রে জানা যায়, এ জেলায় প্রায় ৪৬ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে নিবন্ধধিত রয়েছে ২৭ হাজার ৮শত জেলে। এদের অধিকাংশই মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। এ নিষেধাজ্ঞার সময় ৩৭ হাজার ৩২৬ জেলেদের ২০ কেজি ক
শাক বিক্রি করেই  সংসার চালায় চট্টগ্রামের রাবেয়া

শাক বিক্রি করেই সংসার চালায় চট্টগ্রামের রাবেয়া

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি, ১১ অক্টোবর ২০১৬: রাবেয়া বেগম, বয়স ৪৫। স্বামী আর তিন মেয়ে এক ছেলে নিয়ে সংসার। স্বামী রিকশা চালায়। রিকশা চালিয়ে স্বামীর যা আয় হয়, তা দিয়ে বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করা বেশ কঠিন। ছেলেমেয়েদের নিয়ে তাই সংসারে দু:খ-কষ্টের অন্ত নেই রাবেয়া বেগমের। কিন্তু অভাব থাকলেও পেট তো আর মানে না অভাব, ক্ষুদা লাগলে খেতেই হবে। তাই তো রাবেয়া বেগম ঘর-সংসারের কাজ সামলিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে পরিত্যক্ত জমি, মজা পুকর থেকে শাক সংগ্রহ করে। তা নিয়ে আঁটি বেঁধে বাজারে বিক্রি করে। এ থেকে যা আয় হয় তা সংসারের ‘বাড়তি আয়’। আর এতে সংসারের অভাব কিছুটা হলেও মোছন হয়। রাবেয়া বেগম চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় থাকে। ওই এলাকার বেড়িবাঁধ এলাকায় পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে কোনোমতে জীবন যাপন। স্বামী যা আয় করেন তা দিয়ে বাজার-সওদা করে আনেন। রান্না-বান্না করে পরিবারের সদস্
রমেজা বেগম কি পাবে বয়স্ক ভাতা

রমেজা বেগম কি পাবে বয়স্ক ভাতা

রমেজা বেগম। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী বয়স ১০৭ বছর। স্থানীয়রা বলছেন তার বয়স ১২৫ বছর এবং আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নে তার সমবয়সী আর কেউ নেই।   দুই দিনমজুর সন্তানের ঘরে অনেক কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে চলতে এই বৃদ্ধার জীবন। অথচ আজো একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড জোটেনি তার কপালে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, চেয়ারম্যান-মেম্বারের সুদৃষ্টি না থাকায় এতো দিনেও কার্ড পাননি তিনি।   রমেজা বেগমের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাজারবিঘী গ্রামে। বয়সের ভারে এখন আর স্বাভাবিক চলাফেরা ও স্পষ্ট করে কথা বলতে পারেন না তিনি। অন্যরা তার কথা পুরোপুরি বুঝতে না পারলেও পুত্রবধূ রাজিয়া বেগম কিছুটা বুঝতে পারেন।   তার মাধ্যমে রমেজা বেগম জানান, আনুমানিক ১৮৯৫ সালে শাহাবাজপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। (যদিও তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ১৯১০ সালে
কুড়িগ্রামে আগাম শ্রমের ঘামে বানভাসিদের ঈদ

কুড়িগ্রামে আগাম শ্রমের ঘামে বানভাসিদের ঈদ

হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: আগাম শ্রম বিক্রি ও ঋণের টাকায় ঈদ পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কুড়িগ্রামের বানভাসিরা। টানা বন্যায় পরিবার নিয়ে বাড়িতে আটকে পড়া এসব পরিবার এখন দিশেহারা। মজুরী দিতে না পারলেও সন্তানদের চোখমুখের দিকে তাকিয়ে তারা হিসেব কষছে কিভাবে ঈদটা পালন করা যায়। সরজমিন কুড়িগ্রামের বিভিন্ন চর ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় এসব মানুষের দু:খ-যাতনার কথা। কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাঝেরচর গ্রামের জাহেনা (৪৫) জানান, বান ও নদী ভাঙি ২১টা বাড়ি ওইদিহে কলারবাগান, সিপের পাচি ও ওয়াপদা বাঁন্দোত গেইছে। হেরা বাড়ি করবো না ঈদ করবো। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, এই চরের লেবু, অপিয়াল, নয়ছাল, ছামসুল, ছকমাত, ভালটু, ফুলবর, সফিকুল, গণি, শহিদুল, শফদ্দি, বাচ্চু, ছয়ফুল, হযরত, জলিল, আজিত, নজরুল, শফিয়াল, মেঝরত, ইনছা ও শহীদ নদী ভাঙনে এই গ্রাম ছেড়ে গেছে। তাদের কয়েকজন জানালেন, ‘নদী
লক্ষ্মীপুরে জেলেদের চাল আত্বসাৎ

লক্ষ্মীপুরে জেলেদের চাল আত্বসাৎ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনের ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতি ও আতœসাতের অভিযোগ উঠেছে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে চাল আতœসাতের দায়ে চরফলকন ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন বিক্ষুব্ধ জেলেরা। তবে বাদীকে মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতিসহ নানান হুমকি-ধুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। চাল উদ্ধার ও জনপ্রতিনিধিদের বিচার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবীতে আন্দোলনে নেমেছেন জেলেরা। তবে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এইচএম মহিব উল্যাহ অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেছেন,তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা মৎস্য অধিদপ্তর জানায়, এ জেলায় প্রায় ৪৬ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে নিবন্ধধিত রয়েছে ২৭ হাজার ৮শত জেলে। লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার ১শ কিলোমিটার পর্যন্ত মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন এখ
নিহতের পরিবারকে সেলাই মেশিন প্রদান করেছে জেড

নিহতের পরিবারকে সেলাই মেশিন প্রদান করেছে জেড

নিজস্ব প্রতিবেদক: অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ‘জেড’ এর উদ্যোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলী নিখোঁজের পর তার সন্ধানের দাবীতে আন্দোলনকালে পুলিশের গুলিতে নিহত লালাবাজারের সেলিম আহমদের মা বাবার হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার নগরীর শেখঘাটস্থ জেড’র অস্থায়ী কার্যালয়ে সেলাই মেশিন মা হাসিনা বেগম ও বাবা রফিক মিয়ার কাছে তুলে দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক এনামূল হক লিটন বলেন, গুম হত্যা নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। বিগত সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারের পাশে ‘জেড’ এর মতো প্রতিটি সংগঠনকে এগিয়ে আসা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আজ জেড যে একটি পরিবারকে সেলাই মেশিন প্রদান করেছে তা প্রশংসার দাবীদার, সেটা অব্যাহত থাকবে। জেড এর উপদেষ্টা কামরুল হা