পরিবেশ-প্রকৃতি

কমলগঞ্জের লাউয়াছড়ার গাছ কাটার সিদ্ধান্ত স্থগিত

কমলগঞ্জের লাউয়াছড়ার গাছ কাটার সিদ্ধান্ত স্থগিত

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরে রেলপথের দু’পাশের গাছ কাটার সিদ্ধান্ত রেলওয়ের আন্ত: মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে স্থগিত করা হয়েছে। জাতীয় উদ্যানে রেল পথের দু’পাশে ঝুঁকিপূর্ণ গাছের বাস্তবতা দেখে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গাছ পড়ে ট্রেন চলাচল ঝুঁকির বিষয়ে রেলপথের দু’পাশের গাছ কেটে ফেলার রেলওয়ের দাবিযুক্ত পত্র চালাচালিতে পরিবেশ বাদীরা প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে গত ১৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার ঢাকায় রেলওয়ের আন্ত: মন্ত্রণালয়ে রেলওয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান, কমলগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মিহির কুমার দে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিষয়
লাউয়াছড়ার পরিবেশ ও প্রাণীদের নিরব কান্না

লাউয়াছড়ার পরিবেশ ও প্রাণীদের নিরব কান্না

  নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ, বাঁচায় প্রকৃতি বাঁচায় দেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এই প্রতিপাদ্যের সাথে বাস্তবতা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কিন্তু যদি বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত আর প্রকৃতি বিপর্যস্ত হয়ে উঠে তাহলে প্রকৃতি আর দেশ কোনটিই বাঁচবে না। ঠিক এমনই অবস্থা ধারণ করছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে। এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপন্ন দশা আর বন্যপ্রাণীর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অত্যাচারে অত্যাচারে বিবস্ত্র হচ্ছে জাতীয় উদ্যান। বাংলাদেশের ঘন প্রাকৃতিক বনের এক টুকরো বন হচ্ছে লাউয়াছড়া। একটি মিশ্র চিরহরিৎ বন হিসাবে পরিচিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। এই উদ্যানে রয়েছে মাগুরছড়া গ্যাসকূপ। ১৯৯৭ সালে অক্সিডেন্টালের গ্যাসকূপ দুর্ঘটনা ছাড়াও রেল ও সড়কপতে যানবাহনের চাকায় ও বিদ্যুৎ লাইনে পড়ে পিষ্ট হচ্ছে প্রাণিকুল। এরই মধ্যে উদ্যানের গাছ পাচার, চাষাবাদ, মাত্রাতিরিক্ত প
মুক্ত বাতাসে বসন্ত বাউরি

মুক্ত বাতাসে বসন্ত বাউরি

  ডেস্ক নিউজ: সিলেটের সারিঘাটে একটি গাছ কাটা হলে ভেঙে যায় বসন্ত বাউরি পাখির নীড়। আহত দুটি ছানা হাতে পড়ে পরিবেশকর্মী আব্দুল হাই আল হাদীর। তিনি ছানাগুলো সুরক্ষার জন্য তুলে দেন ভূমিসন্তান বাংলাদেশের কর্মীদের কাছে। এর মধ্যে একটি ছানা মারা যায়। ঘটনাটি জুলাই মাসের এক তারিখের। এর কদিন পর সিলেট নগরীর আরামবাগের বাসিন্দা আজিজুর রহমানের বাড়িতে এসে ঢুকে পড়ে আরো একটি বসন্ত বাউরির ছানা। তিনিও আহত ছানাটিকে তুলে দেন ভূমিসন্তান কর্মীদের হাতে। ছানা দুটিকে সেবার জন্য রাখা হয় ভূমিসন্তানকর্মী আনিস মাহমুদের বাসায়। এবার ছানা দুটিকে সুস্থ করে বনে অবমুক্ত করলো ভূমিসন্তান বাংলাদেশ কর্মীরা।মঙ্গলবার সিলেটের টিলাগড়ের ইকোপার্কের বনে ছানা দুটিকে অবমুক্ত করা হয়। বন্যপ্রাণির প্রতি মানুষের মমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এ্ই অবমুক্তিতে সাথে নেয়া হয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণি অধিকার সং

বরিশালে বন্যার আশংকা,নদী ভাংগন অব্যাহত

বরিশাল প্রতিনিধি: সারা দেশের ন্যায় বরিশালে বন্যার প্রার্দূভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নদী ভাংগন অব্যাহত রয়েছে। উজিরপুর,গৌরনদীর,বাবুগঞ্জ ,শ্রীপুর,হিজলা অঞ্চলের নিন্ম অঞ্চল পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এ সব অঞ্চলের নদীর পানি বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাছারা বরিশালে উত্তরাঞ্চল থেকে নেমে যাওয়া পানি এখন দক্ষিণাঞ্চলের দিকে ধেয়ে ধেয়ে আসছে। এতে বরিশাল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক সহ বরিশালের বিভিন্ন জায়গায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত দেখা দিয়েছে । কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজানের ঢল থেকে নেমে আসা পানি এবং জোয়ারের কারণে কীর্তনখোলা নদীর পানি বেড়ে বিপদ সীমার ৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে এর প্রভাব দেখা দিয়েছে । পানি বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরীর প্রায় জায়গার ঘর বাড়ি তলিয়ে গেছে এবং রাস্তায় ও পানি উঠে গেছে। বিলীন হয়ে যাচ্ছে নিন্ম অঞ্চলের ব্যবস্যা প্রতিষ
রাজবাড়ীতে বন্যার পানি কমছে ॥ বাড়ছে দুর্ভোগ

রাজবাড়ীতে বন্যার পানি কমছে ॥ বাড়ছে দুর্ভোগ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ॥ রাজবাড়ীতে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। বেরি বাঁধ আর আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া মানুষদের কেউ কেউ ফিরতে শুরু করেছে নিজ গৃহে। তবে দুর্ভোগ আর ভোগান্তির সাথে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানান রোগ। এখনও কাজ না পেয়ে বেকার বসে আছেন অনেকেই। এদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল। সরেজমিনে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের নয়নসুখ, গোপালবাড়ি সহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বন্যার্ত মানুষের মানবেতর জীবন যাপনের চিত্র। বাড়িতে হাঁটু পানি থাকলেও কেউ কেউ ফিরতে শুরু করছে। বারান্দায় মাচাল করে রান্না বান্নার কাজ সারছে তারা। এসব এলাকার অধিকাংশ মাসুষই বাস করে দরিদ্রসীমার নীচে। যাদের বেশিরভাগেরই পেশা কৃষিকাজ। কেউ কেউ আছেন ঘরামি। নয়নসুখ গ্রামের পদ্মা তীরের বাসিন্দাদের হাটÑবাজারে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি বন্যায় ভেঙে গেছে। এখন পার হতে হয় নৌকায় করে। একটি মাত্র নৌকা সারাদিন মানুষকে আ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফলদ ও বৃক্ষ মেলার উদ্ধোধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফলদ ও বৃক্ষ মেলার উদ্ধোধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহরের জাতীয় বীর আব্দুল কুদ্দুস পৌরমুক্ত মঞ্চ ময়দানে জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর এবং সামাজিক বনবিভাগের যৌথ আয়োজনে আজ বুধবার থেকে ১০দিন ব্যাপী ফলদ ও বৃক্ষমেলা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের লোকনাথ টেংকের পাড় থেকে এক বার্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। পরে র‌্যালীটি শহরের প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। এতে জেলা প্রশাসক ড.মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। পরে বেলা সারে ১১টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে ১০দিন ব্যাপী মেলার উদ্ধোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। এসময় মেলা প্রাঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অ
মানুষের তৈরি সবচেয়ে গভীর গর্ত

মানুষের তৈরি সবচেয়ে গভীর গর্ত

ডেস্ক রিপোর্ট : পৃথিবী এমন একটা গ্রহ যার বিস্ময়ের শেষ নেই। এর সৃষ্টিলগ্ন থেকে আজ অবধি বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটছে প্রতিনিয়ত। আর এর সঙ্গে সঙ্গে রহস্যময় অনেক সৃষ্টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। এমন রহস্যময় জায়গা আছে যেখানে এখন পর্যন্ত মানুষ পৌঁছাতে পারে নাই বা মানষের আওতার বাইরে। রহস্যময় এসব কিছুই প্রাকৃতিক যাকে আমরা বিস্ময়করও বলে থাকি। কিন্তু এসব প্রাকৃতিক রহস্যময় জায়গা বা সৃষ্টির বাইরে আরো অনেক আশ্চর্যজনক জায়গা রয়েছে যা মানুষের সৃষ্টি। এমনই একটা মানব সৃষ্ট আশ্চর্যজনক জায়গা হলো, কোলা সুপারডিপ বোরহোল যা পৃথিবীর কৃত্রিম গভীরতম স্থান হিসেবে পরিচিত। কোলা সুপারডিপ বোরহোল রাশিয়ার পেচেংস্কি জেলার কোলা উপদ্বীপে অবস্থিত যা একটি বৈজ্ঞানিক খনন প্রকল্প হিসেবে খনন করা হয়েছিল। এই খনন এর উদ্দেশ্য ছিল কৃত্রিমভাবে যতদূর সম্ভব হয় পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে খনন করা। ১৯৭০ সালের ২৪ মে এর খনন কাজ শুরু করা হয় ১৫,০০০
আকাশ জুড়ে গাছ !

আকাশ জুড়ে গাছ !

‘প্রতিবেশি মাঠে গেল বর্ষায় দেখেছি সবুজ, এই বর্ষায় সে মাঠে উঠছে বাড়ি গম্বুজ’ কথাগুলো পশ্চিমবাংলার গায়ক কবির সুমনের শহরে বৃষ্টি গানটি থেকে নেয়া। বাস্তবিক চিত্রপটও যেহেতু সাহিত্যের উপজীব্য তাই নতুন আর বলে দেবার প্রয়োজন হয় না, আমাদের চর্তুপাশ থেকে ক্রমশ সবুজ কমে যাচ্চে। সবুজের সমাহারের স্থান দখল করে অক্সিজেন হঠিয়ে চলে আসছে কার্বন ডাই অক্সাইড। শহর থেকে শুরু করে গ্রামে পর্যন্ত এখন আর আগের মতো বুক ভরে নিঃশ্বাস নেয়া যাচ্ছে না। সব জায়গাতেই অগুনতি মানুষের ভিড় আর বৃক্ষ নিধন করে নতুন নতুন দালান বানানোর পায়তারা। আমাদের সমাজের বাস্তবতা আজ এমন জায়গায় এসে ঠেকেছে যে, অধিক জনসংখ্যার চাপ সামলাতে আমাদের বৃক্ষ নিধনের দিকে যেতেই হচ্ছে। কিন্তু তাই বলে কি মানুষ হেরে যাবে শুষ্কতার হলদেটে রংয়ের কাছে। মানুষ হারতে জানে না, পৃথিবীর ইতিহাস মানেই মানুষের জয়ের ইতিহাস। আর সেই ইতিহাসকে আরও এগিয়ে নিতেই মানুষ বৃক্ষ রো
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের :-যেখানে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙে

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের :-যেখানে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙে

সকালবেলা পাখির ডাকে ঘুম ভাঙার প্রচলিত কথাটি হয়তো এখন সব গ্রামের ক্ষেত্রে আর খাটে না। গাছপালা, ঝোপঝাড় এতটাই কমে গেছে যে পাখির নিরাপদ আবাস এখন সবখানে নেই। তবু কোথাও না কোথাও পাখি বাসা বাঁধে, বাচ্চা ফোটায়। কোনো কোনো জায়গায় তারা মানুষেরই প্রতিবেশী হয়ে আছে। পাখির এমন একটি আশ্রয়কেন্দ্র হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের সরিষকান্দি গ্রামে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার খান এবং তাঁর প্রতিবেশী আতাউর রহমান খানের বাড়ি। দুটি বাড়িই পাশাপাশি। বাড়ির ভেতর ঢুকতেই নাকে লাগে পাখির বিষ্ঠা আর গায়ের বোঁটকা গন্ধ। বাঁশবনের নিচে ঘাস ও কচুপাতা পাখির বিষ্ঠায় সাদা হয়ে আছে। বাড়ির প্রবীণ সদস্য জুবের আহমদ খান বললেন, ‘গন্ধ হলেও আমাদের আনন্দ লাগে। দিনরাত কিচিরমিচির করে। পাখির ডাকে ঘুম ভাঙে। আমাদের বাড়ি এখন তাদের দখলে। সকাল হলে বাঁশঝাড় ছেড়ে উড়ে যায়। সন্ধ্যা হলে ফিরে আ
শৌচাগারের জন্য স্বামীকে ডিভোর্স

শৌচাগারের জন্য স্বামীকে ডিভোর্স

ডেস্ক রিপোর্ট : শৌচাগারের জন্য শ্বশুরবাড়িতো ছাড়লেনই, এমনকী স্বামীকেও ডিভোর্স দিলেন এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহারে বাগহা জেলার দিয়ারা-চর এলাকার খোতহবা গ্রামে। গৃহবধূর এই সিদ্ধান্তে সেখানে হইচই পড়ে গেছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার। খবরে বলা হয়, অর্চনা নামের এই গৃহবধূ টানা ৪৫ দিন ধরে শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে লড়াই করেও সফল হননি । তাই বাধ্য হয়েই বাপের বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন তিনি। পরে, শুক্রবার গ্রামের সালিশি সভায় এসে স্বামীকে ‘ডিভোর্স’ দেওয়ার কথাও জানান। খবরে বলা হয়, বিহারে আগামী চার বছরে ৭ লক্ষ ৫২ হাজার ৮৬৩টি শৌচাগার তৈরির লক্ষ্য স্থির করেছে নীতীশ সরকার। রাজ্যে বর্তমানে ৩৫ হাজার ১৫৫টি শৌচাগার তৈরির কাজ চলছে। চলতি অর্থ বছরে ৩ লক্ষ শৌচাগার তৈরির কাজ শুরু করা হবে বলেও রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। অর্চনা অবশ্য এ সব পরিসংখ্যানের খবর রাখেন না। গত ২০ মে বাবলু কুমারের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। সে সময়ে