বঙ্গ ভাবনা

সহজেই তৈরি করুন সবজি পাকোড়া

সহজেই তৈরি করুন সবজি পাকোড়া

শীত মানেই মজার সব সবজি। সবজি বিভিন্ন উপায়ে রান্না করে খাওয়া হয়। চাইলে তৈরি করতে পারেন মজাদার পাকোড়া। ঝটপট বিকেলের নাস্তায় কিংবা শিশুর টিফিনে রাখতে পারেন সবজি পাকোড়া। রইলো রেসিপি-   আরও পড়ুন: পুঁইশাকের পুষ্টিগুণ   উপকরণ: ময়দা ৩ কাপ, কর্ণফ্লাওয়ার ২ চা চামচ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, নুডলস ১ কাপ, ডিম ১ টি, গাজর কুচি ১ কাপ, আলু কুচি ১ কাপ, সিম কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, বাঁধাকপি ১ কাপ, মরিচ কুচি ৭-৮ টি, গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ (ঝাল খেলে মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ), লবণ পরিমানমতো, তেল ভাজার জন্য।   আরও পড়ুন: পুর ভরা বেগুন   প্রণালি: প্রথমে নুডলস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। গাজর, আলু, বাঁধাকপি, সিম সেদ্ধ করে নিয়ে পেঁয়াজ, মরিচ, ডিম, কর্নফ্লাওয়ার, ময়দা ও লবণ দিয়ে সামান্য পানিসহ মেখে নিতে হবে। এরপর হাত দিয়ে ছোট ছোট পাকোড়া বানিয়ে ডুবো তেলে ভালোভাবে লাল কর
সপরিবারে মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় হেনরী কিসিঞ্জার  ‘বাংলাদেশ কখনো ভারতের আধিপত্য মেনে নেবে না’

সপরিবারে মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় হেনরী কিসিঞ্জার ‘বাংলাদেশ কখনো ভারতের আধিপত্য মেনে নেবে না’

কাউসার মুমিন :১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট  বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিসংবাদিত নেতা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় নিজস্ব বাসভবনে সপরিবারে নিহত হওয়ার খবর ওয়াশিংটন ডিসিতে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরী কিসিঞ্জার যখন শুনতে পান তখন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, শেখ মুজিব বিশ্বের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বোকা। হেনরী কিসিঞ্জার বলেন, আমি সবসময়ই জানতাম, বাংলাদেশ কখনো ভারতের আনুগত্য মেনে নেবে না। আমি ৭১ সাল থেকেই জানতাম যে, স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি করে ভারত যে ভুল করেছে, এর জন্য ভারতকে একদিন দুঃখ প্রকাশ করতে হবে।' যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্টেট্ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক গোপন দলিল যা সম্প্রতি ডিক্লাসিফাইড করা হয়েছে তা থেকে উপরোক্ত তথ্য জানা গেছে। স্টেট্ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক 'যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া নীতি (১৯৭৪-৭৬)' শীর্ষক সম্প্রতি জনসম্মুখে উন্ম
মাননীয় প্রধান বিচারপতি- মন্ত্রী শার্ট আপ———প্লিজ! ইটস এনাফ ইজ এনাফ!

মাননীয় প্রধান বিচারপতি- মন্ত্রী শার্ট আপ———প্লিজ! ইটস এনাফ ইজ এনাফ!

আহমদ ফয়সল চৌধুরী লেখার শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ক্ষমাই মহত্বের লক্ষন। সীমা লংঙ্গনকারীকে নাকি আল্লাহ তালাহ পছন্দ করেননা। কিন্তু ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক এখন সব কিছু ছাড়িয়ে গেছে। ভদ্রতা সিষ্টতা বলতে বাংলাদেশে অবশিষ্ট আর কিছু আছে বলে মনে হয়না। বর্তমান বিচারপতি এসকে সিনহার বক্তব্য রাজনৈতীক নেতাদেরকে ও হার মানায়। তিনি কারনে অকারনে এত বেশী কথা বলেন যে মাননীয় অর্থমন্ত্রীকেও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি! পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে কি এসকে সিনহার মত শ্রদ্ব্ভাাজন? বিচারপতি রয়েছেন? আমি জানিনা। আমি যে দেশে বসবাস করি সে দেশের চীফ জাস্টিসের নাম মানুষ জানেনা, চেনেওনা। যারা জানেন তারা নিশ্চয়ই আইন পেশার সাথে জড়িত। লর্ড টমাস নামে বৃটেনের যে চীফ জাস্টিস রয়েছেন তাকে আমি একদিন দেখেছিলাম এক পার্টিতে, কথা বলতে চেয়েছি, বলতে চেয়েছি আমাদের দেশের এসকে সিনহা সাহেব যেভাবে কথা বলেন যেভাবে তিনি রাজনৈতীক বক্
কিছু লিখতে হ্চ্ছে  . . .

কিছু লিখতে হ্চ্ছে . . .

মাহফুজ আদনান :::অনেকদিন ফেসবুকে লিখি না । আগে নিয়মিত আমার মনের অনুভুতি গুলো লিখতাম । আজ অনেকদিন পর সম্ভবত দেড় বছর পর ফেসবুক ফ্যানদের  উদ্দেশ্যে লিখতে বসা । জানি না আমার আপনজন থেকে শুরু করে অনেকেই আমার লেখার কেন যে  ফ্যান । অনেকে আমার লেখার জন্য অপেক্ষা করেন । এটা অনেক বড় পাওয়া ।  আজ কেন জানি লিখতে ইচ্ছে করছে সাম্প্রতিক কিছু বিষয় নিয়ে । কেননা আমাদের আশপাশে অনেক কিছুই ঘটে যায় আমরা দেখি, বুঝি । আবার না বুঝার ভান করি । ব্যক্তিগত ছাড়াও দেশ বিদেশের অনেক কিছুই আছে যা লিখা প্রয়োজন আছে । যেমন সাম্প্রতিক উত্তর কোরিয়ার  একের পর পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মহোদয়ের নানান বক্তব্য আর বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি । কিন্তু এত গুলো বিষয় থেকে আমার কাছে যে বিষয়টি লিখার জন্য গত  কয়েকদিন থেকে খুব পীড়া দিচ্ছে । সেটি হলো আমাদের দেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সাম্প্রতিক ব
বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানে ।আবু জাফর মাহমুদ

বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানে ।আবু জাফর মাহমুদ

বাংলাদেশে সরকারে থাকা নেতা ও কর্মকর্তারা লুটের ভাগাভাগি নিয়ে ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতায় সময় পার করছেন।সরকার বিরোধী বা ভিন্নমতাবলম্বী রাজনীতি এদেশে অনুপস্থিত।বিদেশে সম্পদের পাহাড়  উঁচু হয়েছে সরকারী কর্মকর্তা ও সরকারী দলের নেতা মন্ত্রীদের।   সৎ ও সিনিয়র অনেক  সরকারী কর্মকর্তা অবসর নিয়ে বিদেশে চলে যেতে চাইলেও পারছেনা।প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা সপরিবারে লন্ডন গেছেন অনির্দ্দিষ্ট সময়ের জন্যে।   ৭০-৭১এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান ছাত্রনেতা ও দেশের প্রথম বিরোধী দলের নেতা আ.স.ম রবের বাসায় রাজনীতিবিদরা চা নাস্তা খেতে বসেও পুলিশি হস্তক্ষেপের শিকার হয়েছেন।ঢাকায় নোবেল বিজয়ী বিশ্বব্যক্তিত্ব প্রফেসর ইউনুচের সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন করতে হয়েছে সরকারী বিরোধীতার চাপ সহ্য করার বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে।   বিএনপির অভিযোগ আওয়ামীলীগ হিটলারের অনুসারী।আওয়ামীলীগ

বাংলাদেশ-ভারত প্রতিরক্ষা সমঝোতায় কী থাকছে?

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন দিল্লি সফরে দুই দেশের মধ্যে দুটি প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্বাক্ষরিত হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এই দুটি এমওইউ বা সমঝোতা-স্মারকের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর করে, ২৫ বছর নয়। এর একটি দু'দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে একটা নির্দিষ্ট কাঠামোর ভেতর নিয়ে আসবে। আর অন্যটি হবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনাকাটা সংক্রান্ত। তবে তিস্তা নিয়ে এই সফরে চুক্তির সম্ভাবনা কার্যত নাকচ করে দিয়ে ভারত এটাও জানিয়েছে যে এই নদীর জল ভাগাভাগি নিয়ে দেশের ভেতরে কোনও ঐকমত্যে এখনও পৌঁছনো যায়নি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা ছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যে কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তি বা সমঝোতা হবে কি না, বা হলেও কী আকারে হবে। প্রধানমন্ত্রী হাস

আমার জিয়া, আমাদের জিয়া, বাংলাদেশির জিয়া, জিয়া বাংলাদেশের, জিয়ার বাংলাদেশ ।।।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কাল রাতে জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একজন মেজর। সে রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে অস্ত্র খালাসরত পাকিস্তানি এক জেনারেলের কাছে তাঁকে পাঠানো হচ্ছিল। পরিকল্পনা ছিল তাঁকে ‘গ্রেপ্তার বা হত্যা’ করার (গোলাম মুরশিদ, মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর: একটি নির্দলীয় ইতিহাস)। পথিমধ্যে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের সংবাদ শোনামাত্র বিদ্রোহের সিদ্ধান্ত নেন। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ফিরে এসে তাঁর কমান্ডিং অফিসারসহ অন্যান্য পাকিস্তানি অফিসার ও সৈন্যকে বন্দী করেন। পরদিন তিনি প্রাণভয়ে পলায়নপর মানুষকে থামিয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার উদ্দীপনাময় ভাষণ দিতে শুরু করেন (বেলাল মোহাম্মদ, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র)। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনি বেতারে নিজ কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।   জিয়ার এই রূপান্তর বা উত্থান বিস্ময়কর হতে পারে, কিন্তু তা আকস্মিক ছিল
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

ঐতিহাসিক ১০ই জানুয়ারি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস । ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দীর্ঘ ১০ মাস পাকিস্তানে কারাবাস শেষে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন বঙ্গবন্ধু। লাখো বাঙালি উৎসবের আনন্দে এদিন প্রাণপ্রিয় নেতাকে বরণ করেন। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য গভীর রাতে হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে ওই রাতেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বর হামলা চালায়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হবার আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা বার্তা ওয়ারলেস যোগে চট্টগ্রামের জহুরুল আহমেদ চৌধুরীকে প্রেরণ করেন। চট্টগ্রাম বেতার থেকে আওয়ামী লীগ নেত
বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ আত্মজীবনী

বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ আত্মজীবনী

মুহম্মদ জাফর ইকবাল : ১. মাঝে মাঝেই আমার মনে হয় আমাদের কতো বড় সৌভাগ্য যে বাংলাদেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুর মত একজন মানুষের জন্ম হয়েছিল। ঠিক যেই সময়টিতে দরকার হয়েছিল তখন যদি তাঁর মত একজন মানুষের জন্ম না হতো তাহলে কী হতো? তাহলে কি বাঙালীরা নিজের একটা দেশের স্বপ্ন দেখতে পারতো? সেই দেশের জন্যে যুদ্ধ করতে পারতো? অকাতরে প্রাণ দিতে পারতো? যদি আমরা নিজের একটি দেশ না পেতাম, এখনো পাকিস্তান নামের সেই বিদঘুটে দেশটির অংশ হিসেবে থাকতাম তাহলে আমাদের কী হতো সেই কথা চিন্তা করে আমি আতংকে শিউরে শিউরে উঠি। এই মানুষটিকে পচাত্তরে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। পৃথিবীর অনেক দেশেই অনেক মহামানবকে নিজের দেশ কিংবা দেশের মানুষের জন্যে প্রাণ দিতে হয়েছে কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বিষয়টি ছিল অবিশ্বাস্য। তাঁকে সপরিবারে হত্যা করেই হত্যাকারীরা দায়িত্ব শেষ করেনি, এই দেশের ইতিহাস থেকে তার চিহ্ন মুছে দেওয়ার জন্যে একুশটি বছর এমন কোনো কা
বঙ্গবন্ধু : শিখর হিমাদ্রির

বঙ্গবন্ধু : শিখর হিমাদ্রির

‘আমার পরিণতি যদি আলেন্দের মতোও হয় তবুও আমি মাথা নত করবো না’- চিলির প্রেসিডেন্ট বিপ্লবী নেতা সালভেদর আলেন্দে ১৯৭৩ সালে সামরিক অভ্যূত্থানে মারা যাওয়ার পর এ উক্তি করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর দুই বছর পার হতে না হতেই বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি ঘাতক চক্রের হাতে জীবন দিতে হয়। ঠিকই তিনি জীবন দিয়েও ঘাতকের বুলেটের কাছে মাথানত করেননি। সোমবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এই দিনে। ঘাতক চক্র সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। প্রতি বছর এই দিনটিতে জাতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর শোকে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে। দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে এবারও পালিত হচ্ছে। এ বছর বঙ্গবন্ধুর ৪১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘ