বঙ্গ ভাবনা

খালেদা জিয়া কেন মুক্তি হতে পারছেন না

খালেদা জিয়া কেন মুক্তি হতে পারছেন না

ডেস্ক রিপোর্ট ::বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃসঙ্গ কারাবরণের ১ বছর কেটে গেল। ইংরেজি ভাষায় যাকে বলা হয় Solitary confinement, সেভাবেই কারারুদ্ধ আছেন তিনি। পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পাশে অবস্থিত পরিত্যক্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তাকে বন্দি রাখা হয়েছে। কারাজীবনে তার একমাত্র সঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমা। বার্ধক্যে একটু সেবা-যত্ন করার জন্য ফাতেমার সাহায্য না পেলে তার কারাবাস হতো অবর্ণনীয় দুঃখ-যন্ত্রণায় জর্জরিত। তিনি খুবই অসুস্থ। তিনি একজন নারী বটে, পুরুষ হলেও এ ধরনের কারাবাস সাধারণ কারাবাসের চেয়ে হাজারগুণ বেশি কষ্টের। তিনি অনেক রোগে আক্রান্ত, বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিসের রোগী। এজন্য তার হাঁটু প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এ সত্ত্বেও রোগ যন্ত্রণা একটুও কমেনি। এছাড়াও রয়েছে ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপের উপসর্গ। দিন দিন তিনি ক্ষীণকায় হয়ে পড়ছেন। তার বর্তমান ছবি দেখে বোঝা যায় না, এই মানুষটি একদিন এরশাদের
পাট শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব শিল্প খাত

পাট শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব শিল্প খাত

ড. শফিক উজ জামান :: বিগত শতাব্দীর আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত পাট ও পাটজাত পণ্য ছিল রফতানির প্রধান খাত। ১৯৭২-৭৩ সালে রফতানি আয়ের ৮৯ শতাংশই আসত কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে এবং পুরো সত্তর দশকব্যাপী রফতানি আয়ে পাটের অবদান ৮০ শতাংশের নিচে নামেনি। আশির দশকের শুরুতে তৈরি পোশাক রফতানি খাতে যুক্ত হলে পাটের একচেটিয়া আধিপত্য কমতে থাকে। তার স্থান দখল করে পোশাক শিল্প। তা সত্ত্বেও ১৯৮৭-৮৮ সাল অবধি রফতানি আয়ের অর্ধেক আসত পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে। বর্তমানে তৈরি পোশাক- নিটিং ও ওভেন একত্রে রফতানির ৮০ শতাংশের বেশি জোগান দিচ্ছে। রফতানি পণ্য হিসেবে পাট ও তৈরি পোশাকের পার্থক্য হলো- পাট রফতানির আয়ের অর্ধেক আসত কাঁচা পাট থেকে, বাকি অর্ধেক প্রস্তুত পণ্য থেকে। সে তুলনায় পোশাকের পুরোটাই প্রস্তুত পণ্য। তবে পাটপণ্যের মূল্য সংযোজন ৮০ শতাংশের ওপরে। সে তুলনায় পোশাক ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। অবশ্য পাট ও পোশাক রফতানির এই তুলনা

ক্যান্সারের সাথে বসবাস

ডেস্ক রিপোর্ট :: ক্যান্সার শুনলেই একটা আতংক কাজ করে আমাদের সকলের মনে। কারণ ধরেই নেয়া হয় ক্যান্সার মানেই ‘নো এ্যান্সার’। অর্থাৎ নির্ঘাত মৃত্যু। এ অবধি প্রায় ২০০ ধরনের ক্যান্সার আবিষ্কৃত হয়েছে। ফলে এর ধরন, পরিধি এবং ভয়াবহতা সংগত কারণেই আলাদা আলাদা রকম। এ কারণে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের বাঁচার হার, চিকিৎসা এবং জটিলতা নির্ধারিত হয় ক্যান্সারের ধরন এবং ধারণের উপর ভিত্তি করে। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয়ত পরিণতি হয় নেতিবাচক। তবুও আশায়–ই তো বসতি। বেঁচে থাকার আশা কেন আমরা সহসা ত্যাগ করব?  ক্যান্সার হয়ত এক সময় জয় করা সম্ভবপর হবে। শুরুতেই নির্ণয়ও হয়ে যাবে। সে সকল পদ্ধতি আবিষ্কারও হচ্ছে। তখন ভোগান্তিও কমবে। মানুষের বেঁচে থাকার হারও বাড়বে। তবুও সার্বিকভাবে সচেতনতার কিন্তু বিকল্প কিছু নেই।  এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ক্যান্সার মানেই কেন নো এ্যান্সার? এর উত্তরে বলতে হয়, ক্যান্সার শরীরের মধ্যে বাসা

বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা ॥ সমকালীন সমস্যা

ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর:: তেইশ বছর আগে ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাণিজ্য প্রসারণ ও পরিচালনার জন্য বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা (ডঞঙ) প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষ বছর ১৯৪৪-এ ব্রেটন উডস চুক্তি অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠার কথা ছিল। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা সম্পর্কিত চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়ায় ব্রেটন উডস এ গৃহীত সূত্র অনুযায়ী আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য প্রবাহ মুক্তভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে শুল্ক ও বাণিজ্য ক্ষেত্রের সাধারণ চুক্তি (জেনারেল এগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ এ্যান্ড ট্রেড- এঅঞঞ-গ্যাট) সম্পাদিত হয় এবং এই চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব সম্পাদনে ১৯৪৭ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা বিশ্বব্যাংকের আদলে প্রতিষ্ঠিতব্য একটি পৃথক সংস্থার বিকল্পে জেনেভায় গ্যাট-সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্যাটের আওতায় আন্তর্জাতিক

উন্নয়নে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ রেজাউল হক কৌশিক

ডেস্ক রিপোর্ট :: মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য একটি হলো মোট দেশজ উত্পাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। আর দ্বিতীয়টি হলো, প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য যেন বেশি টাকা বাজারে প্রবেশ করে মূল্যস্ফীতি বেড়ে না যায়। অর্থাত্ দেশের পুরো আর্থিক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো মুদ্রানীতি। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ৬ মাস অন্তর আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পরবর্তী ছয় মাসে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে তার একটি পরিকল্পনা থাকে মুদ্রানীতিতে। গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। মুদ্রা ও অর্থনীতি কার্যক্রমের সামগ্রিক সফলতার প্রেক্ষাপটে নতুন মুদ্রানীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হয়নি বলে জানান গভর্নর। নতুন মুদ্রানীতিতে রেপো ও রিভার্স রেপো সুদহার ৬ শতাংশ এবং

জাতীয় পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নিন

কামরুল ইসলাম চৌধুরী :: জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান দেড় দশক আগে ঢাকায় এসে বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। কফি আনানের সেই হুঁশিয়ারির সঙ্গে বিজ্ঞানীরা একমত যে, বাংলাদেশ মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের কবলে। আবহাওয়া পরিবর্তনের নির্মম শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ। ভবিষ্যতে বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র এক মিটার বাড়লেই দেশের সাড়ে ১৭ শতাংশ ভূমি সাগরতলে হারিয়ে যাবে চিরতরে। কয়েক কোটি লোক পরিবেশ আর জলবায়ু শরণার্থী হবে। বিশ্বের সবচেয়ে যে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন, তা সাগরকোলে তলিয়ে যাবে। বাংলাদেশের কৃষি, জীববৈচিত্র্য বিপন্ন হবে। মোট কথা হলো, বাংলাদেশের পরিবেশ সমস্যা আর সংকট এখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক আলোচিত বিষয়। আমাদের আর্সেনিক সমস্যা, ঢাকা মহানগরীর বায়ুদূষণের সংকট বিশ্ব পরিবেশ নিয়ে যারা মাথা ঘামান, তাদের উৎকণ্ঠিত করে তোলে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, এ দেশের পরি
নতুন বছরে ইতিহাস গড়া নতুন সরকার

নতুন বছরে ইতিহাস গড়া নতুন সরকার

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ ::: গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে গেছে। শুরু হয়েছে নতুন বছর ২০১৯। শপথ নেবে নতুন সরকার। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। আর বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বার এবং মোট চারবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। ২০১৮ সালের শেষ মুহূর্তে ৩০ ডিসেম্বরের ভোটে বিস্ময়কর জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে দলটির হ্যাটট্রিক জয়। ২৬৬টি আসনেই দুর্বার এগিয়ে গেছে নৌকা। ১৯৭৩ সাল থেকে হিসাব কষলে আওয়ামী লীগও দল হিসেবে পাঁচবার ক্ষমতার মসনদে বসার ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে এ বছরই। তাই ২০১৯ সাল আমাদের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। ২০১৮ সাল পুরোটাই ছিল উত্তেজনায় ঠাসা। কেন্দ্রে ছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে সব দল আসবে কি-আসবে না, নির্বাচন ঠিক সময়ে হবে কি-হবে নাÑএমন প্রশ্নের শেষ ছিল না। ৩০ ডিসেম্বরের ভোট সব প্রশ্নের শেষে দাড়ি
সহজেই তৈরি করুন সবজি পাকোড়া

সহজেই তৈরি করুন সবজি পাকোড়া

শীত মানেই মজার সব সবজি। সবজি বিভিন্ন উপায়ে রান্না করে খাওয়া হয়। চাইলে তৈরি করতে পারেন মজাদার পাকোড়া। ঝটপট বিকেলের নাস্তায় কিংবা শিশুর টিফিনে রাখতে পারেন সবজি পাকোড়া। রইলো রেসিপি-   আরও পড়ুন: পুঁইশাকের পুষ্টিগুণ   উপকরণ: ময়দা ৩ কাপ, কর্ণফ্লাওয়ার ২ চা চামচ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, নুডলস ১ কাপ, ডিম ১ টি, গাজর কুচি ১ কাপ, আলু কুচি ১ কাপ, সিম কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, বাঁধাকপি ১ কাপ, মরিচ কুচি ৭-৮ টি, গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ (ঝাল খেলে মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ), লবণ পরিমানমতো, তেল ভাজার জন্য।   আরও পড়ুন: পুর ভরা বেগুন   প্রণালি: প্রথমে নুডলস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। গাজর, আলু, বাঁধাকপি, সিম সেদ্ধ করে নিয়ে পেঁয়াজ, মরিচ, ডিম, কর্নফ্লাওয়ার, ময়দা ও লবণ দিয়ে সামান্য পানিসহ মেখে নিতে হবে। এরপর হাত দিয়ে ছোট ছোট পাকোড়া বানিয়ে ডুবো তেলে ভালোভাবে লাল কর
সপরিবারে মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় হেনরী কিসিঞ্জার  ‘বাংলাদেশ কখনো ভারতের আধিপত্য মেনে নেবে না’

সপরিবারে মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় হেনরী কিসিঞ্জার ‘বাংলাদেশ কখনো ভারতের আধিপত্য মেনে নেবে না’

কাউসার মুমিন :১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট  বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিসংবাদিত নেতা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় নিজস্ব বাসভবনে সপরিবারে নিহত হওয়ার খবর ওয়াশিংটন ডিসিতে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরী কিসিঞ্জার যখন শুনতে পান তখন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, শেখ মুজিব বিশ্বের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বোকা। হেনরী কিসিঞ্জার বলেন, আমি সবসময়ই জানতাম, বাংলাদেশ কখনো ভারতের আনুগত্য মেনে নেবে না। আমি ৭১ সাল থেকেই জানতাম যে, স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি করে ভারত যে ভুল করেছে, এর জন্য ভারতকে একদিন দুঃখ প্রকাশ করতে হবে।' যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্টেট্ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক গোপন দলিল যা সম্প্রতি ডিক্লাসিফাইড করা হয়েছে তা থেকে উপরোক্ত তথ্য জানা গেছে। স্টেট্ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক 'যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া নীতি (১৯৭৪-৭৬)' শীর্ষক সম্প্রতি জনসম্মুখে উন্ম
মাননীয় প্রধান বিচারপতি- মন্ত্রী শার্ট আপ———প্লিজ! ইটস এনাফ ইজ এনাফ!

মাননীয় প্রধান বিচারপতি- মন্ত্রী শার্ট আপ———প্লিজ! ইটস এনাফ ইজ এনাফ!

আহমদ ফয়সল চৌধুরী লেখার শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ক্ষমাই মহত্বের লক্ষন। সীমা লংঙ্গনকারীকে নাকি আল্লাহ তালাহ পছন্দ করেননা। কিন্তু ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক এখন সব কিছু ছাড়িয়ে গেছে। ভদ্রতা সিষ্টতা বলতে বাংলাদেশে অবশিষ্ট আর কিছু আছে বলে মনে হয়না। বর্তমান বিচারপতি এসকে সিনহার বক্তব্য রাজনৈতীক নেতাদেরকে ও হার মানায়। তিনি কারনে অকারনে এত বেশী কথা বলেন যে মাননীয় অর্থমন্ত্রীকেও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি! পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে কি এসকে সিনহার মত শ্রদ্ব্ভাাজন? বিচারপতি রয়েছেন? আমি জানিনা। আমি যে দেশে বসবাস করি সে দেশের চীফ জাস্টিসের নাম মানুষ জানেনা, চেনেওনা। যারা জানেন তারা নিশ্চয়ই আইন পেশার সাথে জড়িত। লর্ড টমাস নামে বৃটেনের যে চীফ জাস্টিস রয়েছেন তাকে আমি একদিন দেখেছিলাম এক পার্টিতে, কথা বলতে চেয়েছি, বলতে চেয়েছি আমাদের দেশের এসকে সিনহা সাহেব যেভাবে কথা বলেন যেভাবে তিনি রাজনৈতীক বক্