ভাবনার ক্যানভাস

সরকারের পাশাপাশি অসহায়  মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসুন  ……………. লায়ন বিলকিস নুর

সরকারের পাশাপাশি অসহায় মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসুন ……………. লায়ন বিলকিস নুর

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া,সিলেট: অক্টোবর সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট সুরমার উদ্যোগে এক গরীব অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থী শাকিল আহমদের আজীবন শিক্ষার ব্যয়ভার গ্রহণ করেছেন ক্লাব নেতৃবৃন্দ। ১৫ অক্টোবর শাহী ঈদগাহের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ এ ঘোষণা করেছেন। সে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। লায়ন্স ক্লাব সিলেট সুরমার প্রেসিডেন্ট লায়ন বিলকিস নুর বলেন, আমরা চাই না টাকার অভাবে মেধাবীরা তাদের মৌলিক অধীকার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হোক। আমরা অতীতের ন্যায় আগামী দিনেও সকল গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবো। লায়ন ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাই সরকারের পাশাপাশি অবহেলিত মানুষের পাশে মানুষের পাশে থেকে মানবতার কল্যাণে কাজ করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক লায়ন শাহেদা পারভীন চৌধুরী, লায়ন নাজনীন

শিক্ষকদের আহ্বান কতটুকু প্রস্তুত বাংলাদেশ?

‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড।’ যে জাতির শিক্ষা নামক মেরুদণ্ডটি যত শক্তিশালী, সে জাতি তত বেশি টেকসই উন্নয়নের অধিকারী। উন্নয়নের অনেকগুলো উপাদান থাকতে পারে, কিন্তু কোনোটাই শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। কোনো জাতিকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করতে চাইলে তার শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করলেই চলে। উন্নত দেশগুলোতে সে কারণেই শিক্ষাক্ষেত্রের ব্যয়কে সর্বোৎকৃষ্ট বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হয়। তারা শিক্ষা-উন্নয়নের ইস্যুটিকে জাতীয় যেকোনো ইস্যুর ওপরে স্থান দিয়ে থাকেন। শিক্ষার অপরিহার্য অনুষঙ্গ হচ্ছেন শিক্ষক। অন্যভাবে বলা যায়, জাতির মেরুদণ্ড নির্মাতা হচ্ছেন শিক্ষক সম্প্রদায়। শিক্ষকের মর্যাদা, গুরুত্ব ও অবদান যে কত বেশি, তা বোঝা যায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হজরত মুহাম্মদ সা:-এর বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি’ (মিশকাত)। একটি জাতির মানস গঠন ও উন্নয়নে শিক্ষক মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষা ও উ
আশা-নৈরাশার একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়

আশা-নৈরাশার একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়

পিযুষ চক্রবর্তী দুর্গম হাওর এলাকার পশ্চাদপদ একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের ১৪টি গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এলাকার জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা বামাচরণ তালুকদারের নামানুসারে একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২ একর ৯ শতক জায়গার উপর নোয়াগাঁও সমীপুরে প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৯৫ সালে। (ডবষষ নবমধহ রং যধষভ ফড়হব) বিদ্যালয়টির ইন নাম্বার- ১২৯৮৭৭, বিদ্যালয়টির নাম বামাচরণ তালুকদার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এলাকার কিছু সংখ্যক লোক বিদ্যালয়ের উক্ত নাম স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে নারাজ। কেউ কেউ বলছেন বিদ্যালয়টির যাবতীয় খরচের টাকা যাবে এলাকার সবার আর নাম হবে একজনের এটা কি করে হয়? তাই তারা উক্ত নামের সাথে চৌদ্দ গ্রাম বামাচরণ তালুকদার নিম্ন মাধ্যমিক পাবলিক বিদ্যালয় নাম অনুসারে বিদ্যালয় করতে চান। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রসেসিং অনেকটাই হয়েছিল বামা
নিরাপদ অশ্লীলতা!

নিরাপদ অশ্লীলতা!

এম আর তাহরীম: সম্মানিত কতিপয় সুশীল ভাষা বিশারদ  সাহেবান-সাহেবানি; সোজা কথা বললেই তো হয় যে, অামরা তোমাদের নিরাপদ জীবন চাই না! নিরাপদ বাংলাদেশ চাই না।   অাপনাদের মুখের  ভাষাগুলো বাচ্চারা উচ্চারণ করায় গায়ে-গত্রে চুলকায়, লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে করে... ইচ্ছে যখন করছে তাহলে চুলকাইতে চুলকাইতে মরে যেতে পারেন!  সম্মানের সহিত জানাযাসহ কবরে বসবাসের সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।   কতিপয় দু'একটা বাচ্চার ফ্যাস্টুনে লেখা কথাগুলো অামার কাছেও অশ্লীল লেগেছিল! তবে এসব গুটিকয়েক  অশ্লীল কথা প্রচার করা অামাদের বাচ্চাদের বিশাল বা বৃহৎ সরলতা নিয়ে মজিনি, বক্র কথা বলিনি কিংবা উল্লাসে মাতিও নি! এখন তো দেখি বাচ্চাদের নয় ; অাপনাদের ভাষাগুলোর জন্য অামাদের লজ্জা হচ্ছে!   ভন্ড ও ধর্ম ব্যবসায়ীদের নিয়ে লেখা "লালসালু " উপন্যাসটি অামার অনেক প্রিয় কিন্তু দুটি শব্দ দেখছেন তো? সেই শব্দ দুটি এতদিন অ
মুখের জন্য তাবিজ চাই

মুখের জন্য তাবিজ চাই

মঙ্গলবার দুপুর থেকে ফুটপাত ধরে হাঁটছি। এমনিতে নিয়মিতই ফুটপাতে হাঁটি। তখন নজর থাকে বাদামওয়ালার দিকে। খেয়াল রাখি নতুন কোন মওসুমি ফল উঠলো সেদিকে।   কখনো কোন মানুষকে চোখে লেগে গেলে মনভরে দেখি। দেয়ালের পোস্টার, লিখন পড়ে যাই । কিন্তু গত দুইদিন ধরে ফুটপাতে তাবিজওয়ালা খুঁজে বেড়াচ্ছি। খুব দরকার।   আগেতো মোটামুটি কয়েক গজ পেরোতেই পাওয়া যেতো। ক্যাসেট বাজনা শুনেই তাদের উপস্থিতি টের পাওয়া যেতো। কেউ গান বাজাতেন, কেউ লেকচার বাজাতেন। অডিওর সঙ্গে হাত পা মুখ চালাতেন ইশারা ভাষায়।   যার অডিও যন্ত্র কেনার সামর্থ্য নেই তিনি খালি গলায় চিৎকার করে তাবিজের মাহাত্ম্য বর্ণনা করেন। কিন্তু এই দুইদিনে গুলিস্তান, ফার্মগেট, নিউমার্কেট, মহাখালী, টঙ্গী, রামপুরা কোথাও ফুটপাতে সেই তাবিজওয়ালা খুঁজে পাচ্ছিনা। আসলে দরকারের সময় প্রয়োজনের জিনিস খুঁজে পাওয়া যে যায় না, এটা সেই প্রচলিত কথারই প্রমাণ। আব
অনিশ্চিত গণ্তব্যকে নিশ্চিত করুন

অনিশ্চিত গণ্তব্যকে নিশ্চিত করুন

মাহফুজ আদনান :: অনিশ্চিত গণ্তব্য নিয়ে আমরা চিন্তিত থাকি । প্রত‌্যেকের একটি নিশ্চিত গণ্তব্য থাকে । সেটা নিয়ে আমরা ব্যস্ত থাকি । যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না । তাহলে নিজেই নিজের রাস্তা তৈরি করতে হয় । সবাইকে নিজস্ব জগতে ব্যস্ত থাকতে হয় । এটাই বাস্ববতা । এরপরে নিজের জগতে বাইরে থেকে চেষ্টা করতে হয় একে অন্যকে সহযোগীতার কথা । আপনি যদি সহযোগীতাপরায়ণ না হন তবে আপনাকে অনিশ্চিত পথে হাটতে হবে । অনিশ্চিত গন্তব্য বলতে আমরা বুঝে নিতে পারেন নিজের অস্তিত্বকে হারিয়ে ফেলা । নিজের অস্তিত্বকে কখনো বিলীন হতে দেবেন না । চেষ্টা চালিয়ে যান । তাহলে গন্তব্য খুজে পাবেন । আজকাল আমরা অনিয়ন্ত্রিত টেনশনে থেকে নিজেই নিজের খেই হারিয়ে ফেলি । এজন্য আমাদের পারিপাশ্বিক পরিবেশ দায়ী । কেননা আমরা আমাদের কৃতকর্মের জন্য ভালো মন্দ সময়ের সম্মুখিন হই । এজন্য মন্দ সময়ে নিজেকে শক্ত রাখতে হয় । হা পিত্যেষ বা অশান
প্রবাসে সাংবাদিকতা

প্রবাসে সাংবাদিকতা

মাহফুজ আদনান ::: প্রবাসে সাংবাদিকতা একটি বিশাল কষ্টের ব্যাপার । আমরা যারা দেশে প্রবাসে সাংবাদিকতা করি তাদের অনেক কষ্ট করে কাজ করতে হয় । নিজের ব্যক্তিগত কাজ করা সম্ভব হয় না । অনেক সময় কাজের চাপে অন্যকে কেয়ার করা সম্ভব হয় না । তবে যারা প্রবাসে অনেক বছর কাটিয়েছেন তাদের জন্য সাংবাদিকতা ভিন্ন ব্যাপার । তারা অনেক স্বাভাবিক ভাবে সাংবাদিকতা করে থাকেন । নিউইয়র্কে সাংবাদিকতা করা অনেক সহজ । কেননা এখানের কমিউনিটি অনেক হেল্পফুল । সবাই একে অন্যকে সহযোগীতা করে থাকেন । অনেকটা এক পরিবারের মত । তবে যারা পরিবার নিয়ে এখানে থাকেন তাদের জন্য সাংবাদিকতা অনেক সহজ । কেননা পরিবার তাদের সহযোগীতা করে থাকেন । নিউইয়র্কে অনেক গুলো পত্রিকা রয়েছে । যেমন : ঠিকানা, বাংলা পত্রিকা, আজকাল, বাংলা টাইমস, বাঙ্গালী, বাংলাদেশ, রানার, পরিচয়, বর্তমান বাংলা, দেশ বাংলা, প্রথম আলো নর্থ আমেরিকা ইত্যাদি । সবমিলিয়ে বিশ থেকে পচিশটি প্র

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের জন্য ::: লক্ষ্য করুন

এনামুল ইসলাম এনাম ::: ২০০১ সালের ৯/১১ এর টুইন টাওয়ারে হামলার পর সারা বিশ্বের মুসলমানসহ আমেরিকার মুসলমানদের মধ্যে যে রকম ভয় ভীতি ,উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়েছিল আজ প্রায় দেড় যুগ পরে রিপাবলিকান পার্টি থেকে একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ঠিক একই রকমের অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে অবস্থার আরো অবনতি হওয়ারও তীব্র আশংকা রয়েছে । এই পরিস্থিতিতে যারা আমেরিকাতে বসবাস করছেন তাদের প্রধান কাজ হল পরিবেশ পরিস্থিতির উপর সর্বদা নজর রেখে একে অপরের সাথে ঐক্যবদ্দ্ব থেকে এই আপদকালীন সময়ের মোকাবেলা করা । আমাদের একটি কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে, আমেরিকা হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম প্রধান দেশ যে দেশে আইনের শাসন, সংবিধান , মানবাধিকার , জননিরাপত্তা সহ সবধরণের সুযোগ সুবিধা রক্ষা করা হয়ে থাকে । তাই একজন প্রেসিডেন্ট ইচ্ছে করলেও অনেক কিছুর পরিবর্তন করতে পারেন না । এজন্য প্রয়োজন দীর্ঘ আইন

শোকাহত কথা ::: মাওলানা আলাউদ্দিন আখুঞ্জি

ম্যাক মোশাহিদ :::: চলে যেতে হয় বলে, যেতে হয় বহুদুরে, না ফেরার দেশ হতে কার পদশব্দ শুনি বিষাদের সুরে সুরে . . . । কবির ভাষায়- এমন জীবন করিবে গঠন, মরিলে হাঁসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন। আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাই, সুনাম অর্জনের লক্ষে্য । ভালো কিছূ অর্জনের লক্ষে্য, তবে আমরা কতটুকু তা অর্জন করতে সক্ষম হই। তা বুঝা যায় আমাদের শেষ কর্মে। নিউইয়র্কের ওজনপার্কের ইমাম হত্যাকান্ড । ১৩ আগষ্টের ঘটনা পরো মুসলিম বিশ্বকে । এমনকি পুরো নিউইয়র্কবাসীকে হতবাক করেছে । ধর্মীয় পোশাকে থাকা ইমাম এবং সহকর্মী হত্যা প্রসঙ্গে সারা বিশ্বের মিডিয়া গুলো ছিল ইমাম হত্যাকান্ড সমাচারের ব্যস্ত । বিবিসি, ফক্স নিউজ, সিএনএন, রয়টার্স, আল-জাজিরা, নিউইয়র্ক টাইমস, নিউইয়র্ক এএম, মেট্রো নিউইয়র্ক সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রেস এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া গুলি। কুইন্সের লিবার্টী এভিনিউ এর ৭৮ স্ট্রিটে তেমন এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শিকার হয়ে মারা গ

বাংলাদেশের গর্ব সিলেটের কীর্তিমান পুরুষ রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান

ডক্টর এম মুজিবুর রহমান: "এমন জীবন তুমি করিবে গঠন; মরণে হাসিবে তুমি, কাঁদিবে ভুবন"...রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান (এম এ খান ) এমনই এক কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব। এম এ খান (নভেম্বর ৩, ১৯৩৪ – আগস্ট ৬, ১৯৮৪) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান যিনি একজন দক্ষ রাজনীতিবিদের ভূমিকাও পালন করেছেন। তিনি ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮৪ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সততা ও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেছেন। যোগাযোগ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে সিলেট বিভাগে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য মরহুম মাহবুব আলী খানের রয়েছে আলাদা ইমেজ। দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষা, সমুদ্রে জেগে ওঠা দ্বীপের দখল রক্ষা, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ বাংলাদেশের দখলে রাখা, সমুদ্র এলাকায় জলদস্যু দমন এবং সুন্দরবন এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে নৌবাহিনীকে সচেষ্ট রাখতে তিনি বিশেষ ভূমিকা