ভাবনার ক্যানভাস

অনিশ্চিত গণ্তব্যকে নিশ্চিত করুন

অনিশ্চিত গণ্তব্যকে নিশ্চিত করুন

মাহফুজ আদনান :: অনিশ্চিত গণ্তব্য নিয়ে আমরা চিন্তিত থাকি । প্রত‌্যেকের একটি নিশ্চিত গণ্তব্য থাকে । সেটা নিয়ে আমরা ব্যস্ত থাকি । যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না । তাহলে নিজেই নিজের রাস্তা তৈরি করতে হয় । সবাইকে নিজস্ব জগতে ব্যস্ত থাকতে হয় । এটাই বাস্ববতা । এরপরে নিজের জগতে বাইরে থেকে চেষ্টা করতে হয় একে অন্যকে সহযোগীতার কথা । আপনি যদি সহযোগীতাপরায়ণ না হন তবে আপনাকে অনিশ্চিত পথে হাটতে হবে । অনিশ্চিত গন্তব্য বলতে আমরা বুঝে নিতে পারেন নিজের অস্তিত্বকে হারিয়ে ফেলা । নিজের অস্তিত্বকে কখনো বিলীন হতে দেবেন না । চেষ্টা চালিয়ে যান । তাহলে গন্তব্য খুজে পাবেন । আজকাল আমরা অনিয়ন্ত্রিত টেনশনে থেকে নিজেই নিজের খেই হারিয়ে ফেলি । এজন্য আমাদের পারিপাশ্বিক পরিবেশ দায়ী । কেননা আমরা আমাদের কৃতকর্মের জন্য ভালো মন্দ সময়ের সম্মুখিন হই । এজন্য মন্দ সময়ে নিজেকে শক্ত রাখতে হয় । হা পিত্যেষ বা অশান
প্রবাসে সাংবাদিকতা

প্রবাসে সাংবাদিকতা

মাহফুজ আদনান ::: প্রবাসে সাংবাদিকতা একটি বিশাল কষ্টের ব্যাপার । আমরা যারা দেশে প্রবাসে সাংবাদিকতা করি তাদের অনেক কষ্ট করে কাজ করতে হয় । নিজের ব্যক্তিগত কাজ করা সম্ভব হয় না । অনেক সময় কাজের চাপে অন্যকে কেয়ার করা সম্ভব হয় না । তবে যারা প্রবাসে অনেক বছর কাটিয়েছেন তাদের জন্য সাংবাদিকতা ভিন্ন ব্যাপার । তারা অনেক স্বাভাবিক ভাবে সাংবাদিকতা করে থাকেন । নিউইয়র্কে সাংবাদিকতা করা অনেক সহজ । কেননা এখানের কমিউনিটি অনেক হেল্পফুল । সবাই একে অন্যকে সহযোগীতা করে থাকেন । অনেকটা এক পরিবারের মত । তবে যারা পরিবার নিয়ে এখানে থাকেন তাদের জন্য সাংবাদিকতা অনেক সহজ । কেননা পরিবার তাদের সহযোগীতা করে থাকেন । নিউইয়র্কে অনেক গুলো পত্রিকা রয়েছে । যেমন : ঠিকানা, বাংলা পত্রিকা, আজকাল, বাংলা টাইমস, বাঙ্গালী, বাংলাদেশ, রানার, পরিচয়, বর্তমান বাংলা, দেশ বাংলা, প্রথম আলো নর্থ আমেরিকা ইত্যাদি । সবমিলিয়ে বিশ থেকে পচিশটি প্র
মৌচাকে কাক! আমি তো অবাক!

মৌচাকে কাক! আমি তো অবাক!

গোলাম মাওলা রনি : প্রথম কাহিনীটি শুনেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মুখ থেকে। বঙ্গবন্ধুর জননী মানে প্রধানমন্ত্রীর দাদি যেদিন মারা গেলেন সেদিনের একটি ঘটনা শোকসভায় উপস্থিত সবাইকে হতবিহ্বল করে তুলল। খন্দকার মোশতাক আহমদ ঘটনাস্থলে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে প্রচণ্ড শোকে আর্তচিৎকার শুরু করলেন। তার কান্নার স্বর বুক চাপড়িয়ে আহাজারির ঢং এবং বারবার লাশের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে জ্ঞান হারানোর ভণিতা দেখে সবাই নির্বাক, নিস্তব্ধ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ়। সবশেষে লাশ যখন দাফনের জন্য কবরে নামানো হলো তখন খন্দকার মোশতাক শোকে উন্মাদ হয়ে লাশের সঙ্গে জীবন্ত সমাধিস্থ হওয়ার মানসে কবরে নেমে পড়লেন। পরে বঙ্গবন্ধুর হস্তক্ষেপে এবং বিশেষ সান্ত্বনায় খন্দকার মোশতাক সেদিনের অন্তরজলি যাত্রা ক্ষান্ত দিয়ে কবর থেকে ধরাধামে উঠে আসেন। দ্বিতীয় কাহিনী এরশাদ জমানার। তখনকার রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মা মারা যান। রংপুরে
রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান একজন দেশপ্রেমিকের প্রতিকৃতি

রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান একজন দেশপ্রেমিকের প্রতিকৃতি

শীর্ষ খবর: ‘এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ/মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান।‘ কর্মীষ্ঠ পুরুষ রিয়ার এডমিরাল এম এ খানের ক্ষেত্রে এ কথা যথার্থভাবেই খাটে। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যোগাযোগ উপদেষ্টা, কৃষিমন্ত্রী ও নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান কর্মগুণে ও চারিত্রিক মাধুর্যে আমাদের রাজনীতিতে নক্ষত্রের মতোই বিরাজ করছিলেন। তাঁর অস্তিত্বজুড়ে ছিল যেমন অখণ্ড কর্মপ্রেরণা, তেমনি ছিলেন সততা ও দেশপ্রেমের বিরলদৃষ্ট চেতনা। তিনি বলতেন, ‘সততা ছাড়া দেশপ্রেম মূল্যহীন, সততা নিয়েই দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।‘ বাস্তবিকই স্বল্পপরিসর জীবনের সর্বস্তরে তিনি তাঁর এই চেতনারই বাস্তবায়ন করে গেছেন অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে। আর এই কর্মগুণেই তিনি দেশের মানুষের অতি প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন জীবনের শেষ দিনগুলোতে। নিজ জীবনে যেমন সততাকে সঙ্গী করেছিলেন, তেমনি অন্যদেরও সৎ থাকার উপদেশ দিতেন। কঠোরশৃঙ্খলাবোধ ও সময়ানুবর্তিত
একটি ব্যক্তিগত উড়োচিঠি..

একটি ব্যক্তিগত উড়োচিঠি..

হাসানুজ্জামান সাকী ::: মানুষের জীবন নানা নাটকীয়তায় ভরা। আমার ছোট ভাই ছোটবেলা থেকেই একজনকে বিশেষ পছন্দ করে। পাশের বাড়ির মেয়ে। পড়শি সেই মেয়েটির নাম প্রীতি। একই সীমানা লাগোয়া দুটি বাড়ি আমাদের। যাই হোক, সেই প্রেমের কাহিনী বলার জন্য এই লেখা নয়। তবে আমার গল্পটা বলার আগে আরেকটু ছোট ভাইয়ের প্রসঙ্গে বলতে হবে। তো, আমার ছোট ভাইটি বড় হয়েছে। পড়াশোনা শেষ করে এইচএসবিসি ব্যাংকে চাকরি করছে। তারচেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তার প্রেমিকা প্রীতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স কমপ্লিট করে ফেলেছে। বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় পড়াশোনা শেষ করার অনেক আগেই বেশিরভাগ মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। পড়াশোনা শেষ হয়ে যাওয়া মানে তো মেয়েদের অনেক বয়স! তখন মেয়েকে আর কোন বাবা-মা বসিয়ে রাখেন? প্রীতিও বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকল। কিন্তু বেকায়দায় পড়েছে আমার ছোট ভাই। আমার আগে সে বিয়ে করতে পারছে না। বেকায়দা
নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস পুত্রের আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন

নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস পুত্রের আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন

আব্দুল হামিদ খান সুমেদ:-বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট-২ (বিশ্বনাথ,বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর) এর সাবেক সংসদ সদস্য নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্টার্ড তাহছিনা রুশদির লুনা দম্পতির জৈষ্ট পুত্র আবরার ইলিয়াস অর্ণব এ বছর যুক্তরাজ্যের অন্যতম খ্যাতিমান শিক্ষা প্রতিষ্টান University of the west England,Bristol থেকে এল এলবিতে(আইন বিষয়ে) ডিগ্রি অর্জন করেন। দীর্ঘ পাঁচবছর যাবত বাবা এম ইলিয়াস আলীর অভিভাবকত্বের শূন্যতায় ভুক্তভোগী অর্ণব আজ শত প্রতিকূলতার পরেও বাংলাদেশ থেকে আগত তার মা তাহছিনা রুশদির লুনা,যুক্তরাজ্যের কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটিতে অধ্যানরত অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী একমাত্র ছোট ভাই লাবিব শাহরিয়ার,এবং মায়ের সাথে বাংলাদেশ থেকে সফররত একমাত্র বোন শায়রিয়া নাওয়াল,ইউকেতে বসবাসরত তার চাচা সহ বেশ কিছু আত্
তেলিবিল স্কুল এন্ড কলেজ বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত

তেলিবিল স্কুল এন্ড কলেজ বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত

কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী ন'মৌজার প্রাক্তন, বর্তমান ছাত্র, যুবসমাজ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে তেলিবিল স্কুলকে কলেজে বাস্তবায়নের লক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এডভোকেট জসিম উদ্দিন আহমদকে সভাপতি ও এম আক্তার আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে নিম্নোক্ত কমিটি গঠন করা হয়। সহ-সভাপতি মুজাহিরুল ইসলাম লেইস, নাছিবুর রহমান নাছিম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসিব আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জুনেদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মাও মাছুম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক মোঃ নোমান আহমদ,  সহ প্রচার সম্পাদক মোঃ এমরান হোসেন, দপ্তর সম্পাদক জয়নুল ইসলাম, সহ দপ্তর সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, সদস্যবৃন্দ মিজানুর রহমান, মোঃ সাজিদুর রহমান, আব্দুল কাদির, মোঃ ছিদ্দেক আলী, মোঃ লুতফুর রহমান, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ হাবিবুর রহমান।   কমিটির উপদেষ্টাবৃন্দ হলেন শরীফপুর ইউপি চেয়ারম্যান জু
অাব্দুল মতিন: একজন মহান শিক্ষ

অাব্দুল মতিন: একজন মহান শিক্ষ

তাওহীদুল ইসলাম♦ জনাব অাব্দুল মতিন। একজন শিক্ষক। একজন শিক্ষাবিদ। একজন মানুষ গড়ার সহায়ক। কানাইঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গাছবাড়ী মডার্ণ একাডেমীর প্রবীণ শিক্ষক। সেই ১৯৭৬ থেকে অাজ অবধি দীর্ঘ ৪১ বছর থেকে মহান শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত। এই সুদীর্ঘ শিক্ষকতার ৪১ বছরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী স্যারের কাছে লেখাপড়া করেছেন, মানুষ হয়েছেন। দেশ বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন স্যারের অগণিত শিক্ষার্থী। যারা কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। অত্যন্ত অান্তরিক, হ্রদয়বান, সৌখিন, পরহেজগার এই স্যার শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে গাছবাড়ী অঞ্চলের শিক্ষাক্ষেত্রে স্যারের অবদান তুলনাহীন। শিক্ষা,সংস্কৃতি, যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্যার কাজ করেছেন নিংস্বার্থ ভাবে। একজন সামাজিক সংস্কারক হিসেবে স্যারের অবদান কোন অংশেই কম নয়। গাছবাড়ীর উন্নয়নের সুতিকাগার নামে পরিচিত গাছবাড়ী সমাজ কল্যাণ যুব সম
আমার বাবা মকদ্দছ আলী চৌধুরী ছিলেন একজন ভাববাদী বিচিত্র মানুষ

আমার বাবা মকদ্দছ আলী চৌধুরী ছিলেন একজন ভাববাদী বিচিত্র মানুষ

শেবুল চৌধুরী : ‘‘মুর্শিদ পথ দে খাইয়া দাও, আমি সে পথ চিনি না গো সঙ্গে করিয়া নাও’’ কিংবা ‘‘মাবুদ আল্লার লাগি হাসন রাজা যে আউলা, হাছন রানা হইয়াছে আল্লাহর লাগি বাউলা’’ মরমী এই সব গানগুলোর সাথে খুব ছোট বেলায় পরিচয় করিয়ে দেন আমার জন্মদাতা পিতা সদ্য প্রয়াত জনাব আলহাজ্ব মকদ্দছ আলী চৌধুরী (ইন্না......রাজিউন)। আব্বা বলতেন শুধু গান শোনার জন্য গান না। গানের ভেদ জানতে হবে? আপনাকে (নিজকে) জানতে হলে আপনাকে চিনতে হবে? ছোট বেলা তথা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রবস্থায় আমি ও আমার চাচাতো ভাইরা সাখায়াতুল ইসলাম সোয়েব,এনামুর রহমান এমনসহ অন্যান্যদের আমার জন্মভুমি সিলেটের ওসমানিনগরের চিন্তামনি প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী রবীন্দ্র কুমার দেব আমাদেরকে পড়াতে আসতেন। আমাদের পড়া শেষ হবার পর বাবা হারমোনিয়াম নিয়ে চলে আসতেন। বড় স্যার বলে খ্যাত শ্রী রবিন্দ্র কুমার দেবসহ তারা বিভিন্ন মরমী গানগুলো গাইতেন এব
আমার দেখা জন‌নেতা বেলা‌য়েত আলী স্যার।

আমার দেখা জন‌নেতা বেলা‌য়েত আলী স্যার।

শামছুল হক মিন্টু :আজ স্যা‌রের ৬ষ্ট মৃত্যুবা‌র্ষিকী‌তে সর্বশ‌ক্তিমান আল্লার কা‌ছে প্রার্থনা ক‌রি উনাকে জান্নাতবাসী করুন। গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় স্মরণ কর‌ছি আমার অত্যন্ত প্রিয় এই মহান নেতাকে।   মানুষ তার ক‌র্মের মা‌ঝে যু‌গ যু‌গান্ত‌রে বেঁ‌চে থা‌কেন। ঠিক তেম‌নি স্যা‌রের আদ‌র্শিক গু‌ণে আমা‌দের মা‌ঝে বেঁ‌চে থাক‌বেন।   রাজনৈ‌তিক জীব‌নে তি‌নি ছি‌লেন আদ‌র্শের প্রতীক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদ‌র্শের রাজনী‌তি বাংলা‌দেশ আওয়ামীলীগ‌ের প্র‌তিষ্ঠা লগ্ন হ‌তে জীবনের প্র‌তি‌টি মৃহূর্ত উৎসর্গ ক‌রে‌ছেন। কমলগঞ্জ উপ‌জেলা আওয়া‌মীলী‌গের সাধারন সম্পাদক ও সভাপ‌তি প‌দে দীর্ঘ্য‌দিন সুনাম ও সম্মা‌নের সা‌থে দা‌য়িত্ব পালন ক‌রেন। উপ‌জেলা ও জেলার রাজ‌নৈ‌তিক সংক‌টে নেতৃবৃন্দ প্রায়ই ছু‌টে আস‌তেন স্যা‌রে কা‌ছে। এঅঞ্চ‌লের সকল রাজ‌নৈ‌তিক নেতৃবৃন্দ গভীর শ্রদ্ধার সা‌থে নী‌তি‌নির্ধারন‌ি পর্যা‌য়ের পরামর