মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের বিদ্বেষবাক্য অনুমোদন করেছেন জাকারবার্গ

ট্রাম্পের বিদ্বেষবাক্য অনুমোদন করেছেন জাকারবার্গ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক  :মার্ক জাকারবার্গ বিশ্বখ্যাত ও শক্তিমান সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের প্রধান সম্পাদক।শুক্রবার সম্পাদকীয় নীতিতে কিছু পরিবর্তন এনেছেন তিনি। সেই থেকে স্পষ্ট হয়েছে, ট্রাম্পের বিদ্বেষবাক্য প্রচারের অনুমোদনও তিনিই দিয়েছেন।       শুক্রবার জাকারবার্গ জানান, এখন থেকে যে কোন অ্যানিমেশন বা গ্রাফিক্স যদি সংবাদ হিসেবে যোগ্য, গুরুত্বপূর্ণ ও জনগণের আগ্রহের বিষয় হয় তবে তা সেন্সর করা হবে না।       যদিও এর আগে তিনি দাবি করেছেন, ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কোন সংবাদ মাধ্যম নয়, কিন্তু এবারে সম্পাদকীয় নীতি পরিবর্তন করে খবর বা ছবির সংবাদমূল্য নির্ধারণে বসেছেন তিনি।       সম্প্রতি স্তন ক্যানসারের সচেতনতামূলক এক সুইডিশ প্রচারণার বিজ্ঞাপন ফেসবুক থেকে অপসারণ করা হয়। পরে এ বিষয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে
ওবামার ব্যক্তিগত ইমেইল ফাঁস করেছে উইকিলিকস

ওবামার ব্যক্তিগত ইমেইল ফাঁস করেছে উইকিলিকস

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক  :এবার ইমেল বিতর্কে নাম এসেছে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে একটি ব্যক্তিগত ইমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতেন তিনি। ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ২০০৮ সালে নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আদান-প্রদান করেছিলেন ওবামা।   ওবামার সেই ব্যক্তিগত কথোপকথনের কিছু অংশ নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে উইকিলিকস। মোট ৭টি চিঠি প্রকাশ্যে এনেছে তারা। এর মধ্যে একটি ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বরের। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিন। ওবামাকে চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন তার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা জন পডেস্টা। তাতে ১৫ নভেম্বর জি-২০ সম্মলনে ওবামাকে হাজির থাকতে নিষেধ করেছিলেন তিনি। কারণ ওই রাতেই নাকি ওবামাকে আমন্ত্রণ জানাবার কথা ছিল তৎকালীন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের।   তার কথা মেনেই জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেননি ওবামা। এই মেই
প্রেসিডেন্ট বিতর্ক : বিদেশি সংবাদমাধ্যমে নিরঙ্কুশ সমর্থন হিলারির

প্রেসিডেন্ট বিতর্ক : বিদেশি সংবাদমাধ্যমে নিরঙ্কুশ সমর্থন হিলারির

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক  :আমেরিকার বাইরের গণমাধ্যমে নিরঙ্কুশ সমর্থন উপভোগ করছেন হিলারি ক্লিনটন। বিশ্বজুড়ে বেশির ভাগ সংবাদমাধ্যম বলছে, তৃতীয় ও সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট বিতর্কে বিজয়ী হয়েছেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি। রিপাবলিকান প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের ছিটেফোঁটা পাওয়াও বেশ মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব গণমাধ্যমে। ট্রাম্পের পাতানো নির্বাচনের দাবি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অনেক পত্রিকা। ফ্রান্সের প্রখ্যাত ল্য পয়েন্ট ম্যাগাজিনের শিরোনাম ছিল: ‘জিততে না পারলেও পরাজয় মানতে অস্বীকার করতে পারেন ট্রাম্প’। স্পেনের এল মুন্ডো পত্রিকা বলছে, বিতর্কের সময় ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক মনোভাব ‘আরো একবার হিলারিকে বাই ডিফল্ট জিতিয়ে দিয়েছে’। ইতালির কুরিয়েরে দেল্লা সেরা দৈনিকের কলামে মাসিমো গাগি লিখেছেন, ‘রসাতলে যাওয়ার পথে একধাপ বাকি ট্রাম্পের’। ট্রাম্পের নির্বাচনের ফল মেনে না নেয়ার ইঙ্গি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের চূড়ান্ত বিতর্ক নিয়ে ভয়েস অব আমেরিকায় আলোচনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের চূড়ান্ত বিতর্ক নিয়ে ভয়েস অব আমেরিকায় আলোচনা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক  :বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দু’প্রার্থী ডেমক্র্যাট দলের হিলারি ক্লিন্টন এবং রিপাবলিকান দলের ডনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে চূড়ান্ত বিতর্ক অনুষ্ঠিত হলো । এই বিতর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্টুডিওতে একটি আলোচনা চক্র । সঞ্চালন করেছেন, আনিস আহমেদ : নির্বাচনে প্রথা অনুযায়ী ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থিদের মধ্যে চূড়ান্ত বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লাস ভেগাসে বুধবার রাত । এই বিতর্কের নানান দিক নিয়ে আলোচনার জন্য স্টুডিওতে রয়েছেন শাগুফতাহ নাসরিন কুইন এবং নিউইয়র্ক থেকে টেলিফোনে যোগ দিয়েছেন, প্রবীণ সাংবাদিক ও সংবাদ বিশ্লেষক সৈয়দ মোহাম্মাদুল্লাহ। আমরা জানি যে বেশ কিছুদিন ধরেই রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থি ডনাল্ড ট্রাম্প বলে আসছেন যে এই নির্বাচনে কারচুপি হবে। নির্বাচনের ফলাফল তিনি মেনে নেবেন কি না, এ রকম প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প কোন সরাসরি
বিদেশী সংবাদমাধ্যমে নিরঙ্কুশ আধিপত্য হিলারির

বিদেশী সংবাদমাধ্যমে নিরঙ্কুশ আধিপত্য হিলারির

আমেরিকার বাইরের গণমাধ্যমে নিরঙ্কুশ আধিপত্য হিলারি ক্লিনটনের। বিশ্বজুড়ে বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যম বলছে, তৃতীয় ও সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট বিতর্কে বিজয়ী হয়েছেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি। রিপাবলিকান প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের ছিটেফোঁটা পাওয়াও বেশ মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্পের পাতানো নির্বাচনের দাবি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অনেক পত্রিকা। ফ্রান্সের প্রখ্যাত ল্য পয়েন্ট ম্যাগাজিনের শিরোনাম ছিল: ‘জিততে না পারলেও পরাজয় মানতে অস্বীকার করতে পারেন ট্রাম্প’। স্পেনের এল মুন্ডো পত্রিকা বলছে, বিতর্কের সময় ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক মনোভাব ‘আরও একবার হিলারিকে বাই ডিফল্ট জিতিয়ে দিয়েছে’। ইতালির কুরিয়েরে দেল্লা সেরা দৈনিকের কলামে মাসিমো গাগি লিখেছেন, ‘রসাতলে যাওয়ার পথে একধাপ বাকি ট্রাম্পের’। ট্রাম্পের নির্বাচনের ফল মেনে না নেওয়ার ইঙ্গিত সম্পর্কে জার্মানির তাগেসপেইগেল পত্রিকায় ক্রিস্টোফ
হেরে গেলে নির্বাচনের ফল মানবেন না ট্রাম্প

হেরে গেলে নির্বাচনের ফল মানবেন না ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর তৃতীয় ও শেষ টেলিভিশন বিতর্কে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল নির্বাচনের ফলাফল হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে গেলে, তিনি ফলাফল মেনে নেবেন কি না।   জবাবে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া ছিল, সেটি নির্বাচনের ফল দেখেই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। খবর বিবিসি বাংলার   বিতর্কের সঞ্চালক দ্বিতীয়বার প্রশ্নটি করলে ট্রাম্প বলেন, এ বিষয়ে কিছুটা রহস্য রাখতে চান তিনি। এখুনি সব বলে দিতে চান না।   এর আগে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, আটই নভেম্বরের নির্বাচনে চূড়ান্ত কারচুপি হবে এবং তা হবে হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে। বুধবারই প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সেই বক্তব্যের সমালোচনা করেছিলেন।   বৃহস্পতিবার হিলারি ক্লিনটনও ওই বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রশ্ন ছুড়ে দেন যে, ফল ট্রাম্পের বিপক্ষে গেলে তিনি মানবেন কি না।   এর আগে অস্ত্র
চূড়ান্ত বিতর্কে হিলারি জয়ী

চূড়ান্ত বিতর্কে হিলারি জয়ী

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সর্বশেষ বিতর্ক শেষ হয়েছে। এ চূড়ান্ত বিতর্কে সিএনএন এর জরিপে ৫২ শতাংশ ভোটে হিলারি জয়ী অবস্থানে আছেন। আপরদিকে ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।   স্থানীয় সময় বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের লাস ভেগাসে অবস্থিত নেভাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিতর্ক শুরু হয়।   প্রথম ও দ্বিতীয় বিতর্কে পরস্পরকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন হিলারি ও ট্রাম্প। তবে তৃতীয় বিতর্কে বিভিন্ন নীতিগত বিষয় নিয়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে বাকযুদ্ধ হয়।   বিতর্কে ট্রাম্পকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘পুতুল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন হিলারি। জবাবে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হিলারিকে বারবার বোকা বানিয়েছেন পুতিন।   হিলারি অভিযোগ কর
৮৬ বাংলাদেশীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত করা হচ্ছে

৮৬ বাংলাদেশীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত করা হচ্ছে

এহসান পাভেল ::: ভাগ্যেন্বষণে এসেছিলেন তারা । দালালকে দিয়েছিলেন মাথাপিছু ২৫ লক্ষ টাকা । দেশের জায়গা জমি বিক্রি করে আবার ধার করে । বিভিন্ন দেশ ঘুরে যুক্তরাষ্ট্রে আসার স্বপ্ন ছিলো তাদের । হলো না সেই স্বপ্নের প্রতিফলন । জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেআইনী পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় মার্কিন সীমান্ত রক্ষী কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছেন তারা ।  এরকম ৮৬ জন তরুণকে আবার দেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে । দু’বছরের অধিক সময় অভিবাসন দফতরের ডিটেনশন সেন্টারে থাকার পর  ‘ইউএস ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’ তথা আইসের পক্ষ থেকে ১৭ অক্টোবর তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ‘এসব বাংলাদেশীর সকলেই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু সে আবেদনের সমর্থনে কোন প্রমাণাদি প্রদর্শনে সক্ষম হননি কেউই। বাংলাদেশে তারা বিরোধী দল তথা বিএনপির কর্মী/সমর্থক হিসেবে ক্ষমতাসীন সরকার কর্তৃক অকথ্য নির্যাতনের শিকার, জেল-জুলুমের আশংকা এবং প্রাণনা
হিলারির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে ৭০ নোবেল বিজয়ী

হিলারির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে ৭০ নোবেল বিজয়ী

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ৭০ নোবেল বিজয়ী।  মঙ্গলবার এক খোলা চিঠিতে নোবেল বিজয়ীরা ক্লিনটনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার বিষয়ে দৃঢ় এবং পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। খবর দ্য ডেইলি বিস্টের।   ওই চিঠির শুরুতে লেখা ছিল, আমাদের স্বাধীনতা সংরক্ষণে, আমাদের সংবিধান রক্ষায়, আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং দেশের সব নাগরিকের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি উন্নত ভষ্যিত গড়া নিশ্চিত করতে হিলারি ক্লিনটনকেই পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে জয়ী করতে হবে।   অর্থনীতি, পদার্থ, রসায়ন এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীরা বলছেন, এমন একজনকেই পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে জয়ী করা উচিত যিনি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিকে ধারণ করেন এবং এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন করেন। যিনি যুক্তিসম্মত অভিবাসন এবং শিক্ষা নীতি তৈরির যোগ্যতা রাখেন তাকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে দে
ট্রাম্পের ওপর ক্ষেপেছেন কন্ডোলিসা রাইস

ট্রাম্পের ওপর ক্ষেপেছেন কন্ডোলিসা রাইস

যথেষ্ট হয়েছে। আর না। ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়া উচিত হবে না। তার উচিত নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া। এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিসা রাইস। তাকে নিয়ে ২০০৬ সালে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। লার্নিং অ্যানেক্সে ওই সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘কন্ডোলিসা রাইস, তিনি চমৎকার (লাভলি) নারী। কিন্তু আমি মনে করি তিনি দুশ্চরিত্রা (বিচ)’। নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ ওই অনুষ্ঠানের রিপোর্ট কভার করেছিল। সেখানে এসব কথা বলা হয়েছে। ডনাল্ড ট্রাম্প শুধু অতটুকুতেই থেমে থাকেন নি। তিনি কন্ডোলিসা রাইস সম্পর্কে আরও বলেছেন, ‘তিনি তিনি অন্য দেশগুলোতে যান। অন্য জাতির কাছে যান। তাদের নেতাদের সঙ্গে সমঝোতা করেন। ফিরে আসেন। কিন্তু কিছুই হয় না’। মঙ্গলবার ট্রাম্পের এসব মন্তব্য প্রথম নতুন করে প্রকাশ করে ডেডস্পিন। এরপর সিএনএনের কে-ফাইল ওইদিন সকালেই ২০০৬ সালে ট্রাম্পের করা ওই মন্তব্য তু