মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

হিলারিকে ভোট দিতে ট্রাম্পের ইলেক্টরদের প্রতি পিটিশন

হিলারিকে ভোট দিতে ট্রাম্পের ইলেক্টরদের প্রতি পিটিশন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক :ডোনাল্ড ট্রাম্পের বদলে হিলারি ক্লিনটনকে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতে ইলেক্টোরাল কলেজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একটি পিটিশন তৈরি করা হয়েছে। এরইমধ্যে এতে ৩২ লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। ট্রাম্প ইলেক্টোরাল ভোটে জয় পেলেও হিলারি পপুলার ভোট বেশি পাওয়ায় এ দাবি তুলেছেন তারা। আয়োজকদের লক্ষ্য পিটিশনে ৪৫ লাখ মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা। আন্তর্জাতিক পিটিশনগুলো দায়েরের জন্য প্ল্যাটফর্ম বলে বিবেচিত চেঞ্জ.অর্গ-এ পিটিশনটি দায়ের করা হয়েছে। ওই পিটিশনে বলা হয়, ‘ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য নন। বহু আমেরিকানকে তিনি বলির পাঠা বানিয়েছেন। তার যুক্তিহীন আবেগীয় অবস্থান, মিথ্যাচার, তার বিরুদ্ধে ওঠা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং রাষ্ট্র পরিচালনাজনিত জ্ঞানের অভাব তাকে এই (যুক্তরাষ্ট্র) প্রজাতন্ত্রের জন্য এক বিপজ্জনক ব্যক্তিকে রূপান্তর করেছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিড
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ চলছেই

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ চলছেই

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে টানা চতুর্থ রাতের মতো বিক্ষোভ হয়েছে।   রোববার সকালে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলসসহ দেশটির অনেক শহরে শনিবার রাতেও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।   এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে যে বহুতল ভবনে বাস করেন সেই 'ট্রাম্প টাওয়ারে'র সামনে গিয়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারী স্লোগান দিতে থাকেন— 'তিনি আমাদের প্রেসিডেন্ট নন।'   অন্যদিকে লস অ্যাঞ্জেলসে দশ হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারী শনিবার রাতে শহরটির বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ করেছে। এর আগের রাতে সেখানে বিক্ষোভ করার সময় কয়েক শ' বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ।   এছাড়া শিকাগোতেও কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী সড়কে
হারের জন্যে এফবিআই প্রধানকে দুষলেন হিলারি

হারের জন্যে এফবিআই প্রধানকে দুষলেন হিলারি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক :মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারের জন্য ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন এফবিআই প্রধান জেমস কোমি দায়ী করছেন।   তিনি বলেছেন, নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার ইমেইল নিয়ে পুনরায় তদন্তের হঠাৎ ঘোষণা নির্বাচনী প্রচারণার শক্তি নষ্ট করে দিয়েছিল।   পার্টির দাতাদের সাথে হিলারি ক্লিনটনের ফাঁস হওয়া এক টেলিফোন আলাপ থেকে এই তথ্য জানা গেছে।   মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারি রাষ্ট্রীয় তথ্য আদানপ্রদানে ব্যক্তিগত ইমেইল সার্ভার ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।   ২০১৫ সালে প্রথম তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি উঠলেও তদন্তের পর গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে এফবিআই জানিয়েছিল।   এ কারণে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি।   তবে নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে জেমস কোমি কংগ্রেসকে জানান,
‘ট্রাম্পের শপথের সময় যুক্তরাষ্ট্র অচল করে দেয়া হবে’

‘ট্রাম্পের শপথের সময় যুক্তরাষ্ট্র অচল করে দেয়া হবে’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে। শনিবারের বিক্ষোভে ভারি জমায়েতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। পরিকল্পনা রয়েছে জানুয়ারিতে ট্রাম্পের ক্ষমতাগ্রহণের সময়েও ব্যাপক বিক্ষোভের। সে সময় পুরো যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভে অচল করে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।   ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার খবর আসার পরপরই মঙ্গলবার রাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে তা ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক মার্কিন ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষজন বিক্ষোভে নেমেছেন। এমনকি মার্কিন প্রশাসনের কেন্দ্র হোয়াইট হাউসের সামনেও বিক্ষোভ করেন ট্রাম্পবিরোধীরা। ওয়াশিংটন ডিসিসহ অন্য অঙ্গরাজ্যতেও এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে ওয়েস্ট কোস্ট, নিউ ইয়র্ক, বোস্টন, অস্টিন, সিয়াটল, ওকল্যান্ড, কালিফ, ফিলাড
জনতার বিক্ষোভে ট্রাম্পের ক্ষোভ!

জনতার বিক্ষোভে ট্রাম্পের ক্ষোভ!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক :এবারের ৫৮তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ ছিল রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারের অ্যাকাউন্ট। রাজনীতি, সমাজনীতি থেকে যৌনতা- হেন বিষয় নেই যা নিয়ে টুইটারে লিখে বিতর্ক তৈরি করেননি ট্রাম্প। কিন্তু ৮ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচনের দুদিন আগে ট্রাম্পের কাছ থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ একরকম ছিনিয়েই নিয়েছিলেন তাঁর সহযোগীরা। এর কারণ না জানালেও এই অ্যাকাউন্টের ‘নিয়ন্ত্রণ হারানোর’ বিষয়টি প্রায় ফলাও করে প্রচার করেছিলেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে মিশেলের সঙ্গে মেলানিয়া

হোয়াইট হাউসে মিশেলের সঙ্গে মেলানিয়া

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক : বৃহস্পতিবার শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প একা নয়, ওবামার আমন্ত্রণে হবু ফার্স্ট লেডি মেলানিয়াকেও নিয়ে গিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসে। একসঙ্গে চা পান করেছেন বর্তমান ফার্স্টলেডি ও হবু ফার্স্টলেডি। চায়ের আসরে দুজনই ছিলেন বেশ উৎফুল্ল। তাদের পরনে ছিল কালো রঙের পোশাক।   বৃহস্পতিবারের হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা যায়, ইয়েলো ওভাল রুমে মিশেল ও মেলানিয়া সোনালি রঙের চেয়ারে বসে আছেন। তারা আন্তরিকভাবে গল্প করছেন। সামনে চায়ের কাপ রাখা।   সিএনএনের খবরে জানানো হয়, হোয়াইট হাউসে সন্তানদের বড় করা নিয়ে দুই মায়ের মধ্যে গল্প হয়। কেননা নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনের ১০ বছর বয়স। ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বারাক ওবামা হোয়াইট হাউসে বসবাস শুরু করেন। ওবামা ও
ওবামা-ট্রাম্পের ৯০ মিনিটের বৈঠক, ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে আলোচনা

ওবামা-ট্রাম্পের ৯০ মিনিটের বৈঠক, ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে আলোচনা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক :বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সদ্য প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয় পাওয়া রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ওভাল অফিসে ৯০ মিনিটের বৈঠক হয়েছে। ওবামা জানিয়েছেন, ওই বৈঠকে ‘রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্র নীতিমালা’ ও শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওবামার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে এ বৈঠক হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচনি প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট ওবামার কঠোর সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ওবামার স্বাস্থ্যসেবা নীতি থেকে শুরু করে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি- সব কিছুকে ‘বিপর্যয়’ বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। আর প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পকে অযোগ্য বলে উল্লেখ করেছিলেন ওবামা। তবে বৃহস্পতিবার নিজেদের মধ্যকার সেইসব বিভেদ দূরে ঠেলে তারা আলোচনায় অংশ নেন। মঙ্গলবারের (৮ নভেম্বর) নির্বাচনের পর ২০ জানুয়ারি শপথ গ্র
একান্ত বৈঠকে ওবামা-ট্রাম্প

একান্ত বৈঠকে ওবামা-ট্রাম্প

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক : ভোটে জেতার পর প্রথম পা রাখলেন হোয়াইট হাউসে৷ প্রত্যাশিতভাবেই পেলেন উষ্ণ অভ্যর্থনা৷ হোয়াইট হাউসের হবু বাসিন্দা ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে হাসি মুখে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন বিদায়ী বাসিন্দা বারাক ওবামা৷ করমর্দন ও সৌজন্যমূলক আলিঙ্গনের পর পূর্বসূরিদের রীতি ও ঐতিহ্য মেনেই আলোচনায় বসলেন ওবামা ও ট্রাম্প৷ ট্রাম্পের শপথগ্রহণ ২০ জানুয়ারি৷ কিন্তু তার আগেই সস্ত্রীক হোয়াইট হাউসে এসে প্রথামাফিক সাক্ষাৎপর্ব ও আলোচনা সেরে ফেললেন পূর্বসূরির সঙ্গে৷   এদিন হোয়াইট হাউসে পৌঁছনোর আগে প্রথমে নিউইয়র্কে আসেন৷ নিউ ইয়র্কে ট্রাম্পের বিমান মাটি ছুঁতেই ওয়াটার ক্যাননের মাধ্যমে ওয়াটার স্যালুট দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় ট্রাম্পের বিমানকে৷ ট্রাম্প পরে ওয়াশিংটন ডিসিতে আসার. পর সকাল এগারটা নাগাদ কড়া নিরাপত্তায় পৌঁছন ওভাল অফিসে৷ সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প৷ ম
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সমাবেশের পাশে গুলি, আহত ৫

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সমাবেশের পাশে গুলি, আহত ৫

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক :যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশের পাশেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সিয়াটল পুলিশ বিভাগের সহকারি প্রধান রবার্ট মেরনার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চি করেছেন।   বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিয়াটলে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পুরনো বিতর্কের জের ধরে এক বন্দুকধারী এ হামলা চালায়।   এতে পাঁচ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি চার জন আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। আহতদের স্থানীয় হারবার ভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   মেরনার বলেন, ‘চলমান ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে এ ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্ত করা হবে।’
যে শিখা জ্বালিয়ে গেলেন হিলারি!

যে শিখা জ্বালিয়ে গেলেন হিলারি!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ডেস্ক :যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন নি হিলারি ক্লিনটন। কিন্তু তিনি যে শিখা জ্বালিয়ে গেলেন সে আলো ইতিহাস চিরদিন মনে রাখবে। শুধু তা-ই নয়। তিনি এক নতুন আশার বাণী শুনিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার রাতে পরাজয় মেনে নেয়ার সময় তিনি আবেগী, দৃপ্তকণ্ঠে তিনি ঘোষণা করেছেন, সর্বোচ্চ উচ্চতার ও সবচেয়ে কঠিন গ্লাস সিলিং তিনি ভাঙতে পারেন নি। নিকট ভবিষ্যতেই তা ভাঙা হবে। এর মধ্য দিয়ে হিলারি কি ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন! এ নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেছে। হিলারি কি তার হাতের মশাল তুলে দিতে চাইলেন ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার হাতে! তিনি কি ইঙ্গিত দিলেন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবার দেখা হবে রিপাবলিকানদের সঙ্গে। তখন তিনি নন, ভোটের লড়াইয়ে সামনে এসে দাঁড়াবেন মিশেল ওবামা! যদিও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার স্ত্রী এমন নির্বাচন করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন,