মুক্ত কথন

দুর্নীতি প্রতিরোধের উপায়

মোঃসুলতান মহিউদ্দিন :: টেকসই বিনিয়োগ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য দরকার ‘স্বচ্ছ প্রশাসন’। আর সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা ও সমৃদ্ধির সকল সুযোগ এবং সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে তখনই যখন জবাবদিহিতামূলক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। এজন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ :এই উপ-শিরোনামে বলা হয়েছিল—‘দুর্নীতি দমনে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও আইনের প্রয়োগ মুখ্য হলেও তা শুধু সরকারের দায় নয়, জনগণেরও দায় রয়েছে। আমরা মনে করি, দুর্নীতি দমনে প্রয়োজন সরকার ও জনগণের সমন্বিত পদক্ষেপ। দুর্নীতি দমন কমিশনকে কর্মপরিবেশ ও দক্ষতার দিক থেকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করা হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যালোচনা, পর্যবেক্ষণ ও তদারকি ভবিষ্যতে আর

উন্নয়নে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ রেজাউল হক কৌশিক

ডেস্ক রিপোর্ট :: মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য একটি হলো মোট দেশজ উত্পাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। আর দ্বিতীয়টি হলো, প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য যেন বেশি টাকা বাজারে প্রবেশ করে মূল্যস্ফীতি বেড়ে না যায়। অর্থাত্ দেশের পুরো আর্থিক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো মুদ্রানীতি। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ৬ মাস অন্তর আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পরবর্তী ছয় মাসে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে তার একটি পরিকল্পনা থাকে মুদ্রানীতিতে। গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। মুদ্রা ও অর্থনীতি কার্যক্রমের সামগ্রিক সফলতার প্রেক্ষাপটে নতুন মুদ্রানীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হয়নি বলে জানান গভর্নর। নতুন মুদ্রানীতিতে রেপো ও রিভার্স রেপো সুদহার ৬ শতাংশ এবং
প্রেম নিবেদনের ১০টি পৃথিবীবিখ্যাত পংক্তি

প্রেম নিবেদনের ১০টি পৃথিবীবিখ্যাত পংক্তি

  যাকে ভালবাসেন তাকে আজ না হোক ভালবাসার কথা তো বলতেই হবে। কিন্তু কীভাবে বলবেন? কী বলে মন জয় করে নেবেন তার? রইল প্রেম নিবেদনের পৃথিবীবিখ্যাত ১০টি পংক্তি। এগুলো থেকে শিক্ষা নিন, অনুপ্রাণিত হোন। তারপর তৈরি করে নিন নিজের ভালবাসার সঠিক অভিব্যক্তি। ১. ‘তুমি, শুধু তুমি কাছে থাকলে আমি বুঝি আমি বেঁচে আছি। অন্য পুরুষরা দাবি করে, তারা নাকি পরীর দেখা পেয়েছে। আমি দেখেছি শুধু তোমাকে, আর সেটুকুই আমার পক্ষে যথেষ্ট।’ — জর্জ মুর(আইরিশ ঔপন্যাসিক) ২. ‘তোমাকে যে ভালবাসি তা কেবল তুমি কেমন মানুষ তা দেখে নয়, তোমার সংস্পর্শে আমি যেমনটা হয়ে উঠি তার আকর্ষণেও।’ — এলিজাবেথ ব্যারেট ব্রাউনিং (১৯শ শতকের ব্রিটিশ কবি) ৩. ‘হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে তোমার কাছে মিনতি করছি, তোমার মন আর আমাদের মধ্যেকার ভালবাসার সবটুকু আমাকে জানতে দিও।’ — সম্রাট অষ্টম হেনরি (১৬শ শতকের ইংল্যান্ড সম্রাট) ৪. ‘ভালবাসা কী তা জানতে

আমেরিকার নেতৃত্বে মুসলিম যুব সমাজকে এগিয়ে আসার আহবান

আমেরিকার সরকারী হিসাবে মুসলমানদের সংখ্যা ৩০লক্ষ, বেসরকারীভাবে ১কোটি মুসলমান আমেরিকায় বাস করেন ৷ ২৮শত মসজিদ আছে, ৫৭ টি মুসলিম দেশের ৩৫ হাজার ডাক্তার, ৩০ হাজার ইঞ্জিনিয়ার ২৫ হাজার শিক্ষক এক লক্ষের উপর ব্যবসায়ী আছেন ৷ এর মধ্যে বাংলাদেশী আমেরিকান ৫ হাজার ইঞ্জিনিয়ার ১২শতের মত ডাক্তার,৪ শত ফার্মাসিষ্ট, ৩০ হাজার বাড়ীর মালিক ও কয়েক হাজার ব্যবসায়ী আছেন ৷ আমেরিকা যখন ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতা লাভ করে তখন মুসলিম দেশ মরোক্ক আমেরিকাকে স্বীকৃতি দেয় ৷ ১৪৯২ সালে কলম্বাস যখন আমেরিকা আবিষ্কার করেন তখন ২ জন স্পানিশ মুসলিন নাবিক কলম্বাসকে গাইড দিয়ে আমেরিকা নিয়ে আসেন ৷ ১৯৭০ সালের দিকে ডঃ ফজলুর রহমান খান আমেরিকার সর্বউচ্চ বিল্ডিং তৈরী করে অমর হয়ে আছেন ৷ বর্তমানে ডঃ আতাউল করিম (বড়লেখা সিলেট) মেগনেটিক ট্রেন আবিষ্কার করেন ৷ আমেরিকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে মুসলমানরা মেধা ও জ্ঞান দিয়ে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ৷ আমেরিকার স্বাধ
নতুন বছরে নতুন শপথ

নতুন বছরে নতুন শপথ

মাহমুদ রহমান ::: পৃথিবীতে মানুষের ইতিহাস অনেক পুরোনো। হাজার হাজার বছরের পথ পরিক্রমা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে মানুষ। মানুষের এ পথ পরিক্রমা নিয়ে দুটো ভাষ্য বিরাজমান। একটি হচ্ছে-আদিম অসভ্য মানুষ ধীরে ধীরে সভ্য হয়ে আজকের অবস্থানে। অন্যটি হচ্ছে ধর্মীয় ব্যাখা। আদি মানব আদম (আঃ) সভ্য ছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় নবী-রাসুলদের পথ হারিয়ে মানুষ অসভ্যতার দিকে ধাবিত হয়, আবার নবী-রাসুলদের আগমনে সভ্যতার দিকে ফিরে আসে। বিজ্ঞান বা ধর্ম যেটাকেই গ্রহণ করি না কেন- বর্তমানে ধর্ম এবং বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত সুসভ্য মানুষ যেকোনো বিবেচনায়। তারপরও একটা প্রশ্ন থেকে যায়- সত্যি সত্যি আমরা কে কতটুকু মানুষ? এই নিবন্ধটি ল্যাপটপে টাইপ করছি। যে ল্যাপটপে লিখছি তা দুটো বৈশিষ্ট্য নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ল্যাপটপ হিসেবে তখনই উপযোগী হবে যখন তার দৃশ্যমান কাঠামোর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নির্দেশনা সাদৃশ্যপূর্ণ হবে। একটা ল্যাপটপের দৃশ্যমান অংশের নাম
সেনাবাহিনীর ওপর মানুষের এত আস্থা কেন?

সেনাবাহিনীর ওপর মানুষের এত আস্থা কেন?

ওমর ফারুক জাবেদ: দেশের ক্রান্তিলগ্নে, দুর্যোগ-দুর্ভিক্ষে সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের এত আস্থা এত বিশ্বাস কেন? কোনও কারণ ছাড়া নিশ্চয়ই রাতারাতি অহেতুক এ বিশ্বাস তৈরি হয়নি! দেশ ও দেশের বাইরে নানা অর্জনের মাধ্যমে এ বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে নিয়েছে দেশপ্রেমিক এই সশস্ত্র বাহিনীটি। গত এক দশকে দেশে-বিদেশে তারা ব্যাপক সুনাম কুঁড়িয়েছে। যখন আইন-আদালত, প্রশাসন, কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো কেউ কারোও প্রতি পুরোপুরি বিশ্বাস রাখতে পারছে না, যখন ‘পলিটিক্যাল ব্লেম গেম’ নিয়ে মত্ত রাজনৈতিক শিবিরগুলো, তখনই বারবার সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ এসেছে। তাদের ওপর ভরসা রাখতে হয়েছে। সংকটকালে বহুবার এমন আস্থার যথাযথ প্রতিদানও দিয়েছে সেনারা। এবারও বিশেষত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রসঙ্গটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে। সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অতন্ত প্রহরী। সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ আসলে নান
একটি ব্যক্তিগত উড়োচিঠি..

একটি ব্যক্তিগত উড়োচিঠি..

হাসানুজ্জামান সাকী ::: মানুষের জীবন নানা নাটকীয়তায় ভরা। আমার ছোট ভাই ছোটবেলা থেকেই একজনকে বিশেষ পছন্দ করে। পাশের বাড়ির মেয়ে। পড়শি সেই মেয়েটির নাম প্রীতি। একই সীমানা লাগোয়া দুটি বাড়ি আমাদের। যাই হোক, সেই প্রেমের কাহিনী বলার জন্য এই লেখা নয়। তবে আমার গল্পটা বলার আগে আরেকটু ছোট ভাইয়ের প্রসঙ্গে বলতে হবে। তো, আমার ছোট ভাইটি বড় হয়েছে। পড়াশোনা শেষ করে এইচএসবিসি ব্যাংকে চাকরি করছে। তারচেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তার প্রেমিকা প্রীতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স কমপ্লিট করে ফেলেছে। বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় পড়াশোনা শেষ করার অনেক আগেই বেশিরভাগ মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। পড়াশোনা শেষ হয়ে যাওয়া মানে তো মেয়েদের অনেক বয়স! তখন মেয়েকে আর কোন বাবা-মা বসিয়ে রাখেন? প্রীতিও বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকল। কিন্তু বেকায়দায় পড়েছে আমার ছোট ভাই। আমার আগে সে বিয়ে করতে পারছে না। বেকায়দা
প্রসঙ্গ মাইকে আযান

প্রসঙ্গ মাইকে আযান

সাইফুর রহমান কামরান:সম্প্রতি সনু নিগম মাইকে আজান দেয়া নিয়ে টুইটারে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।আর একে কেন্দ্র করে দুই দল দুই তীব্র অবস্থান থেকে  বাক্যবান হেনে চলেছেন কোন যুক্তির' ধার না ধেরে। এখানে কেবল ধর্মিয় আবেগ আছে।   মাইকে আজান দেয়ার কোন বিধান কোথাও নেই। তবে কেন মাইক দরকার? উদ্দেশ্য বেশী লোকের কাছে নামাজের আহবান জানানো। অনেকে বলবেন পাচ মিনিটের আজান কি এমন অসুবিধা করে?আমি একজন মুসলিম,  আমার তাতে কোন অসুবিধা হয়না, আমি আজানের শব্দে ভাল বোধ করি।কিন্তু আমি এটাও বুঝি আমার অমুসলিম প্রতিবেশীর অনুভূতি আমার মত নয়। তিনি মুসলিম প্রতিবেশীর সম্মানে মুখে কিছু বলেন না।   দেশে আমার বাসার পাশেই দুর্গাপূজা হতো। ৫ দিন ধরে প্রায় সারাক্ষণই ঢাক বাজানো হতো। আমার হৃদরোগী বাবার তাতে খুব অসুবিধে হতো। কিন্তু আমরা তা হাসিমুখে মেনে নিয়েছি। কারণ  পুজোর আনন্দ ছিল আমার আত্মীয়ের বে

তারেক রহমানকে উন্মুক্ত হতে হবে সোস্যাল মিডিয়ায়

রাকেশ রহমান: আসলে রাজনীতি আমি কেন করব, কি কাজ করার জন্য আমার রাজনীতি করার প্রয়োজন??? আমি বা আমরা কেন রাজনীতি করি ?আমরা তার কারন নিজেরাই বলতে পারি না বা বুঝি না। রাজনীতি এক কথায় আমরা করি বা করতে চাই প্রথমত অর্থ উপার্জনের জন্য দ্বিতীয়ত নিজের বাহুবলের জন্য। বাংলাদেশের পেক্ষাপটে এটা চিরন্তন সত্য একটা কথা। আমি রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছি বিধায় আমার রক্তে রাজনীতির পোকা রয়েছে। আমার পরিবারের অনেকেই বাংলাদেশের গন্ডী পেরিয়ে আজ ব্রিটিশ রাজনীতির কূর্টনীতির সাথেও রয়েছে। এটা পরিবারের একটি প্রভাব। আমি বাংলাদেশের প্রতি বেশি দূর্বল তাই কথিত জঘন্য রাজনীতিতে আমার জীবনের মূল্যবান সময় অতিবাহিত করছি। আমি আমার পরিবারের পরিচয়ে নই,আমার নিজ কর্মে আজ বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক মহলে সুপরিচিত। আমি খুব সহজ সরল পথে বিশ্বাসী কিন্তু কঠিন ও বাঁকা পথগুলো আমার অপরিচিত নয়। খুব ভালোলাগে যখন দেখি তরুনরা রাজনীতির জন্য

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের জন্য ::: লক্ষ্য করুন

এনামুল ইসলাম এনাম ::: ২০০১ সালের ৯/১১ এর টুইন টাওয়ারে হামলার পর সারা বিশ্বের মুসলমানসহ আমেরিকার মুসলমানদের মধ্যে যে রকম ভয় ভীতি ,উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়েছিল আজ প্রায় দেড় যুগ পরে রিপাবলিকান পার্টি থেকে একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ঠিক একই রকমের অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে অবস্থার আরো অবনতি হওয়ারও তীব্র আশংকা রয়েছে । এই পরিস্থিতিতে যারা আমেরিকাতে বসবাস করছেন তাদের প্রধান কাজ হল পরিবেশ পরিস্থিতির উপর সর্বদা নজর রেখে একে অপরের সাথে ঐক্যবদ্দ্ব থেকে এই আপদকালীন সময়ের মোকাবেলা করা । আমাদের একটি কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে, আমেরিকা হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম প্রধান দেশ যে দেশে আইনের শাসন, সংবিধান , মানবাধিকার , জননিরাপত্তা সহ সবধরণের সুযোগ সুবিধা রক্ষা করা হয়ে থাকে । তাই একজন প্রেসিডেন্ট ইচ্ছে করলেও অনেক কিছুর পরিবর্তন করতে পারেন না । এজন্য প্রয়োজন দীর্ঘ আইন