যুক্তরাজ্য

লন্ডনে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘সন্ধ্যাতারা’

লন্ডনে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘সন্ধ্যাতারা’

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘সন্ধ্যাতারা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।   রোববার সেন্ট্রাল লন্ডনের মহাত্মা গান্ধী সেন্টারে নজরুল পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।   সতত সুপ্রিয় ও সুমনা ভট্টাচারিয়ার পরিচালনায় নজরুল পরিষদের পক্ষ থেকে প্রথমে ফুল দিয়ে অতিথিদের বরণ করে নেন তাহির আলী।     অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নজরুল পরিষদের ডাইরেক্টর ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ নুরুল আলম। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন চিরঞ্জীব চক্রবর্তী, শামসী ফারুক সিমকি, এরশাদ আলমগীর, সাদিয়া আফরোজ চৌধুরী, ফারজানা শিফাত সপ্না, নাজমুন নাহার তন্বী, সুজানা আনছার, শর্মিষ্ঠা গুহ ও অমিত দে।   নাচ পরিবেশনায় ছিলেন সেঁজুতি দাস। অনুষ্ঠান রচনা, লাইট ও মঞ্চসজ্জায় ছিলেন সাজিয়া আফরিন চৌধুরী।   তবলায় ছিলেন ইয়ামিন চৌধুরী
টাওয়ার হ্যামলেটস থেকে ২৪ বাঙালী কাউন্সিলার নির্বাচিত

টাওয়ার হ্যামলেটস থেকে ২৪ বাঙালী কাউন্সিলার নির্বাচিত

গত ৩রা মে ইংল্যান্ডের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলেও নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে ৪৫টি সিটে প্রায় দেড় শতাদিক বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত কাউন্সিলার প্রার্থী হন। নির্বাচনে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ২৪জন বাংলাদেশী কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন বাদে বাকী ২৩জনই নির্বাচিত হয়েছেন লেবার পার্টি থেকে।   টাওয়ার হ্যামলেটসে দীর্ঘ এক দশক পর বিশাল বিজয় নিয়ে কাউন্সিল নেতৃত্বে এসেছে লেবার পার্টি। ৩রা মে’র স্থানীয় নির্বাচনে নির্বাহী মেয়র ছাড়াও মোট ৪৫টি কাউন্সিলার আসনের ৪২টি ছিনিয়ে এনেছে। এবারের নির্বাচনে সে সকল বাংলাদেশী নির্বাচিত হয়েছেন তারা হচ্ছেন বো ওয়েস্ট থেকে আসমা বেগম, ব্রোমলি নর্থ থেকে জেনিথ রাহমান, ব্রোমলি সাউথ থেকে হেলাল উদ্দিন, মাইলএন্ড থেকে আসমা ইসলাম এবং পুরু মিয়া, পপলার থেকে সুফিয়
লন্ডনের স্থানীয় নির্বাচনে ১৬ কাউন্সিলর ব্রিটিশ-বাংলাদেশি

লন্ডনের স্থানীয় নির্বাচনে ১৬ কাউন্সিলর ব্রিটিশ-বাংলাদেশি

ইংল্যান্ডের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজধানী লন্ডনের তিনটি বারা কাউন্সিলে ১৬ জন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।   বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের দেড়শ কাউন্সিলে এই নির্বাচন হয়, যার অনেকগুলোর ফল এখনও ঘোষণার অপেক্ষায়।   এবারের এই স্থানীয় নির্বাচনে লন্ডন ও এর বাইরের বিভিন্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি প্রধান তিন রাজনৈতিক দল কনজারভেটিভ পার্টি, লেবার পার্টি ও লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।   স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলে লন্ডনের ক্যামডেন বারা কাউন্সিলে ৬ জন, রেডব্রিকজ বারা কাউন্সিলে ৮ জন এবং ক্রয়ডন বারা কাউন্সিলে দুজন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।     শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ দেড়শ কাউন্সিলের ভোটের ফলাফল জানা যাবে   বাঙালি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ
লন্ডনে বাংলাদেশি ওয়ার্কার্স কাউন্সিলের মে দিবসের কর্মসূচি

লন্ডনে বাংলাদেশি ওয়ার্কার্স কাউন্সিলের মে দিবসের কর্মসূচি

লন্ডনে গণসমাবেশ ও গণসঙ্গীত দিয়ে মহান মে দিবস পালন করেছে ‘বাংলাদেশি ওয়ার্কার্স কাউন্সিল’ যুক্তরাজ্য শাখা।   স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্ব লন্ডনের ইস্টহাম ওয়ার্কিংম্যান ক্লাবের মিলনায়তনে এ সমাবেশ হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।   আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব শাহরিয়ার বিন আলীর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক আবেদ আলী আবিদ।   ‘মহান মে দিবসের চেতনায় সারা বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষ উজ্জীবিত হোক এবং শোষণমুক্ত সমতার বিশ্ব গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত পৃথিবীর সব শ্রমজীবী মানুষের প্রতি লড়াকু সংহতি’ এ শ্লোগানে সমাবেশ থেকে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনে নিহত বাংলাদেশি পোশাককর্মী শহীদ আলতাব আলীর ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে স্মরণ করা হয়। সমাবেশে মে দিবসের ইতিহাস ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বক্তব্য দেন- যুক্তরাজ্যের পরিবহন শ্রমিক নেতা ও আরএমটি ইউনিয়নের জ্যেষ্ঠ সহ সাধার
বাস চালকের ছেলে সাজিদ ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাস চালকের ছেলে সাজিদ ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ব্রিটেনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশটির গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কোনো মুসলিম পেলেন।   সাজিদের বাবা ১৯৬০ এর দশকে পাকিস্তান থেকে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। প্রথমে কাপড়ের কারখানায় শ্রমিকের কাজ নেন তিনি। পরে বাস চালকের পেশায় যুক্ত হন। ব্রিটেনে অবৈধ অভিবাসী বিতাড়ন সম্পর্কিত সরকারি নীতি নিয়ে কেলেঙ্কারির মুখে রোববার রাতে পদত্যাগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাম্বার রাড।       পরদিনই তার জায়গায় সাজিদ জাভিদের নিয়োগ বিস্ময় তৈরি করেছে। শুধু প্রথম দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূতই নয়, এই প্রথম কোনো মুসলিম ব্রিটেনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন।   আরও পড়ুন : পশুর মতো হামলে পড়লো ওরা! (ভিডিও) প্রথম প্রজন্মের অভিবাসীর স
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাম্বার রুড। রোববার পদত্যাগ করেন তিনি। যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের দেশত্যাগে কোটা সংরক্ষণ বিষয়ে সরকার কতৃক গঠিত কমিটিতে অসাবধানতাবশত ভুল হয়েছে বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন রুড। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। সোমবার অ্যাম্বার রুডের পরবর্তী উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা করা হতে পারে। খবর সিএনএন, বিবিসি।   গত রোববার গার্ডিয়ান পত্রিকায় রুডের লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করা হয়। সেখানে রুড বলেন, আগামী কয়েক বছরে তিনি ১০ শতাংশের বেশি অবৈধ অভিবাসীদের দেশত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে উচ্চাভিলাসী ছিলেন। রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে-কে ফোন করে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান রুড।       আগামী কয়েক বছরে দশ শতাংশ বেশি অবৈধ অভিবাসীকে ব্রিটেন থেকে বের করে দেওয়ার পরিকল্পনা ফাঁস হওয়ার জের ধরে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে
ইরানের পারমাণবিক চুক্তিতে থাকতে রাজি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি

ইরানের পারমাণবিক চুক্তিতে থাকতে রাজি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি

তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ঠেকাতে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তিই সবচেয়ে উত্তম প্রক্রিয়া বলে একমত প্রকাশ করেছে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি। রোববার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র দপ্তর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ইরান চুক্তির বিষয়ে মত জানতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। আলোচনায় তারা তিনজনই ইরান চুক্তির পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ইরান দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে যার ফলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নতুন চুক্তিতে কী বিষয় আনা যেতে পারে সেগুলোসহ ইরানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা কীভাবে করা যেতে পারে সে বিষয়ে তারা নিজেদের ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। আগামী ১২
ব্রিটেনের নতুন রাজপুত্রের নাম ‘লুই আর্থার চার্লস’

ব্রিটেনের নতুন রাজপুত্রের নাম ‘লুই আর্থার চার্লস’

ব্রিটিশ রাজপরিবারে বইছে খুশির হাওয়া। সম্প্রতি প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটনের ঘরে এসেছে নতুন সদস্য। রাজপরিবারের এই নতুন সদস্যের নাম রাখা হয়েছে লুই আর্থার চার্লস। ডিউক আর ডাচেস অফ কেমব্রিজ দম্পতির এটি তৃতীয় সন্তান। সোমবার লন্ডনে স্থানীয় সময় সকাল ১১টা এক মিনিটে জন্ম নেন লুই আর্থার চার্লস। কেনসিংটন প্যালেসের একটি টুইট বার্তায় জানানো হয়েছে, রাজপরিবারের নতুন সদস্য পরিচিত হবে ‘হিজ রয়্যাল হাইনেজ প্রিন্স লুই অফ কেমব্রিজ’ নামে। তাদের আরও একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। তাদের নাম জর্জ ও শার্লট। ব্রিটিশ রাজমুকুটের উত্তরাধিকারীর তালিকায় তার অবস্থান পঞ্চম। বাবা প্রিন্স উইলিয়াম আর বড় ভাই জর্জের নামের মাঝেও লুই শব্দটি রয়েছে। এই নামটি ছিল লর্ড মাউন্টব্যাটেনের নামের অংশ, যিনি ১৯৭৯ সালে আইআরএ হামলায় নিহত হন। প্রিন্স চার্লসের জীবনে তার চাচা লর্ড মাউন্টব্যাটেনের অনেক প্রভাব ছিল। নতুন প্রিন্সের ন
ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বৈধতা প্রদানের আহবান জানালেন বরিস জনসন

ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বৈধতা প্রদানের আহবান জানালেন বরিস জনসন

আবারো ইলিগ্যাল ইমিগ্র্যান্টদের ক্ষমা করে দিতে আহ্বান জানালেন ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারী বরিস জনসন। এর আগে লন্ডন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইউকেতে অবস্থানত ইলিগ্যাল ইমিগ্র্যান্টদের জন্যে ‘এমনেস্টি’র আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। উইন্ডরাশ জেনারেশননের প্রতি সরকারের ‘এমনেস্টি’র ঘোষণার পর অন্যান্য ইমিগ্র্যান্টদেরও সমান সুযোগের আহ্বান জানান ফরেন সেক্রেটারী।   তিনি বলেছেন, শুধু উইন্ডরাশ জেনারেশন নয় প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে ইউকেতে অবৈধভাবে বসবাসরত অন্যান্য ইমিগ্র্যান্ট, যাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ নেই, তাদেরকে উইন্ডরাশ জেনারেশনের মতো সাধারণ ক্ষমা বা সরকারের ‘এমনেস্টি’র আওতায় আনা উচিত। এর আগে সোমবার ১৯৭৩ সালের আগে ইউকেতে আসা কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নাগরিকদের কোনো ডকুমেন্ট ছাড়াই শুধুমাত্র নুন্যতম ফির বিনিময়ে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব দেবার ঘোষণা দেন হোম সেক্রেটারী এম্বার রাড।
ক্যামব্রিজের কাছে হেরে গেল অক্সফোর্ড

ক্যামব্রিজের কাছে হেরে গেল অক্সফোর্ড

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি র্যাংকিংয়ে বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড হেরে গেলো আরেক বিশ্বখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজের কাছে।   তবে এটিই প্রথমবার নয় বরং এ নিয়ে পরপর আটবারের মতো ক্যামব্রিজের কাছে হেরে গেল অক্সফোর্ড। দ্য কমপ্লিট ইউনিভার্সিটি গাইড ২০১৯ র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দশটি বিষয়কে বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণা, শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্টিসহ বিভিন্ন বিষয়।   এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে লন্ডন স্কুল অফ ইকনোমিকস আর লন্ডন ইম্পেরিয়াল কলেজ রয়েছে চতুর্থ স্থানে। র্যাংকিংয়ে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে স্ট্যাফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের। এর আগে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ৭৩ নম্বরে ছিলো। কিন্তু এবার এক লাফেই এটি উঠে এসেছে ৩২ নাম্বারে।       গাইডের চেয়ারম্যান ডঃ বার্নার্ড কিংস্টন বলেন, সাধারণত অক্সফোর্ড ও ক্যামব্রিজই