যুক্তরাজ্য

লন্ডনে ব্রিজে দ্বিতল বাসের ধাক্কা : ২৬জন আহত

লন্ডনে ব্রিজে দ্বিতল বাসের ধাক্কা : ২৬জন আহত

যুক্তরাজ্য  ডেস্ক :নর্থ লন্ডনের সেন্ট লয়েস রোড় এর রেলওয়ে ব্রিজের সাথে ধাক্কা খেয়ে একটি দ্বিতল বাসের ২৬জন যাত্রী আহত হওয়ার খবর দিয়েছে বিবিসি। ঘটনাটি ঘটে সকাল ৪ঘটিকায়। এঘটনায় ৫জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানায় ফায়ার বিগ্রেড আহতদের মধ্যে তিনজনকে বাসের উপর তলা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে এদের মধ্যে কেউই জীবনহানির শংকায় নয়।     পুলিশ জানিয়েছে বাসটি প্রাইভেট হায়ার করা হয়েছিল ভল্ট কোম্পানী থেকে। এব্যাপারে বাস কোম্পানীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে ফায়ার বিগ্রেড জানিয়েছে ব্রিজের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। ব্রিজকে বিপদ মুক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। এঘটনায় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
ব্রিটেনে বিদেশী স্টুডেন্টরা কি অভিবাসী তালিকাভুক্ত? অভিবাসন নীতি পর্যালোচনা করবে সরকার

ব্রিটেনে বিদেশী স্টুডেন্টরা কি অভিবাসী তালিকাভুক্ত? অভিবাসন নীতি পর্যালোচনা করবে সরকার

যুক্তরাজ্য  ডেস্ক :বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর ডাউনিং স্ট্রিট কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে বৃটেনে অধ্যয়ন করতে আসা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে অভিবাসন তালিকার অন্তর্গত রাখা হবে কিনাÑ সে সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে তা পুনঃর্বিবেচনা করছে না। প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন যে, সরকার অভিবাসন নীতির সার্বিক পর্যালোচনা করতে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বলেন যে, বৈদেশিক শিক্ষার্থী ও উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীরা অভিবাসন নীতির প্রতি কোনো উদ্বেগের কারণ নয়।   সরকার অভিবাসীর সংখ্যা ১,০০,০০০ নিচে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স (ওএনএস) এর মতে যুক্তরাজ্যে পূর্ণ অভিবাসীর সংখ্যা ২০১৫ সালে ৩,৩৩,০০০ উন্নীত হয়েছেÑ যা কিনা এ যাবৎ কালের অভিবাসীদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা।   সম্ভবত: শিক্ষার্থীরা!   ট
ছোট হয়ে আসছে ব্রিটেনের রুশ দূতাবাস

ছোট হয়ে আসছে ব্রিটেনের রুশ দূতাবাস

যুক্তরাজ্য  ডেস্ক :ব্রিটেনে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ইয়াকোভেঙ্কো বলেছেন, লোকবলের অভাবে তাদের দূতাবাস ছোট হয়ে আসছে। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে বিলম্ব করা এবং ব্রিটিশ মন্ত্রীদের ‘রাশিয়া বিরোধী’ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।     ইয়াকোভেঙ্কো অভিযোগ করেন, ‘লন্ডন দূতাবাসে রাশিয়ার পর্যাপ্ত কূটনৈতিক কর্মকর্তা নেই। তাই দূতাবাস ছোট হয়ে আসছে। যে কর্মকর্তারা দেশে ফিরে গিয়েছেন, তাদের বদলে যাদের আসবেন, তাদের ভিসা দিতে বিলম্ব করছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।’   তিনি আরও বলেন, ‘আশা করছি, এই সরকারের অধীনে এই সমস্যার সমাধান হবে। লন্ডনে আমরা এটা বুঝে উঠতে পারি না, এই দেশের ভিসা সম্পর্কিত নীতি কী?’   ২০০৬ সালে লন্ডনে সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা আলেক্সান্ডার লিটভিনেঙ্কো নিহতের ঘটনা এবং সিরিয়া ও ইউক্রেন প্রশ্নে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া ও ব্রিটেন।
লন্ডন সিটি এয়ারপোর্ট সন্দেহজনক রাসায়নিক পদার্থ : ২৬ যাত্রী অসুস্থ্য

লন্ডন সিটি এয়ারপোর্ট সন্দেহজনক রাসায়নিক পদার্থ : ২৬ যাত্রী অসুস্থ্য

যুক্তরাজ্য  ডেস্ক :সন্দেহজনক রাসায়নিক পদার্থের কারনে লন্ডন সিটি এয়ারপোর্টে কয়েকজন যাত্রী অসুস্থার অভিযোগ জানালে শুক্রবার বিকালে সেখান থেকে যাত্রী ও এয়ারপোর্টে কর্মরতদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। লন্ডন ফায়ার বিগ্রেডের তরফ থেকে জানানো হয়, রাসায়নিক ঘটনার আশঙ্কায় বিমানবন্দরে তিনটি ফায়ার ইঞ্জিন এবং বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয় এবং সেখান তেকে প্রায় ৫০০ মানুষ সরানো হয়।   এর মধ্যে ২৬জন স্টাফ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ২জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি ঘটে বিকাল ৫টায়। এর ৪ঘন্টার পর নিরাপত্তা কর্মীরা এলাকাটিকে বিপদ মুক্ত ঘোষণা করে। পুলিশ বলছে একটি সিএস গ্যাস স্প্রে হতে পারে। পুলিশ বলছে তারা এটি সন্ত্রাসীদের কাজ বলে মনে করছে না। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি।
ব্রিটেনে বই পড়ুয়াদের সংখ্যা কমছে

ব্রিটেনে বই পড়ুয়াদের সংখ্যা কমছে

যুক্তরাজ্য  ডেস্ক :পড়ুয়া জাতি হিসেবে ব্রিটিশদের খ্যাতি আছে। কিন্তু পাঠাগারে গিয়ে তাঁদের পড়াশোনার অভ্যাস গত এক দশকে কমেছে ৩০ শতাংশ। যুক্তরাজ্যের সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও ক্রীড়া বিভাগ (ডিসিএমএস) এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছে। পাঠাগারে আনাগোনা সবচেয়ে কমেছে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে। ডিসিএমএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৫ সালে এই বয়সী ৫১ শতাংশ পাঠাগারে যেতেন। আর ২০১৫ সালে এই হার নেমে এসেছে ২৫ দশমিক ২ শতাংশে।   ঐতিহ্যবাহী অভ্যাসে কেন এই পরিবর্তন? কিশোর-তরুণ বয়সীদের এখন নাকি অবসর সময় আগের চেয়ে অনেক কমে এসেছে। জরিপ কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তাঁদের অনেকে এমন কথা বলেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, পাঠাগারে যাতায়াত কমলেও তাঁরা বই পড়া ছাড়েননি। কিনে নেন অথবা অন্য কারও কাছ থেকে সংগ্রহ করে পড়েন।   আবার অনেকে বললেন, তাঁরা ছাপা কাগজের বইয়ের বদলে এখন যান্ত্রিক বই (ই-বুক) পড়তে
অর্ধেক বৃটিশ মনে করেন ব্রেক্সিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোন পরিকল্পনা নেই

অর্ধেক বৃটিশ মনে করেন ব্রেক্সিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোন পরিকল্পনা নেই

যুক্তরাজ্য  ডেস্ক :বৃটেনের প্রায় অর্ধেক মানুষ মনে করেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বৃটেনের প্রস্থান (ব্রেক্সিট) নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের কোন স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। স্কাই নিউজের এক জনমত জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে। জরিপের ৪৯ শতাংশ উত্তরকারীর আশঙ্কা ব্রেক্সিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোন পরিকল্পনা নেই। ৩৪ শতাংশ মনে করেন, আছে।       তবে বেশিরভাগ বলেছেন, ইইউর বাইরে বৃটেনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভালো চুক্তি আদায় করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সক্ষমতায় তাদের আস্থা আছে। ৪৬ শতাংশ মানুষ বলেছেন, তাদের বিশ্বাস ইইউর সঙ্গে আলোচনায় সম্ভাব্য সেরা চুক্তিটা বের করে আনতে পারবেন তেরেসা মে।       ৩৯ শতাংশ ভিন্নমত পোষণ করেছেন। স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রেক্সিট আলোচনাকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রী মের ওপর বয়স্ক ভোটারদের আস্থা সবচেয়ে বেশি। ৫৫ বছরের বেশি বয়সী ভোটাররা
‘ব্রেক্সিট নিয়ে ফের গণভোট হবে না’

‘ব্রেক্সিট নিয়ে ফের গণভোট হবে না’

ইইউতে থাকা বা না থাকা নিয়ে (ব্রেক্সিট) ফের গণভোট করবে না ব্রিটেন। এ ব্যাপারে ব্রিটেন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা অপরিবর্তনীয়।   বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি দেশের নেতাকে এ বার্তা দিতে যাচ্ছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। গত জুনে ব্রেক্সিট ইস্যুতে গণভোটের পর এই প্রথম কাউন্সিলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন থেরেসা মে।   ১০ নং ডাউনিংস্ট্রিটের একটি সূত্র জানিয়েছে, থেরেসা মে ইইউ নেতাদের বলবেন, ‘ ব্রিটেনের জনগণ তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এটা সঠিক ও যথার্থ যে এ সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো হয়েছে। দ্বিতীয়বার কোনো গণভোট হবে না। ইইউ ছেড়ে যাওয়ার পর ব্রিটেনের সঙ্গে সম্পর্ক ও ভবিষ্যতের পথ নির্দেশই গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ।’   ওই  সূত্র আরো জানিয়েছে, ব্র
বৃটেনে অবৈধ অভিবাসীদের সাধারণ ক্ষমা নিয়ে বিভ্রান্তি

বৃটেনে অবৈধ অভিবাসীদের সাধারণ ক্ষমা নিয়ে বিভ্রান্তি

ইব্রাহিম খলিল (লন্ডন) যুক্তরাজ্য থেকে : বৃটেনে অবৈধ ইমিগ্রান্টদের এ্যামষ্টির সংবাদ এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি। এই কতিথ এমনেষ্টির ব্যাপারে কোন কোন আইনজীবির ব্যাখা এবং বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন অভিবাসন প্রত্যাশীরা। বছরের পর বছর ধরে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত অসংখ্য ফাইলের বেকলগ দূর করে পরিস্থিতি মোকবেলায় শর্তসাপেক্ষ সরকারের কাছে এ্যামনেস্টি তথা সাধারন ক্ষমা ঘোষনার আহবান জানিয়ে সম্প্রতি দ্য গার্ডিয়ানে এক নিবন্ধ লিখেছেন ইউকে বোর্ডার এজেন্সির সাবেক চীফ এক্সিকিউটিভ রব হোয়াইটম্যান। তার এই প্রস্তাবের জের ধরে বিভিন্ন কমিউনিটি মিডিয়া এবং কোন কোন আইনজীবির ব্যাখায় বৈধতার আশায় অভিবাসীদের মধ্যে যেমন আশার সঞ্চার হয়েছে, তেমনি বিভ্রান্তিও সৃষ্টি হয়েছে অনেকের মধ্যে। তবে এ ব্যাপারে বিভ্রান্ত না হবার আহবান জানিয়েছেন অধিকাংশ ইমিগ্রেশন  আইনজীবি। তারা বলেছেন, বৃটিশ সরকারের পক্ষ
ব্রিটিশ সেনার বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ

ব্রিটিশ সেনার বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে বিতর্কিত পোস্ট দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন এক ব্রিটিশ সেনাসদস্য। ওই পোস্টের সঙ্গে তিনি নিজের একটি ছবি জুড়ে দিয়েছিলেন। আর এ ছবি নিয়েই যত বিতর্ক আর সমালোচনা। কারণ ছবিটিতে ওই সেনাকে দেখা যায় জঙ্গলের মধ্যে ‘কালো মুখমণ্ডলের’ ছদ্মবেশে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ তুলেছেন টুইটার ব্যবহারকারীরা।   ওই টুইট বার্তায় তিনি লিখেছিলেন, জঙ্গলের একজন সেনার মধ্যে ব্যাপক রসাত্মবোধ থাকা প্রয়োজন। এর সঙ্গে তিনি জুড়ে দেন একটি ছবি। এতে দেখা যায়, বন্দুক তাক করে থাকা কালো মুখাবয়বের এক সেনার ইউনিফর্ম পরা ছবি।   বুধবার সকালে টুইটারে পোস্টটি দেওয়া হয়। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি ডিলিট করে দেওয়া হয়।   ওই সেনাসদস্যের এমন মুখাবয়বে টুইট করার ঘটনাকে ‘অপরাধমূলক নোংরামি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন একজন সমালোচক। অন্য অ
ব্রেক্সিট নিয়ে ভোটের অধিকার পাচ্ছে বৃটিশ পার্লামেন্ট!

ব্রেক্সিট নিয়ে ভোটের অধিকার পাচ্ছে বৃটিশ পার্লামেন্ট!

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসা নিয়ে ব্রেক্সিট চুক্তি বা সমঝোতা আটকে দেয়ার অধিকার আছে বৃটিশ এমপিদের। ভোটের মাধ্যমে ব্রেক্সিট নিয়ে চূড়ান্ত বোঝাপড়া প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন তারা। যদি তাই হয় তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেনের বেরিয়ে যাওয়া থমকে বা আটকে যেতে পারে। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে প্রথমবারের মতো এমন ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।   এ খবর দিয়েছে বৃটেনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়েছে, ডাউনিং স্ট্রিট একমত হয়েছে যে, এমপি ও তার সহযোগীরা সমঝোতা প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর এর ওপর ভোট দেয়ার সুযোগ খুব বেশি। হাই কোর্টে এ ইস্যুটি তোলার পর এমন ইঙ্গিত মিলেছে।   বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বার বারই ব্রেক্সিট নিয়ে পার্লামেন্টে ভোটের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর পর ওই ইঙ্গিত মিলেছে। এতে ওই সময়ের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে তাৎক্