লাইফ ষ্টাইল

সহজে দূর করুন চোখের নিচে কালো দাগ

সহজে দূর করুন চোখের নিচে কালো দাগ

রাত জাগা বা অতিরিক্ত কম্পিউটার, টিভি দেখা ও স্মার্টফোনে সময় কাটানোর কারণে কালচে দাগ পড়তে পারে চোখের নিচে। জেনে নিন কীভাবে দূর করবেন এই দাগ।   আন্ডার আই প্যাচ চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে আন্ডার আই প্যাচ ব্যবহার করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।   ক্রিম বাজারে উন্নতমানের কিছু আন্ডার আই ক্রিম পাওয়া যায়। এগুলোতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ডার্ক সার্কেল দূর করতে কার্যকর। এক্ষেত্রে অ্যামিনো অ্যাসিড ও মিনারেল সমৃদ্ধ ক্রিম বেছে নিন।       শসা চোখের উপর ঠাণ্ডা শসার টুকরা দিয়ে রেখে দিন আধা ঘণ্টা।  ভালো ফল পেতে হলে সপ্তাহে তিন দিন এটি করুন।   আন্ডার আই সেরাম চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে ভালো মানের একটি আন্ডার আই সেরাম ব্যবহার করতে পারেন। এটি চোখের বলিরেখা ও ফোলা অংশ দূর করবে।   বাদামের তেল চোখর নিচের কালো দাগ ও ফ
চোখের সাজে সাদা কাজলের অসাধারণ কিছু ব্যবহার!

চোখের সাজে সাদা কাজলের অসাধারণ কিছু ব্যবহার!

চোখের সাজে কাজল নারীদের খুবই প্রিয় একটি প্রসাধনী। কাজল নারীর সৌন্দর্যকে দিগুণ করে। এবং চোখকে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। তাছাড়া কাজল চোখ পরিষ্কার রাখে এবং ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তবে কাজল বলতে এখন আর কালো বলা চলে না। কালোর পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে সাদা কাজলও। ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে অনেকেই নতুন ফ্যাশন গ্রহণ করলেও, এর যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। ফলে পড়তে হয় বিপাকে। চলুন আজ তবে জেনে নেয়া যাক চোখে সাদা কাজল ব্যবহার করার কিছু টিপস-   ১. আইশ্যাডোর উজ্জ্বল রঙ ফুটিয়ে তুলতে আইশ্যাডো বেইজ হিসেবে সাদা কাজল খুব চমৎকার কাজ করে। শ্যাডো দেয়ার আগে পুরো চোখের পাতায় সাদা আই পেন্সিল দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এর পর আইশ্যাডো দিন। দেখবেন শ্যাডোর রঙটা চোখে দারুণভাবে ফুটে উঠবে।   ২. চোখের ভেতরের কোণায় ইনার কর্নার হাইলাইটার হিসেবে সাদা কাজল দিয়ে ব্লেন্ড করে দিলে চোখ দুটিকে উজ্জ্বল দ
খাদ্য সচেতনতায় ফ্রিজে একটি কয়েন রেখে দেখুন ম্যাজিক!

খাদ্য সচেতনতায় ফ্রিজে একটি কয়েন রেখে দেখুন ম্যাজিক!

ব্যস্ততার কারণে অনেকেই প্রতিদিন বাজারে যেতে পারেন না। তাই একদিনেই সারা সপ্তাহের বাজার করে ফেলেন। তখন মাংস থেকে মাছ, বিভিন্ন শাকসবজি সবই মজুত করা হয় ফ্রিজে। কিন্তু অনেক সময় কিছুদিনের জন্য কোথাও ঘুরতে গেলে ফিরে এসে ফ্রিজে রাখা খাবার খেতে হয়। এতে মাঝে মধ্যে অসুস্থ হয়ে পরেন অনেকেই। এর কারণ হতে পারে ফ্রিজ। হ্যাঁ, আপনার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে ইলেক্ট্রিসিটি না থাকায় ফ্রিজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই সময় ফ্রিজের ঠান্ডা ভাব ছিল না বা বরফ গলে খাবারে পড়েছে, তারপর আবার সেই খাবার ঠাণ্ডা হয়েছে। ফিরে এসে আপনি সেই খাবার খেয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই আপনার শরীর খারাপ হবে। কিন্তু এমনটা হয়েছিল কিনা তা কিভাবে বুঝবেন তাই ভাবছেন? একটি উপায়ে বাড়ি ফিরে ফ্রিজ খুলেই বুঝতে পারবেন আপনার খাবার গ্রহণযোগ্য কিনা। চলুন জেনে নেয়া যাক উপায়টি-   এর জন্য লাগবে একটি মগ, মগ ভর্তি পানি ও একটি এক টাকার কয়েন। প্রথমে মগটি পানিতে ভর্
সফলতার ৭টি উপায়

সফলতার ৭টি উপায়

সফলতা যেন সোনার হরিণ। সবাই তার দিকেই ছুটছে। সবার মনে প্রশ্ন, সেই হরিণের দেখা মিলবে কবে? কেউ সাফল্যের জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করেন, কেউবা মাঠে নেমেই গোল দেন। আবার কেউ সাফল্যের জন্য পরিশ্রম না করে একঘেয়ে জীবনকেই বেছে নেন।   সফলতাকে আকাশে ঘুড়ি ওড়ানোর সঙ্গে তুলনা করা যায়। ঘুড়িকে যত ওপরে ওড়ানোর চেষ্টা করবেন ততই আপনাকে বাতাসের বিরুদ্ধে সুতায় টান দিতে হবে। বাতাসের সঙ্গে তাল না মেলালেই বিপত্তি, ঘুড়ি নিচে নামতে শুরু করবে। মার্কিন লেখক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা জেমস অ্যালটুচ্যার কোরা ডাইজেস্টে তার পোস্টে সফল হওয়ার সাতটি উপায় নিয়ে বলেছেন।   স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে স্বাস্থ্যকে সব সময় গুরুত্ব দিতে হবে। এক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক- দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যের সঙ্গে কিন্তু আমাদের অভ্যাসগুলো জড়িত। খুব সহজে বদভ্যাসে জড়িয়ে পড়া যায়, সুঅভ্যাসের জন্য সময় দিতে হয়। সাফল্যের জন্য
যে উপায়ে দ্রুত জাল টাকা চেনা যায়

যে উপায়ে দ্রুত জাল টাকা চেনা যায়

বিভিন্ন উৎসবের সময় দেশব্যাপী প্রচুর লেনদেন হয়। ফলে প্রতারক চক্রগুলো সারাদেশে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এ সময়গুলোকেই বেছে নেয়। এই জাল টাকা সাধারণ মানুষের জীবনে অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করে এবং এই টাকা নিয়ে অনেক বিড়ম্বনায় পরতে হয়। তাছাড়াও সারা বছরই বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে এমন অসাধু লোকদের ধরা পড়তে দেখা যায়।   আমাদের আজকের আলোচনায় থাকছে- সহজেই জাল টাকা শনাক্ত করার উপায়।   ১। জাল টাকার প্রথম শর্ত হচ্ছে- এই নোটগুলো নতুন এবং কড়কড়ে হবে। কারণ, জাল নোটগুলো সাধরণ কাগজে তৈরি হয়, তাই পুরাতন হয়ে গেলে সেই নোট নাজেহাল হয়ে যায়, বা তা অতি সহজেই বোঝা যায়। এই নোটগুলো প্রায় ব্যবহার অযোগ্য হয়ে যায় পুরাতন হয়ে গেলে।       ২। জাল নোট হাতের মধ্যে নিয়ে মুষ্টিবদ্ধ করে কিছুক্ষণ পর ছেড়ে দিলে তা সাধারণ কাগজের মতো ভাঁজ হয়ে যাবে। আসল নোট তেমন একটা ভাঁজ হবে না বরং আস্তে
ঘাড়-পিঠ ও কাঁধের ব্যথা উপশমে যা করনীয়

ঘাড়-পিঠ ও কাঁধের ব্যথা উপশমে যা করনীয়

আধুনিক জীবনযাত্রায় যোগ হচ্ছে নতুন সব অসুখের নাম। দীর্ঘসময় অফিস ডেস্কে বসে কম্পিউটার বা ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে পিঠ ও কাঁধে ব্যথা হয়। ঘাড় ঘোরাতে গেলেই হয় সমস্যা। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় স্পডিলোসিস। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্পন্ডিলোসিস আসলে শিরদাঁড়ার হাড়ের সমস্যা। ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে সারা ক্ষণ ব্যথা, ঘাড় নাড়াতে অসুবিধা হওয়া এই রোগের মূল কষ্টের দিক। ঘাড়ের দিকের অংশে এই রোগ হলে সাধারণত এটাকে সার্ভাইক্যাল স্পন্ডিলোসিস বলা হয়। আর শিরদাঁড়ার নীচের দিকের অংশে অর্থাৎ পিঠের নীচের দিকে হলে সেটাকে লাম্বার স্পন্ডিলোসিস বলা হয়। এ রোগের কোনও বয়সসীমা নেই।নারী-পুরুষ যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। সাধারণত, ঘাড় ঝুঁকিয়ে কাজ করতে হয়, বা ঘাড়ে ঝাঁকুনি লাগে এমন কাজ যাদের করতে হয় তারাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন। স্পন্ডিলোসিস হলে শুধু ঘাড়ে ব্যথা নয়, ব্যথার অংশ অবশ
জিমে না গিয়েই যেভাবে ফিট থাকেন ঐশ্বরিয়া, জানালেন অভিষেক

জিমে না গিয়েই যেভাবে ফিট থাকেন ঐশ্বরিয়া, জানালেন অভিষেক

বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জন্মের পর থেকে এই বিশ্ব সুন্দরীর নামটি জেনে থাকবেন নিশ্চয়ই! বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বর্য রাইয়েক সৌন্দর্যে মুগ্ধ গোটা দেশ। মা হওয়ার পর লাইমলাইট থেকে কিছুটা দূরে চলে গেলেও, আবার তিনি ফিরেছেন রুপালি পর্দায়। প্রসবের পর কিছুটা ওজন বেড়ে গেলেও, আবার ওজনকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে এসেছেন বলিউড ডিভা। তবে জানেন কি, জিম ছাড়াই নিজেকে ফিট রাখেন ঐশ্বর্য রাই। কীভাবে তিনি এই কাজটি করেন, সেই রহস্য ফাঁস করলেন স্বয়ং তার হাবি অভিষেক।   ঐশ্বর্য রাইয়ের ফিটনেস প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, ‘মা হওয়ার পর ওর জীবনে অভিনয় খানিকটা পিছনে চলে গিয়েছিল। আরাধ্যার জন্মের পর থেকেই সুপারমম হয়ে উঠেছে ও। কিন্তু সেই সময়ে ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে মিডিয়া অনেক কিছু লিখেছিল। আমার খারাপ লেগেছিল। ওকে যে চেনে, জানে, ও কখনোই জিমে সময় কাটায় না। শুধুমাত্র ‘ধুম টু’-এর শ্যুটিংয়ের সময়ে উদয়, হৃত্বিক আর আমি মিলে ওকে জিমে টেনে নিয়ে
চোখের ছানি প্রতিরোধে ঘরোয়া উপায়

চোখের ছানি প্রতিরোধে ঘরোয়া উপায়

চোখে ছানি পড়া খুব মারাত্মক এক রোগ। এতে দৃষ্টিশক্তি ঘোলা হয়ে এক সময় মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে চোখের ছানি দূর করা যায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে। তবে ঠিক সময়ে ছানি পড়া প্রতিরোধ করা গেলে সেই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। বয়স বাড়লে চোখে ছানি পড়ার এই সমস্যা দেখা দেয়। আর ডায়াবেটিস রোগের কারণে ওই সমস্যা আরো বাড়ে। চোখের ছানি পড়তে অবশ্য সময় নেয়। প্রথমে ঝাপসা দেখার সমস্যায় ভোগেন রোগী। প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা না করালে এক পর্যায়ে অন্ধ হয়ে পড়েন সেই রোগী। ছানি পড়ার ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, জেনেটিকস, বয়স বাড়া, সূর্যের আলোয় বেশি থাকা, ভিটামিনের ঘাটতি, ধূমপান ও অ্যালকোহল আসক্তি এসবও প্রভাব ফেলে অনেক। প্রাথমিক অবস্থায় ছানির সমস্যা ধরা পড়লে তা প্রতিরোধ করতে কিছু ঘরোয়া উপায় আপনার জন্য উপকারি হতে পারে।   * রসুন : ভেষজ গুণ সম্পন্ন মসলা উপকরণ রসুন শরীরের জন্য অনেক উপকারী। প্রতিদিন কয়েক কোষ রসুন খেলে তা চোখের
বর্ষায় চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে

বর্ষায় চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে

বর্ষা মৌসুমের শুরু । তাই ঘরে থেকে বের হলে কখনও টিপটিপ বৃষ্টিতে ভিজে যায় চুল। ভেজা চুল সময়মতো না শুকালে চুলে গন্ধ হয়। এই তীব্র রোদ তো আবার এই বৃষ্টি। রোদ-বৃষ্টির খেলার এই সময়ে চুল নিয়েও সমস্যায় পড়তে হয় অনেক। অনেক সময় চুল শুকাতেই চায় না। আবার শুকালেও কেমন চিটচিটে ভাব থাকে। রুক্ষতাও দেখা দেয় চুলে। অনেকেই মনে করেন বৃষ্টির দিনের স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় প্রতিদিন চুল ভেজানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরকম সময়েই আসলে রোজ চুল ধোয়া উচিত। কারণ স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় চুলের গোড়া ভিজে যায়। ফলে ভেজা চুলের গোড়ায় ফাংগাস হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা থাকে। * চুল বৃষ্টিতে ভিজে গেলে বাড়ি ফিরে অবশ্যই মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বেবি শ্যাম্পুও ব্যবহার করতে পারেন। * চুল তাড়াতাড়ি শুকানোর জন্য বারবার হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে চুল তার স্বাভাবিক ময়েশ্চার হারিয়ে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। * চুলে জটা লাগলে
সুস্থ পরিবারের যত অভ্যাস

সুস্থ পরিবারের যত অভ্যাস

সুস্থ পরিবার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে পারে এবং দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। একটি একটি করে অনেকগুলো ভালো অভ্যাসে গড়ে ওঠে একটি সুস্থ পরিবার। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের সমগ্র স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সুস্থ পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য। আপনার পরিবারকে সুস্থ করতে চান? তাহলে এ প্রতিবেদনে আলোচিত সুস্থ পরিবারের অভ্যাসগুলো সম্পর্কে জেনে নিন। ছয় পর্বের প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।   * তারা স্বাস্থ্যকর খাবার খান পিতামাতারা সন্তানদেরকে খাবার নির্বাচনে প্রভাবিত করতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার ভোজনে মস্তিষ্কের কার্যক্রম উন্নত হয়। গবেষণা বলছে যে অল্প বয়সী ছেলেমেয়েদের পক্ষে স্বাস্থ্যকর খাবার ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা কঠিন হয়, যার ফলে তারা প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ে। পিতামাতারা বৈকালিক স্ন্যাকের জন্য কুকিজ, ক্রেকার্স অথবা