লাইফ ষ্টাইল

খাবারে কালোজিরা ব্যবহার করলে যেসব উপকার পাবেন

খাবারে কালোজিরা ব্যবহার করলে যেসব উপকার পাবেন

রান্নার শেষে ফোড়নে বলুন আর মচমচে ধরনের খাবার তৈরিতে বলুন, কালোজিরার ব্যবহার চোখে পড়বেই। হালকু তিতকুটে ধরনের এই মশলাটি শুধু যে খাবারের স্বাদ-গন্ধ বাড়ায় তাই নয়, শরীরের অসংখ্য উপকারেও আসে। অনেক অসুখ থেকে দূরে রাখে কালোজিরা।   আরও পড়ুন: প্রতিদিন পেয়ারা খাবেন যে কারণে কালোজিরায় রয়েছে ফসফরাস, ফসফেট ও আয়রন। এইসব খনিজ শরীর অনেকটাই রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় কালো জিরে রাখুন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কালোজিরার ফসফরাস রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। শরীরের যেকোনো জীবাণুর সঙ্গে লড়ে যেতে কালো জিরের ভূমিকা অসামান্য।   শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেক চিকিৎসকই রোগীর পথ্যে কালোজিরা রাখতে বলেন। কালোজিরার আয়রন ও ফসফেট শরীরে অক্সিজেনের ভারসাম্য রাখে।   অনেকেরই ঠান্ডা লেগে মাথা ধরে। ঘরোয়া উপায়ে তা কাটাতে হলে একটা পুঁটুলিতে কালোজিরা বেঁ
টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়

টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়

ঠান্ডা লাগা থেকে হতে পারে টনসিলের সমস্যা। টনসিল বাড়লে ঢোক গিলতে গেলেও কষ্ট হয়। মুখ-গলা, নাক, কান দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে জীবাণু প্রবেশে বাধা দেয় এই টনসিল। তাই টনসিল আক্রান্ত হলে জীবাণুর প্রকোপ বাড়ে, বাড়ে অন্যান্য অসুখের ভয়ও। টনসিলের সংক্রমণ দু’-এক দিনে কাটেও না। চলুন জেনে নেই টনসিল সারানোর তিনটি ঘরোয়া উপায়-   আরও পড়ুন: পিরিয়ড অনিয়মিত হলে যা খাবেন লেবু শরীরের টক্সিন দূর করতে খুব উপকারী। তাই টনসিলে সংক্রমণ হলে বা গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম পানিতে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু ও সামান্য লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। লবণ অ্যান্টি সেপটিক। তাই শরীরের অভ্যন্তরের সংক্রমণে লবণ খুব কার্যকর। এই মিশ্রণটি সেবন করুন। টনসিলের সমস্যা কমবে সহজে।   হলুদ টিস্যুকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। তাই গলার ব্যথা কমাতে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে এক কাপ দুধে সামান্য হলুদ মেশান। তার পর
চিনির বদলে যা খেতে পারেন

চিনির বদলে যা খেতে পারেন

প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় চিনি তো রাখছেন, কিন্তু জানেন কি এর ক্ষতিকর দিক? বেশি চিনি খেলে হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা খুব প্রবল৷ শুধু যে খাবারে চিনি মেশালে বিপদ হয় এমন নয়, প্রক্রিয়াজাত খাবারও সমান বিপজ্জনক৷ কারণ তাতে অ্যাডেড সুগার থাকে, তা সে ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল হোক কি পাউরুটি, প্যাকেটের ফলের রস হোক কি বিয়ার, সস, কেচাপ, কুকিস, ক্যান্ডি, মেয়োনিজ ও অন্যান্য স্যালাড ড্রেসিং, ঠান্ডা পানীয়৷   আরও পড়ুন: আপনার ডায়াবেটিস হয়েছে কিনা বুঝবেন যেভাবে হিসেব বলছে, একটি ১২ আউন্সের ঠান্ডা পানীয়তে থাকে ৯ চামচের মতো চিনি৷ এক স্কুপ চকলেট আইসক্রিমে ৫ চামচ৷ এর সঙ্গে চা-কফিতে বা রান্নায় চিনি মেশালে তো হয়েই গেল৷ অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে হৃদরোগের পাশাপাশি, ওবেসিটি, দাঁতের ক্ষয়, ডায়াবিটিস, এমনকি কিছু কিছু ক্যান্সারের প্রকোপও বাড়ে৷   চিনির বদলে যা খেতে পারেন:   চিনির বদলে খাবারে মেশান
আলু কতটা উপকারী?

আলু কতটা উপকারী?

ডায়েটের নামে অনেকেই আলু খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তাতে উপকারের বদলে বরং ক্ষতিটাই হয় বেশি। কারণ আলুতে রয়েছে একাধিক পুষ্টি উপাদান। এর ভিটামিন ও খনিজ শরীরের নানা উপকার করে থাকে।   আরও পড়ুন: বাড়িতে ৬ মাস পর্যন্ত আম সংরক্ষণ করবেন যেভাবে আলুতে উপস্থিত ভিটামিন সি শরীরে প্রদাহের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। সেইসঙ্গে আর্থ্রাইটিস এবং গাউটের মতো রোগের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না।       আলুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কলায় যে পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি পরিমাণ রয়েছে অলুতে। তাই আলু বেশি করে ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।       আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, যা শরীরে ক্যান্সার সেলক
উকুন দূর করার ঘরোয়া উপায়

উকুন দূর করার ঘরোয়া উপায়

উকুনকে চিকিৎসা বিজ্ঞান “পেডিকুলাস হিউমেনাস ক্যাপিটিস” নামে চিনে থাকে। এটি এক ধরনের প্যারাসাইটসের কারণে হয়। এই প্রাণীটির ডিম যখন কোনো কারণে চুলে জায়গা করে নেয় তখন ধীরে ধীরে সেই প্যারাসাইট সারা মাথায় বাসা বানিয়ে ফেলে। তারপর সাম্রাজ্য বিস্তার করতে করতে ছড়িয়ে পরে আরো অনেকের মাথায়। উকুনের এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে রয়েছে ঘরোয়া কিছু উপায়। অল্প পরিমাণে মাউথ ওয়াশ নিয়ে ভালো করে স্কাল্পে লাগিয়ে একটা তোয়ালে দিয়ে চুলটা বেঁধে নিতে হবে। এরপর ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে একবার করে এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগাতে হবে। তাহলেই দেখবেন আর কখনো উকুন ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত যদি অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েল নিয়ে চুলে লাগিয়ে ভালো করে মাসাজ করা যায়, তাহলে উকুনের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। কারণ এই তেলটিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নিমেষে উ
চুল সুস্থ রাখতে যা করবেন

চুল সুস্থ রাখতে যা করবেন

একেক জনের চুলের ধরন একেক ধরনের। তাই চুলের ধরন অনুযায়ী যত্ন নেবার কৌশলও আলাদা হয়। চলুন জেনে নেয়া যাক চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কিছু জরুরি বিষয়-   আরও পড়ুন: দ্রুত ক্লান্তি কাটাবে যেসব খাবার সুন্দর চুলের জন্য প্রথমেই খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে। সবুজ সবজি ও ফলের রস চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। স্বাস্থ্যবান, ঝলমলে চুলের জন্য দুধ ও ফ্রেশ দই খেতে পারেন। নারিকেলও চুলকে স্বাস্থ্যবান করে তুলতে সহায়তা করে।   অবসাদ বা ক্লান্তি চুলের রং ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই স্ট্রেসমুক্ত থাকতে নানা ধরনের কৌশল যেমন, মেডিটেশন, মিউজিক থেরাপি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন।   সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার উষ্ণ তেল দিয়ে মালিশ করতে পারেন। চুলের গোঁড়ার আদ্রতা বজায় রাখতে এর তুলনা হয় না। মালিশের জন্য নারকেল তেল, আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের গোঁড়ায় মালিশ করুন। শ্যাম্
যে কারণে নিমের তেল ব্যবহার করবেন

যে কারণে নিমের তেল ব্যবহার করবেন

চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে নিম তেলের বিকল্প হয় না বললেই চলে। সংক্রমণ কমানোর পাশাপাশি ত্বকের নানা রোগের প্রকোপ কমাতেও এটি দারুণ কাজে দেয়।   স্কাল্পের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ কমাতেও নিম তেলের জুরি মেলা ভার। আপনি যে শ্য়াম্পু ব্য়বহার করেন তাতে কয়েক ড্রপ নিম তেল মিশিয়ে রোজ মাথায় লাগান। তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করে দিয়েছে।   আরও পড়ুন: লেবুপানি খেলে কী হয়? বাড়িতে মশার উৎপাত বাড়লেই আমরা বাজার চলতি নানা ক্রিম লাগানো শুরু করি। কারও কি জানা আছে এই ধরনের সমস্য়ায় নিম তেল দারুণ কাজে আসে। কীভাবে ব্য়বহার করতে হবে? খুব সহজ! ১০-১৫ ফোটা নিম তেল, হাফ কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গায়ে লাগান। তাহলেই দেখবেন মশারা আর ধারে কাছে ঘেঁষতে পারছে না।   ত্বকের একধরনের প্রদাহজনিত রোগ হল একজিমা। একজিমার প্রকোপ কমাতেও নিম তেল দারুণ কাজ দেয়। শরীরের যে যে জায়গায় এ
সৌন্দর্য বাড়াতে বাদামের ফেসপ্যাক

সৌন্দর্য বাড়াতে বাদামের ফেসপ্যাক

বাদাম দিয়ে বানানো যায় এমনকিছু ফেসপ্যাক, যা নিয়মিত মুখে লাগালে স্কিন টোনের উন্নতি তো ঘটবেই, সেইসঙ্গে আরও নানাবিধ উপকার মিলবে। শুধু তাই নয়, দূরে থাকা সম্ভব হবে জটিল সব ত্বকের রোগের থেকেও। চলুন জেনে নেই বাদামের ফেসপ্যাক তৈরি ও ব্যবহারের নিয়ম-   আরও পড়ুন: রিবন্ডেড চুলের যত্ন নেবেন যেভাবে নিয়মিত বাদাম খেলে ও বাদামের ফেসপ্যাক মুখে মাখলে ত্বকে এমনকিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে যে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা তো ফিরে আসবেই, সেইসঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো। এই ফেসপ্যাকটি বানাতে প্রয়োজন পরবে অল্প পরিমাণে গুঁড়ো বাদাম, ওটস এবং দুধের। এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে বানিয়ে ফেলতে হবে একটি পেস্ট। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এইভাবে সপ্তাহে ৩-৪ দিন ত্বকের পরিচর্যা করলেই দেখবেন ফল মিলতে শুরু করেছে।   ত্বকে
বেইকিং সোডা কি ওজন কমায়?

বেইকিং সোডা কি ওজন কমায়?

এই সময়ে ওজন কমানোর যত পন্থা আছে তার মধ্যে বেইকিং সোডা পান করে ওজন কমানোর বিষয়টা বেশ আলোচিত। পাশাপাশি কতটা কার্যকর সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে।   বেইকিং সোডা হল একটি রাসায়নিক উপাদান, যার নাম ‘সোডিয়াম বাইকার্বোনেট’।   স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে গবেষকদের দাবি অনুসারে জানানো হয় বেইকিং সোডা পান করার মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব।   বেইকিং সোডা পানিতে গুলে পান করলে তা পাকস্থলির অম্লের সঙ্গে বিক্রিয়া করে এবং তৈরি করে পানি, লবণ এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ক্ষারীয় উপাদানের কারণে বেইকিং সোডা বমিভাব ও বদহজমের সমস্যা সমাধানে কার্যকর।   স্বাভাবিক অবস্থায় পাকস্থলির পিএইচ’য়ের মাত্রা কম থাকা উচিত। তবে উচ্চমাত্রার প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলে তা ভাঙার জন্য ‘গ্যাসট্রিক’ কোষ থেকে বেশি অম্ল নিঃসরণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। একারণে পাকস্থলির উপর বাড়তি চা
স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন

স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন

তুমুল বৃষ্টি আবার খানিক পড়েই কড়া রোদ। আবহাওয়ার এমন খাময়েখালি রূপের কারণে নানারকম অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। তবে শুধু ঠান্ডা-জ্বরই নয়, পরিবর্তিত আবহাওয়া ও বর্তমান জীবনশৈলীতে অভ্যস্ত মানুষ শিকার হচ্ছেন স্ট্রোকের। যার জন্য খেয়ালি আবহাওয়া অনেকটাই দায়ী। তবে আবহাওয়ার সঙ্গে অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার দিকেও আঙুল তুলছেন চিকিৎসকরা।   আরও পড়ুন: মেয়েদের মুখে অতিরিক্ত লোমের সমস্যা দূর করবেন যেভাবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, স্ট্রোক ঠেকাতে ওষুধের চেয়েও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন বেশি জরুরি। ঘরোয়া কিছু নিয়ম মেনে চললে স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যায় অনেকটাই।   স্ট্রোক ঠেকাতে ওজন, বিশেষ করে ভুঁড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব জরুরি। অনেকে ছিপছিপে চেহারার হলেও একটা বয়সের পরেই তাদের ভুঁড়ি এসে যায়। সে দিকে সতর্ক থাকতে হবে। জিম, শারীরিক কসরত এবং সুষম আহারের উপর জোর দিন আজ থেকেই। তেল-মশলাদ