লাইফ ষ্টাইল

সৌন্দর্য বাড়াতে বাদামের ফেসপ্যাক

সৌন্দর্য বাড়াতে বাদামের ফেসপ্যাক

বাদাম দিয়ে বানানো যায় এমনকিছু ফেসপ্যাক, যা নিয়মিত মুখে লাগালে স্কিন টোনের উন্নতি তো ঘটবেই, সেইসঙ্গে আরও নানাবিধ উপকার মিলবে। শুধু তাই নয়, দূরে থাকা সম্ভব হবে জটিল সব ত্বকের রোগের থেকেও। চলুন জেনে নেই বাদামের ফেসপ্যাক তৈরি ও ব্যবহারের নিয়ম-   আরও পড়ুন: রিবন্ডেড চুলের যত্ন নেবেন যেভাবে নিয়মিত বাদাম খেলে ও বাদামের ফেসপ্যাক মুখে মাখলে ত্বকে এমনকিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে যে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা তো ফিরে আসবেই, সেইসঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো। এই ফেসপ্যাকটি বানাতে প্রয়োজন পরবে অল্প পরিমাণে গুঁড়ো বাদাম, ওটস এবং দুধের। এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে বানিয়ে ফেলতে হবে একটি পেস্ট। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এইভাবে সপ্তাহে ৩-৪ দিন ত্বকের পরিচর্যা করলেই দেখবেন ফল মিলতে শুরু করেছে।   ত্বকে
বেইকিং সোডা কি ওজন কমায়?

বেইকিং সোডা কি ওজন কমায়?

এই সময়ে ওজন কমানোর যত পন্থা আছে তার মধ্যে বেইকিং সোডা পান করে ওজন কমানোর বিষয়টা বেশ আলোচিত। পাশাপাশি কতটা কার্যকর সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে।   বেইকিং সোডা হল একটি রাসায়নিক উপাদান, যার নাম ‘সোডিয়াম বাইকার্বোনেট’।   স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে গবেষকদের দাবি অনুসারে জানানো হয় বেইকিং সোডা পান করার মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব।   বেইকিং সোডা পানিতে গুলে পান করলে তা পাকস্থলির অম্লের সঙ্গে বিক্রিয়া করে এবং তৈরি করে পানি, লবণ এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ক্ষারীয় উপাদানের কারণে বেইকিং সোডা বমিভাব ও বদহজমের সমস্যা সমাধানে কার্যকর।   স্বাভাবিক অবস্থায় পাকস্থলির পিএইচ’য়ের মাত্রা কম থাকা উচিত। তবে উচ্চমাত্রার প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলে তা ভাঙার জন্য ‘গ্যাসট্রিক’ কোষ থেকে বেশি অম্ল নিঃসরণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। একারণে পাকস্থলির উপর বাড়তি চা
স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন

স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন

তুমুল বৃষ্টি আবার খানিক পড়েই কড়া রোদ। আবহাওয়ার এমন খাময়েখালি রূপের কারণে নানারকম অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। তবে শুধু ঠান্ডা-জ্বরই নয়, পরিবর্তিত আবহাওয়া ও বর্তমান জীবনশৈলীতে অভ্যস্ত মানুষ শিকার হচ্ছেন স্ট্রোকের। যার জন্য খেয়ালি আবহাওয়া অনেকটাই দায়ী। তবে আবহাওয়ার সঙ্গে অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার দিকেও আঙুল তুলছেন চিকিৎসকরা।   আরও পড়ুন: মেয়েদের মুখে অতিরিক্ত লোমের সমস্যা দূর করবেন যেভাবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, স্ট্রোক ঠেকাতে ওষুধের চেয়েও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন বেশি জরুরি। ঘরোয়া কিছু নিয়ম মেনে চললে স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যায় অনেকটাই।   স্ট্রোক ঠেকাতে ওজন, বিশেষ করে ভুঁড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব জরুরি। অনেকে ছিপছিপে চেহারার হলেও একটা বয়সের পরেই তাদের ভুঁড়ি এসে যায়। সে দিকে সতর্ক থাকতে হবে। জিম, শারীরিক কসরত এবং সুষম আহারের উপর জোর দিন আজ থেকেই। তেল-মশলাদ
শিশুর দাঁতের ক্ষয় রোধ করার উপায়

শিশুর দাঁতের ক্ষয় রোধ করার উপায়

শিশুদের তুলনা করা হয় ফুলের সাথে। মজার ব্যাপার হলো, ফুলে পোকা হওয়ার মতোই শিশুদের দাঁতেও 'পোকা' হওয়ার একটি বিষয় আছে। এটি আসলে কোনো পোকা নয়। দাঁতের ক্ষয়।   এই দাঁতের ক্ষয় শিশুদের সাধারণ সমস্যা। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ২৮% বাচ্চার, বিশেষ করে ২-৫ বছর বয়সের মধ্যে দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটির সমস্যায় ভোগে। তাই শিশুর দাঁতের যত্ন নিতে হবে শুরু থেকেই।   আরও পড়ুন: ত্বক সুন্দর রাখে মসুর ডাল দাঁতের রোগ এমন এক সমস্যা যেখানে কিছু ক্ষারীয় বস্তু থেকে কিছু ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি ঘটে ও দাঁতের বাইরের স্তর বা এনামেল নষ্ট করে দেয়। আস্তে আস্তে এই নষ্ট হয়ে যাওয়া স্তর থেকে গর্ত বা ফুঁটো সৃষ্টি হয়।       খাবারের ওপরে অনেকটা নির্ভর করে দাঁতের সমস্যা। আজকাল শিশুরা খুব বেশি মাত্রায় চিনি বা ক্ষারীয় পদার্থ খেয়ে থাকে, যা দাঁতের বেশ ক্ষতি করে। শিশুকে ওসব খাওয়া থেকে আটকানো একপ
হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করে সরিষার তেল

হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করে সরিষার তেল

চিকিৎসকেরা বরাবরই রান্নার কাজে সরিষার তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেন। কারণ সয়াবিন কিংবা অন্যান্য ভোজ্যতেলের চেয়ে সরিষার তেলের উপকারিতা অনেক বেশি। এটি আমাদের নানারকম অসুখ বিসুখ থেকে দূরে রাখে। সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিনের রান্নার কাজে সরিষার তেল ব্যবহার করতে হবে।   একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে সরিষার তেলে উপস্থিত লাইনোলেনিক অ্যাসিড আমাদের শরীরে ক্যান্সার সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে ক্যান্সারের মতো মারণ ব্যাধি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। বিশেষত স্টমাক এবং কোলন ক্যান্সারকে দূরে রাখতে এই তেলটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।   আরও পড়ুন: ভাত খান, স্লিম থাকুন সপ্তাহে একদিন সরিষার তেল সারা শরীরে লাগিয়ে ভালো করে মাসাজ করলে দেহের প্রতিটি কোনায় রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে দেহের সচলতাও চোখে পরার মত
কাঁঠালের বিচি কেন খাবেন?

কাঁঠালের বিচি কেন খাবেন?

কাঁঠালের মধুর রসে মন ভরে না এমন মানুষ কমই আছে। স্বাদ ও সুগন্ধের কারণে এই ফলটি আমাদের জাতীয় ফল। তবে কাঁঠালের শুধু কোষই নয়, খাওয়া হয় এর বিচিও। ভেজে, রান্না করে, হালুয়া বানিয়ে নানাভাবেই খাওয়া হয়। কাঁঠালের বিচিও স্বাদে অনন্য। এখানেই শেষ নয়। এর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা।   আরও পড়ুন: ঘরেই তৈরি করুন ডাবের পানি কাঁঠালের বিচিতে উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করে। সেইসঙ্গে কোলোনের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। তাই হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে চাইলে প্রতিদিন খাবারের কাঁঠালের বিচি।   শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত কাঁঠালের বিচি খাওয়া শুরু করতে পারেন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কাঁঠালের বিচিতে যে পরিমাণে প্রোটিন থাকে, তা দেহের দৈনিক চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। শুধু তাই নয়, পেশীর গঠনের উন্নতি ঘটাতে এবং মেটাবলিজম রেট বাড়াতে এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চ
পানি শূন্যতায় শরীরে যা ঘটে

পানি শূন্যতায় শরীরে যা ঘটে

গ্রীষ্মের দিনগুলোতে পানি শূন্যতা দেখা দেয় বেশি। তাই এই সময়ে চাই বাড়তি সাবধানতা।   যতটুকু পানি পান করা হচ্ছে শরীর যদি তার থেকে বেশি পানি খরচ করতে থাকে তখনই পানি শূন্যতা দেখা দেয়। জন্ডিস, ডায়রিয়া, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম, পানি কম পান করা, প্রচণ্ড বমি ইত্যাদির কারণে পানি শূন্যতা দেখা দিতে পারে।   চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে প্রতি ২০ কেজি ওজনের জন্য দৈনিক এক লিটার পানি পান করতে হবে। অর্থাৎ, কারও ওজন যদি ৬০ কেজি হয়, তবে তাকে দৈনিক তিন লিটার পানি পান করতে হবে।   যারা দিনে প্রচুর পরিশ্রম করেন কিংবা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তাদের ক্ষেত্রে পানি পানের মাত্রা আরেকটু বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পানি ‍পান করা না হলে শরীরে নানান রকম প্রভাব পড়ে।   রক্তচাপ কমে যাওয়া: শরীরে পানি খরচ হওয়ার অন্যতম খাত হল ঘাম। ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে যাওয়া পানির ঘাটতি পূরণ করতে না পারলে রক্তচাপ
গরমে শ্বাসকষ্ট থেকে বাঁচার উপায়

গরমে শ্বাসকষ্ট থেকে বাঁচার উপায়

শ্বাসকষ্ট যে শুধু শীতকালেই হতে পারে এমন নয়। এই গরমেও দেখা যাচ্ছে এমন সমস্যা। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বাতাসের আর্দ্রতা কমছে। ফলে হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে ধূলিকণা, যা সমস্যা বাড়াচ্ছে শ্বাস-প্রশ্বাসের।দিল্লির ‘স্যার গঙ্গারাম হসপিটাল’-এর ইনস্টিটিউট অফ রোবটিক সার্জারি বিভাগের ডিরেক্টর অরবিন্দ কুমার জানিয়েছেন, এমন বায়ুদূষণের ফলেই ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।   আরও পড়ুন: হবু মায়েরা যেসব নিয়ম মেনে চলবেন বায়ুদূষণ থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায়:   *ঘরের ভিতরে গাছ রাখার চেষ্টা করুন। যেমন, এরিয়েকা পাম, রাবার প্লান্ট, পিস লিল।   *ধূমপানের অভ্যাস থাকলে, চেষ্টা করুন তা ঘরের বাইরে গিয়ে করতে।       *বাড়ির বাইরে বেরনোর সময়ে মাস্ক ব্যবহার করুন। N95 গ্রেডের মাস্ক ব্যবহার করাই স্বাস্থ্যসম্মত।   *দৈনন্দিন খাবারে ফল, সবজি, বাদাম ও হেল
শিশুর পরিচর্যায় প্রাকৃতিক উপাদান

শিশুর পরিচর্যায় প্রাকৃতিক উপাদান

নতুন বাবা-মা হয়ে শিশু-পরিচর্যার নানান পণ্যের ভিড়ে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে, বেছে নিতে পারেন প্রকৃতির অফুরন্ত সম্ভার।   এই বিষয়ে ভারতের ‘দ্য হিমালয়া ড্রাগ কোস্পানি’র আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞ ডা. শুভাশিনি এন. এস. বলেন “নবজাতকের ত্বক প্রাপ্তবয়স্কের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর। এই ত্বকে তেল, ক্রিম, শ্যাম্পু, সাবান ইত্যাদি যে কোনো পণ্য প্রয়োগের আগে সাবধান হতে হবে কয়েকগুন বেশি।”   “কারণ শিশুর যত্নে ব্যবহৃত প্রসাধনীতেও থাকে ‘থ্যালেটস’ এবং ‘খনিজ তেল’ যা শিশুর ত্বকের দ্রুত শোষিত হয়ে তাতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ভেষজ উপাদানে তৈরি প্রসাধনী ব্যবহার করাই নিরাপদ।”   শিশুর ত্বকের জন্য আদর্শ কিছু উপাদানের নামও জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।   অ্যালো ভেরা: শুষ্ক ত্বক, ফুসকুড়ি, চুলকানি ইত্যাদি সারাতে অ্যালো ভেরার জুড়ি নেই। কারণ এতে আছে প্রদাহরোধী গুণ।  
যেভাবে বুঝবেন আমে ফরমালিন মেশানো কিনা

যেভাবে বুঝবেন আমে ফরমালিন মেশানো কিনা

ফলপ্রেমীরা সারাবছর ধরে অপেক্ষায় থাকে যেসব রসালো ফলের তার মধ্যে আম একটি। মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর। বাজারে নানা জাতের আম পাওয়া যায়। আপাতদৃষ্টিতে দেখতে সুন্দর মনে হলেও সেসব আমের মধ্যেই হয়তো মেশানো রয়েছে ফরমালিন!   আরও পড়ুন: রান্নাঘরের টিপস   আম দীর্ঘদিন তাজা রাখতে ফরমালিনসহ অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়। ফরমালিন মেশানো আম খেলে কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। সেই সঙ্গে বিকলাঙ্গতা, এমনকি ক্যান্সারেও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই বলে কি আমও খাবেন না! ফরমালিন মেশানো আম চেনার উপায় আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।   প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের বৃন্তে সুঘ্রাণ মিলবে। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমের বৃন্তে কোনো ঘ্রাণ থাকবে না। তাই কেনার আগে গন্ধ শুঁকে দেখে নিতে পারেন।   আমের রং দেখেও চেনা যা