লাইফ ষ্টাইল

ব্রণের দাগ দূর করার উপায়

ব্রণের দাগ দূর করার উপায়

ব্রণ দূর করার চেয়েও কঠিন কাজ হল ব্রণের দাগ দূর করা। দাগ দূর করতে নিতে পারেন ঘরোয়া পদক্ষেপ।   রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ব্রণের দাগ দূর করার কয়েকটি উপায় এখানে দেওয়া হল।   সানস্ক্রিন ব্যবহার বাদ দেবেন না: রোদে যাওরা সঙ্গে সঙ্গে ব্রণের দাগ আরও বেশি ফুটে ওঠে। স্থায়ী দাগ এড়াতে রোদে যাওয়ার আগে উন্নতমানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। ব্রণের নতুন দাগ রোদের কারণে আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে দাগ সহজে লাল থেকে বাদামি হয়ে যায় বা বাদামি দাগ হালকা হয়ে যায়।   ত্বকের সঠিক যত্ন: আলফা হাইড্রঅক্সাইড অ্যাসিড (এইচএ), গ্লাইকোলিক অ্যাসিড, বেটা হাইড্রোক্সি (বিএইচএ) এবং স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। শুধু তাই নয় এসব উপাদান আছে এরকম পরিষ্কারক থেকে শুরু করে এক্সফলিয়েটর ও নিত্য ব্যবহার্য প্রসাধনী ব্যবহার করুন। এটা ত্বক প
ওজন কমাতে ফল যখন অন্তরায়

ওজন কমাতে ফল যখন অন্তরায়

ফলের তৈরি খাবার বা প্রক্রিয়াজাত ফলের পানীয়তে পুষ্টি উপাদান থাকে না, বরং তা ওজন বাড়ায়।   পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ওজন কমাতে  ফল যেভাবে বাধা দেয়া তার কয়েকটি নমুনা এখানে দেওয়া হল।   ফলের সালাদ: খুব ভালোভাবে পরিবেশন করা ফলের সালাদ খেতে সুস্বাদু হলেও তা ওজন কমাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। কারণ সালাদ তৈরির অন্যান্য উপকরণ থেকে অতিরিক্ত ফ্রুকটোজ দেহে ঢোকে। তাই ফলের সালাদের পরিবর্তে কেবল তাজা ফল খান।   ফলের জুস: ফল থেকে তৈরি জুস বা শরবত চিনিতে ভরপুর এবং এতে তাজা ফলের কোনো আঁশ ও খনিজ উপাদান থাকে না। প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা ফলের জুস বরং ওজন বৃদ্ধি করে।   শুকনা ফল: পানি বের করে দিয়ে শুকনা ফল তৈরি করা হয়। তাই শুকনা ফলে ক্যালরি ও চিনি জমাট বাঁধা থাকে। এক কাপ কিশমিশ খাওয়া মানে হল প্রায় ৫শ’ গ্রাম ক্যালরি গ্রহণ করা। তাছাড়া অনেক শুকন
সর্দি সারানোর উপায়

সর্দি সারানোর উপায়

গরম-ঠান্ডার এই সময়ে হুট করেই ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। সর্দির বিরক্তিকর যন্ত্রণা আর সেইসঙ্গে মাথাব্যথা তো রয়েছেই। আর সেখান থেকে একবার কাশি বসে গেলে তো কথাই নেই! যন্ত্রণার একশেষ যেন! তবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে মেনে চলতে পারেন কিছু ঘরোয়া উপায়।   রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাঁটি সরিষার তেল হাতে নিয়ে নিঃশ্বাসের সঙ্গে টানুন, নাভিতে, পায়ের তলায় ও মাথার তালুতে মালিশ করুন। সর্দি অনেকটাই সেরে যাবে।   সর্দি সারাতে কালোজিরার তেল খুব ভালো কাজে দেয়। তবে এই তেলে বেশ ঝাঁজ থাকে। কালোজিরার তেল না পেলে একটি রুমাল/কাপড়ে কালো জিরা নিয়ে কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে নাক দিয়ে টানুন। এতেও সর্দি দূর হবে।   আরও পড়ুন: ইফতার হোক স্বাস্থ্যকর প্রতিদিন সময়মতো গোসল করলে সর্দি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। আদা দিয়ে রং চা খেতে পারেন।   গোসলের পর ভালো করে চুল শুকান। যাদের নিয়মিত সর্দি থাকে তাদের
ফুসফুস ভালো রাখবে পালং শাক

ফুসফুস ভালো রাখবে পালং শাক

সবুজ শাকের ভেতরে পালং শাকের চাহিদা বরাবরই বেশি। এটি রান্না করে, স্যুপ বানিয়ে, সালাদে কিংবা পাকোড়া বানিয়ে- অনেকভাবেই খাওয়া যায়। পালং শাকের রয়েছে প্রচুর উপকারিতা। তাই নানারকম অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে থাকতে খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন এই সবুজ শাকটি।   আরও পড়ুন: ব্যথা কমাবে টক দই প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে প্রোটিন আছে ২.০ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট আছে ২.৮ গ্রাম, আঁশ আছে ০.৭ গ্রাম, আয়রন ১১.২ মি. গ্রাম, ফসফরাস আছে ২০.৩ মি. গ্রাম, অ্যাসিড (নিকোটিনিক) ০.৫ মি. গ্রাম, রিবোফ্লোবিন থাকে .০৮ মি. গ্রাম, অক্সালিক অ্যাসিড থাকে ৬৫২ মি. গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৭৩ মি. গ্রাম, পটাশিয়াম ২০৮ মি. গ্রা, ভিটামিন-এ আছে ৯৩০০ আই. ইউ, ভিটামিন সি ২৭ মি. গ্রা, থায়ামিন আছে .০৩ মি. গ্রা।       পালং শাক শরীরের অন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। অন্ত্রের ভেতরে জমে থাকা মল সহজে বের করে দেয়। ডায়াবেটি
ইফতারে যেসব ফল রাখবেন

ইফতারে যেসব ফল রাখবেন

রোজায় আমাদের শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সাহরিতে খুব বেশি পানি খাওয়া সম্ভব হয় না। তাই পানি বেশি খেতে হবে ইফতারের সময়। কিন্তু শুধু পানি বা শরবতও একবারে অনেকখানি খাওয়া যায় না। তাই এমনকিছু খেতে হবে যাতে পানির পরিমাণ বেশি। তাই প্রতিদিনের ইফতারে রাখতে পারেন বিভিন্নরকম ফল। চলুন জেনে নেই কোন ফলগুলো ইফতারে রাখলে তা আপনার শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে-   আরও পড়ুন: ইফতার হোক স্বাস্থ্যকর কমলায় রয়েছে ৮০% পানি যা এই গরমে আপনার শরীরকে হাইড্রেইটেড রাখবে। এছাড়া এতে রয়েছে পটাসিয়াম, ভিটামিন বি১, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম ও কপার। ইফতারিতে পান করতে পারেন এক গ্লাস কমলার রস। আর কমলা দিয়ে অনেক ধরনের জুস, স্মুদি, মুজ ইত্যাদি বানিয়ে নিতে পারেন অনায়াসেই।   শসায় আছে ৯৫% পানি, ভিটামিনস ও মিনারেলস ফলে শসা খেলে শরীর ভিতর থেকে ঠান্ডা করে থাকে। এতে ক্যালরি কম থাকে আর ফাইবার থাকে, ফলে ওজন কমাতে
চুল কাটুন মুখের গড়ন বুঝে

চুল কাটুন মুখের গড়ন বুঝে

ঈদে নতুন পোশাকের পাশাপাশি সাজেও আনা চাই নতুনত্ব। প্রসাধনী তো বটেই, পরিবর্তন আনুন চুলের কাটেও। সব সময় একঘেয়েমি চুলের কাট দিতে দিতে বিরক্ত আপনি হতেই পারেন। তাই পুরনো হেয়ারস্টাইল বদলে নতুন কোনো কাট দিন। তবে তার আগে একটি কথা আছে। হেয়ারকাট দিতে হবে আপনার মুখের গড়ন বুঝে। অর্থাৎ আপনার চেহারার সঙ্গে মানানসই না হলে সময়, খরচ, পরিশ্রম সবই জলে যাবে। তাই চুল কাটার আগে জেনে নিন কোন গড়নের চেহারার জন্য কেমন হেয়ার কাট মানানসই-   আরও পড়ুন: ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করার উপায়         রাউন্ড শেপ গোল মুখের জন্য লম্বা চুল সব থেকে বেশি মানায়। সামনে বেশি ছোট করে চুল কাটবেন না, এতে মুখ বেশি ছোট আর গোল দেখাবে। সাইড-সোয়েপ্ট লং হেয়ার কাট সব থেকে ভালো এই শেপের মুখের জন্য। মিডিয়াম লেন্থ চুল রাখতে থুতনির নিচ থেকে লেয়ার কাট করতে পারেন। এতে মুখ লম্বা দেখাবে। কোঁকড়া চুলে এটা বে
ক্যান্সারের ঝুঁকিতে যারা

ক্যান্সারের ঝুঁকিতে যারা

রোগ হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ থাকলেও ক্যান্সার কার হবে সেটা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। তারপরও বিশেষজ্ঞারা কিছু বিষয় চিহ্নিত করেছেন।   কয়েকটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়- বংশগত, শারীরিক কিংবা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।   ​যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়   শরীরে কোষ জন্মায়, বয়ঃপ্রাপ্ত হয় এবং মারা যায়। যদি দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মারা না যায়, তাহলে তা জমাট বেঁধে থাকে। এই জমাট বাঁধা কোষ টিউমারে পরিণত হয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।   ​​যদি পুরুষ হন   লিঙ্গ নির্ধারণে আমাদের কারও কোনো হাত নেই।   লন্ডনের ‘লিডস মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটি’র ‘ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে’র সঙ্কলিত প্রতিবেদনে ‘মেন’স হেল্থ ফোরাম অ্যান্ড ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনটিলিজেন্স নেটওয়ার্ক’ জানায়, নারীদের তুলনায় ৪০ শত
ইফতারে ঠান্ডা ঠান্ডা পেয়ারার শরবত

ইফতারে ঠান্ডা ঠান্ডা পেয়ারার শরবত

বড় সাইজের কাজী পেয়ারা কিনতে পাওয়া যায় সারা বছরই। ইফতারে তাজা ফলের শরবত রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। সেই তালিকায় রাখতে পারেন পেয়ারার শরবত। খেতে দারুণ সুস্বাদু এই শরবত সারাদিনের রোজার শেষে দেবে প্রশান্তি। রইলো রেসিপি-   আরও পড়ুন: রমজানে দূর হোক পানি শূন্যতা উপকরণ: বড় পেয়ারা- ২টি, চিনি- এক কাপ, পুদিনা পাতা- ১ মুঠো, ১টি লেবুর রস, মধু- ১টেবিল চামচ, ঠান্ডা পানি, আইস কিউব, লবণ স্বাদমতো, কাঁচামরিচ- ১টি।       আরও পড়ুন: আমের মোরব্বা তৈরি করবেন যেভাবে প্রণালি: পেয়ারা কেটে ভেতরের বীজ ফেলে দিন। ছোট টুকরো করে একটি বোলে নিয়ে চিনি নিয়ে মাখিয়ে ৫ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন চিনি গলে মেশা না পর্যন্ত। ১ ঘণ্টা পর পর নেড়ে দিতে হবে চামচ দিয়ে। এবার তাতে লেবুর রস, কাঁচামরিচ, মধু ও পুদিনা পাতা মেশান ভালো করে। ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন পানি ছাড়া। ছেঁকে একটি বোলে রসটি
ভিনেগারের কিছু অজানা ব্যবহার

ভিনেগারের কিছু অজানা ব্যবহার

আচার তৈরিতে কিংবা মজাদার অনেক রান্নায়ই প্রয়োজন পড়ে ভিনেগারের। রান্না-বান্নার কাজসহ সৌন্দর্য চর্চায়ও ভিনেগার ব্যবহার করা হয়। ভিনেগারের আরও একটি ব্যবহার হচ্ছে ঘর পরিষ্কারের কাজে। অনেক কম সময়ে ভিনেগারের মাধ্যমে সহজেই আপনি আপনার ঘরকে করে তুলতে পারবেন পরিষ্কার ঝকঝকে।   ঘরের জানালা ও আয়না পরিষ্কারের জন্য সমপরিমাণ পানি আর ভিনেগার মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে স্প্রে করুন। তারপর পরিষ্কার কাপড় অথবা খবরের কাগজ দিয়ে মুছে ফেলুন। স্প্রে বোতল না থাকলে অল্প করে মিশ্রণটি আয়না অথবা জানালায় ছিটিয়ে দিলেও হবে।   আরও পড়ুন : গাড়িতে বমি ভাব দূর করার উপায় পেঁয়াজ রসুনের মতো ঝাঁঝালো গন্ধবিশিষ্ট কিছু কাটার পর হাত কিংবা ছুরি থেকে এর গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে ভিনেগার ব্যবহার করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।   ফ্রিজের ওপরে অনেক সময়েই ময়লা জমে দাগ পরে যায়। এই দাগ খুব সহজেই কেটে উঠে না। এ
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে মেথির ফেসপ্যাক

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে মেথির ফেসপ্যাক

মেথি চুলের যত্নে খুবই উপকারি কিন্তু এটি যে ত্বকের যত্নেও সমানভাবে কার্যকর সেটা হয়তো অনেকেরই অজানা। মেথির স্বাদ তিতা হলেও এটি চুলকে যতটা উজ্জ্বল করে তেমনি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। মেথি শাক ও মেথি বীজ শরীরের রক্ত শোধন করে, ভেতর থেকে ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। সুতরাং ত্বক ও চুলের যত্নের পাশাপাশি মেথিকে রাখুন আপনার খাদ্যতালিকায় এবং প্রতিদিন ত্বককে করে তুলুন আরো সুন্দর, আরও প্রাণবন্ত। চলুন জেনে নেই মেথি দিয়ে কয়েকটি ফেসপ্যাক তৈরি ও তার ব্যবহার সম্পর্কে-   আরও পড়ুন: লম্বা চুল পেতে করণীয়   মেথি ও টক দই: টকদই যে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে খুব সহায়ক এটা আমরা অনেকেই জানি। এই টক দই যদি মেথির সাথে ব্যবহার করা হয় তাহলে তা আরো অধিক পরিমাণে ফলদায়ক হবে। ১ টেবিল চামচ মেথি গুড়া করে বা পেস্ট বানিয়ে এর সাথে সমপরিমাণ টকদই মিশিয়ে নিন। তারপর মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট।