লাইফ ষ্টাইল

জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের খরচ যেভাবে সামলাবেন

জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের খরচ যেভাবে সামলাবেন

এলাহি বিবাহ অনুষ্ঠানের খরচ অনেক। সেই খরচ বহন করার ক্ষমতা বা ইচ্ছে থাকে না অনেকেরই। এখানে রইল ৮টি পরামর্শ যেগুলি আপনার বিয়ের বাজেট ম্যানেজের ক্ষেত্রে কাজে আসবে। বিয়ের খরচ সামলানোর সহজ উপায়: ১. নিজে উপার্জন শু‌রু করার পর থেকেই বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য অল্প অল্প করে টাকা জমাতে শুরু করুন। কতদিন পরে বিয়ে করবেন, আনুমানিক কত খরচ হতে পারে বিয়েতে— সেই বিষয়গুলো মাথায় রেখে টাকা জমানো শুরু করে দিন। বিয়ের সময় দেখবেন বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট রেডি। ২. বাজেট সম্পর্কে একটা স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করে নিন। বাড়ি ভাড়ায় কত খরচ হবে, কত খরচ হতে পারে ক্যাটারারের পিছনে— এই সব হিসাব পাকা করে ফেলুন। অবশ্যই যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তার এবং দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও পরামর্শ করে নিন এই বিষয়ে। ৩. বছরের যেসব সময় বিয়ের পক্ষে ‘অফ সিজন’, বিয়ে করুন সেই সময়। খরচ এমনিতেই অনেক কমে যাবে। ৪. বিয়েতে নিমন্ত্রনের তালিকা খু
মুখে ও নাকে ব্ল্যাকহেড দূর করার সাধারণ ঘরোয়া উপায়।

মুখে ও নাকে ব্ল্যাকহেড দূর করার সাধারণ ঘরোয়া উপায়।

ব্ল্যাকহেড বা অবাঞ্চিত কালো লোম মুখের সৌন্দর্য ব্যহত করে। এই ব্ল্যাকহেড ঘরে বসে দূর করা সম্ভব, কিন্তু ত্বকের ধরণ বুঝে উপযুক্ত পন্থা গ্রহণ করতে হবে। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়, তবে প্যাকটি সপ্তাহে ৩-৫ বার, শুস্ক ও সংবেদনশীল ত্বকে সপ্তাহে ১ বার আর স্বাভাবিক ত্বকে সপ্তাহে প্রতিদিন প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। ব্ল্যাকহেড দূর করার বিভিন্ন প্যাক লেবু ও টক দই এর প্যাক: ২ চা চামচ ব্যসন, ৩ চা চামচ টক দই ও ১ চা চামচ লেবুর রস দিয়ে প্যাকটি তৈরি করতে হবে, যা ব্ল্যাকহেড আক্রান্ত জায়গায় ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে মুখটি ধুতে হবে, বেকিং পাউডারের প্যাক: ২ টে চামচ বেকিং পাউডার ও ৪ টে চামচ পানি মিশিয়ে প্যাকটি তৈরি করতে হবে এবং আক্রান্ত স্থানে মোটা করে লাগাতে হবে। ১০ -১২ মিনিট পর প্যাকটি শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখটি ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ডিমের প্যাক: অতিরিক্ত ঘন ব্ল্যাকহেড থাকল
এক গ্লাস পানিই যথেষ্ঠ আপনার পেটের মেদ কমাতে !!

এক গ্লাস পানিই যথেষ্ঠ আপনার পেটের মেদ কমাতে !!

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কী পান করেন? দুধ অথবা পানি, তাই তো? অনেকেই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ পান করে থাকেন। কেননা গরম দুধ আপনার স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারী তেমনি এটি দ্রুত ঘুম আনাতে সাহায্য করে। পেটের মেদ কমাতে চান? এর জন্য করছেন ব্যায়াম অথবা ডায়েট? কষ্টের দিন শেষ, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন এই পানীয়টি আর কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ! এই পানীয় পেটের মেদ কমানোর পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। চলুন জেনে নিই তৈরির প্রনালি। যা যা লাগবে: ১টি শসা এক মুঠো পার্সলি অথবা ধনেপাতা ১টি লেবু ১ টেবিল চামচ আদা কুচি ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জুস বা অ্যালোভেরা জেল ১/২ গ্লাস পানি যেভাবে তৈরি করবেন: ১। প্রথমে শসা, ধনেপাতা, আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। ২। তারপর এতে অ্যালোভেরা জেল, পানি দিয়ে আবার ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। খুব বেশি পাত
৫ মিনিটে তৈরি করুন কাগজের মত পাতলা মুচমুচে পেপার দোসা (রেসিপি ও ভিডিও)

৫ মিনিটে তৈরি করুন কাগজের মত পাতলা মুচমুচে পেপার দোসা (রেসিপি ও ভিডিও)

যতই চেষ্টা করুন না কেন, রেস্তরাঁর মত দোসা কেন যেন কিছুতেই তৈরি করা যায় না ঘরে। উপকরণ ঠিক, প্রণালি ঠিক। কিন্তু কাগজের মত পাতলা আর মুচমুচে হয় না কিছুতেই। কেন? কারণ দোসা তৈরি করার আছে একটি বিশেষ টেকনিক। এই উপায়ে তৈরি করলে মাত্র ৫ মিনিটেই আপনি তৈরি করতে পারবেন কাগজের মত পাতলা মুচমুচে পেপার দোসা। চলুন, শিখে নিই। উপকরণ- ১/২ কাপ চাল ৩/৪ কাপ মাসকলাই ডাল ১/২ কাপ চালের গুঁড়ো লবণ তেল বা ঘি রান্নার জন্য প্রণালি- -চাল ও ডালকে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ব্লেন্ডারে পিষে মিহি পেস্ট করে নিন। তারপর চালের গুঁড়ো ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। লবণ দিন। ব্যাস, আপনার দোসা তৈরি করা শুরু করুন এবার। কোন ফারমেনটেশন করতে হবে না। বিস্তারিত দেখে নিন এই ভিডিওতে।
নখের কোণা উঠা সমস্যা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

নখের কোণা উঠা সমস্যা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

নখের কোণায় প্রচণ্ড ব্যথা, একটু খেয়াল করতেই দেখলেন যে বেকায়দা ভাবে নখ বৃদ্ধি পেয়েছে আর ঢুকে যাচ্ছ মাংসের ভেতরে। এমন একটা স্থানে যে কেটে ফেলারও কোন উপায় নেই, কেননা তাতে মাংস কাটা পড়বে। এই সমস্যাটিকেই বাংলায় আমরা বলে থাকি “নখের কোণা ওঠা”। জেনে নিন ব্যথা কমানো ও ইনফেকশন প্রতিরোধ করার সহজ উপায় – – হাত বা পা উষ্ণ লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। যতটা সহ্য করতে পারেন, ততটা গরম পানি নেবেন। – কাজ শুরুর আগে মেনিকিউর সেট গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিন। – এবার পা/হাত ভালো করে মুছে নিন। মুছে নেয়ার পর নখ কাটুন। বেড়ে ওঠা বাড়তি নখ ও তার আশেপাশে যতটা সম্ভব কেটে ফেলুন। – এবার রয়ে যাওয়া বাড়তি নখ চিমটার সাহায্যে সামান্য উঁচু করে ধরুন এবং আরেকটি চিমটার সাহায্যে সামান্য একটু তুলো নখের নিচে গুঁজে দিন। খুব সাবধানে কাজটি করুন। এই কাজটি আপনার নখে ব্যথা হতে দেবে না। – যতদিন নখে
অনর্গল গ্রিন টি খেলে হিতে কিন্তু বিপরীত

অনর্গল গ্রিন টি খেলে হিতে কিন্তু বিপরীত

পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলার কিডনির কিছু সমস্যা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। ওষুধপত্র খেয়ে ঠিকঠাকই ছিলেন। হঠাৎই এক দিন পরীক্ষা করে দেখা গেল, তাঁর ক্রিয়েটিনিন এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। কী ভাবে এমন হল? শহরের নামী নেফ্রোলজিস্ট কোনও ব্যাখ্যাই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। মহিলার দৈনন্দিন রুটিন নিয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল, গত এক মাস ধরে দিনে একাধিক বার গ্রিন টি খাচ্ছেন তিনি! তৎক্ষণাৎ তা বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন ডাক্তারবাবু। কিছু দিন পর পরীক্ষা করে দেখা গেল, ক্রিয়েটিনিন আবার আগের জায়গায় ফিরেছে। তা হলে কি গ্রিন টি উপকারের বদলে অপকার করছে বহু ক্ষেত্রে? চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, তা নয়। গ্রিন টি-র প্রচুর উপকারের দিক রয়েছে। কিন্তু সেটাকে ঘিরে কিছু মানুষের অত্যুৎসাহই বিপদ ডেকে আনছে। কোলেস্টরল কমানো থেকে শুরু করে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখা— এমন হরেক সুফলের কথা শুনে অনেকেই দিনে অজস্র বার গ্রিন
মুক্তোর মতো সাদা ঝকঝকে দাঁত চাই? বাড়িতেই সহজে বানিয়ে নিন বেস্ট টুথপেস্ট

মুক্তোর মতো সাদা ঝকঝকে দাঁত চাই? বাড়িতেই সহজে বানিয়ে নিন বেস্ট টুথপেস্ট

সাদা ঝকঝকে দাঁত আমরা সবাই চাই | কিন্তু শুধুমাত্র টুথপেস্টের সাহায্য কোনদিনই তা পাবেন না | আজকে আমরা ঘরে তৈরি পাঁচটা পেস্টের হদিস দিলাম‚ যা দিয়ে দাঁত মাজলে এক সপ্তাহের মধ্যে মুক্তোর মতো সাদা ঝকঝকে দাঁত পাবেন | ১) স্ট্রবেরি পেস্ট : স্ট্রবেরিতে উপস্থিত ভিটামিন C খুব সহজেই আপনার দাঁত সাদা করে তুলবে | এছাড়াও মুখে সব সময় তাজাভাব থাকবে | স্ট্রবেরি লেবুর খোসা গুঁড়ো করা বেকিং সোডা লবঙ্গ তেল ২টো স্ট্রেবেরি‚ ১ চা চামচ লেবুর খোসার পাউডার‚ ১ চা চামচ বেকিং সোডা আর ৬ ফোঁটা লবঙ্গ তেল একসঙ্গে ভালো করে বেটে নিন | এই মিশ্রণ একটা পরিষ্কার পাত্রে করে ফ্রিজে রেখে দিন | রোজ এই মিশ্রণ দিয়ে অন্তত ২ মিনিট ধরে দাঁত মাজুন | ২) মিন্ট টুথপেস্ট : এই পেস্ট ব্যবহার করলে দাঁত তো সাদা হবেই এছাড়াও মুখের দুর্গন্ধও দূর হবে | যা যা লাগবে : পুদিনা পাতা মৌরী গুঁড়ো পেপারমিন্ট তেল এক মুঠো পুদিনা পাতায় ৭-৮
মাত্র ৫দিন কষ্ট করলেই পাবেন ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক

মাত্র ৫দিন কষ্ট করলেই পাবেন ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক

ত্বককে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় করার জন্য আমরা কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি। নানা রকম ক্রিম, তেল, সাবান, ফেসওয়াশ, পাউডার ইত্যাদি পাওয়া যায় শুধুমাত্র ত্বকের রঙ ফর্সা করার জন্য । ফর্সা হওয়া, কালো দাগ ও ব্রণ দূর করা কোনোকিছুই যেন আজকাল আর অসম্ভব নয়। অথচ ত্বকে মূল বিষয়টিই আমরা ভুলে যাচ্ছি। ত্বকের মূল সৌন্দর্য সেটাই যা আসে ভেতর থেকে। নানান ধরণের ক্রিম,লোশন, সাবান ব্যবহার করে নয়। ৫ দিন কিছু নিয়ম মেনে আপনি ও পেতে পারেন স্বাস্থ্যজ্জল সুন্দর ত্বক। রবিবার থেকে শুরু করুন বৃষ্পতিবার মধ্যে পেয়ে যাবেন সুন্দর, উজ্জ্বল, ফর্সা ত্বক। রবিবার – দৈনিক চার গ্লাস লেবু পানি পান করুন। এটি আপনার শরীরের বিষাক্ত টক্সিক দূর করে থাকে। এরপর এক্সফলিয়েট করতে হবে। ২ মিনিট মুখ,ও ঘাড় স্ক্রাব করুন। ভালো কোনো কোম্পানির স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন অথবা নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন স্ক্রাব। তবে স্ক্রাব খুব বেশী সময় ধরে করবেন না। তারপ
মাত্র এক রাতে ত্বক ফর্সা করার উপায়!

মাত্র এক রাতে ত্বক ফর্সা করার উপায়!

গ্রীষ্মের তাপদাহে সকলে অস্থির। এতে আমাদের শরীরের সাথে সাথে ত্বকের অনেক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। রোঁদের তাপে ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। হাত ও পায়ের ত্বকে যেন কালও রংয়ের আলাদা চামড়া যুক্ত হয়েছে। তবে মাত্র এক রাত চর্চা করলেই আপনি ত্বকের সেই কালও দাগ দূর করতে পারবেন। কিন্তু তা কীভাবে? আসুন জেনে নেয়া যাক- প্রয়োজনীয় উপকরণ: ১. দই ২. ময়দা ৩. মধু পদ্ধতি: ২ টেবিল চামচ দইয়ের সাথে ১ টেবিল চামচ ময়দা ও ১ টেবিল চামচ মধু ভালভাবে মিশিয়ে নিন। এবার, এই মিশ্রণ আপনার হাত ও পায়ের কালো স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এভাবে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর আলতো করে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বকের সকল দাগ দূর হবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
ঘরেই তৈরি করুন মজাদার গরম গরম সমুচা

ঘরেই তৈরি করুন মজাদার গরম গরম সমুচা

বিকেল বেলা একটু মুচমুচে কিছু না হলে কি চলে? একেবারেই না। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক রেস্টুরেন্টের মতো মজাদার ‘কিমা/সবজি সমুচা তৈরির সহজ রেসিপিটি। উপকরণ ময়দা ২ কাপ, তেল সিকি কাপ, লবণ ১ চা-চামচ, ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, পানি পরিমাণমতো, কাবাব মসলা ১ চা-চামচ, গরু বা মুরগির কিমা ৫০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ (কিউব কাট) ২ কাপ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ। প্রণালি – আদা, রসুন, লবণ, ১ টেবিল-চামচ তেল ও সামান্য পানি দিয়ে কিমা সেদ্ধ করে পানি শুকিয়ে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে পেঁয়াজ দিন। একটু নেড়ে সেদ্ধ কিমা, কাঁচা মরিচ কুচি ও কাবাব মসলা দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। – সমুচার রুটি তৈরির জন্য ময়দা, ১ চা-চামচ লবণ ও পানি দিয়ে খামির বানিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। খামির ৬টি ভাগে ভাগ করে পাতলা রুটি বেলে নিন। এবার একটি রুটি বিছিয়ে তার ওপ