সময়ের ছাত্রনেতা

আমার দেখা একজন গণতান্ত্রিক নেতা  মিজান

আমার দেখা একজন গণতান্ত্রিক নেতা মিজান

আবু সুফিয়ান প্রিন্স ::: ছাত্র রাজনিতীতে আদর্শ বলে একটা কথা ছিল । ছিল সিনিয়রদের সাথে কথা বলতে ভদ্রতাসূচক ব্যবহার । ছিল মত প্রকাশের ভাষা, ছিল গণতান্ত্রিক কর্মসূচী । যেমন কর্মিসভা, সাধারন সভা, জরুরী সভা এবং বর্ধিতসভা, জরুরী বর্ধিতসভা। প্রত্যেকটা কর্মসূচীর আালাদা অর্থ আছে যা গনতান্ত্রিক নিয়মে মত প্রকাশকে শানিত করে এবং গণতন্ত্রের পূর্ণতা দেয় । ছাত্ররাজনীতি যা দেয় তা অন্য উপায়ে পাওয়া যায় কিনতৃ দীর্ঘতর হয়না বা শিক্ষাকাল পর্যন্তই শেষ । আমাদের সমাজে বর্তমান ছাত্ররাজনিতী নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে । কিন্তু সমাধানের অনেক চেষ্টা থাকা অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না । তার কারণ তাদের সামনে কোন কর্মসূচী নাই যা আছে অভিভাবক সংগঠনের নেতার গ্রুপিংয়ের প্রয়োজনে । সেখানে আছে টেন্ডারবাজি , চাঁদাবাজি , ভাগবাটোয়ারা , ক্ষমতার দন্দ এই যা নিত্যদিনের কাজ । কিন্তু ছাত্ররাজনীতির সাথে পূরোটাই বেমানান। একজন মিজান এসব ক্ষ

উত্তম কুমার দাশের জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার গল্প

সুবিনয় মল্লিক ::: ৩৫ বিসিএস এ প্রশাসন ক্যাডারে চুড়ান্তভাবে মনোনীত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষের সমাজকর্ম বিভাগের ছাত্র উত্তম কুমার দাশ। ছাত্র-রাজনীতি করতে গিয়ে একটি পা ও হাতের একটি আঙ্গুল হারান উত্তম কুমার দাশ। তবুও কোন শক্তিই বাধা হতে পারে নি বিসিএস এর মত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায়। নিজ বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে খুবই সাদামাটা চলাফেরা, পড়ালেখা অার ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতি পুরোদমে চালিয়ে যাওয়া। উত্তম দাশ শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের একটি গ্রুপের গ্রুপনেতা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক যা ছাত্র-রাজনীতিতে পদপদবি ছিলো উত্তম কুমার দাশের। পারিবারিক ভাবে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান উত্তম কুমার দাশ। ব্যক্তিগত জীবনে বেশ জনপ্রিয় একজন ছাত্রনেতা। শাবিপ্রবি ছাত্