সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি

হবিগঞ্জস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নৌকা ভ্রমণ ও জন্মোৎসব উদযাপন

হবিগঞ্জস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নৌকা ভ্রমণ ও জন্মোৎসব উদযাপন

    জাতীয় পর্যায়ের সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সংগঠন "ভালবাসার গান কবিতা ও গল্পকথা- হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যেগে এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বাণিয়াচং এর হাওড় অঞ্চলে আয়োজন করা হয় "হবিগঞ্জস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে নৌকা ভ্রমণ ও জন্মোৎসব উদযাপন"।   গত ৫ জুলাই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহানের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা শাখা এই উদ্যোগটি গ্রহণ করে। এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে হবিগঞ্জের আরও কিছু সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে। উক্ত আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রিয় সমন্বয়ক ও নির্বাহী পরিচালক মনসুর আহমেদ, সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক কবি আখতারুজ্জামান সুমন,  বিভাগীয় পরিচালক কবি অপু চৌধুরী, হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক কবি এম এ ওয়াহিদ, দর্পন হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক সি এম রায়হান উজ্জল ও দর্পন পরিবার, সংগঠনের জেলা কম
সাহিত্য পত্রিকা ‘আমাদের গল্পকথা’র মোড়ক উন্মোচন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।

সাহিত্য পত্রিকা ‘আমাদের গল্পকথা’র মোড়ক উন্মোচন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।

সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ভালবাসার গান কবিতা ও গল্পকথা'র হবিগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে গত ২২জুন রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় সুরবিতান ললিতকলা একাডেমিতে আবৃত্তি প্রতিযোগীতা,সাহিত্য পত্রিকা আমাদের গল্পকথা'র মোড়ক উন্মোচন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।আমাদের গল্পকথার সম্পাদক আশীষ কুমার দাসের সঞ্চলনায় জেলা শাখার আহ্বায়ক মীর হাবিবুর ররহমান সুমনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠান এ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সংগঠক তাহমিনা বেগম গিনি,বিশিষ্ট সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল,বিশিষ্ট গবেষক সাইদুর রহমান,সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক কবি সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহান।বক্তব্য রাখেন কবি ইউনুছ আকমাল,কবি অপু চৌধুরী,নাট্যকার সিদ্দিকী হারুন,কবি ও সংগঠক এম এ ওয়াহিদ,কবি আব্দুল্লাহ আবীর,সংগঠক সি এম রায়হান উজ্জল,কবি ফয়েজ আহমেদ,কবি বীথি কবির,কবি রাজিয়া সুলতানা,সংগঠক আখতারউজ্জামান তরপদার জামান,সংগঠক আমিনুল ইস
ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন তথ্যমন্ত্রী

ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন তথ্যমন্ত্রী

কামরুজ্জামান হিমু   ‘ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু । মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে কবি ও সাংবাদিক সৌমিত্র দেব রচিত ‘ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি । সংসদ সদস্য ‍শিরিন আখতার এবং সাংবাদিক সুমন ঘোষ এসময় উপস্থিত ছিলেন। সৌমিত্র দেব জানান,জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জীবনী অল্প কথায় শিশুদের হাতে তুলে দেবার জন্য এই বই তিনি রচনা করেছেন । এ বছর স্বাধীনতা দিবসে বইটি প্রকাশ করা হয়েছে । বইটি প্রকাশ করেছে -শ্রেষ্ঠ প্রকাশ । দাম ৬০ টাকা ।  
স্বাধীনতা দিবসের কবিতা

স্বাধীনতা দিবসের কবিতা

তাঁরা আমাদের দেশ দিয়ে গেছেন পতাকা দিয়েছেন, মানচিত্র দিয়েছেন। আমাদের আগের প্রজন্ম, তাঁরা তাঁদের কাজ করে গেছেন। আমি তো ফারুক ইকবালের গল্প জানি, তিনি আবুজর গিফারী কলেজের ছাত্র ছিলেন, ১৯৭১ সালের মার্চের তিন তারিখে বঙ্গবন্ধুর জনসভায় যাওয়ার জন্য মিছিল নিয়ে বেরিয়েছিলেন মালিবাগ থেকে, রামপুরা টিভিভবনের সামনে পাকিস্তানি সৈন্যরা রাস্তা পাহারা দিচ্ছিল, চালাল গুলি, রাস্তায় পড়ে গেলেন ফারুক ইকবাল। পানি, একটু পানি—আর্তি শোনা গেল, জনতা ছুটল পানির খোঁজে, ফিরে এসে দেখল ফারুক ইকবাল বুকের রক্ত দিয়ে কালো রাজপথে লেখার চেষ্টা করছেন ‘জয় বাংলা’। আমি তো কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের কথা জানি, ১৯৭১-এর ২৬ মার্চ ভোরে পাকিস্তানি মিলিটারি তাঁর বাড়ি ঘেরাও করল, বুটের শব্দ খট খট খট, দরজায় আঘাত ঠক ঠক ঠক, তিনি দরজা খুললেন, তারা বলল, বল, পাকিস্তান জিন্দাবাদ, তিনি বললেন, এক দফা জিন্দাবাদ, তারা বলল, বল, পাকিস্
গোর্কিকে ফিরে দেখা

গোর্কিকে ফিরে দেখা

মাঝেমধ্যে অনেক আফসোস আমাদের গ্রাস করে; অনেক ‘যদি’র আবর্তে আমরা ঘুরপাক খাই। যেমন ম্যাক্সিম গোর্কি যদি দেড় শ বছর বেঁচে থাকতেন কিংবা তাঁর জীবদ্দশায় যদি দেড় শ বছরের কেকটি তিনি কাটতে পারতেন, কী চমৎকার ব্যাপারটিই না ঘটত! এত দিনে নিশ্চয়ই আরও মহান কিছু লিখে ফেলতেন। আরও কত কী! এতসব ‘যদি’ আপাতত বাদ দিই। এই মাসের ২৮ তারিখ এই রুশ লেখক ম্যাক্সিম গোর্কির সার্ধশত জন্মবার্ষিকী। আগে আপাতত তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছ জানাই। গোর্কি সম্পর্কে বয়ঃকনিষ্ঠ, বয়সে ৩২ বছরের ছোট ও স্নেহধন্য লেখিকা নিনা বের্বিয়েরভা সুতীক্ষ্ণ এক মন্তব্য করেছিলেন, ‘গোর্কির সঙ্গে তর্ক করা এক অসম্ভব ব্যাপার। আপনি তো কোনো রকমেই তাঁকে আপনার মতো টানতে পারবেন না। কারণ, না-পছন্দের জিনিস না শোনা এবং যে প্রশ্নের জবাব তাঁর জানা নেই, সেই প্রশ্ন একেবারেই কানে না তোলার এক অত্যাশ্চর্য ক্ষমতা তাঁর আছে।’ রুশ বলশেভিক বিপ্লব যখন ঘটছে, সেই ১৯১৭ সালে গোর্কির ব
বৃত্তের সাহসিকতার গল্প

বৃত্তের সাহসিকতার গল্প

দুটি প্যান্ট, তিনটি টি-শার্ট, তোয়ালে আর একটা গল্পের বই...সব সুন্দর করে গুছিয়ে ব্যাগটার মধ্যে ভরল বৃত্ত। আর সবার ওপরে রাখল বাংলাদেশের পতাকাটা। আজ অনেক দূর যেতে হবে তাকে। সেই সুদূর নেপাল। ছোটবেলা থেকে বৃত্তের স্বপ্ন, সে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পর্বত, মাউন্ট এভারেস্ট জয় করবে। বৃত্ত বাংলাদেশ থেকে এ বিষয়ে ট্রেনিং করেছে। যদিও প্রথমে কেউ তাকে এই দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার অনুমতি দেয়নি। তবুও সে সবাইকে রাজি করিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে সব প্রস্তুতি নেওয়া শেষ। এবার গন্তব্য—নেপাল। কারও কথার তোয়াক্কা না করে বৃত্ত উড়াল দিল। নানা ঝক্কি ঝামেলা পেরিয়ে পৌঁছাল এভারেস্টের কাছাকাছি। বৃত্ত শুনেছে, এখানে যারা আসে তারা আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নেয়। কিন্তু সে দমে যায়নি। এক বুক সাহস নিয়ে বৃত্ত এগিয়ে চলল এভারেস্ট জয়ের উদ্দেশ্যে।এই যাত্রায় তার সঙ্গী হলো চারজন। ওরা পাঁচজন মিলে কেনাকাটা সেরে নিল। অক্সিজেন সিলিন্ডার নিল। কারণ পৃ
গদ্য ছন্দের ব্যবহার অপব্যবহার

গদ্য ছন্দের ব্যবহার অপব্যবহার

কিন্তু যখনই আলাপকালে এই কাব্য সিদ্ধির পরিধি আলোচনায় লিপ্ত হয়েছি তখনই জানতে পেরেছি যে, এরা এমনকি ছন্দ সমন্ধে প্রাথমিক ধারণাটুকুও রাখে না। ছন্দের দুর্বলতা ঢাকতেই গদ্য ছন্দ অবলম্বন করে যা লিখছে সেটাকেই আধুনিক কবিতার আঙ্গিক বলে দুর্বলতা ঢাকতে চাইছেন। গদ্যের রহস্যময় ছন্দ রয়েছে এটা তাদের আয়ত্তেও নেই। অথচ নিকট দূর প্রায়শ পূর্বসুরির সমালোচক অস্বীকারের মধ্যে এদের সাহিত্যে বিজয় দেখতে পাই।’ (আল মাহমুদ, দিশেহারা কবির দল, কবির আত্মবিশ্বাস) বেশ কিছু দিন যাবৎ মনে হচ্ছে, সাম্প্রতিক কালের কয়েকজন তরুণ কবিরা ছন্দ নিয়ে ভাবছেন। ভাবনার নেপথ্যে কি কারণ কাজ করছে সেটা এখনো অজানা। কবিতা লিখতে গেলে অবশ্যই ছন্দ জানতে হয়। আর তাই কবি মাত্রই ছন্দ জানবেন সেটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশে তুলনামূলকভাবে কবির সংখ্যা বেশি। তবে ভালো কবির সংখ্যা বলতে গেলে হাতেগোনা। মার্কিন কবি রবার্ট ফ্রস্ট তার একটি কাব্য গ্রন্থ প্রকাশ করতেন আটÑদ
কারাগার, রবীন্দ্রসংগীত ও রোগ-জীবাণু

কারাগার, রবীন্দ্রসংগীত ও রোগ-জীবাণু

বারবাড়ির বাংলাঘরের জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আলহাজ মীর মোর্তুজা সাহেব চিন্তিত মুখে তাঁর বসতবাড়ির চারপাশে দূরে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা বন্দুকধারী পুলিশদের দিকে নজর করে তাকান। তাঁকে একটু অধৈর্য দেখায়। প্রায় আধা ঘণ্টা আগে পারিবারিক কর্মচারী নুরুল্লাকে সাইকেলে বাজারে পাঠিয়েছেন দারোগার জন্য দুই প্যাকেট ক্যাপস্টেন সিগারেট আনাতে। বেকুবটা এখনো ফিরে আসেনি দেখে বিরক্ত লাগে। বেলা তেমন হয়নি। বাড়ির চারদিকে ফসলের মাঠে ধানের সোনালি-সবুজ শিষে লেগে থাকা শিশিরবিন্দুতে ছড়াচ্ছে রংধনুর অলীক আভা। ছাতিমহাটা গ্রামের মানুষজন কেবল জেগে উঠেছে। টেকো মাথার দুজন চাষিকে দেখা যাচ্ছে আলপথ ধরে হেঁটে যেতে। শিরীষগাছের তলায় সাদা রঙের হিলম্যান হান্টার গাড়িটি ভোরের আলোয় ঝলমল করছে। তাতে বাড়ির ঝি-বেটি শুকাতে দিয়েছে বেগুনি রঙের ভেজা শাড়ি। এই দৃশ্যে হাজি সাহেবের মনে বলকে ওঠে ক্রোধ, বেটি কাপড় মেলে দেওয়ার আর কোনো জায়গা পায়নি। ইচ্ছা হয় তার ঘেটি
নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন পালন

নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন পালন

ঢাকা সংবাদদাতাঃ গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় গতকাল গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৬৯তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ছিল কেক কাটা, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ নানা কর্মসূচি। এ আয়োজনে তার স্মৃতি আর ব্যবহৃত জিনিসপত্র সংরক্ষণে নুহাশ পল্লীতে জাদুঘর নির্মাণের কথা বলেছেন হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। সকাল থেকে শীতের কুয়াশা মাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা। সাইকেল, বাসে চড়ে হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমু পরিবারের সদস্যরাও এসেছিলেন। কবরে ফুল দিয়ে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সাংবাদিক, লেখক, সাহিত্যিকসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে হুমায়ূন আহমেদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তারা। যথাযথ মর্যাদায় জন্মদিন পালনের লক্ষ্যে প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিদকে সঙ্গে নিয়ে নুহাশ প
লেখক বঙ্গবন্ধু

লেখক বঙ্গবন্ধু

পৃথিবীর সব ইতিহাস সৃষ্টিকারী রাষ্ট্রনায়কই মূলত লেখক, দার্শনিক বা চিন্তক; তা না হলে তিনি শুধুই রাজনীতিক মাত্র। ফলে সংস্কৃতিমনস্কতা তাঁদের ব্যক্তিত্ব গঠনে মৌলিক ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রাচীনকাল থেকেই যেসব রাজনৈতিক নেতা রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা, দূরদৃষ্টি, রাষ্ট্রদর্শন ও মানবিকতার আদর্শগত তাত্ত্বিকতায় ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছেন, তাঁরা লেখক-বুদ্ধিজীবী ও চিন্তানায়ক হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেছেন। প্রাচীন এথেন্সের রাষ্ট্রনায়ক পেরিক্লিস থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন, টমাস জেফারসন, আব্রাহাম লিংকন, ইংল্যান্ডের উইনস্টন চার্চিল, ভারতের মহাত্মা গান্ধী ও পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বা সেনেগালের লিওপল্ড সেদর সেংঘর বা দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা—তাঁরা সবাই-ই খ্যাতকীর্তি রাষ্ট্রনায়ক, স্বাধীনতাসংগ্রামী বা মানবতাবাদী লেখক-দার্শনিক এবং সংস্কৃতিতাত্ত্বিক ও ইতিহাস-ব্যাখ্যাতা। অত্যন্ত শ্লাঘার বিষয়, আমাদের বাং