সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি

কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা শুরু ২ নভেম্বর

কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা শুরু ২ নভেম্বর

কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা শুরু হচ্ছে ২ নভেম্বর শুক্রবার থেকে। ৯ দিনব্যাপী এই মেলা চলবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত। মেলা এবারেরও বসবে কলকাতার রবীন্দ্র সদনের কাছে ঐতিহ্যবাহী মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে। বাংলাদেশে প্রকাশিত বিভিন্ন বই নিয়ে প্রতিবছর আয়োজিত এই বইমেলা এবার ৮ম বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে। এবারের বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। সভাপতিত্ব করবেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান। থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের শিল্পসাহিত্য মহলের অনেকেই। প্রতিদিন এই মেলা চলবে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। তবে শনি ও রোববার মেলা চলবে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। বাংলাদেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণ
‘চাননি পসর রাইতে’ মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা ও একজন হুমায়ূন আহমেদ

‘চাননি পসর রাইতে’ মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা ও একজন হুমায়ূন আহমেদ

জহিরুল হক মজুমদার: আমার শিক্ষক ছিলেন অধ্যাপক হুমায়ূন আহমেদ। না ক্লাসের শিক্ষক নন। রসায়ন আমার সাবসিডিয়ারি বিষয় ছিল। কিন্তু হুমায়ূন স্যার এর ক্লাস কখনো পাইনি। আমি ছিলাম শহীদুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র। আর স্যার ছিলেন সেই হলের হাউজ টিউটর। সাবসিডিয়ারি ক্লাস ছাড়া ভিন্ন বিভাগের শিক্ষকের সাথে সংযোগ ঘটার একটি প্রধান জায়গা হচ্ছে আবাসিক হল। হুমায়ূন স্যারের সাথে আমার সংযোগের জায়গাটি ছিল শহীদুল্লাহ হল। কিন্তু খুব বেশী কিছু সরাসরি সংযোগ যে ছিল তা নয়। তিনি আমার ব্লকের সরাসরি হাউজ টিউটর ছিলেন না। কিন্তু আমরা সবাই পুলকিত বোধ করতাম এবং কখনো কখনো গর্বের সাথে বাইরে বলে বেড়াতাম যে হুমায়ূন আহমেদ আমাদের হাউজ টিউটর। আমরা যারা নব্বই দশকের একেবারে শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম, তারা প্রায় সবাই আমাদের কলেজ জীবন থেকে লেখক হুমায়ূন আহমেদকে চিনতাম। তাঁর অনেক বই কলেজ জীবনেই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি বইয়ের জন্য নির্
হবিগঞ্জস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নৌকা ভ্রমণ ও জন্মোৎসব উদযাপন

হবিগঞ্জস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নৌকা ভ্রমণ ও জন্মোৎসব উদযাপন

    জাতীয় পর্যায়ের সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সংগঠন "ভালবাসার গান কবিতা ও গল্পকথা- হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যেগে এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বাণিয়াচং এর হাওড় অঞ্চলে আয়োজন করা হয় "হবিগঞ্জস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে নৌকা ভ্রমণ ও জন্মোৎসব উদযাপন"।   গত ৫ জুলাই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহানের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা শাখা এই উদ্যোগটি গ্রহণ করে। এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে হবিগঞ্জের আরও কিছু সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে। উক্ত আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রিয় সমন্বয়ক ও নির্বাহী পরিচালক মনসুর আহমেদ, সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক কবি আখতারুজ্জামান সুমন,  বিভাগীয় পরিচালক কবি অপু চৌধুরী, হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক কবি এম এ ওয়াহিদ, দর্পন হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক সি এম রায়হান উজ্জল ও দর্পন পরিবার, সংগঠনের জেলা কম
সাহিত্য পত্রিকা ‘আমাদের গল্পকথা’র মোড়ক উন্মোচন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।

সাহিত্য পত্রিকা ‘আমাদের গল্পকথা’র মোড়ক উন্মোচন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।

সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ভালবাসার গান কবিতা ও গল্পকথা'র হবিগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে গত ২২জুন রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় সুরবিতান ললিতকলা একাডেমিতে আবৃত্তি প্রতিযোগীতা,সাহিত্য পত্রিকা আমাদের গল্পকথা'র মোড়ক উন্মোচন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।আমাদের গল্পকথার সম্পাদক আশীষ কুমার দাসের সঞ্চলনায় জেলা শাখার আহ্বায়ক মীর হাবিবুর ররহমান সুমনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠান এ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সংগঠক তাহমিনা বেগম গিনি,বিশিষ্ট সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল,বিশিষ্ট গবেষক সাইদুর রহমান,সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক কবি সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহান।বক্তব্য রাখেন কবি ইউনুছ আকমাল,কবি অপু চৌধুরী,নাট্যকার সিদ্দিকী হারুন,কবি ও সংগঠক এম এ ওয়াহিদ,কবি আব্দুল্লাহ আবীর,সংগঠক সি এম রায়হান উজ্জল,কবি ফয়েজ আহমেদ,কবি বীথি কবির,কবি রাজিয়া সুলতানা,সংগঠক আখতারউজ্জামান তরপদার জামান,সংগঠক আমিনুল ইস
ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন তথ্যমন্ত্রী

ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন তথ্যমন্ত্রী

কামরুজ্জামান হিমু   ‘ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু । মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে কবি ও সাংবাদিক সৌমিত্র দেব রচিত ‘ছোটদের বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি । সংসদ সদস্য ‍শিরিন আখতার এবং সাংবাদিক সুমন ঘোষ এসময় উপস্থিত ছিলেন। সৌমিত্র দেব জানান,জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জীবনী অল্প কথায় শিশুদের হাতে তুলে দেবার জন্য এই বই তিনি রচনা করেছেন । এ বছর স্বাধীনতা দিবসে বইটি প্রকাশ করা হয়েছে । বইটি প্রকাশ করেছে -শ্রেষ্ঠ প্রকাশ । দাম ৬০ টাকা ।  
স্বাধীনতা দিবসের কবিতা

স্বাধীনতা দিবসের কবিতা

তাঁরা আমাদের দেশ দিয়ে গেছেন পতাকা দিয়েছেন, মানচিত্র দিয়েছেন। আমাদের আগের প্রজন্ম, তাঁরা তাঁদের কাজ করে গেছেন। আমি তো ফারুক ইকবালের গল্প জানি, তিনি আবুজর গিফারী কলেজের ছাত্র ছিলেন, ১৯৭১ সালের মার্চের তিন তারিখে বঙ্গবন্ধুর জনসভায় যাওয়ার জন্য মিছিল নিয়ে বেরিয়েছিলেন মালিবাগ থেকে, রামপুরা টিভিভবনের সামনে পাকিস্তানি সৈন্যরা রাস্তা পাহারা দিচ্ছিল, চালাল গুলি, রাস্তায় পড়ে গেলেন ফারুক ইকবাল। পানি, একটু পানি—আর্তি শোনা গেল, জনতা ছুটল পানির খোঁজে, ফিরে এসে দেখল ফারুক ইকবাল বুকের রক্ত দিয়ে কালো রাজপথে লেখার চেষ্টা করছেন ‘জয় বাংলা’। আমি তো কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের কথা জানি, ১৯৭১-এর ২৬ মার্চ ভোরে পাকিস্তানি মিলিটারি তাঁর বাড়ি ঘেরাও করল, বুটের শব্দ খট খট খট, দরজায় আঘাত ঠক ঠক ঠক, তিনি দরজা খুললেন, তারা বলল, বল, পাকিস্তান জিন্দাবাদ, তিনি বললেন, এক দফা জিন্দাবাদ, তারা বলল, বল, পাকিস্
গোর্কিকে ফিরে দেখা

গোর্কিকে ফিরে দেখা

মাঝেমধ্যে অনেক আফসোস আমাদের গ্রাস করে; অনেক ‘যদি’র আবর্তে আমরা ঘুরপাক খাই। যেমন ম্যাক্সিম গোর্কি যদি দেড় শ বছর বেঁচে থাকতেন কিংবা তাঁর জীবদ্দশায় যদি দেড় শ বছরের কেকটি তিনি কাটতে পারতেন, কী চমৎকার ব্যাপারটিই না ঘটত! এত দিনে নিশ্চয়ই আরও মহান কিছু লিখে ফেলতেন। আরও কত কী! এতসব ‘যদি’ আপাতত বাদ দিই। এই মাসের ২৮ তারিখ এই রুশ লেখক ম্যাক্সিম গোর্কির সার্ধশত জন্মবার্ষিকী। আগে আপাতত তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছ জানাই। গোর্কি সম্পর্কে বয়ঃকনিষ্ঠ, বয়সে ৩২ বছরের ছোট ও স্নেহধন্য লেখিকা নিনা বের্বিয়েরভা সুতীক্ষ্ণ এক মন্তব্য করেছিলেন, ‘গোর্কির সঙ্গে তর্ক করা এক অসম্ভব ব্যাপার। আপনি তো কোনো রকমেই তাঁকে আপনার মতো টানতে পারবেন না। কারণ, না-পছন্দের জিনিস না শোনা এবং যে প্রশ্নের জবাব তাঁর জানা নেই, সেই প্রশ্ন একেবারেই কানে না তোলার এক অত্যাশ্চর্য ক্ষমতা তাঁর আছে।’ রুশ বলশেভিক বিপ্লব যখন ঘটছে, সেই ১৯১৭ সালে গোর্কির ব
বৃত্তের সাহসিকতার গল্প

বৃত্তের সাহসিকতার গল্প

দুটি প্যান্ট, তিনটি টি-শার্ট, তোয়ালে আর একটা গল্পের বই...সব সুন্দর করে গুছিয়ে ব্যাগটার মধ্যে ভরল বৃত্ত। আর সবার ওপরে রাখল বাংলাদেশের পতাকাটা। আজ অনেক দূর যেতে হবে তাকে। সেই সুদূর নেপাল। ছোটবেলা থেকে বৃত্তের স্বপ্ন, সে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পর্বত, মাউন্ট এভারেস্ট জয় করবে। বৃত্ত বাংলাদেশ থেকে এ বিষয়ে ট্রেনিং করেছে। যদিও প্রথমে কেউ তাকে এই দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার অনুমতি দেয়নি। তবুও সে সবাইকে রাজি করিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে সব প্রস্তুতি নেওয়া শেষ। এবার গন্তব্য—নেপাল। কারও কথার তোয়াক্কা না করে বৃত্ত উড়াল দিল। নানা ঝক্কি ঝামেলা পেরিয়ে পৌঁছাল এভারেস্টের কাছাকাছি। বৃত্ত শুনেছে, এখানে যারা আসে তারা আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নেয়। কিন্তু সে দমে যায়নি। এক বুক সাহস নিয়ে বৃত্ত এগিয়ে চলল এভারেস্ট জয়ের উদ্দেশ্যে।এই যাত্রায় তার সঙ্গী হলো চারজন। ওরা পাঁচজন মিলে কেনাকাটা সেরে নিল। অক্সিজেন সিলিন্ডার নিল। কারণ পৃ
গদ্য ছন্দের ব্যবহার অপব্যবহার

গদ্য ছন্দের ব্যবহার অপব্যবহার

কিন্তু যখনই আলাপকালে এই কাব্য সিদ্ধির পরিধি আলোচনায় লিপ্ত হয়েছি তখনই জানতে পেরেছি যে, এরা এমনকি ছন্দ সমন্ধে প্রাথমিক ধারণাটুকুও রাখে না। ছন্দের দুর্বলতা ঢাকতেই গদ্য ছন্দ অবলম্বন করে যা লিখছে সেটাকেই আধুনিক কবিতার আঙ্গিক বলে দুর্বলতা ঢাকতে চাইছেন। গদ্যের রহস্যময় ছন্দ রয়েছে এটা তাদের আয়ত্তেও নেই। অথচ নিকট দূর প্রায়শ পূর্বসুরির সমালোচক অস্বীকারের মধ্যে এদের সাহিত্যে বিজয় দেখতে পাই।’ (আল মাহমুদ, দিশেহারা কবির দল, কবির আত্মবিশ্বাস) বেশ কিছু দিন যাবৎ মনে হচ্ছে, সাম্প্রতিক কালের কয়েকজন তরুণ কবিরা ছন্দ নিয়ে ভাবছেন। ভাবনার নেপথ্যে কি কারণ কাজ করছে সেটা এখনো অজানা। কবিতা লিখতে গেলে অবশ্যই ছন্দ জানতে হয়। আর তাই কবি মাত্রই ছন্দ জানবেন সেটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশে তুলনামূলকভাবে কবির সংখ্যা বেশি। তবে ভালো কবির সংখ্যা বলতে গেলে হাতেগোনা। মার্কিন কবি রবার্ট ফ্রস্ট তার একটি কাব্য গ্রন্থ প্রকাশ করতেন আটÑদ
কারাগার, রবীন্দ্রসংগীত ও রোগ-জীবাণু

কারাগার, রবীন্দ্রসংগীত ও রোগ-জীবাণু

বারবাড়ির বাংলাঘরের জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আলহাজ মীর মোর্তুজা সাহেব চিন্তিত মুখে তাঁর বসতবাড়ির চারপাশে দূরে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা বন্দুকধারী পুলিশদের দিকে নজর করে তাকান। তাঁকে একটু অধৈর্য দেখায়। প্রায় আধা ঘণ্টা আগে পারিবারিক কর্মচারী নুরুল্লাকে সাইকেলে বাজারে পাঠিয়েছেন দারোগার জন্য দুই প্যাকেট ক্যাপস্টেন সিগারেট আনাতে। বেকুবটা এখনো ফিরে আসেনি দেখে বিরক্ত লাগে। বেলা তেমন হয়নি। বাড়ির চারদিকে ফসলের মাঠে ধানের সোনালি-সবুজ শিষে লেগে থাকা শিশিরবিন্দুতে ছড়াচ্ছে রংধনুর অলীক আভা। ছাতিমহাটা গ্রামের মানুষজন কেবল জেগে উঠেছে। টেকো মাথার দুজন চাষিকে দেখা যাচ্ছে আলপথ ধরে হেঁটে যেতে। শিরীষগাছের তলায় সাদা রঙের হিলম্যান হান্টার গাড়িটি ভোরের আলোয় ঝলমল করছে। তাতে বাড়ির ঝি-বেটি শুকাতে দিয়েছে বেগুনি রঙের ভেজা শাড়ি। এই দৃশ্যে হাজি সাহেবের মনে বলকে ওঠে ক্রোধ, বেটি কাপড় মেলে দেওয়ার আর কোনো জায়গা পায়নি। ইচ্ছা হয় তার ঘেটি