সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি

বরিশালে অষ্টম মৃৎশিল্পী সম্মেলনের উদ্বোধন

বরিশালে অষ্টম মৃৎশিল্পী সম্মেলনের উদ্বোধন

মোঃআরিফ সুমন,বরিশাল : “মৃৎশিল্প আমাদের চিরন্তন ঐতিহ্য” শ্লোগানকে সামনে রেখে শুক্রবার বেলা এগারোটার দিকে বরিশালে উদ্বোধন করা হয়েছে অষ্টম মৃৎশিল্পী সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠান। নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে দুইদিনের সম্মেলন, সম্মাননা, প্রদশর্নী, মৃৎশিল্প মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শিল্পী রফিকুন নবী। জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আক্তারী মমতাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খান আলতাফ হোসেন ভুলু, জেলা প্রশাসক ড. গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান, শিল্পী ও গবেষক ড. কাজী মোজাম্মেল হোসেন, লেখক ও সাংবাদিক অজয় দাস গুপ্ত প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, মৃৎশিল্পীদের এ অনুষ্ঠান কেবল বরিশালের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের অনান্যস্থানেও ছড়িয়ে দিতে হবে। উদ্বোধ
উত্তরা গনভবনের স্থাপনা  ভেঙ্গে আছে সাতদিন ধরে

উত্তরা গনভবনের স্থাপনা ভেঙ্গে আছে সাতদিন ধরে

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের উত্তরা গনভবনের প্রবেশ পথের সড়কের পূর্বপাশে সতের শতকে নির্মিত ঐতিহাসিক স্থাপনাটি মাটিবোঝাই ট্রাক্টর চালিত একটি ট্রলির ধাক্কায় ভেঙ্গে চৌচির হয়ে পড়ে আছে। এটি একটি প্রতœতাত্কি নিদর্শন হলেও স্থাপনাটির দায়দায়িত্ব নিচ্ছে না কেউ। এককালের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি বর্তমানের উত্তরা গনভবনটি ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজধানী ঢাকার বাইরে রাষ্ট্রপতির একমাত্র বাসভবন হিসাবে ঘোষনা দেন। এই গনভবনের প্রবেশ পথের ভেঙ্গে যাওয়া স্থাপনাটির বিষয়ে গনপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা বর্তমানে উত্তরা গনভবনের দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্বাবধায়ক আব্দুস সবুর বলেন, স্থাপনাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায়। অন্যদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নাটোরের নির্বাহী প্রকৌশলী জিকরুল ইসালামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ওই সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঠিকই কিন্তু স্থাপনাটি গনপূর্ত বিভাগের। এইভাবে রশি টানাটানির মধ্য দিয়ে স্থাপনাটি ভেঙ্

সেখ হুমায়ুন কবির সূর্য্’র ছোট গল্প “গ্রাস”

বেলা আড়াইটার দিকে ভেঙ্গে গেল বেড়ি বাঁধটা । তারপরেই হু হু করে পানি ঢুকতে লাগল মাছরাঙা চরে। মূহুর্তের মধ্যে গ্রামের মানুষ ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য। গত পনের দিন ধরে এখানে এক নাগারে বৃষ্টি হচ্ছিল। ফলে ফুলে ফেঁপে উঠছিল ধরলা নদী। বাঁধটি প্রায় তলিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা! দু’এক জায়গায় ফাঁটল থাকলেও গ্রামের লোকজন দ্রুত গতিতে মাটি চাপা দিয়ে সেসব বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু তারপরেও শেষ রক্ষা আর হল না। গত পনের দিনের বেড়ে ওঠা পানি ফুঁসে উঠে প্রচন্ড তোড়ে গ্রামের উপরে যেন ঝাঁপিয়ে পরল। ক্ষুধার্ত বাঘ যেমন হিংস্র ভঙ্গিতে শিকারের উপর দখল নেয়। তেমনি ধরলা নদী হিংস্র গতিতে ঝাঁপিয়ে পরল মাছরাঙা চরে। মূহুর্তের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ল পুরো গ্রাম জুড়ে। প্রায় ৭০/৮০টি পরিবারের বসবাস মাছরাঙা চরে। এতদিন বাঁধের কারণে এখানকার মানুষ বন্যা থেকে রেহাই পেয়েছে কিন্তু এবার আর শেষ রক্ষা হল না। বাঁধ ছিড়ে যাওয়া
সুনামগঞ্জে আবৃত্তি সন্ধায় কবিতা পাঠের আসর

সুনামগঞ্জে আবৃত্তি সন্ধায় কবিতা পাঠের আসর

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি সাহিত্য সভার আয়োজনে সুনামগঞ্জ পুরাতন শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আবৃত্তি সন্ধ্যায় কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাহিত্য সভার সভাপতি কবি ও জেলা প্রশাসক শেখ মো. রফিকুল ইসলামের কবিতা পাঠের মধ্য দিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় কবিতা পাঠের আসর শুরু হয়। এরপর একে একে কবিতা আবৃক্তি করেন মুক্তিযুদ্ধ চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মো. বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, অ্যাডভোকেট রবিউল লেইস রোকেস, রুনা লেইস প্রমুখ। আবৃক্তি সন্ধায় সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট স্বপন কুমার দেব, নারীনেত্রী শীলা রায়, লেখক সুখেন্দু সেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আডভোকেট শামছুল আবেদীন সহ শহরের বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত ছিলেন।
ফরিদপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্গন প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু

ফরিদপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্গন প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু

  আশিষ পোদ্দার বিমান, ফরিদপুর : ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গ্রামীণ প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে ফরিদপুরে “অঙ্গন” নামে প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে জেলা শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে কেক কেটে প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু হয়। প্রোডাকশন হাউজের কর্ণধার জীবন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার মো. আলাউদ্দীন, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল ইসলাম পিকুল, ডেপুটি জেলার সৈয়দ মো. জাবেদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সিরাজুল ইসলাম, দৈনিক গণসংহতি পত্রিকার সম্পাদক আশিষ পোদ্দার বিমান প্রমুখ। প্রতিষ্ঠানটির সাথে সম্পৃক্তরা জানান, গ্রামীন অনেক প্রতিভা সুযোগের ভাবে বিকশিত হতে পারেনা। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাবানদের কাজের সুযোগ করে দিতে কাজ করবে অঙ্গন প্রোডাকশন হাউজ । অঙ্গনের নির্মিত নাটক, টেলিফিল্ম, সিনেমা, মিউজিক ভ
“এ ম ন তো হ য়” একটি ছোট গল্প

“এ ম ন তো হ য়” একটি ছোট গল্প

  মনটা খুব খারাপ। উদাস হয়ে অজানার পথে হাঁটছে ফরহাদ। ইচ্ছে ছিল না আজকের ইন্টারভিউ দেওয়ার। বন্ধুর কথা রাখতে গিয়েই দেওয়া হল। নিয়মিত যা ঘটে তার ব্যতিক্রম হল না। ফরহাদ জানে চাকুরিটা তার হবে না কারণ, লিখিত পরীক্ষায় প্রথম হলেও মৌখিক পরীক্ষায় সব গুড়েবালি। কেন জানি প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন শোনার আগেই ঘেমে গিয়ে কথা বলার সাহস পায় না সে। উত্তরটা জানা থাকলেও চেহারা দেখলে মনে হয় বিষয়টা সে কোনও দিন শুনেনি। আজকের ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে বার বার পানির পিপাসা পেয়েছে। একবারতো পানি খাবে বলেই ফেলল। পানি খাওয়ানো হল। ফরসা করে একজন স্যার ফরহাদকে খুব সহযোগিতা করেছেন। এরপরও নিয়তি বদলাতে পারেনি। আসার সময় বন্ধু রফিককে কিছু না বলেই পালিয়ে এসেছে। রফিক ফরহাদের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু। লেখাপড়ার শুরু থেকে শেষ একই সঙ্গে হয়েছে। ফরহাদ বার বার ক্লাসে প্রথম, রফিক ছাত্র হিসেবে এত ভালো ছিল না। তবু ভালো বেতনের চাকুরি করছে। ফরহাদের কপা
ফেনীতে নাট্যাচার্য সেলিম আলদীনের জন্মদিন উদযাপিত

ফেনীতে নাট্যাচার্য সেলিম আলদীনের জন্মদিন উদযাপিত

ফেনী প্রতিনিধি ঃ ১৮ আগস্ট’১৬ বরেণ্য নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীনের ৬৭তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার তার নিজ জেলা ফেনীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন হয়েছে। আলোকিত ফেনী ফাউন্ডেশন ও শিল্পতীর্থ এর যৌথ আয়োজনে বিকাল ৩টায় জেলা পরিষদ ভবনের ড. সেলিম আল দীন মিলনায়তনে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পরে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জাহান আরা বেগম সুরমা। আলোকিত ফেনী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজ আহম্মদ চৌধুরী, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন। মূখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক রফিক রহমান ভূঁইয়া। কবিতা পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ ইকবাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিল্প
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি শামসুর রহমান ‘স্মরণসন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি শামসুর রহমান ‘স্মরণসন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রহমানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় 'স্মরণসন্ধ্যা' করেছে তিতাস অাবৃত্তি সংগঠন। অনু্ষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ অাশরাফকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বুধবার (১৭ অাগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শহরের সুর সম্রাট ওস্তাদ অালাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গনের সরোদ মঞ্চে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। তিতাস অাবৃত্তি সংগঠনের সহকারি পরিচালক বাছির দুলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের পরিচালক মনির হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিতাস অাবৃত্তি সংগঠনের শিশুরা প্রয়াত কবি শামসুর রহমানকে স্মরণ করে বৃন্দ অাবৃত্তি পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন কবির কর্মময় জীবনের উপ
নরসিংদীতে কবি শামসুর রাহমানের ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন

নরসিংদীতে কবি শামসুর রাহমানের ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন

বিশ্বজিৎ সাহা,নরসিংদী প্রতিনিধি : নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলীতে কবি শামসুর রাহমানের ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কবি-সাহিত্যিকদের মিলন মেলা, আলোচনা, স্মৃতিচারণ, আবৃত্তি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাড়াতলী কলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত মিলন মেলায় দেশ বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কবির স্বজন, ভক্ত অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নিয়েছেন। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে পাড়াতলী কবির বাড়ির পাশেই কলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে সকালে ছিল কবির ভ্রাতুষ্পুত্র ও কবি শামসুর রাহমান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তৌফিকুর রাহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা,স্মৃতিচারণ ও শিক্ষার্থীদের কবিতা আবৃত্তি। এতে স্থানীয় পাড়াতলী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমিনুল হক চৌধুরী কবির জীবন নিয়ে আলোচনা ও স্মৃতিচারণ করেন। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জানান কবির স্মৃতি ধরে রাখতেই এই ফাউন্ডেশন করা হয়েছে।
সাদা এপ্রোন

সাদা এপ্রোন

মিনহাজ ফয়সল: প্রজাপতির মতো রঙিন ডানায় ঘরে উড়ে বেড়াতো মীম। হাসি-কান্না আর মিষ্টি কথা বলে সবার মন জয় করে সে প্রিয় হয়েছিল, ভারী মিষ্টি মেয়ে। শাওন মীমের চাচ্চু। শাওনকে আব্বু বলে ডাকতো। জন্মদাতা পিতাকে বাবা বলে ডাকতো। শাওন খুব বেশি ভালোবাসতো মীমকে। ঔষধের মতো ছিলো শাওন। ব্যথা পেলে বা এমনিতেই কান্না করলে শাওন সামনে আসলেই মীম খুশি। আব্বু বলে ডাকতো। আব্বু ডাকটা ভালই লাগতো শাওনের। হঠাৎ করে মীম অসুস্থ হয়ে গেলো। জ্বর, শ্বাসকষ্ট। মীমের বয়স মাত্র চার বছর। দ্রুত করে ভর্তি করা হলো হাসপাতালে। প্রথম দিনে কিছুটা সুস্থ হলো মীম। সাড়া দিন দৌড়াদৌড়ি করার ক্লান্ত শাওন। সবাই জোর করে বাসায় পাঠালেন গোসল করে বিশ্রাম নেয়ার জন্য। মন মানছিলো না। আসার সময় কান্না করছিল মীম। বাসা থেকে বের হওয়া মানেই মীমের কান্না শুরু, আব্বু যেন গলার মালা। রাত প্রায় ১২টা হয়ে গেছে। গোসল, খাওয়া-দাওয়া করে বিছানায় আসলো শাওন। ঘুমানোর আগে ফোন