সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি

ফরিদপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্গন প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু

ফরিদপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্গন প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু

  আশিষ পোদ্দার বিমান, ফরিদপুর : ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গ্রামীণ প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে ফরিদপুরে “অঙ্গন” নামে প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে জেলা শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে কেক কেটে প্রোডাকশন হাউজের যাত্রা শুরু হয়। প্রোডাকশন হাউজের কর্ণধার জীবন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার মো. আলাউদ্দীন, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল ইসলাম পিকুল, ডেপুটি জেলার সৈয়দ মো. জাবেদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সিরাজুল ইসলাম, দৈনিক গণসংহতি পত্রিকার সম্পাদক আশিষ পোদ্দার বিমান প্রমুখ। প্রতিষ্ঠানটির সাথে সম্পৃক্তরা জানান, গ্রামীন অনেক প্রতিভা সুযোগের ভাবে বিকশিত হতে পারেনা। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাবানদের কাজের সুযোগ করে দিতে কাজ করবে অঙ্গন প্রোডাকশন হাউজ । অঙ্গনের নির্মিত নাটক, টেলিফিল্ম, সিনেমা, মিউজিক ভ
“এ ম ন তো হ য়” একটি ছোট গল্প

“এ ম ন তো হ য়” একটি ছোট গল্প

  মনটা খুব খারাপ। উদাস হয়ে অজানার পথে হাঁটছে ফরহাদ। ইচ্ছে ছিল না আজকের ইন্টারভিউ দেওয়ার। বন্ধুর কথা রাখতে গিয়েই দেওয়া হল। নিয়মিত যা ঘটে তার ব্যতিক্রম হল না। ফরহাদ জানে চাকুরিটা তার হবে না কারণ, লিখিত পরীক্ষায় প্রথম হলেও মৌখিক পরীক্ষায় সব গুড়েবালি। কেন জানি প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন শোনার আগেই ঘেমে গিয়ে কথা বলার সাহস পায় না সে। উত্তরটা জানা থাকলেও চেহারা দেখলে মনে হয় বিষয়টা সে কোনও দিন শুনেনি। আজকের ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে বার বার পানির পিপাসা পেয়েছে। একবারতো পানি খাবে বলেই ফেলল। পানি খাওয়ানো হল। ফরসা করে একজন স্যার ফরহাদকে খুব সহযোগিতা করেছেন। এরপরও নিয়তি বদলাতে পারেনি। আসার সময় বন্ধু রফিককে কিছু না বলেই পালিয়ে এসেছে। রফিক ফরহাদের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু। লেখাপড়ার শুরু থেকে শেষ একই সঙ্গে হয়েছে। ফরহাদ বার বার ক্লাসে প্রথম, রফিক ছাত্র হিসেবে এত ভালো ছিল না। তবু ভালো বেতনের চাকুরি করছে। ফরহাদের কপা
ফেনীতে নাট্যাচার্য সেলিম আলদীনের জন্মদিন উদযাপিত

ফেনীতে নাট্যাচার্য সেলিম আলদীনের জন্মদিন উদযাপিত

ফেনী প্রতিনিধি ঃ ১৮ আগস্ট’১৬ বরেণ্য নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীনের ৬৭তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার তার নিজ জেলা ফেনীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন হয়েছে। আলোকিত ফেনী ফাউন্ডেশন ও শিল্পতীর্থ এর যৌথ আয়োজনে বিকাল ৩টায় জেলা পরিষদ ভবনের ড. সেলিম আল দীন মিলনায়তনে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পরে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জাহান আরা বেগম সুরমা। আলোকিত ফেনী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজ আহম্মদ চৌধুরী, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন। মূখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক রফিক রহমান ভূঁইয়া। কবিতা পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ ইকবাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিল্প
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি শামসুর রহমান ‘স্মরণসন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি শামসুর রহমান ‘স্মরণসন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রহমানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় 'স্মরণসন্ধ্যা' করেছে তিতাস অাবৃত্তি সংগঠন। অনু্ষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ অাশরাফকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বুধবার (১৭ অাগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শহরের সুর সম্রাট ওস্তাদ অালাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গনের সরোদ মঞ্চে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। তিতাস অাবৃত্তি সংগঠনের সহকারি পরিচালক বাছির দুলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের পরিচালক মনির হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিতাস অাবৃত্তি সংগঠনের শিশুরা প্রয়াত কবি শামসুর রহমানকে স্মরণ করে বৃন্দ অাবৃত্তি পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন কবির কর্মময় জীবনের উপ
নরসিংদীতে কবি শামসুর রাহমানের ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন

নরসিংদীতে কবি শামসুর রাহমানের ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন

বিশ্বজিৎ সাহা,নরসিংদী প্রতিনিধি : নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলীতে কবি শামসুর রাহমানের ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কবি-সাহিত্যিকদের মিলন মেলা, আলোচনা, স্মৃতিচারণ, আবৃত্তি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাড়াতলী কলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত মিলন মেলায় দেশ বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কবির স্বজন, ভক্ত অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নিয়েছেন। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে পাড়াতলী কবির বাড়ির পাশেই কলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে সকালে ছিল কবির ভ্রাতুষ্পুত্র ও কবি শামসুর রাহমান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তৌফিকুর রাহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা,স্মৃতিচারণ ও শিক্ষার্থীদের কবিতা আবৃত্তি। এতে স্থানীয় পাড়াতলী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমিনুল হক চৌধুরী কবির জীবন নিয়ে আলোচনা ও স্মৃতিচারণ করেন। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জানান কবির স্মৃতি ধরে রাখতেই এই ফাউন্ডেশন করা হয়েছে।
সাদা এপ্রোন

সাদা এপ্রোন

মিনহাজ ফয়সল: প্রজাপতির মতো রঙিন ডানায় ঘরে উড়ে বেড়াতো মীম। হাসি-কান্না আর মিষ্টি কথা বলে সবার মন জয় করে সে প্রিয় হয়েছিল, ভারী মিষ্টি মেয়ে। শাওন মীমের চাচ্চু। শাওনকে আব্বু বলে ডাকতো। জন্মদাতা পিতাকে বাবা বলে ডাকতো। শাওন খুব বেশি ভালোবাসতো মীমকে। ঔষধের মতো ছিলো শাওন। ব্যথা পেলে বা এমনিতেই কান্না করলে শাওন সামনে আসলেই মীম খুশি। আব্বু বলে ডাকতো। আব্বু ডাকটা ভালই লাগতো শাওনের। হঠাৎ করে মীম অসুস্থ হয়ে গেলো। জ্বর, শ্বাসকষ্ট। মীমের বয়স মাত্র চার বছর। দ্রুত করে ভর্তি করা হলো হাসপাতালে। প্রথম দিনে কিছুটা সুস্থ হলো মীম। সাড়া দিন দৌড়াদৌড়ি করার ক্লান্ত শাওন। সবাই জোর করে বাসায় পাঠালেন গোসল করে বিশ্রাম নেয়ার জন্য। মন মানছিলো না। আসার সময় কান্না করছিল মীম। বাসা থেকে বের হওয়া মানেই মীমের কান্না শুরু, আব্বু যেন গলার মালা। রাত প্রায় ১২টা হয়ে গেছে। গোসল, খাওয়া-দাওয়া করে বিছানায় আসলো শাওন। ঘুমানোর আগে ফোন
কবি নাজমুলের গানে রয়েছে মা, মাটি ও মানুষের কথা- মুহাম্মদ মুনতাসির আলী

কবি নাজমুলের গানে রয়েছে মা, মাটি ও মানুষের কথা- মুহাম্মদ মুনতাসির আলী

ডেস্ক নিউজ: ‘সিলেট লেখক ফোরাম’ সভাপতি কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল’র কথা ও সুরে, জাগরণ ইসলামী সঙ্গীত দলের সঙ্গীত পরিচালক এইচ এম আমানুল্লাহর কন্ঠ ও সুরে হামদ নাত ও ইসলামী সঙ্গীতের চতুর্থ অডিও অ্যালবাম ‘প্রেমেরই কাঙ্গাল’ ও সিলেটের আঞ্চলিক ভাষার গানসহ পাঁচমিশালী গানের পঞ্চম অডিও অ্যালবাম ‘মুখোশ’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান, কবি নাজমুল’র একক সঙ্গীতের আসর ও সাহিত্য আড্ডা সম্পন্ন হয়েছে। ‘সিলেট লেখক ফোরাম’ আয়োজিত ও আল মুনাওয়ার শিল্পীগোষ্ঠির ব্যবস্থাপনায় কামাল বাজার আলিম মাদরাসা অডিটরিয়ামে ২৬ জুলাই মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মুদাররিসিনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও কামাল বাজার আলিম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুফতি একেএম মনোওর আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মাসিক গোলাপ কুঁড়ি সম্পাদক মুহাম্মদ মুনতাসির আলী। তিনি বক্তব্যে বলেন, কবি নাজমুলের প্রথম দ্বিতীয় ও
বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন কাম্য নয়

বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন কাম্য নয়

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। আশরাফুল মাখলুকাত । এই পৃথিবীতে মহান আল্লাহ মানুষকে শ্রেষ্ঠ মাখলুকাত হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। মহান রাব্বুল আলামিন মানুষের প্রয়োজনই মানুষকে দুই জাতে বিভক্ত করেছেন। এক পুরুষ জাত, দুই নারী জাত। বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, এখানে নারীকে ইসলামে দিয়েছে সর্ব্বোচ্চ সন্মান। সেই নারীকে অবমাননার চেষ্টা সেই অনাদিকাল থেকেই, প্রথমে নারীকে জীবন্ত কবর দেয়া হতো। সেই ধারা বাতিল হবার পর ধাপে ধাপে এগিয়ে চলে বিভিন্ন কলাকৌশল নারীকে অপমানের। নারী যেন এক শরমের বস্তু! সৃষ্টির ধারাবাহিকতায় সংস্কৃতির আবহমানধারা যখন প্রসার ঘটে চতুর্দিকে তখন চলে নিত্য আধুনিক কারসাজি,পশ্চিমা সংস্কৃতি ঢুকে পড়ে রন্দ্রে রন্দ্রে। বাংলার আবহমান ফেলে বাঙ্গালি অন্যের সংস্কৃতিতে মত্ত হয়ে পড়ে। সব কিছুর উন্নতি হলেও বাংলার নারীর যৎকিঞ্চিৎ উন্নতির আড়ালে চলে নারীকে পণ্য হিসেবে ব্যবহারের মহোৎসব। ৮০ এর দশকে এই দেশে মিডিয়

শখি তুমি কার-?

তুবার বাবার বাড়ি যশোর। বিয়ের আগে তুবা বেশ কয়েক বছর ঢাকায় একটি বায়ীং হাউজে চাকুরী করেছে। সংসারে ওরা দুজন- মা হাজেরা বেগম আর তুবা। তবে তুবার মামা বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জের নিয়ামতি গ্রামে। সবুজে ঘেরা গ্রামটি ক্যামন জানি অদ্ভুদ সুন্দর। এ গ্রামেই তুবার মামা বাড়ি। তুবার মায়ের চিকিৎসায় অনক টাকা লাগবে তাই মামা বাড়ির সম্পত্তি ওয়ারিশ সূত্রে বিক্রি করে ওর মায়ের চিকিৎষার পরিকল্পনা নেয়। চাকুরীরত অবস্থায় ঢাকার ফার্মগেটের ফার্নিচার ব্যবসায়ী জিহাদের সাথে তুবার বিয়ে হয়। স্বামীটা অন্য নারীতে আসক্ত তাই সব কিছু জেনে ও জীবনটা বয়ে বেড়াচ্ছে তুবা। ওর স্বামী কোন এক স্বামী পরিত্যক্তা নারীর সাথে অবৈধ্য সর্ম্পকে জড়িয়ে আছে। সে মাঝে মাঝে কয়েক দিন বাসায় ফেরেনা ঐ বেটিকে নিয়ে ফ্লাট বাসায় পড়ে থাকে। তাই সে তার স্বামীকে জীবনের অনেক গুরুত্বপূনৃ কথা শেয়ার করেনা। সেবার অনেকটা না জানিয়ে তুবা বরিশাল বাকেরগঞ্জের উদ্দেশ্যে

অনুশোচনায় তুমি (বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে)

লেখক মোঃআরিফ সুমন চয়ন আর শীলা একই কলেজে ইন্টারমিডিয়েট পড়ছে।স্কুল জীবন থেকেই ওদের মধ্যে হৃদ্বতার সৃষ্টি হয়।চয়নের পিতা না থাকায় ওর আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ কিন্তু শীলাদের আর্থিক অবস্থা অনেকটা ভালো।শীলা সব সমই ওর প্রেমিক চয়ন কে উচ্চ শিক্ষিত করতে আর্থিক সহযোগীতা করে আসছে।সে বার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় শীলা খারাপ করে চয়নের জীবন থেকে অনেকটা পিছিয়ে পড়ে।চয়ন পাশ করে একটি সরকারী কলেজে অর্নাসে ভর্তি হয়।কিন্তু পড়াশুনার খরচ চালাতে চয়ন হিম শিম খায়।উপায় অন্তর না দেখে চয়নের পড়াশুনার খরচ যোগাতে শীলা ব্র্যাকে চাকুরী নেয়।শীলার পোষ্টিং হয় অন্য জেলাতে ।প্রতি মাসে শীলা বেতন উত্তোলন করে এস এ পরিবহনের মাধ্যমে চয়নের কাছে পাঠিয়ে দেয়।এরই মধে চয়ন মোবাইলে শীলার সাথে পরামর্শ করে স্বামী স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে শীলার বাসায় প্রতি মাসে সে টাকা আনতে যাবে।কথা মতো কাজ।শুরু হয় চয়নের নতুন মিশন।এভাবে মিথ্যে স্বামী স্ত্রীর ভূমিকায় চ