স্পেশাল রিপোর্ট

বিনাঅস্ত্রপাচারে ৪২৮ নবজাতক ভূমিষ্ট  আলোচনায় সেবিকা সানজানা শিরীন

বিনাঅস্ত্রপাচারে ৪২৮ নবজাতক ভূমিষ্ট আলোচনায় সেবিকা সানজানা শিরীন

সাত্তার আজাদ:: অল্পবয়সী একজন অদম্য মেধাবী সেবিকা, পরিশ্রমী, স্বেচ্চাসেবী, মানবতাবাদি কন্যা শিরীনের নেশা-পেশা ভাগ্যহতদের মুখে হাসি ফুটানো। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা মানুষের রক্তদান, অনাহারির মুখে আহারের সংস্থান, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দিতে চেষ্টা তার। শিরীন পেশায় সেবিকা (নার্স)। শিরীনের প্রিয় শখই হচ্ছে নরমাল বাচ্চা ডেলিভারি করানো। বিনা অস্ত্রপাচারে তার হাতে ৪২৭টি বাচ্চা ভূমিষ্ট হয়। আর এসব জন্মদাতা মায়েরা গরিব বা চা শ্রমিক। সর্বশেষ তার হাতে ৪২৮ নম্বর শিশু ভূিমষ্ট হয় গত সোমবার। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ঈটা চা বাগানের সীতা গোয়ালার বাচ্চা পেটের অনেক উপরে ছিল। অস্ত্রোপচার ছাড়া শিশু জন্মদান অনেকটা অসম্ভব। সেখানেও ১ ঘন্টা চেষ্টার পর ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ৩.৮কেজি ওজনের একটি ছেলে শিশু ভূমিষ্ট করায় সে। শিরীনের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলায়। চাকরি কমলগঞ্জে চা বাগান এলাকায় ক্যামেলিয়া ডানকান ফ
সিলেটে এবারো কাগজি লেবুর লাভজনক উৎপাদনের সম্ভাবনা

সিলেটে এবারো কাগজি লেবুর লাভজনক উৎপাদনের সম্ভাবনা

সিলেট প্রতিনিধি : পাহাড়ি জনপদ সিলেটে এবারো কাগজি লেবুর ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন চাষিরা। ফলে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত লেবু চাষের পরিধিও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিলেটের পাহাড় টিলায় এসব লেবুর চাষ করছেন স্থানীয় চাষিরা। সিলেটের জৈন্তাপুরে বাণিজ্যিকভাবে লেবুর চাষ করা হয়। এ ছাড়া জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং, বিয়ানীবাজার উপজেলার জলঢুপসহ বিভাগের শ্রীমঙ্গল, বড়লেখা, রাজনগর, জুড়ি ও বাহুবলের পাহাড়ে বাণিজ্যিক কাগজি লেবুর চাষ করা হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব লেবু ঢাকার কারওয়ানবাজারসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয়। পাইকাররা এসে সিলেট থেকে এসব লেবু নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে থাকেন। আকারে বড় ও রসে টইটম্বুর হওয়াতে কাগজি লেবুর চাহিদা সর্বত্র। তাই দেশের বাইরে লন্ডন আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যেও এই লেবু রপ্তানি করা হয়। সিলেটের লেবুর বড় হাট বসে সিলেটের সোবহানীঘাট কাচা বাজার ও শ্রীমঙ্গলে। সেখান থেকে লেব

ক্রান্তিকালীন বিধানাবলি এবং অসাংবিধানিক শাসন রোধ সুশাসন

 ইকতেদার আহমেদ :: সংবিধানই যেকোনো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। একটি রাষ্ট্রের মূলনীতি কী হবে, জাতীয়তা ও ভাষা কী হবে, নাগরিকেরা কোন কোন মৌলিক অধিকার ভোগ করবে, রাষ্ট্রের শাসনপদ্ধতি কী হবে, আইনসভা কিভাবে গঠিত হবে, সাংবিধানিক পদগুলোতে কিভাবে নিয়োগ দেয়া হবে, নির্বাচনপদ্ধতি কী হবে, কখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব কে পালন করবে, শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য কিভাবে রক্ষা করা হবে, প্রজাতন্ত্রের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক পদগুলো পূরণে কী পদ্ধতি অনুসৃত হবে, রাষ্ট্রের সরকারি হিসাব-নিরীক্ষার দায়িত্ব কার ওপর থাকবে ইত্যাদি সবিস্তারে সংবিধানে উল্লেখ থাকে। কোনো রাষ্ট্রের শাসনকার্যসহ অপরাপর কর্মকাণ্ড সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হলে তাকে সাংবিধানিক শাসন বলা হয়। গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এমন রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক শাসনের মাধ্যমে দেশ পরিচালনায় কোনোরূপ ব্যাঘাত
ভালোবাসা দিবসে চাপা পড়ল ছাত্র আন্দোলনে হত্যার সেই ঘটনা

ভালোবাসা দিবসে চাপা পড়ল ছাত্র আন্দোলনে হত্যার সেই ঘটনা

ডেস্ক রিপোর্ট :: ১৯৮২ সাল। তখন ক্ষমতায় হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এসময় শিক্ষামন্ত্রী ড. মজিদ খানের ঘোষিত শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। সে বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের বিষয়ে একমত হয় ছাত্র সংগঠনগুলো। শুরু হয় ব্যাপক আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দি মুক্তি, গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবি ও গণমুখী, বৈজ্ঞানিক ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষানীতির দাবিতে ছাত্র জমায়েত ডাকে। এসময় হাজার হাজার শিক্ষার্থী একটি মিছিল করে। সে দিন মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন মেয়েরা। সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। মিছিলটি হাইকোর্ট এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। একপর্যায়ে মিছিলে রায়ট কার ঢুকিয়ে রঙ্গিন গরম পানি ছিটাতে থাকে পুলিশ। এরপর বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ ও গুলি শুরু করে তারা। এতে গুলিবিদ্ধ হন জ
দেশের ‘সবচেয়ে সুন্দর’ পাহাড়ি নদী

দেশের ‘সবচেয়ে সুন্দর’ পাহাড়ি নদী

ডেস্ক রিপোর্ট :: বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ সাঙ্গু নদী। নদীটি পার্বত্য চট্টগ্রামে উত্তরদিকে বৃত্তাকারে বান্দরবান পর্যন্ত প্রবাহিত হয়েছে। পূর্বদিক দিয়ে বান্দরবানে প্রবেশ করে নদীটি জেলার পশ্চিম দিক দিয়ে বের হয়েছে। প্রায় ২৭০ কিলোমিটার প্রবাহিত হবার পর বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢালে বয়ে চলা সাঙ্গু দেখতে দারুণ দৃষ্টিনন্দন। উৎসমুখ হতে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত এই নদীর দৈর্ঘ্য ১৭০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে কয়টি নদীর উৎপত্তি তার মধ্যে সাঙ্গু নদী অন্যতম। মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বান্দরবান জেলার মদক এলাকার পাহাড়ে এ নদীর জন্ম। সাঙ্গু নদীর অপার রূপ দেখে মুগ্ধ হবেন না এমন মানুষ পাওয়া ভার। অপূর্ব এই নদীর দুইদিকে পাহাড়ের সারি। বর্ষায় পাহাড় বেয়ে নামে ছোট বড় অসংখ্য ছড়া। ছল ছল শব্দে ছড়ার চঞ্চল জল এসে মেশে নদীতে। পাহাড়ের ওপরে ভেসে বেড়ায় মেঘ। মনে হয়, ওই চূড়ায় উঠলেই বুঝি ছোঁয়া যা
আজ বসন্ত, পহেলা ফাল্গুন

আজ বসন্ত, পহেলা ফাল্গুন

ডেস্ক রিপোর্ট :: আধুনিক কোনো কবি বলতে পারেন, মনে নিরানন্দ, তাতে কী? আজ বসন্ত, পহেলা ফাল্গুন। কবির শঙ্কা থাকলেও এবারও ফুল ফুটেছে। দখিন হাওয়ার গুঞ্জরণও লেগেছে। ফাগুন হাওয়ার দোল লেগেছে বাংলার নিসর্গ প্রকৃতিতে। ফুলে ফুলে রঙিন হয়ে উঠছে প্রকৃতির সবুজ অঙ্গন। মাঘের শেষ দিক থেকেই গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। শীতের খোলসে থাকা কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, নাগলিঙ্কন এখন অলৌকিক স্পর্শে জেগে উঠেছে। মৃদুমন্দ বাতাসে ভেসে আসা ফুলের গন্ধ জানিয়ে দিচ্ছে বসন্ত এসেছে। এবং সত্যি সত্যি সে ঋতুর রাজা। ‘ফাল্গুনে বিকশিত কাঞ্চন ফুল/ডালে ডালে পুঞ্জিত আম্রমুকুল/চঞ্চল মৌমাছি গুঞ্জরি গায়/বেণুবনে মর্মরে দক্ষিণবায়/স্পন্দিত নদীজল ঝিলিমিলি করে/জ্যোৎস্নার ঝিকিমিকি বালুকার চরে/নৌকা ডাঙায় বাঁধা, কাণ্ডারি জাগে/পূর্ণিমারাত্রির মত্ততা লাগে।/খেয়াঘাটে ওঠে গান অশ্বত্থতলে/পান্থ বাজায়ে বাঁশি আনমনে চলে।/ধায় সে বংশীরব বহুদূর গাঁয়/জনহীন প্রান্ত
ভালোবাসা দিবসে নিরাপদ থাকুন

ভালোবাসা দিবসে নিরাপদ থাকুন

ডেস্ক রিপোর্ট :: আজ, কাল পেরুলেই ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইন’স ডে বা ভালোবাসা দিবস। অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে নানা রকম প্রস্তুতি। হোটেল, রেস্তোরাঁ, গিফট শপগুলো সেজে উঠেছে। কপোত-কপোতীরা ব্যস্ত নানা রকম পরিকল্পনায়। ভালোবাসার মানুষের সাথে বিশেষ দিনটি উদযাপনের পরিকল্পনা নিশ্চয়ই আছে আপনারও? তাহলে এই ফিচারটি আপনারই জন্যে। প্রতি বছরই ভালোবাসা দিবস পালন করতে গিয়ে নানা রকমের ঝামেলা, কখনো কখনো ভয়ানক বিপদের মুখোমুখি পড়তে হয় অনেককেই। আপনারা স্বামী-স্ত্রী হয়ে থাকুন বা প্রেমিক-প্রেমিকা, ভালোবাসা দিবসে নিরাপদ থাকতে এই পরামর্শগুলো অবশ্যই কাজে আসবে। ১। বেড়াতে যাওয়ার স্থান নির্বাচন করুন সাবধানে। একটু নির্জনতা খুঁজতে এমন কোথাও যাবেন না, যেখানে বিপদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। পার্ক বা ঢাকার অদূরে কোনো বেড়ানোর স্থানে গেলে দুজনে নিরিবিলি নির্জনতা খুঁজবেন না, বরং ভিড়ের মাঝেই থাকুন। বিশেষ দিনগুল
সালতামামি ২০১৮ : প্রত্যাশার ২০১৯

সালতামামি ২০১৮ : প্রত্যাশার ২০১৯

প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে দিন যায় দিন আসে। বিদায় নিল সুখ দুঃখের আরেকটি বৎসর ২০১৮ সাল। এই বছরে ২০১৮ সালে পৃথিবী জুড়ে কত ঘটনা, কত হাসি কান্না বিষাদ উত্তেজনা ছিল বিরাজমান। সব কিছুকে ছাপিয়ে আজ নতুনের কেতন উড়িয়ে পূর্ব দিগন্তে উদিত হয়েছে নববর্ষের নবপ্রভাতের নবীন সূর্য। নতুন বছরের প্রথম দিনটিতে আমাদের কাজ হলো ফিরে যাওয়া নয় ফিরে চাওয়া। বুকে বাঁধে আশা ও স্বপ্নের বাসা। নববর্ষের উষার আলোকে সম্পূর্ণ নতুন শক্তি ও সাহসে শুরু হোক আমাদের পথচলা। বিদায়ী বছরে আমরা হারিয়েছি দেশ-বিদেশের অনেক নামী দামী কৃতি ব্যক্তিত্ব। নতুন বছরে আমরা নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখি। কালের করাল চক্রে বিলীন হয়ে যাওয়া সেই হাসি কান্নার ব্যর্থতা সফলতার দিনগুলোতে ফিরিয়ে আনার কোন উপায় নেই। কবির ভাষায়, এ অনন্ত চরাচরে সবচেয়ে পুরাতন কথা / সবচেয়ে গভীর ক্রন্দন যেতে নাহি দিব / হায় তবু চলে যায়। তবু যেতে দিতে হয়। ২০১৮ সালে দেশে ঘটেছে কোটা সংস্কার নি
খাদ্যাভাব মেটাবে পানির নিচে চাষবাস

খাদ্যাভাব মেটাবে পানির নিচে চাষবাস

জনসংখ্যাবৃদ্ধি ও পরিবেশ দূষণের মতো সমস্যার ফলে বিশ্বে খাদ্যাভাব দেখা দিতে পারে। চাহিদা মেটাতে টেকসই কৃষিকাজের জন্য যথেষ্ট জায়গাও নেই। বিজ্ঞানীরা পানির নিচে নিমজ্জিত বাগানে সেই কাজই করছেন। সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ১০ মিটার গভীরে এই কাঠামো আসলে বায়োস্ফিয়ার। বিশ্বের প্রথম নিমজ্জিত গ্রিনহাউস। ভবিষ্যৎধর্মী এই প্রকল্পের মাধ্যমে সম্পদের ঘাটতির সমস্যার মোকাবিলার চেষ্টা চলছে। ডুবুরি হিসেবে জানি ফন্টানেসি সেখানে প্রায় ৪০টি গাছের দেখাশোনা করেন। তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে অদ্ভুত ও অসাধারণ মনে হয়। বর্ণনা দেওয়া কঠিন। এখন প্রতিদিন সেখানে কাজ করে আমি প্রকল্পের বিকাশ দেখতে পাই। ফলাফল নিয়ে আমি খুবই গর্বিত। শুধু সমুদ্রের নীচে নয়, গোটা বিশ্বে কত হ্রদ এই প্রণালি ব্যবহার করে লাভবান হতে পারে, তা একবার ভেবে দেখুন।’ ৬ বছর আগে ডুবুরিরা সৈকতের নিচে প্রথম নিমজ্জিত গ্রিনহাউস তৈরি করেন। সূর্যের আলো সালোকসংশ্লেষ
আগের সুলতান আর বর্তমান সুলতান

আগের সুলতান আর বর্তমান সুলতান

স্লোগানে ‘জয় বাংলা’, আদর্শে বঙ্গবন্ধু, অথচ নির্বাচনের প্রতীক হচ্ছে ধানের শীষ। এ স্লোগান, আদর্শ আর প্রতীক নিয়েই মৌলভীবাজার-২ আসনে লড়ছেন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই’ এ আপ্তবাক্যেরই যেন নিখাদ উদাহরণ সুলতান মনসুর। একসময় নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হওয়া এই সাবেক ছাত্রনেতা প্রতীক বদলালেও তার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে গণজোয়ার সৃষ্টিতে লড়ছেন। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মৌলভীবাজার-২ আসনে ভোটারদের কাছে প্রতীক নয়, ব্যক্তিই মুখ্য বলে বিবেচিত হয়। অতীতে অনেক হেভিওয়েট নেতাও দলীয় প্রতীক নিয়ে এ আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন। নবম জাতীয় নির্বাচনে এ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। এখানকার মানুষের মধ্যে সুলতান মনসুরকে ঘিরে অন্যরকম আবেগ ও ভালোবাসা কাজ করে। অতীতে সংসদ সদস্য থাকাকালে এলাকার উন্নয়নে নিবেদিত ছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা আর অ