স্বাস্থ্য-পুষ্টি

আফগান সিরিজেও ওয়ালশেই ভরসা বিসিবির

আফগান সিরিজেও ওয়ালশেই ভরসা বিসিবির

আসবে, আসছে, আসলো; এভাবেই চলছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান কোচ বাছাইয়ের দীর্ঘ প্রক্রিয়া কবে শেষ হবে তা হয়তো জানা নেই খোদ বিসিবি কর্মকর্তাদেরই। তাই বাধ্য হয়েই প্রধান কোচ আসার আগ পর্যন্ত পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশকে দিয়েই ঠেকার কাজ চালিয়ে দিচ্ছে বিসিবি।   আগেই জানা ছিলো, প্রধান কোচ না থাকায় আফগানিস্তান সিরিজেও কোর্টনি ওয়ালশের অধীনেই খেলবে বাংলাদেশ দল। রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর নিশ্চিত করেছে বিসিবি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, ‘ভারতের দেরাদুনে অনুষ্ঠিতব্য আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন কোর্টনি ওয়ালশ। শ্রীলঙ্কার নিদাহাস ট্রফিতেও একইভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।’       এর আগে মার্চে শ্রীলংকার মাটিতে হ
রোনালদো না সালাহ, কে জিতবেন শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট!

রোনালদো না সালাহ, কে জিতবেন শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট!

ফুটবলপ্রেমীদের ঘুম হারাম। স্প্যানিশ, ইংলিশ, সিরি-আ, বুন্দেসলিগা এমনকি ফরাসি লিগ ওয়ানও শেষ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। প্রতিটি লিগের কাপ ফাইনালও অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে। এমনকি ইউরোপা লিগেরও সমাপ্তি ঘটে গেছে। বাকি রয়েছে শুধুমাত্র একটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ আয়োজন করছে ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের সেরা ম্যাচ- ফাইনালের। যেখানে মুখোমুখি রিয়াল মাদ্রিদ এবং লিভারপুল।   এই একটি ম্যাচ দেখার জন্যই দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। বড় কোনো ম্যাচ মানেই দুটি বড় দলের মুখোমুখি হওয়া। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের বর্তমান অবস্থান কিংবা সাম্প্রতিক কয়েক বছরে তাদের পারফরম্যান্স- কোনোটাই লিভারপুলকে বড় দলের তকমা এনে দিতে পারছে না। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদ নিঃসন্দেহে বিশ্বের সেরা এক-দুটি ক্লাবের মধ্যে রয়েছে।       এমন দুই দলের ফাইনাল নিয়ে
শেষ রাউন্ডে আইপিএল প্লে’অফের সমীকরণ

শেষ রাউন্ডে আইপিএল প্লে’অফের সমীকরণ

চলতি আসরের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আইপিএল আর দেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব। আইপিএলের প্রথম পর্বের ১৩ রাউন্ডের ম্যাচ শেষ হয়ে গেলেও এখনো নিশ্চিত হয়নি প্লে’অফ পর্বের টিকিট পাওয়া ৪ দলের নাম। শনিবার এবং রোববার শেষ রাউন্ডের ৪ ম্যাচ শেষেই জানা যাবে কোন ৪ দল খেলবে পরের পর্বে।   ইতোমধ্যে প্লে’অফ নিশ্চিত করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং চেন্নাই সুপার কিংস। সবার আগে বাদ পড়ে গিয়েছে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। প্লে’অফের বাকি থাকা ২টি টিকিটের জন্য এখনো লড়ছে পাঁচটি দল। দলগুলো হলো কলকাতা নাইট রাইডার্স, রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। এবার দেখে নেয়া যাক প্লে’অফের বাকি থাকা ২টি স্থানে নিজেদের জায়গা পেতে কেমন সমীকরণ অপেক্ষা করছে দলগুলোর সামনে:       কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫ দলের মধ্যে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে আইপিএলের
সুস্থ থাকতে চান নিয়মিত ঢেঁড়স খান!

সুস্থ থাকতে চান নিয়মিত ঢেঁড়স খান!

ঢেঁড়সের ভেতর রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, ভিটামিন এ, সি এবং ফলেট। সেই সঙ্গে রয়েছে ভিটামিন কে, বি, আয়রন, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, মেঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা ক্যারোটিন। সবকটি উপাদান একযোগে ডায়াবেটিস, অ্যাস্থেমা, অ্যানিমিয়াসহ একাধিক রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।   ১. কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়: নিয়মিত এক বাটি করে ঢেঁড়সের তরকারি খেলে কিডনির ভেতর জমতে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।       ২. ফলেটের ঘাটতি মেটায়: শরীরকে সচল এবং রোগমুক্ত রাখতে নিয়মিত যে যে উপাদানগুলোর প্রয়োজন পরে, ফলেট তার মধ্যে অন্যতম। তাই তো দেহের ভেতরে এই উপাদানটির ঘাটতি হওয়া একেবারেই উচিত নয়। এই কারণেই তো প্রতিদিন ঢেঁড়স খাওয়া উচিত। কারণ এ
সুস্থ থাকতে কোন সময় পানি খাওয়া উচিত?

সুস্থ থাকতে কোন সময় পানি খাওয়া উচিত?

পানিকে জীবন বলা হলেও কোনও কোনও সময় পানি পান করা একেবারেই ভাল নয়। আসলে ভুল সময় পানি পান করলে দেহের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হয়, যার প্রভাবে শরীর খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।   পানি শুধু আমাদের তেষ্টা মেটায় না, সেই সঙ্গে শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখে, খিদে কমায় এবং অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করে ফেলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে কিছু কিছু সময় পানি খাওয়া মাত্র একেবারে উল্টো ঘটনা ঘটে। যেমন ধরুন খাওয়ার সময় পানি পান একেবারেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। এমনটা করলে হজমে সহায়ক এনজাইম এবং অ্যাসিডগুলোর কর্মক্ষমতা কমে যায়। ফলে খাবার হজম হতে সমস্যা হয়। দেখা দেয় বদহজমের মতো সমস্যা।       এখানেই শেষ নয়, ভুল সময় পানি খেলে শরীরের আরও নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে। জেনে নিন কোন কোন সময় পানি পান করা উচিত, আর কোন কোন সময় নয়। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে পানি পান করা উচিত
চিংড়ির বহু গুণ

চিংড়ির বহু গুণ

চিংড়ি শুধু সুস্বাদু খাবারই নয়, এর বহু গুণও রয়েছে। কিন্তু অনেকেরই চিংড়ির এসব গুণের কথা সম্পর্কে জানা নেই। এ লেখায় তুলে ধরা হলো চিংড়ির কয়েকটি গুণের কথা। শারীরিক দুর্বলতায় আয়রনের ঘাটতির জন্য অনেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে চিংড়ি দেহের ১৭ শতাংশ আয়রনের চাহিদা পূরণ করে এবং এনার্জি সরবরাহ করে। এতে শরীরের দুর্বলতা কেটে যায়। হাড়ের ক্ষয়রোধ চিংড়িতে রয়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ ফসফরাস। চিংড়ি খাওয়ার অভ্যাস দেহের ফসফরাসের চাহিদা পূরণ করে, যা হাড়ের ক্ষয় রোধ করে এবং হাড় মজবুত করতে বিশেষভাবে কাজ করে। ক্যান্সার প্রতিরোধ চিংড়িতে রয়েছে সেলেনিয়াম নামে একটি উপকারী উপাদান। গবেষকদের মতে, এই সেলেনিয়াম দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাধা দিয়ে থাকে। তাই নিয়মিত চিংড়ি খেলে দেহে বেশ কয়েক ধরনের ক্যান্সারের আক্রমণের আশঙ্কা কমে যাবে। রক্তস্বল্পতা দূর করে দেহের রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, অর্থাৎ রক্তের লা
“রক্ত দিলে হয়না ক্ষতি,  জাগ্রত করে মানবিক অনুভুতি”

“রক্ত দিলে হয়না ক্ষতি, জাগ্রত করে মানবিক অনুভুতি”

আপনার দান করা একব্যাগ রক্ত একজন মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে।তাই প্রতিটি সুস্থ মানুষের অবশ্যই তার আপন ও পরিচিত জনদের প্রয়োজনের সময় রক্তদানে এগিয়ে আসা উচিত। শুধু তাই নয়, মানবতার সেবায় এগিয়ে আসতে চাইলে দান করতে পারেন বিভিন্ন সংস্থাতেও কিংবা কারো প্রয়োজনে। একজন সুস্থ ও নীরোগ মানুষ প্রতি ৪ মাস অন্তর অন্তর রক্ত দান করতে পারেন।এতে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, বরং তা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।   রক্ত দানে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নেই রক্ত দান করলে কি কি উপকার পাওয়া যায়-   * রক্তে আয়রনের ভারসাম্য বজায় রাখে: গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত রক্ত দান করলে শরীরে রক্তের প্রবাহ সঠিক হয় ফলে শরীরে আয়রনের ভারসাম্য বজায় থাকে। কেননা রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরের মধ্যে অবস্থিত ‘বোন ম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন
ভারতে পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি ক্যান্সার আক্রান্ত

ভারতে পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি ক্যান্সার আক্রান্ত

বিশ্বজুড়ে নারীদের তুলনায় পুরুষদের ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ২৫ শতাংশ বেশি। তবে ভারতে এর উল্টো চিত্র। দেশটিতে পুরুষদের তুলনায় মেয়েদের ক্যান্সার বেশি ধরা পড়ছে। চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল ল্যানচেট এর এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। জার্নালটির বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতে মেয়েদের ক্যান্সার বেশি ধরা পড়লেও পুরুষরা ক্যান্সারে বেশি মারা যাচ্ছেন। কারণ ভারতে মেয়েদের মধ্যে ৭০ শতাংশই স্তন, গর্ভাশয়, ডিম্বাশয় এবং জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। আর পুরুষদের মূলত ফুসফুস ও মুখের ক্যান্সার বেশি হয়। দুটোরই কারণ ধূমপান এবং তামাক। বলা হচ্ছে, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর প্রায় ৯০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। ভারতে ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি (২৭ শতাংশ) নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত। এছাড়া নারীদের স্তন ও ডিম্বাশয়ে ক্যান্সারের ঘটনাগুলো বেশি দেখা যা ৪৫
বেগুন কেন খাবেন

বেগুন কেন খাবেন

বেগুন আমাদের পরিচিত একটি সবজি। ভাজা, ঝোল খাওয়ার পাশাপাশি সুস্বাদু বেগুনিও তৈরি করা যায় বেগুন দিয়ে। এটি সারা বছরই পাওয়া যায়। বেগুনের রয়েছে অনেক গুণ। চলুন জেনে নেয়া যাক- ১০০ গ্রাম বেগুনে রয়েছে ০.৮ গ্রাম খনিজ, ১.৩ গ্রাম আঁশ, ৪২ কিলোক্যালরি, ১.৮ গ্রাম আমিষ, ২.২ গ্রাম শর্করা, ২৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৯ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১, ০.০৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি২, ৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। আরও পড়ুন : যে কারণে পেয়ারা খাবেন কচি বেগুন পুড়িয়ে, খালি পেটে একটু গুড় মিশিয়ে খেলে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ কমতে পারে। লিভারও ভালো রাখে। একটু বেগুন পুড়িয়ে মধু মিশিয়ে সন্ধেয় খেলে রাতে ভালো ঘুম হতে পারে। বেগুনপোড়ায় রোজ যদি একটু হিং ও রসুন মিশিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে গ্যাসের সমস্যা কমতে পারে। উচ্চমাত্রার আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় রক্তে সুগার ও গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে বেগুনপোড়া। কোলেস্ট
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিএসএমএমইউ উপাচার্যের সাক্ষাৎ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিএসএমএমইউ উপাচার্যের সাক্ষাৎ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এর নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈকালিক চিকিৎসাসেবা ইতোমধ্যে মানুষের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে। বৈকালিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম আরও জোরদার ও অব্যাহত রাখতে হবে। রাজনীতি ও অনুষ্ঠানের চাইতে কাজের প্রতি বেশি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। রোগীদের সন্তুষ্টি করতে হবে। নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে সত্যিকার অর্থেই সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। আরও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকল্পে যা যা করণীয় তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিবেন। উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্