স্বাস্থ্য-পুষ্টি

গ্রিন টি-এর গুণাবলি

গ্রিন টি-এর গুণাবলি

শরীর ও মনকে চাঙ্গা করতে এক কাপ চায়ের জুড়ি নেই। আর তা যদি হয় গ্রিন টি তাহলে প্রফুল্লতার পাশাপাশি নানাবিধ উপকার হবে আপনার শরীরের। তেঁতো স্বাদের কারণে অনেকেই পান করতে পছন্দ করেন না গ্রিন টি। তবে এর নানাবিধ গুণাবলির কারণে এর জনপ্রিয়তা এবং প্রচলন বাড়ছে আমাদের দেশে। গ্রিন টি জাপানে ‘এন্টি এজিং ড্রিংকস’ হিসেবে প্রতিদিন পান করেন জাপানিরা। গ্রিন টি বা সবুজ চা-তে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট। এসব এন্টি অক্সিডেন্টে রয়েছে আমাদের শরীরে নানাবিধ প্রভাব। যেমন- হূদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, শরীরের হাড় সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে, রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়, স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়, ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডভেদে এক কাপ গ্রিন টিতে ক্যাফেইন থাকে ১০০ মিলিগ্রাম। তাই প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ কাপ গ্রিন টি পান করা য
ক্লান্তি দূর করবে স্ট্রবেরি লাচ্ছি

ক্লান্তি দূর করবে স্ট্রবেরি লাচ্ছি

বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরম। রোদে বের হলেই পানি পিপাসা পাবেই।গরমে শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম ঝরে। ঘামের মধ্যে দিয়ে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়। ফলে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাই শরীরে বাড়তি পানি পূরণ করেত অবশ্যই আপনাকে খাবার স্যালাইন বা পানি সঙ্গে রাখা জরুরি। তবে বিভিন্ন ধরনের ফলের জুসও খাওয়া যেতে পারে। ক্লান্তিতে এক গ্লাস লাচ্ছি আপনার দেহের মধ্যে এনে দেবে সতেজতা।আর সেই লাচ্ছি যদি হয় স্ট্রবেরি স্বাদের হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন স্ট্রবেরি স্বাদের স্ট্রবেরি লাচ্ছি। উপকরণ স্ট্রবেরি-৪টি (টুকরো করে কাটা), পাতলা দুধ- আধাকাপ, দই -আধাকাপ, চিনি- তিন টেবিল চামচ, স্ট্রবেরি ফ্লেভারে ভ্যানিলা এসেন্স- আধা চা চামচ , বরফ কুচি (ভাঙা)- ৬টি কিউব প্রস্তুত প্রণালি ব্লেন্ডারের মধ্যে স্ট্রবেরি, দুধ, দই, চিনি এবং ভ্যানিলা ও বরফ কুচি দিয়ে হাইপ্রেশারে ব্লেন্ড করুন। গ
কোষ্ঠকাঠিন্যে ফল খাওয়া প্রয়োজন

কোষ্ঠকাঠিন্যে ফল খাওয়া প্রয়োজন

কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে শরীরে ঠিক মতো হাইড্রেশন না হওয়ার কারণে। এটি দূর করার জন্য শরীরে পর্যাপ্ত ফ্লুয়িডের প্রয়োজন হয়। এই জন্য ফল খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ফলের মধ্যে প্রচুর পানি থাকার পাশাপাশি ফাইবারও থাকে। যা হজমে সাহায্য করে। এই জন্য নিয়ম মেনে ফল খাওয়া প্রয়োজন। তরমুজ: গরম কালে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়। তাই এই সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি হয়। আবার গরম কালে প্রচুর তরমুজ ওঠে। তরমুজের রস এই সময় পেট ঠাণ্ডা রাখতে, হজমে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। মুসাম্বির রস: শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে মুসাম্বির রস। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও এই রস কাজে দেয়। কমলার রস: ভিটামিন সি ও ফাইবারে পরিপূর্ণ কমলা লেবু। যা হজমে সাহায্য করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। আনারসের রস: আনারসের মধ্যে থাকা উৎসেচক ব্রোমেলিন হজমে সাহায্য করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। লেবুর রস: লেবুতে থাকা ভিটামিন সি হজমে ও পেট পর

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে ৭ খাবার, দেখুন ছবিতে

বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে শিশুরাও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগে থাকে।তবে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কোনো রোগ নয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে প্রচুর পানি পান করা কিছু খাবার রয়েছে, যা আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে পারে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে পাইলস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।তাই এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। তবে শুধুমাত্র কিছু খাবার খেয়েই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আসুন ছবিতে দেখে নেই যে খাবারগুলো আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করবে। কলমিশাক আপেল কলা গাজর শসা কমলা পেয়ারা
মশা তাড়ানোর কার্যকরি ১৮ উপায়

মশা তাড়ানোর কার্যকরি ১৮ উপায়

মশা। এক যন্ত্রণাদায়ক পতঙ্গের নাম। বিরক্তিকর উপদ্রবের পাশাপাশি তারা রোগজীবাণু সংক্রামণ করে। এই মশা অনেক সময় মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। মশার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া, পীত জ্বর, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সংক্রমিত হয়ে থাকে। স্প্রে, কয়েল, অ্যারোসল কোন কিছুতেই মশা তাড়ানো সহজ নয়। আবার এসব দিয়ে মশা তাড়ালেও আমাদের স্বাস্থ্য এতে চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা জরুরী। আগেকার যুগে মশার কয়েল, স্প্রে তো কিছুই ছিল না। তখনকার মানুষ কিভাবে মশার হাত থেকে রক্ষা পেতেন? একনজরে জেনে নিন মশা তাড়ানোর কার্যকরি ১৮টি উপায়- ১. লেবু ও লবঙ্গের ব্যবহার লেবু খণ্ড করে কেটে ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে করে ঘরের কোণায় রে
ক্লান্তি আর রক্তচাপ কমাবে যে দশ খাবার

ক্লান্তি আর রক্তচাপ কমাবে যে দশ খাবার

সারাদিন এতো এতো কাজ, দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তির ভিড়ে মাঝেমধ্যে সব ছেড়ে পালিয়ে যেতে ইচ্ছা করে। এই অবস্থায় শরীর আর মন শরীরের সুস্বাস্থ ধরে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ে। শরীর আর মন ক্লান্ত হলে রক্তচাপ বাড়ে। আর এর কারণ হলো শরীরে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়ামের অভাব। এই অভাব মেটানোর জন্য হুট করে ওষুধ খেয়ে নেওয়াও ঠিক না। এর চেয়ে খাদ্যাভাস সমৃদ্ধ করুন। এমন কিছু খাবার খান যা ক্লান্তি দূর করবে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে, ম্যাগনেশিয়ামের অভাব পূরণ করবে। কী সেই খাবার দেখে নিই- কলা কলা প্রায় বারোমাসই বাজারে পাওয়া যায়। এই ফল শরীরে রক্তে লোহিত কণিকার মাত্রা বাড়ায়। পাকা কলা ঘাটতি মেটায় ম্যাগনেশিয়ামের। একটি মাঝারি মাপের কলায় ৮% ম্যাগনেশিয়াম থাকে| তাই নিয়ম করে কলা খান। ঢ্যাড়স ১ কাপ পরিমাণ ঢ্যাড়স সিদ্ধতে থাকে ১৪ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম। অল্প দামের এই সবজিতে যখন এতো পুষ্টি, তখন নিয়মিত ঢ্যাড়স খাওয়াই যায়। মসুর ডাল ডাল বেশ
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ নীতিমালা সংশোধনের দাবি

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ নীতিমালা সংশোধনের দাবি

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ নীতিমালায় সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন মালিকরা। তারা বলছেন, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ নীতিমালায় বেশকিছু গরমিল রয়েছে।   এই নীতিমালায় এমন কিছু ধারা উল্লেখ করা হয়েছে যা যথাযথ মেনে মেডিকেল কলেজ পরিচালনা করা খুবই কঠিন। অনেক সরকারি মেডিকেল কলেজও এসব ধারা মেনে চলে না। দেশের ৬৭ শতাংশ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছে বেরসকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলো। অথচ নানারকম সমস্যার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এ খাতের পথচলা।   বুধবার ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) স্বাস্থ্যবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম বৈঠকে তারা এই দাবি জানিয়েছেন। রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. এবিএম হারুনের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থি
বিরল রোগী আব্বাসকে সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ভর্তি

বিরল রোগী আব্বাসকে সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ভর্তি

বিরল রোগে আক্রান্ত মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ১৩ বছরের কিশোর আব্বাস শেখকে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে।   বুধবার সকাল নয়টায় আব্বাসকে নিয়ে তার বাবা রাজ্জাক শেখ মাদারীপুর থেকে ঢাকায় আসেন। বেলা সাড়ে তিনটায় তারা হাসপাতালে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল মালেক মৃধা তৎক্ষণাৎ আব্বাসের চিকিৎসা শুরুর নির্দেশ দেন।   এরপর দুপুর সাড়ে তিনটায় হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের তাকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে জেনারেল সার্জন সহযোগী অধ্যাপক ডা.এ.কে.এম রুহুল আমীনের অধীনে ১০০৭নং কেবিনে চিকিৎসাধীন।   জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা কর্মকর্তা সুব্রত মণ্ডল।     তিনি জানান, আব্বাসের রোগ নির্ণয়ের জন্য ইতোমধ্যে সমস্ত প্রকার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আব্বাসকে তার কেবিনে দুপুরের খাবারও দেয়া হ
ক্যাম্পসের ফ্রি কিডনি ও চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

ক্যাম্পসের ফ্রি কিডনি ও চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

ভাষা শহীদদের স্মরণে গত ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘ক্যাম্পস’ আয়োজিত ফ্রি কিডনি ও চক্ষু ক্যাম্পে প্রায় ২৫০০ এর অধিক দরিদ্র এবং চিকিৎসা সুবিধা বঞ্চিত রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা গ্রহণ করেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াও এসব রোগীদের প্রয়োজনীয় ল্যাব টেস্ট এবং ঔষধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।   প্রতি বছরের মতো এবছরও ভাষা শহীদদের স্মরণে নিয়মিত বাৎসরিক কর্মসূচির অংশ হিসাবে কিডনি এওয়ারনেস মনিটরিং এন্ড প্রিভেনশন সোসাইটি (ক্যাম্পস), টাঙ্গাইল জেলাধীন সখীপুর উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের তালিম ঘর প্রাঙ্গনে বিগত ১৩ বছরের ধারাবাহিকতায় দিনব্যাপী এই ফ্রি কিডনি ও চক্ষু ক্যাম্প এবং স্বাস্থ্য শিক্ষামেলার আয়োজন করে।   দেশের শীর্ষস্থানীয় কিডনি বিশেষজ্ঞ এবং ক্যাম্পস এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ এর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘‘কিডনি রোগ প্রতিরোধে
বিরল রোগী আব্বাসকে সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ভর্তি

বিরল রোগী আব্বাসকে সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ভর্তি

বিরল রোগে আক্রান্ত মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ১৩ বছরের কিশোর আব্বাস শেখকে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে।   বুধবার সকাল নয়টায় আব্বাসকে নিয়ে তার বাবা রাজ্জাক শেখ মাদারীপুর থেকে ঢাকায় আসেন। বেলা সাড়ে তিনটায় তারা হাসপাতালে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল মালেক মৃধা তৎক্ষণাৎ আব্বাসের চিকিৎসা শুরুর নির্দেশ দেন।     এরপর দুপুর সাড়ে তিনটায় হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের তাকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে জেনারেল সার্জন সহযোগী অধ্যাপক ডা.এ.কে.এম রুহুল আমীনের অধীনে ১০০৭নং কেবিনে চিকিৎসাধীন।   জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা কর্মকর্তা সুব্রত মণ্ডল।     তিনি জানান, আব্বাসের রোগ নির্ণয়ের জন্য ইতোমধ্যে সমস্ত প্রকার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আব্বাসকে তার কেবিনে দুপুরের খাব