স্বাস্থ্য-পুষ্টি

যে ৭টি খাবার রুখে দেবে বয়স

যে ৭টি খাবার রুখে দেবে বয়স

বয়স ধরে রাখতে বেশির ভাগ মানুষই চান। কিন্তু বয়স একটি প্রাকৃতিক বিষয়, সময়ের সাথে সাথে বয়স বৃদ্ধি পাবে। সত্যিকার ভাবে শরীর ও ত্বকের বয়স কমিয়ে দেয়ার কোন ম্যাজিক নেই। ত্বকের বয়স ধরে রাখার জন্য নানান ধরনের ক্রিম, লোশন ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এতে ত্বক কিছুটা সুস্থা থাকলেও বয়স কমানো সম্ভব হবে না। এরজন্য শরীরের আভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গও তরুণ থাকতে হবে এবং সেটা তখনই সম্ভব যখন সঠিক খাবার গ্রহন করা হবে। কিছু খাবার আছে যা শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সুস্থ রেখে বয়স কমিয়ে দেবে। এমন কিছু খাবারের তালিকা নিয়ে আজকের এই ফিচার। ১। পালংশাক শাক অনেকে পছন্দ করেন না। কিন্তু যদি বয়স ধরে রাখতে চান, তবে পালংশাক খাদ্য তালিকায় রাখুন। পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ই রয়েছ যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে থাকে। এটি হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে এবং রক্তচাপ কমিয়ে দেয় এবং কলেস্টরল হ্রাস করতে সাহায্য
টিকে থাকার ক্ষমতা বাড়াতে যা করবেন

টিকে থাকার ক্ষমতা বাড়াতে যা করবেন

খাবার কম খাচ্ছেন অথচ ওজন বাড়ছে? শক্তি কম, হাড় দুর্বল এবং যখন তখন পিঠে বা মাথায় ব্যথা হয়?- তাহলে বুঝতে হবে আপনি একবিংশ শতাব্দীর ক্লান্ত ও দুর্বল ব্যক্তিদের একজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দিল্লির শরীরচর্চা প্রশিক্ষক গগণ অরোরা বলেন, “২০ ও ৩০ বছরের মানুষদের দেখেছি যারা সিঁড়ি বায়তে বা এক কি.মি. পথ হাঁটতে পারেন না। তারা মধ্য বেলার আগে কাজও করতে পারে না।” ক্লান্তি এই শতাব্দীর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা যা যুব সমাজকে শারীরিক, মানসিক ও আবেগের মধ্য দিয়ে প্রভাবিত করে। নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন: অরোরার মতে, যদিও এখন অনেক ‘হেলথ ক্লাব’ আছে। তবুও অনেক মানুষ হৃদপি- সংক্রান্ত শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা ও অনায়াশে দৈনন্দিন কাজ করার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন তার অভাবে ভোগেন। ভারতের ‘স্ট্রেইন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ’ রাউল হিরানির মতে, মানুষ মূলত চলাফেরার সমস্যা বেশি পড়ে। তাদের দেহভঙ্গি অর্থাৎ কাজ করার ধরন এবং বসার ধরনে

ডাবের পানির যত গুন

গরম থেকে রেহাই পেতে অনেকেই নানা রকম পানীয় পান করে থাকে। কিন্তু ওইসব পানীয় শরীরের কতখানি উপকার করে বা অপকার করে সেই ব্যাপারে আমাদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। কোমল পানীয়তে রয়েছে ক্যাফেইন, সুগার, অ্যালুমিনিয়াম, ফসফরিক এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড ইত্যাদি। এগুলো মূলত দেহের ক্ষতি করে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ডাবের পানির উপর নির্ভর করা যেতে পারে। এটি অত্যন্ত উপকারী প্রাকৃতিক পানীয়। জেনে নেয়া যাক ডাবের পানির স্বাস্থ্য উপকারিতা- ডাবের পানি হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ডাবের পানি বাচ্চাদের গ্রোথ বাড়াতেও সাহায্য করে থাকে। গরমে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যায় ডাবের পানি বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। ডাবের পানি কলেরা প্রতিরোধ করে। ডাবের পানি বদহজম দূর করতে সাহায্য করে থাকে। কিডনীতে পাথর সমস্যা দূর করতে ডাবের পানির তুলনা নেই। ঘন ঘন বমি হলে ডাবের জল ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যায়ামের পর যখন শরীর ঘ
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে করনীয়

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে করনীয়

‘ত্যাগেই আনন্দ’। তবে ঠিক মতো পেট খালি করতে না পারলে সারাদিন বেশ অস্বস্তি হয়। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় এই ধরনের খাবার খাওয়া অভ্যাস করতে পারেন। স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইটের মতে, অনেক সময়ই এর কারণটা লুকিয়ে থাকে খাদ্যাভ্যাসে, আর তা হল পর্যাপ্ত আঁশের অভাব। আঁশের অভাব পূরণের জন্য রয়েছে নানান ধরনের খাবার। আপেল: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ফলটি বেশ উপকারী। প্রতিটি আপেলে থাকে প্রায় সাড়ে ৪ গ্রাম আঁশ। তাই সারাদিনে অন্তত একটি আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। কমলা: প্রতিটি কমলায় প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ মেলে, আর এতে ক্যালরির পরিমাণও কম। এছাড়াও থাকে ‘ফ্লাভানল’ নামক উপাদান যা কাজ করে ‘ল্যাক্সাটিভ’ বা রেচক হিসেবে। পপকর্ন: আশ্চর্য শোনালেও মল নরম করতে কার্যকর পপকর্ন বা খই। এক কাপ খইয়ে থাকে প্রায় ১ গ্রাম আঁশ আর কোনো রকম স্বাদবর্ধক বা লবণ ছাড়া খেলে ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কম থাকে। তাই সিনেমা দেখার সময় খই নিয়ে বসুন, উপ

স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অতিরিক্ত ভিটামিন

প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে অনেকে যখন তখন ভিটামিন খেয়ে থাকেন। ভিটামিন হলো শরীরে জন্য এক অত্যাবশ্যক জৈব যৌগ। ভিটামিন শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক কাজে সহায়তা করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শুধু তাই নয়, ভিটামিন দাঁত এবং হাঁড়ের গঠনে সাহায্য করে,অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে এবং শরীরের ক্ষয়পুরণে সাহায্য করে। কিন্তু অতিরিক্ত ভিটামিন গ্রহণ করলে তা আর্শীবাদের চেয়ে অভিশাপ ডেকে আনে। অতিরিক্ত ভিটামিন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। অতিরিক্ত ভিটামিন শরীরের স্বাভাবিক পুষ্টি রক্ষার প্রক্রিয়াকে অবদমিত করে। অতিরিক্ত ভিটামিন-এ গ্রহণ করলে ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা, ওজন কমে যাওয়া, লিভার বড় হওয়া প্রভূতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ভিটামিন-এ খেলে গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি হতে পারে। অতিরিক্ত ভিটামিন-সি খেলে পেট ব্যথা, ডায়ারিয়া এবং কিডনিতে পাথর হতে পারে। অতিরিক্ত ভিটামিন-ডি গ্রহণে তলপেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ছে রিফাইন্ড চাল থেকে

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ছে রিফাইন্ড চাল থেকে

রিফাইন্ড করা সরু চালের ভাত সকলেরই পছন্দ এবং এই ভাত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। শুধু আমাদের দেশেই নয়, সারা পৃথিবীজুড়ে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়ছে এবং এই ধরনের রিফাইন্ড বা পলিশ করা সাদা চাল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে ডায়াবেটিস রোগীদের পরামর্শ দিয়েছে গবেষকরা। বাদামি, মোটা চালের ভাত তাদের পক্ষে উপকারি বলে জানা গেছে। পলিশ করা সাদা চালের তুলনায় বাদামি চালে আছে উচ্চমাত্রার তন্তু, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন-বি। আবার অঙ্কুরিত বাদামি চাল আরো ভালো। কারণ অঙ্কুরোদ্গম নিষ্ক্রিয় এনজাইমের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে অঙ্কুরিত বাদামি চালের পুষ্টিগুণ আরো বেড়ে যায়। অতএব পুরানো দিনের মোটা চালের ভাত খাওয়ার দিন এগিয়ে আনতে হবে।

ব্যথা উপশম করবে লবণ-জলপাই তেল

ঘাড় ব্যথা, কোমর ব্যথা কিংবা হাঁটু ব্যথা উপশমে লবণ-জলপাইয়ের তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। লবণের মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো মিনারেল। এটি চাপ কমায় এবং শরীরের ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। পাশাপাশি হাড়কে শক্ত করে এবং ব্যথাকে প্রশমিত করে। অন্যদিকে জলপাইয়ের তেলে রয়েছে অলিওক্যানথাল। উপাদানটি প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা উপশমে কাজ করে। প্রস্তুত প্রণালী ১০ টেবিল চামচ ভালোমানের লবণ এবং ১২ থেকে ১৫ চা চামচ জলপাইয়ের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে একটি বোতলে ভালভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় মিশ্রণটি দুইদিন রাখার পর তা ব্যবহারের জন্য উপযোগী হবে। ব্যবহারবিধি সকালে ঘুম থেকে উঠে আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে হবে। ধীরে ধীরে দুই-তিন মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত মালিশ করতে হবে। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে জায়গাটি ঢেকে দিতে হবে। মিশ্রণ ব্যবহারের পর র‌্যাশ হচ্ছে মনে হলে বেবি পাউডার লাগানো যেতে

কিছুতেই যাচ্ছে না শিশুর কাশি

এই শুষ্ক মৌসুমে শিশুর কাশি শুরু হলে আর সারছেই না। মা-বাবা উদ্বিগ্ন হয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান। চলে ওষুধপত্র, গরম পানি, মধু, তুলসীর রসÑকত কিছু। কিন্তু কাশি সারার নাম নেই। শিশুদের এ ধরনের কাশির উৎস কোনো জীবাণু নয়, শহরের বাতাসে উড়তে থাকা ধুলাবালুই এর কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ২০ মাইক্রোগ্রাম ধুলা ও অন্যান্য পদার্থ থাকলে তা সহনীয়। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরের গবেষণা অনুযায়ী, ঢাকার বাতাসে ধুলাবালুসহ বিভিন্ন দূষিত পদার্থ আছে প্রতি ঘনমিটারে ৪৬৩ মাইক্রোগ্রাম। এটা শিশুদেরই বেশি ক্ষতি করে, কারণ তাদের শ্বাসনালি অপরিণত। কাশির সঙ্গে শিশু ভোগে নাক ও চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া, চুলকানি ইত্যাদি সমস্যায়ও। তবে জ¦র থাকে না। যেহেতু কোনো জীবাণুর সংক্রমণ নেই, তাই এর চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই। লবণ পানি দিয়ে শিশুর নাক পরিষ্কার করে দিন। ছোট শিশুদের বুকের

ব্যথা উপশম করবে লবণ-জলপাই তেল

ঘাড় ব্যথা, কোমর ব্যথা কিংবা হাঁটু ব্যথা উপশমে লবণ-জলপাইয়ের তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। লবণের মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো মিনারেল। এটি চাপ কমায় এবং শরীরের ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। পাশাপাশি হাড়কে শক্ত করে এবং ব্যথাকে প্রশমিত করে। অন্যদিকে জলপাইয়ের তেলে রয়েছে অলিওক্যানথাল। উপাদানটি প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা উপশমে কাজ করে। প্রস্তুত প্রণালী ১০ টেবিল চামচ ভালোমানের লবণ এবং ১২ থেকে ১৫ চা চামচ জলপাইয়ের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে একটি বোতলে ভালভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় মিশ্রণটি দুইদিন রাখার পর তা ব্যবহারের জন্য উপযোগী হবে। ব্যবহারবিধি সকালে ঘুম থেকে উঠে আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে হবে। ধীরে ধীরে দুই-তিন মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত মালিশ করতে হবে। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে জায়গাটি ঢেকে দিতে হবে। মিশ্রণ ব্যবহারের পর র‌্যাশ হচ্ছে মনে হলে বেবি
কাঁচা খেলে ক্ষতি

কাঁচা খেলে ক্ষতি

শাহিদুল ইসলাম : আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোকে আমরা ভাবি কাঁচা খেলে বেশি উপকার হবে। কিন্তু পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা সেগুলো কাঁচা না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। জেনে নিন, এমন কিছু খাবার সম্পর্কে। টমেটো টমেটো কাঁচা বা রান্না করে উভয় ভাবেই খাওয়া যায়। তবে খাদ্য ও পুষ্টিবিদেরা টমেটো কাঁচা খাওয়ার চেয়ে রান্না করে খাওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ কাঁচা টমেটোতে গ্লিকোলক্যালিওডস নামক উপাদান থাকে, যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ও শরীরে বাজে গন্ধ সৃষ্টি করে। মাশরুম মাশরুম হল এক ধরনের ছত্রাক। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করা মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং ওষুধি গুণসম্পন্ন একটি উৎকৃষ্ট খাবার। তবে মাশরুম কাঁচা খাওয়া উচিত নয়। কারণ কাঁচা মাশরুমে কার্সিনোজিনিক নামক উপাদান থাকে, যা শরীরে তীব্র বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করে। আলু প্রায় প্রতিদিন অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি আমরা আলু খেয়ে থাকি। পুষ্