স্বাস্থ্য-পুষ্টি

সাবধান ! গরম পানীয়তেই ক্যানসারের ঝুঁকি

সাবধান ! গরম পানীয়তেই ক্যানসারের ঝুঁকি

ডেস্ক রিপোর্ট : আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ধোঁয়া ওঠা এক কাপ গরম চা বা কফির উপস্থিতি খুব স্বাভাবিক। তবে গবেষকদের মতে এই গরম পানীয়র কুপ্রভাবে যে কেউ ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারে। জাতিসংঘের ক্যানসার গবেষণা সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কফি পান থেকে ক্যানসার সৃষ্টির আশংকা নিয়ে গবেষণাকালে জাতিসংঘের ক্যানসার গবেষণা সংস্থা এ তথ্য পেয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থার পরিচালক ক্রিস্টোফার ওয়াইল্ড বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে খুব গরম পানীয় পান খাদ্যনালির ক্যানসারের এক সম্ভাব্য কারণ এবং এটা মৃত্যুর জন্য দায়ী হতে পারে। কফি এবং দক্ষিণ আমেরিকার জনপ্রিয় ভেষজ নির্যাস থেকে ক্যানসারের ঝুঁকি নিয়ে এক হাজারের বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণা পর্যালোচনা করে এ ধরনের সিদ্ধান্তে উপনীত হয় সংস্থাটি। ১৯৯১ সালে সর্বশেষ মূল্যায়নের স
সেহেরি ও ইফতারের ফজিলত

সেহেরি ও ইফতারের ফজিলত

হালাল দ্রব্য দ্বারা নির্দিষ্ট সময়মতো ইফতার করা মহা সওয়াবের কাজ। এ সময় মহান মাবুদের দরবারে রোজাদার ব্যক্তির দোয়া-ফরিয়াদ কবুল হয়। নিজে একাকী ইফতার করায় যেমন সওয়াব রয়েছে তেমনি অন্যদের ইফতার করানোতে আরো বেশি ফজিলত ও পুণ্য রয়েছে। রোজা শব্দটি ফার্সি ও উর্দু ভাষায় ব্যবহার হয়। রোজার আরবী পরিভাষা হলো সাওম। সাওম শব্দের অর্থ বিরত থাকা বা বিরত রাখা। মাহে রমজানুল মোবারকের সঙ্গে যে দুটো বিষয় সরাসরি সম্পর্কিত তার একটি হলো সেহেরি, দ্বিতীয়টি হলো ইফতার। এখানে এ দুই বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো। সেহেরি : সেহেরি আরবি শব্দ। অর্থ শেষ রাত, দিবসের পূর্ব মুহূর্তে, দিনের প্রথমাংশসহ ইত্যাদি। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় মাহে রমজানের রোজা রাখার নিয়তে শেষ রাত বা সুবেহ সাদিকের পূর্ব মুহূর্তের পানাহারকে সেহেরি বলে। সেহেরি খাওয়া সুন্নাত এবং উত্তম কাজ। মহানবী হজরত (সা.) বলেন, ‘হে আমার উম্মতগণ! তোমরা সেহেরি খাবে। কে
ইফতারের তালিকায় খেজুর

ইফতারের তালিকায় খেজুর

রমজানে ইফতার মুসলমানদের জন্যই আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। রোজা রাখার পর বেশিরভাগ সময় মানুষ খেজুর দিয়ে ইফতার করে। খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত। খেজুর অতি পরিচিত একটি ফল হলেও মিষ্টি মধুর ছোট এই ফলটির রয়েছে অনেক গুণ। কারণ সারা দিনের ক্লান্তি দুর করতে প্রত্যেকের জন্য প্রতিদিন একটি করে খেজুরই যথেষ্ট। বলা হয়ে থাকে, বছরে যতগুলো দিন আছে, খেজুরে তার চেয়েও বেশি গুণ রয়েছে। তাই রোজা রাখার পর এটি খাওয়া অনেক দরকার। কারণ এটি শুধু ক্লান্তি দূর করে না, বরং শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনেরও জোগান দেয়। খেজুরে রয়েছে এমিনো এসিড, প্রচুর শক্তি, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। খেজুর শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত। এছাড়াও খেজুরের রয়েছে আরও অনেক উপকারীগুণ। এগুলো হলো- ১. খাদ্যশক্তি থাকায় দ
রমজানে বুকজ্বালা করলে কি করবেন

রমজানে বুকজ্বালা করলে কি করবেন

ডেস্ক রিপোর্ট : এই রমজানে রোজা পালনের সময় অনেকেই গলা ও বুকে জ্বালা অনুভব করেন। খাদ্যাভ্যাস ও সময়সূচির আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে এই সমস্যা হতে পারে। সাধারণত পাকস্থলীর পরিপাক-রসের শক্তিশালী অম্ল বা অ্যাসিড যাতে ওপর দিকে খাদ্যনালিতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য খাদ্যনালির প্রান্তে একটি ভাল্ভের মতো অংশ থাকে। এটি কোনো কারণে দুর্বল হয়ে পড়লে অ্যাসিড ওপরে উঠে যায়। তখনই গলা ও বুকে জ্বালা-যন্ত্রণা হয়। স্থূলতা, ডায়াবেটিস, গর্ভাবস্থা প্রভৃতি কারণে এ সমস্যা বাড়তে পারে। হঠাৎ করে বেশি তেল-মসলাযুক্ত খাবার, চকলেট, কফি, অ্যাসিডযুক্ত ফল (যেমন: লেবু বা টমেটো), জুস ইত্যাদি খেলে বুকজ্বালা বাড়ে। একসঙ্গে অনেক বেশি পরিমাণে খাবার গ্রহণের ফলেও এ রকম সমস্যা হয়। রমজানে গলা-বুক জ্বলার সমস্যা এড়াতে কয়েকটি পরামর্শ: .ইফতারে এক সঙ্গে অনেক খাবার না খেয়ে ধীরে ধীরে বিরতি নিয়ে খান। শুরুতেই অতিরিক্ত তেল-মস
ডাক্তারদের ফি-নির্ধারণে নতুন আইন হচ্ছে

ডাক্তারদের ফি-নির্ধারণে নতুন আইন হচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ডাক্তারদের প্রাইভেট প্রাকটিসের ফি হালনাগাদ করতে সরকার শিগগিরই নতুন করে হালনাগাদ ও যুগোপযোগী আইন করবে। সংসদের বাজেট অধিবেশনে বুধবার সরকার দলীয় সদস্য নুরন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে সংসদকে তিনি এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে ‘দ্য মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২’ অনুযায়ী বেসরকারি পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ আইনের তফসিলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মেডিকেল ফি, কনসালটেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।  ওই অধ্যাদেশ হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করে ‘বেসরকারি চিকিৎসা সেবা আইন-২০১৬’ এর খসড়া শিগগিরই চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। নতুন আইন হলে বেসরকারি পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে ‘যুগোপযোগী ও হালনাগাদ ফি’ নির্ধারণ সম্ভব হবে বলেও মন্ত্রী সংসদকে
ডাল বাটার ঝামেলা ছাড়াই মজাদার পিঁয়াজু

ডাল বাটার ঝামেলা ছাড়াই মজাদার পিঁয়াজু

ডাল বেটে পিঁয়াজু খাওয়া একটা বেশ বড় ঝামেলাই বটে। বিশেষ করে যারা বাহিরে থাকেন বা একা থাকেন, তাঁদের জন্য খুবই কষ্টকর একটা কাজ এই ডাল বাটা। কিন্ত তাই বলে ডাল বাটার ভয়ে কি পিঁয়াজু খাবেন না? অবশ্যই খাবেন।  এলো তাই আজ  ডাল বাটার ঝামেলা ছাড়াই মজাদার পিঁয়াজু তৈরির রেসিপি! এই প্রনালিতে একদিন আপনি ডাল গুঁড়ো করে রাখলে খেতে পারবেন বেশ অনেকদিন। আর এই ডালের গুঁড়ো সহজে নষ্টও হবে না। উপকরণ : # মসুরির ডাল ১/২ কাপ # মুগের ডাল ১/২ কাপ # বেসন প্রয়োজন মত # পেঁয়াজ, ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদ মত # আদা ও রসুন গুঁড়ো বা বাটা স্বাদ মত # এক চিমটি ভাজা জিরার গুঁড়ো (ইচ্ছা) # লবণ ও তেল প্রয়োজনমত # বেকিং পাউডার ১ চিমটি প্রস্তুত প্রণালি : – মুগের ডাল ভাজবেন না। দু রকম ডাল ভালো করে ধুয়ে কুলায় মেলে দিয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। – এবার এই ডালগুলো ব্লেন্ডারে মিহি গুঁড়ো করে নিন। আপনি চাইলে মসলা গু
নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা? ১। হার্ট সুস্থ রাখতে আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে। ২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে য
রমজানে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

রমজানে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

ডা. সজল আশফাক :: সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের ক্লান্তি কাটাতে কিছুটা রুচিকর খাবারের দরকার আছে। কিন্তু অনেক সময়েই রুচিকর খাবারের নামে আয়োজনটা অনেকটা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়। আমরা ভুলে যাই রোজার উদ্দেশ্য ও দর্শন। বরং কখনো এমন সব খাবারের আয়োজন করি যা কোনোভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। প্রক্রিয়াজাত ফুড এবং জাংক ফুড : এ ধরনের খাবার রোজার সময় এড়িয়ে চলাই বাঞ্ছনীয়। প্রক্রিয়াজাত মাংস এ সময়ে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব মাংসে থাকে উচ্চমাত্রার নাইট্রেট ও সোডিয়াম। এই নাইট্রেট হজম প্রক্রিয়ার এক পর্যায়ে নাইট্রোসএমাইনে পরিণত হয়, যা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী একটি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ হিসেবে পরিচিত। ফাস্টফুডের অন্যতম উপাদান হচ্ছে প্রক্রিয়াজাত মাংস, বাড়তি লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বি। বাড়তি লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বি মিলিত ফল মানেই আয়ুষ্কাল হ্রাস। জাংকফুডের মধ্যে চিপস্, ক্যানডিও শরীরের ক্ষতি করে। চিপস্জাতীয় খাবারগুলো তৈরি ক
মেয়েদের জন্য মারাত্মক হতে পারে মাথার যন্ত্রণা

মেয়েদের জন্য মারাত্মক হতে পারে মাথার যন্ত্রণা

মাথায় যন্ত্রণা একটা খুবই সাধারণ অসুখ। রোদ লাগলে, অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকলে কিংবা অন্যান্য কারণে প্রায়ই আমাদের মাথায় প্রচন্ড যন্ত্রণা হয়। মাথার যন্ত্রণাকে বেশিরভাগ মানুষই বিশেষ গুরুত্ব দেন না। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে এই ছোট্ট মাথার যন্ত্রণার ফলে, কতটা ভয়ঙ্কর পরিণতি হতে পারে জানেন? সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মাথার যন্ত্রণার ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হন ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা। মেয়েদের মাথার যন্ত্রণা থেকে দেখা দিতে পারে হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো আরও অন্যান্য ভয়ঙ্কর অসুখ। শুধু তাই নয়, মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়ে এই মাথা যন্ত্রণা থেকে। হৃদপিণ্ডে রক্ত চলাচল সঠিক না হলেই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকস, বুকে যন্ত্রণা প্রভৃতি অসুখ দেখা দেয়। আবার মাইগ্রেনের ফলে হৃদযন্ত্রের সমস্যা দেখা দেয়। চিকিত্‌সকেদের একাংশ বলছেন যে, মাইগ্রেন থেকে মেয়েদের মৃত্যুর আশঙ্কা পর্যন্ত থাকে। ধূমপান, অতিরিক্ত চিন্তা, বয়সজনিত কারণ এছাড়াও হরমোনের
মুখে ও নাকে ব্ল্যাকহেড দূর করার সাধারণ ঘরোয়া উপায়।

মুখে ও নাকে ব্ল্যাকহেড দূর করার সাধারণ ঘরোয়া উপায়।

ব্ল্যাকহেড বা অবাঞ্চিত কালো লোম মুখের সৌন্দর্য ব্যহত করে। এই ব্ল্যাকহেড ঘরে বসে দূর করা সম্ভব, কিন্তু ত্বকের ধরণ বুঝে উপযুক্ত পন্থা গ্রহণ করতে হবে। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়, তবে প্যাকটি সপ্তাহে ৩-৫ বার, শুস্ক ও সংবেদনশীল ত্বকে সপ্তাহে ১ বার আর স্বাভাবিক ত্বকে সপ্তাহে প্রতিদিন প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। ব্ল্যাকহেড দূর করার বিভিন্ন প্যাক লেবু ও টক দই এর প্যাক: ২ চা চামচ ব্যসন, ৩ চা চামচ টক দই ও ১ চা চামচ লেবুর রস দিয়ে প্যাকটি তৈরি করতে হবে, যা ব্ল্যাকহেড আক্রান্ত জায়গায় ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে মুখটি ধুতে হবে, বেকিং পাউডারের প্যাক: ২ টে চামচ বেকিং পাউডার ও ৪ টে চামচ পানি মিশিয়ে প্যাকটি তৈরি করতে হবে এবং আক্রান্ত স্থানে মোটা করে লাগাতে হবে। ১০ -১২ মিনিট পর প্যাকটি শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখটি ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ডিমের প্যাক: অতিরিক্ত ঘন ব্ল্যাকহেড থাকল