ফিচার

দেখুন বিখ্যাত ১০ জাদুর আসল রহস্য!

দেখুন বিখ্যাত ১০ জাদুর আসল রহস্য!

ছোটবেলা থেকেই হাটে-বাজারে জাদু দেখে অভ্যস্ত আমরা। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় টেলিভিশনের পর্দায়ও দেখা যায় জাদু। আমাদের প্রত্যেকেরই জাদুর প্রতি আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। বিশ্বাস করি বা না করি, জাদু দেখে আমরা মজা পাই। শেখার আগ্রহও কম মানুষের নয়। কিন্তু সবাই শিখতে পারি না।   জাদু দেখার সময় আমাদের চোখের পলক পড়ে না। চোখের পলকে যদি কোনো কিছু অগোচরে চলে যায়। জাদুতে আমরা দেখতে পাই কোনো নারী শূন্যে ভাসছে। আবার কখনো দেখা যায়, কারো শরীর কেটে দু’ভাগ করা হয়েছে। কেউবা মুহূর্তেই উধাও হয়ে যাচ্ছেন চোখের সামনে থেকে।   > আরও পড়ুন- ২ হাজার বছর আগেও ছিল সাইকেল! সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে- কীভাবে সম্ভব? কেমন করে চোখে ধাঁধা লাগিয়ে করা হয় এমন। তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও উত্তর খোঁজা খুব কঠিন। আসলে জাদুকররা নাকি মানুষের চোখে একটি ‘ইলিউশন’ তৈরি করে। আর তার মধ্য দিয়েই মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় দৃশ্যমান জি
আপনি মানসিক রোগী কিনা বুঝবেন কিভাবে?

আপনি মানসিক রোগী কিনা বুঝবেন কিভাবে?

ওসিডি কেন হয়: অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডারের প্রকৃত কারণ এখনও অজানা। তবে কিছু কিছু বিষয়কে এই রোগের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ভাবা হয়। যেমন জীনগত কারণ, বায়োলজিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল কারণ, মানসিক চাপ, শিশু নির্যাতন ইত্যাদি। সুতরাং আপনার শিশুকে অতিশাসন বা বেশি চাপ প্রয়োগের আগে আরেকবার ভাবুন, তাকে অসহ্য মানসিক যন্ত্রণাদায়ক রোগ অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না তো?   > আরও পড়ুন- নিয়মিত ব্লগিং করেন ১০৫ বছরের বৃদ্ধা! রোগের লক্ষণ • কাল্পনিক চিন্তা এবং এই চিন্তা-ভাবনাগুলো রোগীর মনে বারবার দেখা যায়। অনেক চিন্তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক হলেও রোগী ইচ্ছে করলেই সেই চিন্তা ত্যাগ করতে পারেন না। • যে কোন জিনিস বারবার চেক করা, যেমন বাসা থেকে কোথাও ঘুরতে বেরিয়ে বারবার ফিরে গিয়ে চেক করা- দরজায় তালা লাগানো হয়েছে কিনা। বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস। • অদ্ভুত সব সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে রো
বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

২০১৫ সালে ইরানের উত্তর-পূর্বের শহর মাশাদে প্রথম এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সময়টা ছিল শীতকাল। সেখানে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র পৌঁছে দিতে অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তি এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এমন উদ্যোগের নামকরণ করা হয়েছিল ‘মহানুভবতার দেয়াল’। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমে সে খবর প্রচারিত হয়েছিল। সংবাদ প্রকাশের পর জনমনে ব্যাপক সাড়া পড়েছিল এমন উদ্যোগের জন্য। সেই ঘটনার পর ২০১৫ সালের নভেম্বর মাস থেকেই বাংলাদেশের মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল এসসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে এমন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। পাশাপাশি খুলনাতেও এমন উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। > আরও পড়ুন- গণিতে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণ জয় দেশের অন্যান্য উদ্যোগের খবর ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে না পড়লেও সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘
দিনের আকাশে ‘ছোটদের চাঁদ’!

দিনের আকাশে ‘ছোটদের চাঁদ’!

রক্তচন্দ্রের পর ভারতের আকাশে এবার ‘ছোটদের চাঁদ’ দেখার বিরল ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এ সুযোগ থাকবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। ২৭ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পারেননি। তারা কিন্তু এ সুযোগটি লুফে নিতে পারেন।   > আরও পড়ুন- পানি থেকে তৈরি হবে জ্বালানি জানা যায়, চাঁদটি রাতে নয়, বরং দিনের আকাশে দেখা যাবে। সেদিন আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই ভারত থেকে দেখা যাবে বিরল এই ঘটনা। এ কয়দিন ভারতের আকাশে চন্দ্রোদয় হবে রাত ১১টার পর। ফলে চাঁদ ডুবতে সময় লেগে যাবে। ফলে সূর্যোদয়ের পরেও বেশ কিছুক্ষণ তা দেখা যাবে।   > আরও পড়ুন- ২০১৮ সালে যা ঘটবে আকাশে বিরল এ ঘটনাকেই বলা হচ্ছে— ‘চিলড্রেন্স মুন’ অর্থাৎ ‘ছোটদের চাঁদ’। রাতের বেলা যেহেতু শিশুরা ঘুমিয়ে থাকে, সেহেতু তারা চাঁদ দেখতে পায় না। ফলে দিনের আকাশে ওঠা এই চাঁদ ছোটরা অনায়াসেই দেখতে পারবে। যে কারণে এ
১২ বছর পর পর ফোটে যে ফুল

১২ বছর পর পর ফোটে যে ফুল

ভারতের কেরালা রাজ্য সবারই পছন্দের জায়গা। এর পেছনে মুন্নার নামক পাহাড়ি অঞ্চলের বিশেষ অবদান রয়েছে। আর সেই মুন্নারেই সৃষ্টি হয়েছে আরেক বিস্ময়। সেখানে ১২ বছর পর ফুটেছে এক ধরনের ফুল। ফুলটির নাম নীলাকুরিনিজি।   পাহাড়ের বুকে গোলাপি চাদর বিছিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি। গোলাপি-জাম রঙের চাদরে ১২ বছর পর উঁকি মারছে নীলাকুরিনিজি ফুল। বর্ষাকালের এই ফুল দেখার জন্য রীতিমত ভিড় জমছে সেখানে। কেরালার পশ্চিমঘাটের ছোট্ট পাহাড়ি শহর মুন্নার নানা রঙে মনমুগ্ধকর হয়ে উঠেছে।   > আরও পড়ুন- ২ হাজার বছর আগেও ছিল সাইকেল! নীলাকুরিনিজি ফুল মূলত ১২ বছর পর পর ফোটে। অনেক পর্যটকই নীলাকুরিনিজির কথা মাথায় রেখেই মুন্নারে ঘুরতে আসেন। তাই ১২ বছর পর এ ফুল ফুটলেও মুন্নারকে যারা ভালোবাসেন; তারা সময় হলেই চলে আসেন। পাহাড়ের গোলাপি রং দেখেই তারা তৃপ্ত হন।   পাহাড়ি রাস্তার বাঁক যেখানে থমকে যায়; সেখানেই দে
ভালোবাসায় রক্ষা পেল ‘পাখির বাসা

ভালোবাসায় রক্ষা পেল ‘পাখির বাসা

ফিচার
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রমনা উদ্যানে রানী মাঠে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু সংখ্যক মানুষ। সবার দৃষ্টি লম্বা একটি গাছের উপরে একটি গর্তের দিকে। এক যুবককে বড় একটি লাঠির সাহায্যে গর্তের ভেতর গুজে রাখা পলিথিন ও ময়লা কাগজ পরিষ্কার করতে দেখা যায়। অনেকেই কৌতুহলী হয়ে যুবকের কাছে গর্ত পরিষ্কারের কারণ জানতে চান। আবেদ ভূঁইয়া নামের ওই যুবক জানান, ওই গর্তটি টিয়া পাখির বাসা। কয়েকদিন আগেই টিয়া পাখির ডিম ফুটে কয়েকটা বাচ্চা হয়। বাচ্চাগুলি উড়তে শিখেছে। দিনে বাইরে ঘোরাফেরা করলেও রাতে ওরা ওই গাছের গর্তে করা বাসায় থাকে। আবার সকাল হলে বাইরে বেরিয়ে পড়ে। তিনি রমনা পার্কে প্রতিদিন প্রাতঃভ্রমণে আসলে টিয়া পাখির কিচির-মিচির শব্দ শুনেন। তিনি জানান, একটি দুষ্টচক্রের সদস্যরা পাখিগুলো যেন বাসায় প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বাসার মুখে পলিথিন ও ময়লা কাগজ দিয়ে আটকে দেয়। আজ সাংবাদিক আজমল হক হেলাল বাসাটি নষ্ট হতে
যা কখনো দান করা উচিত নয়

যা কখনো দান করা উচিত নয়

কাউকে কিছু দান করা বাঙালির চিরায়ত স্বভাব। নিজের অপ্রয়োজনীয় জিনিস আমরা আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীকে দান করে থাকি। কিন্তু কোনো কোনো জিনিস দান করলে নাকি অমঙ্গলের সম্ভাবনা রয়েছে। আসুন জেনে নেই জিনিসগুলো সম্পর্কে- প্রথমেই বলে রাখি, প্লাস্টিকের কোনো জিনিস কখনো দান করবেন না। কারণ এগুলো দান করলে নাকি সংসারে অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার নিজের ঘরের ঝাড়ু অন্যকে দান করলেও ঘর থেকে লক্ষ্মী চলে যায়। অনুরূপভাবে ঘরের স্টিলের বাসন দান করলে পারিবারিক সমস্যা হতে পারে। এমনকি পুরনো জামাকাপড়, ভোজ্য তেল দান করলে গৃহের অমঙ্গল হয়। কেনো কোনো জিনিস দান করলে সংসারের অমঙ্গল ছাড়াও জীবনে হতাশা আসতে পারে। তাই পুরনো বই, ভাঙা কলম, তীক্ষ্ণ বস্তু, ছুরি, কাঁচি দান না করাই ভালো। এগুলো দান করলে আপনার জীবনে অনেক সমস্যা হতে পারে।
পরীক্ষার আগে ডিম খেলে যা হয়

পরীক্ষার আগে ডিম খেলে যা হয়

ফিচার
প্রতিদিনের খাবারে ডিম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে ডিম নিয়ে কুসংস্কারেরও অভাব নেই। পরীক্ষায় ফেল করা মানে ডিম, আণ্ডা বা গোল্লা পাওয়া। তাই পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে অনেকেই ডিমকে এড়িয়ে চলেন। ইউরোপ ও আমেরিকাতেও এ সংস্কার রীতিমতো ছড়িয়ে পড়েছে। এ সংস্কার আমাদের দেশেও কিন্তু বহাল। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে ডিম খাওয়া কি শুভ? এমন প্রশ্ন সবার মনেই দেখা দেয়। অনেকেই মনে করেন, ডিমের মতো একটা জিনিস খেয়ে পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষায় গোল্লা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মূল কথা হচ্ছে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে ডিম খেলে পেটে গুড়গুড় শব্দ হতে পারে। মাথা ঝিমঝিম করতে পারে। তখন মনে এমনিতেই ভয় চলে আসে। কারণ ডিম খেয়ে হজম করা সবার জন্য হয়তো সম্ভব নয়। কিন্তু পশ্চিমা সংস্কার বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। পশ্চিমা সংস্কৃতি বলছে— ডিম প্রজননের প্রতীক। তার মধ্যে রয়েছে পুনরুত্থান বা নবজন্মের ব্যঞ্জনা। ইংল্যান্ডে ধবধবে সাদা ডিম অত
মুক্তিযুদ্ধের আলোয় যুদ্ধদলিল

মুক্তিযুদ্ধের আলোয় যুদ্ধদলিল

উদ্যোগের নাম—যুদ্ধদলিল। মূলত একটি ওয়েবসাইট। তাতে ১৫ খণ্ডের ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র’ নামক সংকলনটি সবার পড়ার সুবিধার্থে ইউনিকোডে রূপান্তর করে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন চাইলেই কেউ বইগুলোর প্রয়োজনীয় অংশ পড়তে পারবেন ওয়েবসাইটে। শুধু তা-ই নয়, মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখযোগ্য ঘটনা নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে গ্রাফিক নভেল, কমিকস এবং জেলাভিত্তিক গণহত্যার পুস্তিকা। এগুলো নিয়ে তরুণ উদ্যোক্তারা হাজির হচ্ছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। প্রচ্ছদে রইল যুদ্ধদলিল নামে তরুণদের সে উদ্যোগের কথা। নিজেদের সম্পর্কে তাঁরা বলেন, তাঁদের আলাদা পরিচয় নেই। মুক্তিযুদ্ধই তাঁদের পরিচয়। এ যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস আর মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবগাথা ছড়িয়ে দিতে এই তরুণদের উদ্যোগের নামটি অতি সাদামাটা—যুদ্ধদলিল। ২১ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা জাদুঘরের পাকা চাতাল বা প্লাজার এক কোনায় দাঁড়িয়ে এই তরুণদের গল্প শুনছিলাম। তাঁদের গল্প
স্কুবি ও সিমবাদের নিয়ে নাদিয়ার পথচলা

স্কুবি ও সিমবাদের নিয়ে নাদিয়ার পথচলা

ঢাকায় অনেকেই এখন কুকুর পোষেন। কিন্তু এই কুকুরগুলোর সঙ্গে আপনার খুব একটা দেখা হবে না। কারণ ওরা বেশির ভাগ সময় ঘরের ভেতর বন্দী থাকে।’ নাদিয়া শিকদার যখন এই কথা বলছেন, তখন আমরা বসে আছি হাতিরঝিলে। রাস্তার পাশে, একটা বেঞ্চে বসে তাঁর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। জন্মসূত্রে বাংলাদেশি হলেও ছোটবেলা থেকে এই তরুণীর একটা বড় সময় কেটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলা ভাষাটা এখনো খুব ভালো রপ্ত করতে পারেননি। নাদিয়ার সঙ্গে কথোপকথন তাই ইংরেজিতেই হলো।  ‘হাতিরঝিল ডগ ওয়াকার্স ক্লাব’ নামে ফেসবুকে একটা গ্রুপ খুলেছেন নাদিয়া। তাঁর বক্তব্য; যাঁরা কুকুর পোষেন, তাঁদের নিয়মিতই কুকুরটিকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটতে বের হওয়া উচিত। এতে করে কুকুরের শরীর-মন দুটোই ভালো থাকে। ঘরের ভেতর আটকে থাকলে কুকুরগুলোর মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে একটা দূরত্ব তৈরি হয়, যেটা ঠিক নয়। এই হন্টন যে কুকুর পালকের জন্যও উপকারী, সে কথাও মনে করিয়ে দিলেন তিনি, ‘হ