ফিচার

ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ভাষার ব্যবহার

ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ভাষার ব্যবহার

ড. সাখাওয়াৎ আনসারী :: ভাষা সম্পর্কে এ দেশের মানুষের যে ধারণা, তা অনেকটাই ভ্রান্ত। ভাষা বলতে এ দেশের মানুষ বাচনকে (স্পিচ) যেমন বোঝে, তেমনই বোঝে লেখাকেও। বস্তুত আমরা যা বলি, তা-ই ভাষা। আমরা যা লিখি, সেটি ভাষা নয়। এটি লেখা (রাইটিং)। বলা প্রয়োজন, লেখা হলো ভাষাকে সংরক্ষণের একটি কৌশল (রাইটিং ইজ এ টেকনিক অব রেকর্ডিং ল্যাংগুয়েজ)। এ কারণেই বাংলা ভাষায় রচিত ভাষার ধারণা-নির্দেশক যে বক্তব্য- ভাষার দুই রূপ :একটি কথ্য এবং অন্যটি লেখ্য- ভুল। আসলে ভাষার রূপ একটিই, আর সেটি হলো আমাদের মুখনিঃসৃত কথা। স্মর্তব্য, 'ভাষা' শব্দটির মূলও সংস্কৃত 'ভাষ্‌' থেকে, যা মুখনিঃসৃত বাচনকেই নির্দেশ করে। ভাষাই মুখ্য, লেখা গৌণ। লেখা গৌণ বলেই যে লেখাকে গুরুত্বহীন ভাবতে হবে- এমন নয়। লেখা গৌণ হওয়া সত্ত্বেও লেখার সৃষ্টি কিন্তু ভাষার সীমাবদ্ধতা থেকেই। ভাষার রয়েছে দুটি প্রধান সীমাবদ্ধতা :এক. স্থানগত সীমাবদ্ধতা এবং দুই. কালগত সীমাব
বসন্তের রঙে ভালোবাসা

বসন্তের রঙে ভালোবাসা

আজ বসন্তের প্রথম দিন, কাল বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্তের রঙে ভালোবাসা যেন রঙিন হয়ে ওঠে। বাসন্তি রঙে সাজে মানব হৃদয়। ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ে জনে জনে। পারস্পারিক ভালোবাসায় অপরূপ হয়ে ওঠে বসন্তকাল। বসন্তের এমন দিনে ভালোবাসা জানাচ্ছেন মরিয়ম আক্তার— বাংলা পঞ্জিকার পাতায় বসন্ত আসার নির্দেশ ও তার আগে প্রকৃতি যেন ব্যস্ত হয়ে পড়ে নিজেকে নবরূপে সাজাতে। ১৩ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুন ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। প্রকৃতিকে নতুন রূপে সাজিয়ে আগমন ঘটে ঋতুরাজ বসন্তের। শুধু বসন্ত নয় পহেলা ফাল্গুনের পরদিন অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দুটি যেন মানুষকে পুলকিত করে আত্মহারা আনন্দে। এ যেন এক সুবর্ণ সুযোগ একজন আরেকজনকে মনের কথা বলার। কতদিন ধরেই না অপেক্ষা করেছিল প্রিয় মানুষকে মনের কথা বলবে বলে। এ সুযোগে হাতে ফুল নিয়ে এক অনুভূতির আনন্দে ছুটে যায় প্রিয়জনকে মনের কথা বলার উচ্ছ্বাসে। রাস্তাঘাট
হিজাবের সৌন্দর্য দেখেই আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি: ফরাসি নওমুসলিম লায়লা

হিজাবের সৌন্দর্য দেখেই আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি: ফরাসি নওমুসলিম লায়লা

ফিচার
 ডেস্ক রিপোর্ট: ফরাসি নও-মুসলিম লায়লা হোসাইন ছিলেন ইহুদি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, হিজাবের সৌন্দর্য দেখেই তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং বেছে নিয়েছেন পরিপূর্ণ হিজাব। লায়লা হোসাইন বলেছেন, ‘মুসলমানদের সম্পর্কে সব সময়ই এক ধরনের ভীতশ্রদ্ধা ছিল আমার মধ্যে। আমি এভাবেই বড় হয়েছি। কিন্তু আমি সব সময়ই হিজাব পরা মুসলিম নারীদের প্রতি আকৃষ্ট ছিলাম। তাদের পবিত্রতা ও বিনম্রতা আমাকে মুগ্ধ করত’। তিনি বলেছেন, ‘কোরআন ছিল আমার প্রথম অনুপ্রেরণা। যেসব সাক্ষ্য-প্রমাণ আমি পেয়েছি তা থেকে বুঝতে পেরেছি যে, ইসলাম সত্য ও খাঁটি ধর্ম। কারণ, এ ধর্ম সব নবী-রাসুলকেই শ্রদ্ধা করে। আর আমার দৃষ্টিতেও এটা খুবই যৌক্তিক। ধীরে ধীরে আমার কাছে এটা স্পষ্ট হয় যে ইসলামের শুধু বাহ্যিক দিক নয়, আছে অভ্যন্তরীণ দিকও। তাই ভেতর থেকেও ইসলামকে রক্ষা করতে হবে।’ লায়লা হোসাইন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘হিজাব পরার মাধ্যমে আমি নিজেকে অনেক সুযো
হীরার শহর জার্মানি !

হীরার শহর জার্মানি !

হীরার শহর! অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, শহরটিতে লুকিয়ে আছে ৭২ হাজার টন হীরা। কোথায় সেই শহর, কীভাবেইবা এলো এত হীরা? জার্মানির বাভারিয়া স্টেটের নর্ডলিনজেন শহরে রয়েছে এই হীরা। কিন্তু এই হীরা যে শুধু রত্ন হিসেবে জরুরি তা কিন্তু নয়, কেননা এই হীরার গুরুত্ব অন্য দিক থেকেও রয়েছে। এক কোটি ৫০ লাখ বছর আগে প্রায় ২৫ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড বেগে এক গ্রহাণু আছড়ে পড়েছিল পৃথিবীর বুকে। সেই গ্রহাণুর সঙ্গে ভূপৃষ্ঠের সংঘর্ষ হয়। এর ফলে যে বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছিল জার্মানির এই জায়গায়, তা এই গোটা শহরটারই সমান। এভাবেই শহরটার উৎপত্তি। এই বিস্ফোরণে সৃষ্ট মারাত্মক চাপ ও তাপের ফলে ‘কোর্স-গ্রেইনড’ পাথর সুয়েভাইট তৈরি হয়েছিল। এতে থাকে কাচ, কার্বন কেলাস ও হীরা। সংঘর্ষের পরে এই হীরাই ছড়িয়ে পড়েছিল এই শহরে। কিন্তু তা এতটাই সূক্ষ্ম যে, সেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না। ষাটের দশকে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেন, এই হীরা গ্রহাণু থেকেই এসেছে।
খাদ্যাভাব মেটাবে পানির নিচে চাষবাস

খাদ্যাভাব মেটাবে পানির নিচে চাষবাস

জনসংখ্যাবৃদ্ধি ও পরিবেশ দূষণের মতো সমস্যার ফলে বিশ্বে খাদ্যাভাব দেখা দিতে পারে। চাহিদা মেটাতে টেকসই কৃষিকাজের জন্য যথেষ্ট জায়গাও নেই। বিজ্ঞানীরা পানির নিচে নিমজ্জিত বাগানে সেই কাজই করছেন। সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ১০ মিটার গভীরে এই কাঠামো আসলে বায়োস্ফিয়ার। বিশ্বের প্রথম নিমজ্জিত গ্রিনহাউস। ভবিষ্যৎধর্মী এই প্রকল্পের মাধ্যমে সম্পদের ঘাটতির সমস্যার মোকাবিলার চেষ্টা চলছে। ডুবুরি হিসেবে জানি ফন্টানেসি সেখানে প্রায় ৪০টি গাছের দেখাশোনা করেন। তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে অদ্ভুত ও অসাধারণ মনে হয়। বর্ণনা দেওয়া কঠিন। এখন প্রতিদিন সেখানে কাজ করে আমি প্রকল্পের বিকাশ দেখতে পাই। ফলাফল নিয়ে আমি খুবই গর্বিত। শুধু সমুদ্রের নীচে নয়, গোটা বিশ্বে কত হ্রদ এই প্রণালি ব্যবহার করে লাভবান হতে পারে, তা একবার ভেবে দেখুন।’ ৬ বছর আগে ডুবুরিরা সৈকতের নিচে প্রথম নিমজ্জিত গ্রিনহাউস তৈরি করেন। সূর্যের আলো সালোকসংশ্লেষ
গারো পাহাড়ে মাল্টা ও লেবু চাষ

গারো পাহাড়ে মাল্টা ও লেবু চাষ

ফিচার
ভারত সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি সুনিষ্কাশিত, উর্বর, মধ্যম থেকে দোঁ-আশ এবং এখানকার আবহাওয়া শুষ্ক ও উষ্ণ হওয়ায় এখানে সাইট্রাস (লেবু) জাতীয় ফল চাষের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। আর এ জাতীয় ফল বিশেষ করে লেবু ও মাল্টা চাষ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় ও একইসঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। গত তিন বছর আগে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাইট্রাস ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় লেবু ও মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন উদ্যোক্তা আব্দুল বাতেন। তিনি হলদীয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। পেশায় সরকারি গাড়ি চালক। আরো নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হলে এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে লেবু ও মাল্টা চাষে বিপ্লব ঘটবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চল অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার নতুন দ্বার উন্মোচন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্
দেখুন বিখ্যাত ১০ জাদুর আসল রহস্য!

দেখুন বিখ্যাত ১০ জাদুর আসল রহস্য!

ছোটবেলা থেকেই হাটে-বাজারে জাদু দেখে অভ্যস্ত আমরা। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় টেলিভিশনের পর্দায়ও দেখা যায় জাদু। আমাদের প্রত্যেকেরই জাদুর প্রতি আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। বিশ্বাস করি বা না করি, জাদু দেখে আমরা মজা পাই। শেখার আগ্রহও কম মানুষের নয়। কিন্তু সবাই শিখতে পারি না।   জাদু দেখার সময় আমাদের চোখের পলক পড়ে না। চোখের পলকে যদি কোনো কিছু অগোচরে চলে যায়। জাদুতে আমরা দেখতে পাই কোনো নারী শূন্যে ভাসছে। আবার কখনো দেখা যায়, কারো শরীর কেটে দু’ভাগ করা হয়েছে। কেউবা মুহূর্তেই উধাও হয়ে যাচ্ছেন চোখের সামনে থেকে।   > আরও পড়ুন- ২ হাজার বছর আগেও ছিল সাইকেল! সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে- কীভাবে সম্ভব? কেমন করে চোখে ধাঁধা লাগিয়ে করা হয় এমন। তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও উত্তর খোঁজা খুব কঠিন। আসলে জাদুকররা নাকি মানুষের চোখে একটি ‘ইলিউশন’ তৈরি করে। আর তার মধ্য দিয়েই মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় দৃশ্যমান জি
আপনি মানসিক রোগী কিনা বুঝবেন কিভাবে?

আপনি মানসিক রোগী কিনা বুঝবেন কিভাবে?

ওসিডি কেন হয়: অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডারের প্রকৃত কারণ এখনও অজানা। তবে কিছু কিছু বিষয়কে এই রোগের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ভাবা হয়। যেমন জীনগত কারণ, বায়োলজিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল কারণ, মানসিক চাপ, শিশু নির্যাতন ইত্যাদি। সুতরাং আপনার শিশুকে অতিশাসন বা বেশি চাপ প্রয়োগের আগে আরেকবার ভাবুন, তাকে অসহ্য মানসিক যন্ত্রণাদায়ক রোগ অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না তো?   > আরও পড়ুন- নিয়মিত ব্লগিং করেন ১০৫ বছরের বৃদ্ধা! রোগের লক্ষণ • কাল্পনিক চিন্তা এবং এই চিন্তা-ভাবনাগুলো রোগীর মনে বারবার দেখা যায়। অনেক চিন্তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক হলেও রোগী ইচ্ছে করলেই সেই চিন্তা ত্যাগ করতে পারেন না। • যে কোন জিনিস বারবার চেক করা, যেমন বাসা থেকে কোথাও ঘুরতে বেরিয়ে বারবার ফিরে গিয়ে চেক করা- দরজায় তালা লাগানো হয়েছে কিনা। বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস। • অদ্ভুত সব সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে রো
বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

বিদ্যালয়ে মহানুভবতার দেয়াল

২০১৫ সালে ইরানের উত্তর-পূর্বের শহর মাশাদে প্রথম এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সময়টা ছিল শীতকাল। সেখানে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র পৌঁছে দিতে অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তি এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এমন উদ্যোগের নামকরণ করা হয়েছিল ‘মহানুভবতার দেয়াল’। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমে সে খবর প্রচারিত হয়েছিল। সংবাদ প্রকাশের পর জনমনে ব্যাপক সাড়া পড়েছিল এমন উদ্যোগের জন্য। সেই ঘটনার পর ২০১৫ সালের নভেম্বর মাস থেকেই বাংলাদেশের মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল এসসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে এমন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। পাশাপাশি খুলনাতেও এমন উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। > আরও পড়ুন- গণিতে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণ জয় দেশের অন্যান্য উদ্যোগের খবর ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে না পড়লেও সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘
দিনের আকাশে ‘ছোটদের চাঁদ’!

দিনের আকাশে ‘ছোটদের চাঁদ’!

রক্তচন্দ্রের পর ভারতের আকাশে এবার ‘ছোটদের চাঁদ’ দেখার বিরল ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এ সুযোগ থাকবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। ২৭ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পারেননি। তারা কিন্তু এ সুযোগটি লুফে নিতে পারেন।   > আরও পড়ুন- পানি থেকে তৈরি হবে জ্বালানি জানা যায়, চাঁদটি রাতে নয়, বরং দিনের আকাশে দেখা যাবে। সেদিন আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই ভারত থেকে দেখা যাবে বিরল এই ঘটনা। এ কয়দিন ভারতের আকাশে চন্দ্রোদয় হবে রাত ১১টার পর। ফলে চাঁদ ডুবতে সময় লেগে যাবে। ফলে সূর্যোদয়ের পরেও বেশ কিছুক্ষণ তা দেখা যাবে।   > আরও পড়ুন- ২০১৮ সালে যা ঘটবে আকাশে বিরল এ ঘটনাকেই বলা হচ্ছে— ‘চিলড্রেন্স মুন’ অর্থাৎ ‘ছোটদের চাঁদ’। রাতের বেলা যেহেতু শিশুরা ঘুমিয়ে থাকে, সেহেতু তারা চাঁদ দেখতে পায় না। ফলে দিনের আকাশে ওঠা এই চাঁদ ছোটরা অনায়াসেই দেখতে পারবে। যে কারণে এ