ধর্ম

মুসলমানদের প্রথম কিবলা মসজিদুল আকসার সাবেক খতিব ইন্তেকাল করেছেন

মুসলমানদের প্রথম কিবলা মসজিদুল আকসার সাবেক খতিব ইন্তেকাল করেছেন

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: মুসলিম উম্মাহর প্রথম কিবলা ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসার সাবেক খতিব শায়েখ মুহাম্মাদ সিয়াম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সুদানের রাজধানী খুরতুমের সরকারী একটি হাসপাতালে শায়েখ সিয়াম ইন্তেকাল করেন। খবর আনাদুলু এজেন্সির। ফিলিস্তিন ভিত্তিক গণমাধ্যম দুনিয়া আল-ওয়াতান জানিয়েছে, হামাস-আন্দোলন প্রতিষ্ঠার অন্যতম সদস্য এবং গাজা ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন এ উপাচার্য হৃদরোগে আক্রান্ত হলে খুরতুমের একটি সরকারী হাসপাতালে আনা হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। উল্লেখ্য, শায়েখ সিয়াম দীর্ঘদিন মসজিদুল আকসায় খতীবের দায়িত্ব পালন করার পরে ১৯৮৮ সালে হামাসের আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ততার কারণে  গাজা থেকে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল কর্তৃক বহিষ্কৃত হন । পরে হিজরত করে তিনি সুদানে চলে আসেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্
ভ্রমণ একটি জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার উৎস: শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী

ভ্রমণ একটি জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার উৎস: শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী

ডেস্ক রিপোর্ট :: মানবজীবন একটি অনন্ত ভ্রমণের অংশবিশেষ। মানুষ অনন্ত সফরের যাত্রী। এই ভ্রমণের সূচনা হলো আমলে আরওয়াহ বা রুহের জগৎ থেকে। এর দ্বিতীয় ধাপ হলো আলমে দুনিয়া তথা দুনিয়ার জীবন। তৃতীয় সোপান হলো আলমে বারজাখ বা অন্তর্বর্তীকালীন জীবন, যা মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত বিস্তৃত। এরপর আখিরাত বা পরকালের অনন্ত জীবন। ভ্রমণের আরবি হলো সফর, ছায়ের, রেহলাত ইত্যাদি। ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম হজ অর্থও ভ্রমণ এবং ওমরাহ অর্থও ভ্রমণ। ভ্রমণ একটি আনন্দময় ইবাদত এবং জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার উৎস। সফর বা ভ্রমণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো পূর্ববর্তীদের কীর্তি ও পরিণতি সম্বন্ধে জানা ও শিক্ষা গ্রহণ করা। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না এবং তাদের পূর্ববর্তীদের কী পরিণাম হয়েছিল তা কি দেখে না? যারা মুত্তাকি তাদের জন্য পরলোকই শ্রেয়; তোমরা কি বোঝো না?’ (সুরা-১২ ইউসু
‘আয়াতুল কুরসি’ আল্লাহর অপূর্ব দান

‘আয়াতুল কুরসি’ আল্লাহর অপূর্ব দান

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: পবিত্র কোরআন মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার বাণী। যা মানুষের প্রয়োজনের জন্য নাজিল করা হয়েছে। পাশাপাশি আল্লাহ শুরুতেই এর সত্যায়ন করেছেন যে, এ কিতাবে কোনো সন্দেহ সংশয় নেই। কোরআনের মধ্যে এমন কোনো কিছু নেই যা মানবজাতির কল্যাণে লিপিবদ্ধ হয়নি। এ জন্যই আল্লাহ এ কোরআনকে মানব জাতির হিদায়াত ও জীবন বিধান হিসেবে নাজিল করেছেন। পাঠকদের জন্য আজ আয়াতুল কুরসির ফজিলত তুলে ধরা হলো- আয়াতুল কুরসি কোরআনুল কারিমের সবচেয়ে বড় সূরা ‘সূরা আল-বাক্বারার ২৫৫ তম আয়াত’। যা সমগ্র কোরআনের সবচেয়ে বড় আয়াতও বটে। এ সূরার রয়েছে অনেক ফজিলত। এর ফজিলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত ওবাই ইবনে কা’বকে জিজ্ঞাস করলেন সবচেয়ে ফজিলত ও গুরুত্বপূর্ণ আয়াত কোনটি? ওবাই ইবনে কা’ব আরজ করলেন, সেটি হচ্ছে আয়াতুল কুরসি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সমর্থন করলেন এবং বললেন, হে আবুল মানজার!
স্বামী-স্ত্রীর মধুর সম্পর্ক

স্বামী-স্ত্রীর মধুর সম্পর্ক

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: পবিত্র কোরআন হাদিসের আলোকে স্বামী-স্ত্রীর সঙ্গে কী আরচণ করবে এ বিষয়ে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। প্রথম পর্বের পর আজ দ্বিতীয় পর্ব দেয়া হলো- বিশ্বস্থ হওয়া: স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্থ থাকতে হবে। সন্দেহ সংশয় ভেতরে না রাখা। সন্দেহ যেখানে অশান্তি সেখানে। এটা শুধু সাংসারিক জীবনে নয়, জীবন সমাজ ও রাষ্ট্রের সকলে ক্ষেত্রে এ কথা সমানভাবে প্রযোজ্য যে, দায়িত্বশীলগণ একে অপরকে বিশ্বস্থ হতে হবে। পারস্পরিক বিশ্বস্থ বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে হবে। যদি অবিশ্বাসের কোনো দানা কারো ভেতরে জেগে উঠে তাহলে পুরোটা কাজই হবে অসুন্দর অসফল অকৃতকার্য। আর সেই অবিশ্বাস যদি দানা বাঁধে স্বামীর মনে স্ত্রীর বিশ্বাস নিয়ে, আর স্ত্রীর মনে স্বামীর বিশ্বাস নিয়ে; তাহলে নির্ঘাত এমন সংসার হতে নরকই ভালো। সম্পর্ক হবে বিনষ্ট। সম্পর্ক হবে ভাঙ্গা ভাঙ্গা। আমাদের সমাজের অধিকাংশ বিচ্ছিন্নতার মূলে রয়েছে এই অবিশ্বাস ও সন্দেহ।
বিশ্ব ইজতেমায় স্বেচ্ছাশ্রমে ২০ সহস্রাধিক মাদ্রাসাছাত্র

বিশ্ব ইজতেমায় স্বেচ্ছাশ্রমে ২০ সহস্রাধিক মাদ্রাসাছাত্র

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: তুরাগ নদের তীরে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুষ্টিতব্য বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ইজতেমাকে সামনে রেখে প্রতিদিন টঙ্গী, গাজীপুর, উত্তরা ও তুরাগ এলাকার বিভিন্ন মাদ্রাসার ২০ সহস্রাধিক স্বেচ্ছাসেবী ছাত্র ময়দানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এদিকে, সোমবার বিকালে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন করেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।ইজতেমা ময়দান সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ইজতেমাকে সামনে রেখে এগিয়ে চলছে সবধরনের প্রস্তুতির কাজ। প্রায় ২০ সহস্রাধিক মাদ্রাসা ছাত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে ময়দানে কাজ করছেন। নাইলনের রশি ও পাটের চট দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজ, ছাতা মাইক টানানো, টয়লেট পরিষ্কার-পরিচ্ছন, মুক্কাবির মঞ্চ তৈরি, বালি ফেলে উঁচুনিচু জায়গা সমান করাসহ ময়দান পরিষ্কারের কাজ করছেন আগত মুসল্লিরা।পদ্মাটাইমস
ধনীদের চেয়ে গরিবরা জান্নাতে আগে প্রবেশ করবে

ধনীদের চেয়ে গরিবরা জান্নাতে আগে প্রবেশ করবে

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: দুনিয়াতে আল্লাহ কাউকে ধনী বানিয়েছেন, কাউকে গরিব বানিয়েছেন। কেউ সম্পদশালী, কেউ রিক্ত হস্ত। কেউ ভোগ-বিলাসে মত্ত। কেউবা দুই বেলা ঠিকমতো খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খায়। সবাই আল্লাহর বান্দা। যাকে আল্লাহ ধন দিয়ে পরীক্ষা করেছেন সে যদি সম্পদের সঠিক ব্যবহার না করে এবং বিপথগামী হয় তাহলে তার জন্য সেটা কেয়ামতের দিন বিপদের কারণ হবে। আর যাকে মহান প্রভু দরিদ্র বানিয়ে অন্যের মুখাপেক্ষী করেছেন সে যদি সঠিক পথে চলতে পারে তাহলে জান্নাতে আগে প্রবেশ করবে।ধনীদের তুলনায় গরিবরা বেশি জান্নাতে যাবে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, আমি বেহেশতের দিকে দৃষ্টিপাত করে দেখলাম যে, তার অধিবাসীদের অধিকাংশই গরিব মিসকিন। আর দোজখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার অধিকাংশ অধিবাসী নারী। অপর এক বর্ণনায় এসেছে, গরিবরা আগে বেহেশতে যাবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) হতে বর্ণিত।
মরুভূমিতে আজো দাঁড়িয়ে আছে নবীজীকে (সা.) ছায়াদানকারী সেই গাছ

মরুভূমিতে আজো দাঁড়িয়ে আছে নবীজীকে (সা.) ছায়াদানকারী সেই গাছ

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: অবিশ্বস্য হলেও সত্যে। আজ থেকে ১৫০০ বছর পূর্বে যে গাছটির নিচে মহানবী (সা) বিশ্রাম নিয়েছিলেন জর্ডানের মূরুভূমির অভ্যন্তরে সাফাঈ এলাকায় সেই গাছটি আজো দাঁড়িয়ে আছে। ইংরেজিতে এ গাছকে বলা হয় The Blessed Tree. জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ সর্বপ্রথম এই স্থানটিকে পবিত্র স্থান হিসেবে ঘোষণা দেন।পৃথিবীতে এত পুরনো কোনো গাছ এখনো বেঁচে আছে তা বিশ্বাসযোগ্য না হলেও সত্যি। মরুভূমির রুক্ষ পরিবেশের কারণে জন্ম থেকেই গাছটি ছিল পাতাহীন শুকনো কিন্তু একসময় আল্লাহর হুকুমে গাছটি সবুজ পাতায় ভরে উঠে এবং আজ পর্যন্ত গাছটি সবুজ শ্যামল অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। অবিশ্বাস্য এই গাছটি জর্ডানের মরুভূমির অভ্যন্তরে সাফাঈ এলাকায় দণ্ডায়মান। জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ সর্বপ্রথম এই স্থানটিকে পবিত্র স্থান হিসেবে ঘোষণা দেন। ৫৮২ খ্রিস্টাব্দে সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর বয়স তখন ১২ বছর, তিনি তার চাচা আবু তালিবে
ইসলাম গ্রহণের বিশ্বরেকর্ড!

ইসলাম গ্রহণের বিশ্বরেকর্ড!

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: ইসলামের শান্তির পতাকা তলে আসতে শুরু করেছে মানুষ। অধিক সংখ্যক মানুষ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর দেখানো পথে আসতে শুরু করায় রীতিমতো তা বিশ্বরেকরর্ডে পরিণত হয়েছে।দুবাইয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে ইসলাম গ্রহণ করেছেন মোট ২৩৮ জন, মার্চ মাসে ২৩৭ জন, এপ্রিল মাসে ৩৮৩ জন এবং মে মাসে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনেই ইসলাম গ্রহণ করেন ২৫০ ব্যক্তি। এই শেষোক্ত ২৫০ জনের মধ্যে ৪৮ জন ইসলাম গ্রহণ করেছেন দারুল বার ইসলামী তথ্য-কেন্দ্রের সহায়তা ও দিক-নির্দেশনায়। দুবাইয়ে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি অমুসলিম ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় দেশটিতে বিদেশিদের মধ্যে এ ধর্ম গ্রহণের হারে এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। দারুল বার ইসলামী তথ্য-কেন্দ্রের পরিচালক রশিদ আজ জানিব জানিয়েছেন, দুবাইয়ে গত জানুয়ারি মাসে কেবল এই কেন্দ্রে এসে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন তাদের সংখ্যা ২০৫ জন। আরো পড়ুন: ইসলামের মতে, যেসব ব
সোনার হরফে কোরআন লিখে ইতিহাস গড়লেন তিনি

সোনার হরফে কোরআন লিখে ইতিহাস গড়লেন তিনি

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :: স্বচ্ছ কালো সিল্কের উপর চক চক করছে কোরআনের হরফগুলো। সোনা ও রুপা দিয়ে লেখা। ১৬৪ ফুট সিল্কের উপর মূল্যবান ধাতু দিয়ে সম্পূর্ণ কোরআন লিখে ইতিহাস গড়েছেন আজারবাইজানের শিল্পী তুনজালে মেমেদজাদে। -খবর আনন্দবাজারের। পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো কোরআন নাকি লেখা হয়েছিল ভেড়ার চামড়ার উপর। ২০১৫ সালে সেই কোরআনের পাণ্ডুলিপির খোঁজ মেলে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মালখানায়। এ নিয়ে তখন হৈ চৈ পড়ে যায়। এবার আরও একবার খবরের শিরোনামে কোরআন। সোনা ও রুপার হরফে সম্পূর্ণ কোরআন লিখতে তুনজালে মেমেদজাদের সময় লেগেছে প্রায় তিন বছর। সিল্কের উপর সোনার হরফে কোরআন এই প্রথম লেখা হল বলে জানান ৩৩ বছরের এই শিল্পী। ১১.৪ ফুট বাই ১৩ ফুট সাইজের এই কোরআনের প্রতিটি পাতায় ফুটে উঠেছে ইসলামীয় শিল্পকলা। প্রত্যেকটি হরফ নিজের হাতে লিখেছেন মেমেদজাদে। তিনি বলেন, সিল্ক দিয়ে তৈরি কোরআন কোনভাবেই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনেনি। কোরআনে
ফজর নামায কাযা হওয়া থেকে বাঁচতে চারটি পরামর্শ !!

ফজর নামায কাযা হওয়া থেকে বাঁচতে চারটি পরামর্শ !!

ধর্ম
অনলাইন ডেস্ক:: আমাদের কারো কারো প্রায়ই ফজর নামায কাযা হয়ে যায়। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় আমরা হয়তো ফজরে ওঠার জন্য মোবাইল ফোন বা ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখি। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে হয়তো আমরা এতো ব্যস্ত থাকি যে, ক্লান্তির কারণে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পর আর কোনো পারিপার্শ্বিক চেতনা থাকেনা।ফলে প্রায়ই আমাদের ফজর নামায কাযা হয়ে যায়। অনেকেই এক্ষেত্রে হতাশ হয়ে বরং আরো কিছু সময় ঘুমিয়ে নিয়ে বেলা করে ঘুমথেকে উঠে। এভাবে একসময় এটাই অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তাই এই ছোট লেখায় নিম্নে সংক্ষিপ্ত চারটি পরামর্শ আলোচনা করা হলো- আশা করা যায় পরামর্শ চারটি আপনাকে ফজরের নামায কাযা করা থেকে ফেরাতে ভূমিকা রাখবে। ১. প্রথমত আপনি যখনই জাগ্রত হবেন, অলসতা না করে তখনই ফজরের নামায আদায় করে নিবেন। যদি আপনার ঘুম থেকে উঠতে দেরিও হয় বা পুরোপুরি সূর্যোদয় হয়ে যায়, তথাপি আল্লাহর রাসূলের সূন্নত হল কখনো ফজর ছুটে গেলে ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে আদা