ধর্ম

হজে মক্কার ইমামের খুতবায় ভুল ধরেছিলেন সিলেটের আল্লামা মুশাহিদ বায়ামপুরী

হজে মক্কার ইমামের খুতবায় ভুল ধরেছিলেন সিলেটের আল্লামা মুশাহিদ বায়ামপুরী

ধর্ম
    আল্লামা মুশাহিদ বায়ামপুরী ১৩২৭ হিজরি মোতাবেক ১৯০৭ সালে মহররম মাসে শুক্রবার দিনে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বায়ামপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বায়মপুর বর্তমান কানাইঘাট পৌরসভার অন্তর্গত। তাঁর বাবার নাম কারী আলিম বিন কারী দানিশ মিয়া। আর মাতার নাম হাফেজা সুফিয়া বেগম। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। ছোটবেলায় তাঁর বাবা মারা যান। মায়ের তত্ত্বাবধানে লালিত-পালিত হন। মায়ের কাছেই তাঁর পড়াশোনার হাতেখড়ি। মাত্র সাত বছর বয়সে মায়ের কাছে কোরআন পড়া শিখেন। সঙ্গে বাংলা ও উর্দুও পড়েন।   শিক্ষাজীবন   আল্লামা বায়ামপুরী সাত বছর বয়সে গ্রামের পাঠশালায় ভর্তি হন। কানাইঘাট ইসলামিয়া মাদরাসা, যা বর্তমানে দারুল উলুম কানাইঘাট সেখান থেকে মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি প্রাথমিক পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। মাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশোনাও এখানেই সম্পন্ন করে
ইতেকাফের উদ্দেশ্য ও শর্তাবলি

ইতেকাফের উদ্দেশ্য ও শর্তাবলি

ধর্ম
ইতেকাফ হলো মসজিদে বা নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করা৷ রমজানের ২০ তারিখ ইফতারের আগে মসজিদে পৌঁছা মাসনুন ইতেকাফের জন্য জরুরি৷   ইতেকাফকারীদের জন্য ইতেকাফের উদ্দেশ্য ও শর্তাবলি জানা আবশ্যক৷ আর তা হলো-   ইতেকাফের উদ্দেশ্য দুনিয়ার যাবতীয় ঝামেলা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে একাগ্রতার সঙ্গে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হওয়া, বিনয় ও নম্রতায় নিজেকে আল্লাহর দরবারে সমর্পণ করা এবং বিশেষ করে লাইলাতুল কদরে ইবাদত-বন্দেগি করার সুযোগ লাভ করাই ইতেকাফের উদ্দেশ্য৷   ইতেকাফের শর্ত ইতেকাফে রয়েছে কিছু শর্ত৷ আর তা হলো- - ইতেকাফের নিয়ত করা৷ নিয়ত ব্যতীত ইতেকাফ সহিহ নয়৷ - ইতেকাফ মসজিদে করা৷ পুরুষরা মসজিদে আর নারীরা ঘরের নামাজের স্থান অথবা নির্ধারিত স্থানে ইতেককফ করবে৷ জামা মসজিদ না থাকলে পাঞ্জেগানা মসজিদে ইতেকাফ করা৷ - রোজা রাখা৷ ওয়াজিব ও সুন্নত ইতেকাফের জন্য রোজা রাখা শর্ত৷ - মুস
রমজানে কুরআন তেলাওয়াত করবেন যে কারণে

রমজানে কুরআন তেলাওয়াত করবেন যে কারণে

ধর্ম
কুরআন নাজিলের মাস রমজান। এ মাসজুড়ে রোজা পালনসহ বিভিন্ন ইবাদতের অনেক ফজিলতও সাওয়াব রয়েছে। যে সুসংবাদ ও প্রতিশ্রুতি স্বয়ং আল্লাহ তাআলা প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহকে জানিয়ে দিয়েছেন। রমজানের অন্যতম ইবাদত হলো এ পবিত্র গ্রন্থ কুরআনের তেলাওয়াত।   কুরআন নাজিল প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘রমজান মাসই হল সে মাস; যে মাসে কুরআনুল কারিম নাজিল করা হয়েছে। (উদ্দেশ্য এ কুরআন) মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী।   কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি (রমজান) পাবে, সে এ মাসের রোজা রাখবে।   আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা (রোজা) পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর।
রমজানের কল্যাণ ও প্রতিশ্রুতি লাভে যা করবেন

রমজানের কল্যাণ ও প্রতিশ্রুতি লাভে যা করবেন

ধর্ম
রমজানকে আল্লাহ তাআলার তার নিজের মাস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। হাদিসে কুদসিতে প্রিয়নবির বর্ণনায় আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘রোজা আমার জন্য রাখা হয়; আর আমিই রোজা প্রতিদান দেব।’   রমজান মাসে মুসলিম উম্মাহর জন্য অনেক সুসংবাদ রয়েছে। তন্মধ্যে সেরা সুসংবাদ হলো- এ মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয়; জাহান্নামের দরজাগুলোকে বন্ধ করে দেয়া হয় আর কুমন্ত্রণাদানকারী বিতাড়িত শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়।       এ সবের কারণ হলো বান্দা যেন মহান রবের ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেদের উজাড় করে দিতে পারে। আর এ ইবাদতের বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত দান করতে পারেন। এ সবই মহান আল্লাহ তাআলার অপার হেকমত।   এ মাসে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য অসংখ্য ঘোষণা রয়েছে। এ সবের মধ্যে সেরা ঘোষণা হলো ক্ষমাপ্রাপ্তি। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন রাত দ্বিপ্রহরের পর প্রথম আসমান
রমজানে রহমত লাভের নিশ্চয়তা রয়েছে যে আমলে

রমজানে রহমত লাভের নিশ্চয়তা রয়েছে যে আমলে

ধর্ম
দরূদ হলো আল্লাহর কাছে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর রহমত বর্ষণের দোয়া করা। তাঁর প্রতি অবিরাম শান্তির ধারা অব্যাহত রাখার প্রার্থনা করা। আর রমজান মাসে প্রিয়নবির প্রতি দরূদ ও সালাম প্রেরণ করা অন্য মাসের তুলনায় অনেক বেশি মর্যাদা সম্মান সাওয়াব ও রহমত লাভের উপায়।   মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা স্বয়ং নবির ওপর (দরূদ) রহমত পাঠান এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবির জন্য (দরূদ) ক্ষমা প্রার্থনা করেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও নবির প্রতি দরূদ পাঠ কর এবং তাঁর প্রতি সালাম পাঠাও।’ (সুরা আহযাব : আয়াত ৫৬)   আরও পড়ুন > দোয়া কবুলে দরূদ পাঠের গুরুত্ব উম্মতের মুহাম্মাদির মধ্যে যে ব্যক্তিই দরূদ পাঠ করবে, তার জন্যও অবিরাম রহমত বর্ষণ হবে। হাদিসে পাকের ঘোষণা-   হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করে তিনি প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহ
ইফতারের সময় দোয়া কবুলে প্রিয়নবির ঘোষণা

ইফতারের সময় দোয়া কবুলে প্রিয়নবির ঘোষণা

ধর্ম
সুবহে সাদেক থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর নির্দেশ পালনে রমজানের আগে ও পরের বৈধ কাজ পানাহার ও স্ত্রী-সম্ভোগ থেকে বিরত থাকাই হলো রোজা।   সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোজাদার ব্যক্তি ইফতার করবে। দেরি না করে মাগরিবের নামাজের আগে ইফতার গ্রহণ করার প্রতি তাগিদ দিয়েছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।   ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে ইফতারে রয়েছে যেমন অসামান্য ফজিলত। তেমনি ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার পূর্ণ নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।   আরও পড়ুন > যথাসময়ে ইফতার করার ফজিলত হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া (আল্লাহর কাছে) ব্যর্থ হয় না।   >> ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া। >> ন্যায় বিচারক বাদশাহ
শবে বরাতে করণীয় বর্জনীয়

শবে বরাতে করণীয় বর্জনীয়

মুফতি আহমদ আবদুল্লাহ: শবে বরাত, শাব্দিক অর্থ নাজাতের রাত, মুক্তির রাত বা ভাগ্য নির্ধারণের রজনী। এ রাতই সে সৌভাগ্যরজনী যে রজনীতে আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে তার গুনাহগার বান্দাদের দোজখ থেকে মুক্তি লাভের একটি বিশেষ সুযোগ দেয়া হয়। প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, ‘শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত যখন আসে তখন তোমরা এ রাতটি ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং দিনে রোজা রাখ। কেননা, এ রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহতায়ালা প্রথম আসমানে এসে বলেন, কোনো ক্ষমাপ্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। আছে কি কোনো রিজিকপ্রার্থী? আমি তাকে রিজিক দিবো। এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহতায়ালা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ডাকতে থাকেন।’ (ইবনে মাজাহ: ১৩৮৪) প্রথমে গোসল করে নেয়া মুস্তহাব। তবে রাত আগমণের পূর্বেই আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন থাকলে তা ঠিক করে নিবে। কারও হক থাকলে তা আদায় করে দিবে। অন্তরকে কলুষমুক্ত করে নিবে। প্রিয়নবীর
কোরআনের ভাষায় মানুষের বর্ণনা

কোরআনের ভাষায় মানুষের বর্ণনা

আল্লাহ তোমাদের বোঝা হালকা করতে চান, আর মানুষ দুর্বলভাবে সৃজিত হয়েছে। (সূরা নিসা : ২৮)। আর অবশ্যই যদি আমি মানুষকে আমার রহমতের আস্বাদ গ্রহণ করতে দিই অতঃপর তা তার থেকে ছিনিয়ে নিই তাহলে সে হয় হতাশ, অকৃতজ্ঞ। (সূরা হুদ : ৯)। আর যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গণনা করো তবে তা গুনে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ মারাত্মক জালেম, অকৃতজ্ঞ। (সূরা ইবরাহিম : ৩৪)। আর মানুষ অকল্যাণ কামনা করে থাকে যেভাবে সে কল্যাণ কামনা করে, আর মানুষ তো খুবই তাড়াহুড়াপ্রিয়। (সূরা বনি ইসরাইল : ১১)। আর মানুষ তো অতিশয় কৃপণ। (সূরা বনি ইসরাইল : ১০০)। আর মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক তর্কপ্রিয়। (সূরা কাহাফ : ৫৪)। সৃষ্টিগতভাবে মানুষ ত্বরাপ্রবণ। আমি সত্বরই তোমাদের আমার নিদর্শনাবলি দেখাব, অতএব আমাকে তাড়াহুড়া করতে বলো না। (সূরা আম্বিয়া : ৩৭)। নিশ্চয় আমি আকাশ-পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে এ আমানত পেশ করেছিলাম, অতঃপর তারা একে বহন করতে অস্বীকার
নিউইয়র্কের জামাইকা মুসলিম সেন্টার :: ইবাদতের তীর্থ স্থান

নিউইয়র্কের জামাইকা মুসলিম সেন্টার :: ইবাদতের তীর্থ স্থান

মাহফুজ আদনান ::: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কলম্বাসের আগে মুসলমানদের আগমণ একটি ইতিহাস । এমনকি কলম্বাস আসার সময় দুজন মুসলমান তাদের সাথে এসেছিলেন । তাই যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে অগণিত প্রাচীণ মসজিদ । অগণিত প্রাচীণ নিদর্শন । নিউইয়র্কে সময়ের ব্যবধানে অনেক মসজিদ বাংলাদেশী আমেরিকানসহ পাকিস্তানি ইনডিয়ান বা আরবের লোকজন দ্বারা নির্মিত হয়েছে । এই মসজিদ গুলো বয়স্কদের জন্য যেমন একটি প্রিয় স্থান তেমনি সকল বয়সীদের জন্য মিলনমেলা স্থল । সেখানে প্রতি ওয়াক্তের নামাযে যারা আসেন তারা যেমন অনেকের সাথে দেখা হয় কথা হয় । কুশল বিনিময় হয় । সবাই একসাথে নামায আদায় করেন । এ যেন অন্যরকম একটি প্রশান্তি দান করে সকল বয়সিদের । জামাইকা মুসলিম সেন্টার । ১৯৭৬ সালে ছোট্র পরিসরে একটি এপার্টমেন্টে যাত্রা শুরু করেছিল নিউইয়র্কের অন্যতম এই মসজিদ । সময়ের ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩ সালের ২৫ আগষ্ট ইনকরপোরেটেড হয় । এরপর ১৯৮৫ সালের
ভারতের শীর্ষ আলেম আল্লামা সালেম কাসেমির ইন্তেকাল

ভারতের শীর্ষ আলেম আল্লামা সালেম কাসেমির ইন্তেকাল

বিশ্ব বিখ্যাত দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভারতের দারুল উলুম ওয়াকফ দেওবন্দের মুহতামিম (প্রিন্সিপাল) ও শাইখুস হাদিস, হাকিমুল ইসলাম মাওলানা ক্বারী তৈয়ব সাহেব রহ. এর সাহেবজাদা, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সাবেক সহ-সভাপতি,  খতিবুল ইসলাম আল্লামা সালেম কাসেমি আজ শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টায় দেওবন্দস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন৷ ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। জানা যায়, আল্লামা সালেম কাসেমি বেশ কিছুদিন যাবৎ গুরুতর অসুস্থ ছিলেন৷ অসুস্থতা তীব্র আকার ধারণ করলে তাকে স্থানীয় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ কিছুদিন ভর্তি থাকার পর তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি দেখা দেয়৷ ফলে ডাক্তাররা তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেন। কিন্তু গতকাল শুক্রবার থেকে তার অবস্থা আবার উদ্বেগজনক হয়ে পড়ে। হুজ্জাতুল ইসলাম একাডেমির চেয়ারম্যান মাওলানা ডা. শাকিব কাসেমি জানান, তিনি আজ থেকে পাঁচ দিন পূর্বে হাসপাতাল