ধর্ম

নিউইয়র্কের জামাইকা মুসলিম সেন্টার :: ইবাদতের তীর্থ স্থান

নিউইয়র্কের জামাইকা মুসলিম সেন্টার :: ইবাদতের তীর্থ স্থান

মাহফুজ আদনান ::: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কলম্বাসের আগে মুসলমানদের আগমণ একটি ইতিহাস । এমনকি কলম্বাস আসার সময় দুজন মুসলমান তাদের সাথে এসেছিলেন । তাই যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে অগণিত প্রাচীণ মসজিদ । অগণিত প্রাচীণ নিদর্শন । নিউইয়র্কে সময়ের ব্যবধানে অনেক মসজিদ বাংলাদেশী আমেরিকানসহ পাকিস্তানি ইনডিয়ান বা আরবের লোকজন দ্বারা নির্মিত হয়েছে । এই মসজিদ গুলো বয়স্কদের জন্য যেমন একটি প্রিয় স্থান তেমনি সকল বয়সীদের জন্য মিলনমেলা স্থল । সেখানে প্রতি ওয়াক্তের নামাযে যারা আসেন তারা যেমন অনেকের সাথে দেখা হয় কথা হয় । কুশল বিনিময় হয় । সবাই একসাথে নামায আদায় করেন । এ যেন অন্যরকম একটি প্রশান্তি দান করে সকল বয়সিদের । জামাইকা মুসলিম সেন্টার । ১৯৭৬ সালে ছোট্র পরিসরে একটি এপার্টমেন্টে যাত্রা শুরু করেছিল নিউইয়র্কের অন্যতম এই মসজিদ । সময়ের ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩ সালের ২৫ আগষ্ট ইনকরপোরেটেড হয় । এরপর ১৯৮৫ সালের
ভারতের শীর্ষ আলেম আল্লামা সালেম কাসেমির ইন্তেকাল

ভারতের শীর্ষ আলেম আল্লামা সালেম কাসেমির ইন্তেকাল

বিশ্ব বিখ্যাত দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভারতের দারুল উলুম ওয়াকফ দেওবন্দের মুহতামিম (প্রিন্সিপাল) ও শাইখুস হাদিস, হাকিমুল ইসলাম মাওলানা ক্বারী তৈয়ব সাহেব রহ. এর সাহেবজাদা, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সাবেক সহ-সভাপতি,  খতিবুল ইসলাম আল্লামা সালেম কাসেমি আজ শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টায় দেওবন্দস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন৷ ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। জানা যায়, আল্লামা সালেম কাসেমি বেশ কিছুদিন যাবৎ গুরুতর অসুস্থ ছিলেন৷ অসুস্থতা তীব্র আকার ধারণ করলে তাকে স্থানীয় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ কিছুদিন ভর্তি থাকার পর তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি দেখা দেয়৷ ফলে ডাক্তাররা তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেন। কিন্তু গতকাল শুক্রবার থেকে তার অবস্থা আবার উদ্বেগজনক হয়ে পড়ে। হুজ্জাতুল ইসলাম একাডেমির চেয়ারম্যান মাওলানা ডা. শাকিব কাসেমি জানান, তিনি আজ থেকে পাঁচ দিন পূর্বে হাসপাতাল
ঘুমের আগে যেসব কাজ নিষিদ্ধ

ঘুমের আগে যেসব কাজ নিষিদ্ধ

ধর্ম
আল্লাহ তাআলা ঘুম সম্পর্কে কুরআনে পেশ করেন, `আমি তোমাদেরকে (নর-নারী) সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়। তোমাদের ঘুম বা নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী বিশ্রাম স্বরূপ। (ঘুমানের জন্য) রাতকে (কালো) আবরণে আবৃত করেছি।` (সুরা আন-নাবা; আয়াত -৮- ১০) ঘুমের আগে ও পরে কিছু করণীয় কাজ রয়েছে। ঈমানদার মুমিন বান্দা ঘুমের আগে সতকর্তামূলক কিছু কাজ নিজেদের জন্য আবশ্যক করে নেয়। কারণ ঘুম মৃতু্যর ন্যায়। ঘুমের ঘোরে মানুষের দ্বারা যেন অসতর্কতায় কোনো গোনাহ না হয়ে যায়, সে জন্য সতর্ক থাকা জরুরি। আর তাহলো- >> শরীরের গুপ্তাঙ্গের কাপড় খুলে যাওয়ার আশংকা থাকে এমনভাবে না ঘুমানো। (যাদুল মাআদ) >> প্রয়োজনে ঘুমের আগে লুঙ্গি বা ইজার নিচের দিক থেকে গিট দিয়ে বেধে নেয়া। >> চিৎ হয়ে শুয়ে এক পা খাড়া করে রেখে অন্য পা এ পায়ের ওপর না রাখা। (মুসলিম) >> উপুড় হয়ে শুয়ে না ঘুমানো। (তিরমিজি) >> ঘেরাও বা
আল্লাহর নৈকট্য লাভে অন্তরকে নরম করার উপায়

আল্লাহর নৈকট্য লাভে অন্তরকে নরম করার উপায়

ইসলামের ফিতরাতের ওপরই মানুষ জন্ম লাভ করে। জন্ম থেকেই মানুষের অন্তর দরদ শূন্য হয় না। শিশুদের প্রতি তাকালেই প্রমাণ পাওয়া যায়। কারণ দুনিয়ার প্রতিটি শিশুই স্বভাব সুলভভাবে প্রত্যেককে অকাতরে মিষ্টি হাসি উপহার দেয়। এ থেকে প্রমাণ হয় যে আল্লাহ তাআলা মানুষের হৃদয়কে কঠিন করে সৃষ্টি করেন না। মানুষ যেভাবে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে কঠিন ও শক্ত হতে থাকে তেমনি মানুষের অন্তরও বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কঠিন হতে থাকে। তবে সব মানুষের অন্তর কঠিন হয় না। ইসলামের এমন কিছু আচার ও নিয়ম রয়েছে যা পালনে মানুষের অন্তর শিশুদের মত নিষ্পাপ ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের উপযোগী হয়। হাদিসে হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ৪ টি জিনিস (মানুষের) দুর্ভাগ্যের অন্তর্গত- ১. আল্লাহর ভয়ে চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত না হওয়া; ২. অন্তর শক্ত হয়ে যাওয়া; ৩. (অতিরিক্ত) আশা বৃদ্ধি
মুমিনের ব্যবহার কেমন হওয়া চাই?

মুমিনের ব্যবহার কেমন হওয়া চাই?

কথায় আছে ‘ব্যবহারে বংশর পরিচয়।’ যুগ বদলেছে। যুগের তরিতে ডিজিটালের হাওয়া লেগেছে। তাই এখন অনেক পন্ডিতরা 'ব্যবহারে বংশের পরিচয়' কথাটি মানতে রাজি না। তারা এটাকে চেঞ্জ করে বলতে শুরু করেছেন-'ব্যবহারে বংশের নয়, পিতৃ পরিচয় মিলে'। তাদের যুক্তি হচ্ছে-লোকটির বংশের পূর্ব পুরুষরা হয়তো অনেক ভাল ব্যবহার করতেন, ভাল আচরণে অব্যস্থ ছিলেন। এক সিঁড়ি বা একধাপ অতীতকে পরিচয় করা যায়। তবে আমি অধম এটাও মানতে রাজি না। হতে পারে তাঁর পিতা খুব উত্তম/চরিত্র মাধুর্যে ভরপুর লোক ছিলেন। ছেলে কিংবা মেয়ে কিংবা পরবর্তী জেনারেশন যুগের হাওয়ায় নতুবা ফ্রেন্ড সার্কেলের পাল্লায় পড়ে পিতার আদর্শ থেকে বিয়োগ হয়ে পড়েছে। তবে যে যাই বলুক, সব ধর্মই ভালো ব্যবহারের দিকনির্দশনা দিয়েছে। গুণীজনরা এটা নিয়ে ভেবেছেন। কবিরা কবিতা লিখেছেন। কলামিস্টরা ব্যবহার নিয়ে আর্টিকেল লিখেছেন। আমরা ইসলাম ধর্মের অনুসারী। সাচ্চা মুসলমান হই বা ন্ াহই, এটা বড় কথা নয়,
একজন মুসলিমের প্রাত্যহিক জীবন কেমন হওয়া উচিৎ ?

একজন মুসলিমের প্রাত্যহিক জীবন কেমন হওয়া উচিৎ ?

আল্লাহ তাআলার আদেশ মেনে চলা ও তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকতে চাইলে একজন মুসলিমকে যে বিষয়ে বিশেষভাবে মনোযোগী হওয়া উচিৎ, তা হল তার প্রাত্যহিক রুটিন। একজন মুসলিম কখন ঘুম থেকে উঠবে, রাতে কখন বিছানায় যাবে – এ সকল বিষয়ে ইসলামের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। হাদীসে বর্ণিত: عَنْ صَخْرٍ الْغَامِدِىِّ عَنِ النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ « اللَّهُمَّ بَارِكْ لأُمَّتِى فِى بُكُورِهَا ». وَكَانَ إِذَا بَعَثَ سَرِيَّةً أَوْ جَيْشًا بَعَثَهُمْ فِى أَوَّلِ النَّهَارِ. وَكَانَ صَخْرٌ رَجُلاً تَاجِرًا وَكَانَ يَبْعَثُ تِجَارَتَهُ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ فَأَثْرَى وَكَثُرَ مَالُهُ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهُوَ صَخْرُ بْنُ وَدَاعَةَ ১) সাখর আল গামিদী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: হে আল্লাহ আপনি দিনের অগ্রভাগে আমার উম্মাতের জন্য বরকত দিন। এবং তিনি যখন
আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক

আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক

ধর্ম
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি মানব দেহকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করা সত্ত্বেও আসল মানব সত্তার মধ্যে এমন রুহানি শক্তি দান করেছেন, যার ফলে মানুষের মধ্যে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার এক অদম্য বাসনা জাগে। দরুদ ও সালাম ওই রসুলের প্রতি যিনি আল্লাহকে ভালোবাসার বাস্তব উদাহরণ স্থাপন করে মানুষকে এ পথে আসার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন। হে আল্লাহর বান্দাগণ, কিসের টানে সব কাজকর্ম ফেলে রেখে আল্লাহর ঘরে হাজির হয়েছেন? নিশ্চয়ই আল্লাহর সঙ্গে এমন কোনো সম্পর্ক আছে বলেই আপদে-বিপদে আমরা তারই দুয়ারে ধরনা দিই। দুনিয়া ও আখিরাতে তাকেই আমরা আশ্রয় মনে করি। তিনি ছাড়া আর কোনো শক্তি নেই যার ওপর সামান্য ভরসা করা চলে। তাই সেই আল্লাহর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কীরূপ হওয়া উচিত তা আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যারা আল্লাহর প্রতি ইমান রাখে তারাই আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মাথা ঘামায়। তাদের জন্যই আল্লাহ স্বয়ং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান দা
গিবত মানবাত্মার ভয়াবহ ব্যাধি

গিবত মানবাত্মার ভয়াবহ ব্যাধি

ধর্ম
গিবত বা পরনিন্দা মানবাত্মার একটি ভয়াবহ ব্যাধি। যে মানুষ এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় সে তার সুবিবেচনা ও সুনীতি হারিয়ে ফেলে। গিবত বা পরনিন্দার প্রবণতা এক মানুষের সঙ্গে অন্য মানুষের সুসম্পর্কে ভাঙন সৃষ্টি করে। ইসলামে ব্যভিচার জঘন্য অপরাধের একটি। কিন্তু গিবত বা পরনিন্দা তার চেয়েও ঘৃণ্য ও নিন্দনীয়। শরিয়তের পরিভাষায় গিবত বলা হয় কারও অনুপস্থিতিতে তার এমন কোনো দোষ অন্যের কাছে বর্ণনা করা যা শুনলে সে কষ্ট পাবে। প্রকৃতপক্ষে যদি তার মধ্যে সেই দোষ থাকে তাহলে তা হবে গিবত, আর যদি না থাকে তবে তা অপবাদ। মূলত অপবাদ গিবতের চেয়েও নিকৃষ্ট। ইসলামের দৃষ্টিতে গিবত করা ও শ্রবণ করা দুটিই সমান অপরাধ। জীবিত মানুষের গিবত করা যেমন হারাম, মৃত মানুষের গিবত করাও তেমন হারাম। গিবত জেনার চেয়েও নিকৃষ্ট ও আপন মৃত ভাইয়ের গোশত ভক্ষণ করার সমান। মহান আল্লাহ আল কোরআনে গিবত থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা একে অন্যের
সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে চাঁদ দেখা কমিটি

সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে চাঁদ দেখা কমিটি

১৪৩৯ হিজরি সনের শবে মেরাজের তারিখ নির্ধারণে আজ বৈঠকে বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেলে ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭ টেলিফোন ও ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মুমিনের ব্যবহার কেমন হওয়া চাই?

মুমিনের ব্যবহার কেমন হওয়া চাই?

কথায় আছে ‘ব্যবহারে বংশর পরিচয়।’ যুগ বদলেছে। যুগের তরিতে ডিজিটালের হাওয়া লেগেছে। তাই এখন অনেক পন্ডিতরা 'ব্যবহারে বংশের পরিচয়' কথাটি মানতে রাজি না। তারা এটাকে চেঞ্জ করে বলতে শুরু করেছেন-'ব্যবহারে বংশের নয়, পিতৃ পরিচয় মিলে'। তাদের যুক্তি হচ্ছে-লোকটির বংশের পূর্ব পুরুষরা হয়তো অনেক ভাল ব্যবহার করতেন, ভাল আচরণে অব্যস্থ ছিলেন। এক সিঁড়ি বা একধাপ অতীতকে পরিচয় করা যায়। তবে আমি অধম এটাও মানতে রাজি না। হতে পারে তাঁর পিতা খুব উত্তম/চরিত্র মাধুর্যে ভরপুর লোক ছিলেন। ছেলে কিংবা মেয়ে কিংবা পরবর্তী জেনারেশন যুগের হাওয়ায় নতুবা ফ্রেন্ড সার্কেলের পাল্লায় পড়ে পিতার আদর্শ থেকে বিয়োগ হয়ে পড়েছে। তবে যে যাই বলুক, সব ধর্মই ভালো ব্যবহারের দিকনির্দশনা দিয়েছে। গুণীজনরা এটা নিয়ে ভেবেছেন। কবিরা কবিতা লিখেছেন। কলামিস্টরা ব্যবহার নিয়ে আর্টিকেল লিখেছেন। আমরা ইসলাম ধর্মের অনুসারী। সাচ্চা মুসলমান হই বা ন্ াহই, এটা বড় কথা নয়,